সোমবার, ১৮ মে, ২০১৫

৩ অক্ষ শক্তি

কাঠমোল্লা-বাম-রাম মিলে নতুন জোট গঠনের রিহার্সেল চলছে।

প্রেস ক্লাব থেকেই শুরু।
সাদা, লাল নীল সব মিলিয়ে এবার দেখবেন এক কুৎসিত কালোরঙ।
অবশ্য যারা রাজনীতির খোজ রাখেন তারা আগেও দেখেছেন এমন বিকলাঙ্গ জোট।

তুই ব্যাটা বাংগালী প্রস্তুত হ আবার।

দুই ভিন্ন জগতের আদর্শিক চেতনা এক যায়গাতে হয় শুধু জল ঘোলা করার জন্য।
অবশ্য আদর্শ নামের কিছু আদৌ যদি থাকে।

একজনের কোমরে রগ কাটা চাকু, একজনের হাতে বৈঠা মারার লগী
অন্য জনের লুঙ্গীর কোচে ঘাড় নামানোর হাত কুড়াল ।

এবার শালা গনতন্ত্র বোঝ।

মুজিবিয় আমলে এদের তিন দল একসাথেই রাজনৈতিক অধিকার হারিয়ে ছিল আবার জিয়ার গনতান্ত্রীক মূল্যবোধের কারনে এই তিন উগ্রবাদী দল এক সাথেই তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পেয়েছিল।

৭১ এর পরে বাম এবং আওয়ামীলীগ হয়েছিল চরম দুই শত্রু, দু পক্ষ মিলেই রক্তের ফিনকি ছুটাতো সদ্য স্বাধীন বাংলার মাটিতে।

প্রায় ৩০,০০০ বাম কর্মি খুন গুমের স্বীকার হয়েছিল আওয়ামী লাল বাহিনীর হাতে যাদের অনেকেই ছিল মুক্তি ফৌজ।

এর পরে জামাতের আগমনের পরে জামাত-লীগ কদাকার রাজনীতি শুরু করে নিজেদের মধ্যে।

বহুদলীয় ডেমোক্রেসির সুবাদে রাজনীতিতে ভাগ্যক্রমে ফিরতে পারলেও বহুদলীয় গনতন্ত্রের মূল বিশ্বাস কে তারা মানতে পারেনি কখনোই।

এবং বামপন্থীদের সাথে মৌলপন্থী জামাতের সাপে-নেউলে খেলা নিয়ে তো নতুন করে কিচ্ছু বলার নেই। আমরা বর্তমানের দিকে তাকালেই দেখতে পায় ইনু, মেনন, মতিয়ারা, হাসিনার সাথে দাঁড়িপাল্লাতে ওজন দিয়ে গালাগালি তে নামেন ; কে কত বেশি খিস্তি খেউর উগরে দিতে পারেন।

এরা তিন দল প্রকৃত অর্থে সবাই সবার পিছে ঢাল হয়ে থাকে যদিও সবার হাতেই কাঠি একখানা ধরাই থাকে।

৯০ এর গনবিপ্লবের পর থেকেই এই পঙ্কিল অক্ষশক্তি যাত্রা , রথযাত্রা তে পরিনত হয়।

এর মাঝে বিএনপি নিজেও জোট বেধেছিল মোল্লাবাদী জামাতের সাথে।

যারা বিএনপি জামাতের উক্ত জোটকে ভোটের জোট বলেন তারা সত্যের অপলাপ বলেন, যারা আদর্শগত জোট বলেন তারা প্রোপাগান্ডা মেশিনের উর্বশী, মক্ষীরানি।

জাতীয়তাবাদ বিরোধী অক্ষশক্তি যখন ৯০ পরবর্তিতে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে তখন তাণ্ডবলীলা কারীদের বলয় ভাঙতেই জামাতকে যোগ করে বিএনপি।

বিএনপি,র ভেতর পিছিয়ে পরা অযোগ্য নেতারা তখন এই জামাতকে তুরুপের তাশ বানিয়ে তিল থেকে তাল প্রদর্শন করে।

শীর্ষ নেত্রীত্বের সহনশীলোতাতে এই পরগাছা জামাত, দলের শিকরে হাত দেবার চেস্টা চালায়।

দেখুন আপনাদের যারা জামাত নিয়ে গর্বে গদগদ থকেন তারা বলুন তো একক নির্বাচনে জামাতের প্রাপ্ত আসনের সংখ্যা কতো?

বিএনপি ভূল করলে তার খেসারত বিএনপি দেবে ; আমি আপনি কেও কাউকে কর্মফল থেকে উদ্ধার করতে পারবো না।

সম্ভাব্য অক্ষ জোটে ফিরে আসি।

এই অক্ষ শক্তির প্রধান নিয়ামক আওয়ামীলিগ, এরা ক্ষমতাতে এসে নিজ দলকে সহ ব্যান করেছিল অন্য সকল রাজনৈতিক দল..
কখনো স্যেকুলার বেশে কখনো জামাতের হাত ধরে, কখনো বামদের হাত ধরে নিজের আদর্শ বেচা-বাট্টা করে বেরিয়েছে।

জামাত কে দেখেন ডান্ডাবেড়ি,র ভয়ে তাদের রাজনৈতিক বর্ডার লাইন
"আল্লাহর আইন কে সাইড লাইনে বসিয়ে এখন মাখলুকাতের আইনকে মাঠে নামিয়ে দিয়েছে"

কি সেলুকাস

আজীবন জামানত বাজেয়াপ্ত বাম কুকর্মের কথা বলতে আজ রুচি হচ্ছে না।

ব্যাক্তিগত ভাবে আমি অধির আগ্রহ নিয়ে বসে আছি আওয়ামী-জামাত-বাম অর্থাৎ
মুজিব-নিজামী-বাদলদের রাজনৈতিক বুঙ্গা-বুঙ্গা দেখার জন্য।

ব্যাভিচারী রাজনীতির দাঁতাল কামড়ে সবুজ উড়না উরে গেলে আমাদের ক্যান গাত্রদাহ হবে?

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন