রাজকূট এবার জমে উঠতে পারে।
লড়াই এবার জমে উঠছে।
লড়াই জমে উঠার কথাই ছিল।
দেখার বিষয় ছিল মানুষের লড়াইয়ে নেত্রিত্ত বিএনপি দিতে পারে কি না পারে!
অসংখ্য জন গুরুত্তপূর্ন ইস্যুকে মোটেও পুজি করতে পারেনি বিএনপি।
অসংখ্য নারী ধর্ষিত হয়েছে ;অথছ একজন দিনাজপুরের ইয়াসমিন তৈরি হয়নি।
সারের মূল্য বৃদ্ধীতে অনেক প্রান্তিক কৃষক ভিটেমাটি হারিয়েছে কিন্তু তাদের সাথে একাত্মবোধ দেখাতে পারেনি এলিট বিএনপি।
গ্যাস বিদ্যুৎ নিয়ে হরিলুট চলেছে কিন্তু একটা কানসার্ট আন্দালন গড়ে ওঠেনি।
পানি বিদ্যুতের অভাবে মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস উঠেছে অথছ একজন দৌড় সালাউদ্দিনের জন্ম দিতে পারেনি বিএনপি।
শিক্ষাখাতে নকলের মহা-উতসব হয়েছে এবং হচ্ছে, মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যাবস্থা ভেঙে দেবার হুমকি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হচ্ছে, উচ্চশিক্ষা কোটাবদ্ধ হচ্ছে ; এই সময় "মাজেদ শিক্ষা কমিশন" বিরোধী আন্দালনের মত ছাত্র-বিদ্রহ জমে উঠাতে পারি নায় আমরা।
খুব সিম্পল এবং চটুল কিছু ঊধাহরন দিলাম মাত্র। গভীরে নায় বা যায়।
এই মোটাদাগের উধাহরন এই জন্য দিলাম যাতে আমাদের বিচ্যুতিযুক্ত চরিত্রটা বুঝতে সুবিধা হয়।
আগের কথাতে ফিরে যায়।
প্রশ্ন ১।
বিএনপি কি এই লড়ায়ের নেত্রীত্তে আছে আদেও।
২।
মানুষ কি আদেও বিশ্বাস করছে বিএনপি কে?
প্রথম প্রশ্নের উত্তর পজেটিভ।
হ্যা বিএনপি এখনো দৃশ্যত নেত্রিত্ত দিচ্ছে।
দ্বিতীয় উত্তর
নেগেটিভ। না মানুষ বিএনপি কে বিশ্বাস করছে না।
কেন করছে না সেই কৈফত দিয়ে নেই।
গ্যাস বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করতে কি সরকারকে বেগ পেতে হয়েছিল?
বেগম জিয়া কে বাড়ি ছাড়া করতে যেয়ে কি সরকার প্রতিরোধের মুখে পরেছিল?
আমার দেশ, চ্যানেল ওয়ান, দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি বন্ধ করার পরে বিএনপি কি পেরেছিল গ্রহন যোগ্য আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া আনতে?
সমুদ্র সীমা জয়ের Make over গল্প,র মিথ্যা উৎসবের রঙর উপর আমাদের অনলাইন এ্যক্টিভিস্টরা যে যুক্তিজাল তৈরি করেছিল, বিএনপি কি পেরেছিল যথাযথ ভাবে মানুষের মগজ ধোলাই দিয়ে সেইসব যুক্তি গুলি কে হজম করাতে?
UN সেক্রেটারি বান কি মুন বা UK প্রধান মন্ত্রীর সাথে ফটো সেশন প্রপাগান্ডা কি এক মানব জমিন ব্যাতীত অন্য কোন কুয়ালিটিফুল পত্রীকাতে এসেছিল?
খোদ বিএনপি,র মূখপাত্র "দৈনিক দিনকাল" বলুন তো বুকে হাত দিয়ে বিএনপি,র অন্ধ কোন সমর্থক কি আছে যে এই দিনকালের নিউজ কুয়ালিটিকে গ্রহণ যোগ্য মানে?
গেল বছরের গাজিপুর সম্মেলন ব্যার্থ হবার আগে যে হুমকি বিএনপি দিয়েছিল তা কি আষারে গর্জন ছিল না?
এর কদিন পরের সোরয়ার্দি সম্মেলন কি পিছুহটা ছিল না?
টানা ৯০ দিনের আবোরধে আপনি কি প্রকৃত অর্থেই অবরুদ্ধ ছিলেন?
উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেওয়া কি আত্মঘাতি ছিলো না?
ইলিয়াস আলি হারিয়ে গেলো, সালাউদ্দিন হারিয়ে গেলো! কিছু কি উলট পালট ঘটাতে পেরেছে বিএনপি?
এর পরে যখন হাত পরবে স্থায়ী কমিটি,র দিকে তখন কি করবে বিএনপি?
দলীয় নেতা গুমের নিরবিচ্ছন্ন ঘটনাতে কিচ্ছু করতে না পারাতে সাধারন মানুষে বিশ্বাসে চির ধরবে স্বাভাবিক।
এই সব পারা না পারা,র সমীকরণ ছিল এবারের নির্বাচন।
আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি উভয় দলের জন্য।
অনেকে যেমনটা ভাবছিলেন যে আন্দালন থেমে যাবার পেছনে কোন বোঝাপড়ার কলকাঠি ছিল। আজকের যুগপৎ ইলেকশন ইঞ্জিয়ারিং এবং ইলেকশন বর্জন স্পষ্টত প্রমান করে দিল কোন ধরনের বোঝাপড়া ব্যাতীত আন্দালনে ইস্তফা দেওয়া হয়েছিল।
হতে পারে রাজনীতি,র খেলার অংশ হিসাবেই আন্দালনে স্থবিরতা এবং নির্বাচনে অংশ নেওয়া বা বর্জনের পরিবেশ সৃস্টি হয়েছে।
নির্বাচনের ঘোষনার মাধ্যমে আওয়ামীলীগ প্রতিকুল মাঠে বল দিয়েছিল বিএনপি,র কোর্টে। বিএনপি সেই বল রিভার্স সুইং করে পাঠালো আওয়ামীলীগের এন্ডে।
সর্ট কোনদিকে খেলবে আওয়ামীলীগ তার উপর নির্ভর করছে আগামীতে দেশের গনতন্ত্রের বার্তা।
বিএনপি কে জিততে জিততে হলে এখনি অফেন্সিভ মুডে যেতে হবে। নিজের রেড জোনে বল ড্রিবলিং করা কোন কাজের কথা না।
বিএনপি,র জয়ের পথ একটাই ; তা হচ্ছে আওয়ামীপন্থী প্রশাসনের পতন ঘটানো।এই ঘটনা ঘটাতে হলে সাধারন মানুষ এবং নেতা কর্মিদের বিশ্বাস আগে ফেরাতে হবে।
এই বিশ্বাস ফেরানোর পথে এখন একটু একটু করে এগিয়েছে বিএনপি।
বিএনপি,র জিতার অর্থ একটাই ;সরকারের ক্লিয়ার পতন।
রাজনৈতিক আক্রমন গুলি প্র-এ্যক্টিভ হলে ব্যাপারটা Simple
অপেক্ষা শুধু কয়েকটা Sample...
লড়াই এবার জমে উঠছে।
লড়াই জমে উঠার কথাই ছিল।
দেখার বিষয় ছিল মানুষের লড়াইয়ে নেত্রিত্ত বিএনপি দিতে পারে কি না পারে!
অসংখ্য জন গুরুত্তপূর্ন ইস্যুকে মোটেও পুজি করতে পারেনি বিএনপি।
অসংখ্য নারী ধর্ষিত হয়েছে ;অথছ একজন দিনাজপুরের ইয়াসমিন তৈরি হয়নি।
সারের মূল্য বৃদ্ধীতে অনেক প্রান্তিক কৃষক ভিটেমাটি হারিয়েছে কিন্তু তাদের সাথে একাত্মবোধ দেখাতে পারেনি এলিট বিএনপি।
গ্যাস বিদ্যুৎ নিয়ে হরিলুট চলেছে কিন্তু একটা কানসার্ট আন্দালন গড়ে ওঠেনি।
পানি বিদ্যুতের অভাবে মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস উঠেছে অথছ একজন দৌড় সালাউদ্দিনের জন্ম দিতে পারেনি বিএনপি।
শিক্ষাখাতে নকলের মহা-উতসব হয়েছে এবং হচ্ছে, মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যাবস্থা ভেঙে দেবার হুমকি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হচ্ছে, উচ্চশিক্ষা কোটাবদ্ধ হচ্ছে ; এই সময় "মাজেদ শিক্ষা কমিশন" বিরোধী আন্দালনের মত ছাত্র-বিদ্রহ জমে উঠাতে পারি নায় আমরা।
খুব সিম্পল এবং চটুল কিছু ঊধাহরন দিলাম মাত্র। গভীরে নায় বা যায়।
এই মোটাদাগের উধাহরন এই জন্য দিলাম যাতে আমাদের বিচ্যুতিযুক্ত চরিত্রটা বুঝতে সুবিধা হয়।
আগের কথাতে ফিরে যায়।
প্রশ্ন ১।
বিএনপি কি এই লড়ায়ের নেত্রীত্তে আছে আদেও।
২।
মানুষ কি আদেও বিশ্বাস করছে বিএনপি কে?
প্রথম প্রশ্নের উত্তর পজেটিভ।
হ্যা বিএনপি এখনো দৃশ্যত নেত্রিত্ত দিচ্ছে।
দ্বিতীয় উত্তর
নেগেটিভ। না মানুষ বিএনপি কে বিশ্বাস করছে না।
কেন করছে না সেই কৈফত দিয়ে নেই।
গ্যাস বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করতে কি সরকারকে বেগ পেতে হয়েছিল?
বেগম জিয়া কে বাড়ি ছাড়া করতে যেয়ে কি সরকার প্রতিরোধের মুখে পরেছিল?
আমার দেশ, চ্যানেল ওয়ান, দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি বন্ধ করার পরে বিএনপি কি পেরেছিল গ্রহন যোগ্য আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া আনতে?
সমুদ্র সীমা জয়ের Make over গল্প,র মিথ্যা উৎসবের রঙর উপর আমাদের অনলাইন এ্যক্টিভিস্টরা যে যুক্তিজাল তৈরি করেছিল, বিএনপি কি পেরেছিল যথাযথ ভাবে মানুষের মগজ ধোলাই দিয়ে সেইসব যুক্তি গুলি কে হজম করাতে?
UN সেক্রেটারি বান কি মুন বা UK প্রধান মন্ত্রীর সাথে ফটো সেশন প্রপাগান্ডা কি এক মানব জমিন ব্যাতীত অন্য কোন কুয়ালিটিফুল পত্রীকাতে এসেছিল?
খোদ বিএনপি,র মূখপাত্র "দৈনিক দিনকাল" বলুন তো বুকে হাত দিয়ে বিএনপি,র অন্ধ কোন সমর্থক কি আছে যে এই দিনকালের নিউজ কুয়ালিটিকে গ্রহণ যোগ্য মানে?
গেল বছরের গাজিপুর সম্মেলন ব্যার্থ হবার আগে যে হুমকি বিএনপি দিয়েছিল তা কি আষারে গর্জন ছিল না?
এর কদিন পরের সোরয়ার্দি সম্মেলন কি পিছুহটা ছিল না?
টানা ৯০ দিনের আবোরধে আপনি কি প্রকৃত অর্থেই অবরুদ্ধ ছিলেন?
উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেওয়া কি আত্মঘাতি ছিলো না?
ইলিয়াস আলি হারিয়ে গেলো, সালাউদ্দিন হারিয়ে গেলো! কিছু কি উলট পালট ঘটাতে পেরেছে বিএনপি?
এর পরে যখন হাত পরবে স্থায়ী কমিটি,র দিকে তখন কি করবে বিএনপি?
দলীয় নেতা গুমের নিরবিচ্ছন্ন ঘটনাতে কিচ্ছু করতে না পারাতে সাধারন মানুষে বিশ্বাসে চির ধরবে স্বাভাবিক।
এই সব পারা না পারা,র সমীকরণ ছিল এবারের নির্বাচন।
আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি উভয় দলের জন্য।
অনেকে যেমনটা ভাবছিলেন যে আন্দালন থেমে যাবার পেছনে কোন বোঝাপড়ার কলকাঠি ছিল। আজকের যুগপৎ ইলেকশন ইঞ্জিয়ারিং এবং ইলেকশন বর্জন স্পষ্টত প্রমান করে দিল কোন ধরনের বোঝাপড়া ব্যাতীত আন্দালনে ইস্তফা দেওয়া হয়েছিল।
হতে পারে রাজনীতি,র খেলার অংশ হিসাবেই আন্দালনে স্থবিরতা এবং নির্বাচনে অংশ নেওয়া বা বর্জনের পরিবেশ সৃস্টি হয়েছে।
নির্বাচনের ঘোষনার মাধ্যমে আওয়ামীলীগ প্রতিকুল মাঠে বল দিয়েছিল বিএনপি,র কোর্টে। বিএনপি সেই বল রিভার্স সুইং করে পাঠালো আওয়ামীলীগের এন্ডে।
সর্ট কোনদিকে খেলবে আওয়ামীলীগ তার উপর নির্ভর করছে আগামীতে দেশের গনতন্ত্রের বার্তা।
বিএনপি কে জিততে জিততে হলে এখনি অফেন্সিভ মুডে যেতে হবে। নিজের রেড জোনে বল ড্রিবলিং করা কোন কাজের কথা না।
বিএনপি,র জয়ের পথ একটাই ; তা হচ্ছে আওয়ামীপন্থী প্রশাসনের পতন ঘটানো।এই ঘটনা ঘটাতে হলে সাধারন মানুষ এবং নেতা কর্মিদের বিশ্বাস আগে ফেরাতে হবে।
এই বিশ্বাস ফেরানোর পথে এখন একটু একটু করে এগিয়েছে বিএনপি।
বিএনপি,র জিতার অর্থ একটাই ;সরকারের ক্লিয়ার পতন।
রাজনৈতিক আক্রমন গুলি প্র-এ্যক্টিভ হলে ব্যাপারটা Simple
অপেক্ষা শুধু কয়েকটা Sample...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন