আদার ব্যাপারী জাহাজের খোঁজ রাখবে ; কোন কথা হল?
খোঁজ না রেখে উপাই আছে?
আদা তো চাইনা থেকে জাহাজে ইম্পোর্ট হয়।
আজ হটাৎ দেখলাম আমাদের গড় কামাই নাকি $200 বৃদ্ধি পেয়েছে।
১১৯০ ডলার থেকে ১৩৬০ ডলার হয়েছে।
এই কারনেই আমার আজ জাহাজের খবর নেওয়ার ইচ্ছা হচ্ছে...
বিগত ছয় বছরে সমগ্র বাংলাদেশে বিশেষত ঢাকা সিটিতে জীবনযাত্রা,র খরচ বেড়ে গিয়েছে শতকরা ৬০%।
বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যেমন চাল, মাংস, বিদ্যুৎ, বাড়ি ভাড়া ও পরিবহন ভাড়া এই সবের দাম বৃদ্ধি হয়েছে সবচেয়ে বেশী ।
মূল্য বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার খরচ মেটাতে দেশের অল্প এবং নির্দিষ্ট আয়ের পরিবার গুলির নাভিশ্বাস উঠছে।
অর্থনীতিবিদরা ব্যাক্তিগত পর্যায়ে কথা বলার সময় বর্তমান মূল্য বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার খরচ বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য তুলে ধরেন।
সরকারি বাণিজ্যিক সংস্থা Trading Corporation of Bangladesh এর তথ্য মতে বিগত ছয় বছরে শুধুমাত্র মোটা চালের দাম বেড়েছে শতকরা ৬০ ভাগ ,ময়দা ,র মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে ৪৫% এবং খোলা লাল ডালের দাম বেড়েছে শতকরা ১৮ ভাগের চেয়েও বেশী ।
Trading Corporation of Bangladesh এর পরিসংখ্যান থেকে আরো দেখা যাচ্ছে লাল মাংসের দাম যেখানে ৬০ শতাংশ বেড়েছে সেখানে মাছ জাতীয় খাবারের দাম বেড়েছে ৪২ % এবং শাক সবজীর প্রায় সব ধরনের আইটেমের দাম দ্বিগুণের বেশী বৃদ্ধি পেয়েছে ।
২০১০ সাল থেকে মোট সাত দফাতে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের মূল্য হয়েছে গড়ে ৩.৭৬ টাকা থেকে ৬.১৫ টাকা।
The Bangladesh Energy Regulatory Commission এর হিসাবে ৬৩.৫৬ ভাগ মূল্য বৃদ্ধি ।
বাড়িভাড়া,র ক্ষেত্রে ঢাকা শহরের ভাড়া বৃদ্ধির হার ৮০% যার ভেতর ৯,৭৬% ভাড়া বৃদ্ধির মূল কারণ ছিল House Rent Control Act 1991 এর যথাযথ প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক চরম ব্যার্থতা ।
২০১২ সালের অক্টবর থেকে মূল্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রেলওয়ে যাত্রী ভাড়া বৃদ্ধি করেছে ৫০ ভাগ থেকে ক্ষেত্র বিশেষে ১১৫% পর্যন্ত।
জুন মাস ২০০৬ এ যেখানে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ছিল ৩৩টাকা , সেখানে আওয়ামীলীগের দ্বিতীয়বার ক্ষমতাতে আসার পরে জানুয়ারি ২০০৯ তে সেই মূল্য হয় ৪৪টাকা প্রতি লিটার।
২০১৩ সালের জানুয়ারিতে এসে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম দাড়াই ৬৮ টাকা তে যা পূর্ববর্তি মূল্যের চেয়ে ৫০% বৃদ্ধি ।
CAB রিপোর্ট অনুসারে বাড়িভাড়া ও ইউটিলিটি চার্জ ও অন্যান্য কিছু আইটেমের দর বৃদ্ধির ফলে এই সময় ২০১৪ পর্যন্ত জীবনযাত্রা খরচ বেড়ে গিয়েছে ৬.৮২ ভাগ।
অবশ্য Policy Research Institute of Bangladesh এর এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর আহসান আল মনসুরের মতে এই সব দর বৃদ্ধি খুব বেশী প্রভাব জনজীবনে ফেলবে না যেহেতু একই সাথে মানুষের গড় আয় বৃদ্ধির ঘটনাও ঘটেছে ।
তবে তিনি এও বলেন যে নির্দিস্ট ভাবে খাদ্য বহির্ভূত মুদ্রাস্ফীতি এখনো বেশ কিছুটা বেশী।
মূল কথা তে আসেন এবার:
তবে গড় আয় এর হিসাব দিয়ে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতাকে মূল্যায়ন করা যায় না বলে নিশ্চিত করেছেন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ।
তার মতে
গত ছয় বছরে গড় ইনকাম বৃদ্ধি পেয়েছে ঠিকই কিন্তু ব্যাপক সংখ্যক মানুষ তাদের প্রয়োজন মিটাতে অতিরিক্ত সময় কাজ করতে বাধ্য হয়েছে।
তার মতে যে ৫০% মানুষের আয় বেড়েছে বাস্তবের মূল্য বৃদ্ধিতে তাদের খুব বেশী কিছু আসে যায় না কিন্তু এর বাইরের সাধারণ মানুষ এই জীবনযাত্রা, র মূল্য বৃদ্ধিতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ।
গত ছয় বছরে মাথাপিছু আয় প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে ২০১৩-১৪ সালে হয়েছে ১১৯০ডলার যা ২০০৭-০৮ অর্থ বছরে ৬০৮ ডলার ছিল।
মূল থেকে ধরলে দেশের বার্ষিক মাথাপিছু আয় ৯২৩ ডলার থেকে ২০১২-১৩ সালে এসে ১০৪৪ ডলারে এসে ঠেকেছে।
বিশ্ব ব্যাংকের “'দক্ষিণ এশিয়ার বৈষম্য অ্যাড্রেসিং' রিপোর্ট অনুসারে অর্থনৈতিক বৈষম্যের হার এযাবৎ প্রায় একই ছিল বাংলাদেশে এবং এই সংক্রান্ত ৮ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের স্থান তৃতীয় অর্থাৎ অর্থনৈতিক ব্যাবধান কমাতে যারা ব্যার্থ হচ্ছে বাংলাদেশ তাদের ভেতর নেগেটিভলি তৃতীয়।
তবে অর্থনীতিবিদ আব্দুল বায়েসের মতে মাংসের বর্তমান দাম বৃদ্ধির মূল কারণ উৎপাদন এবং যোগান কমে যাওয়া ।
তবে ক্রমবর্ধমান মূল্য বৃদ্ধির পরেও মাছের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে ছিল বলে দাবী করেন তিনি।
তবে রাস্তাতে নেমে বাস্তবতা ভিন্ন...
সাধারণ মানুষ যারা দিন এনে দিন খায় তাদের মতামত নিতে গেলে তাঁরা জানায় বর্তমান মূল্যবৃদ্ধির হারের গতির সাথে তাঁরা কোন ভাবেই তাল মিলিয়ে তাদের দৈনন্দিন আয় বৃদ্ধি করতে পারছেন না ।
খোদ সরকারের নিজস্য হিসাবেই এখনো দেশের পরিবার গুলির অন্তত ৩৯.৮০ শতাংশ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিতে আছে ।
এবং এঁদের প্রায়ই না খেয়ে দিন কাটাতে হয় অথবা কারো কাছে খাদ্যের জন্য ধার করা বা হাত পাতা লাগে।
এটা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর রিপোর্ট ।
রাজধানীর ঢাকা এ্যপারেলসের অপারেটর ইয়াসমিন জানান গত পাচ বছরে তার বেতন ৪০০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৭০০০ টাকা হলেও তার দিনাতিপাত করা এখনো সহজসাধ্য হয় নায়।কারণ হিসাবে সে জানায় ২০১০ সালে তার বাড়ি ভাড়া ৯০০ টাকা থাকলেও এখন সেই একই বাড়িতে ২৫০০টাকা ভাড়া গুনতে হয় প্রতি মাসে।ইয়াসমিনের অভিজ্ঞতাতে দেখা যায় গত পাচ বছরে জীবন যাত্রার খরচ চার গুনের অধিক বৃদ্ধি পেয়েছে ।তার পরিবারের আকার বাড়ছে , প্রতিদিনের প্রয়োজন বাড়ছে তাই ৭০ % বেতন বৃদ্ধির পরেও সে কোন ভাবেই কুলিয়ে উঠতে পারছে না ।
এবার আপনার হিসাবের খাতাটা খুলুন
৬০ টাকার প্যাকেট গোল্ডলিফ সিগারেট এখন ১২৫ টাকা।
১০ টাকা দামের ওয়ান টাইম রেজারের দাম ৩৫ টাকা..
গড় কামাই, পাথরের দালান, রাজপথের লাল-নীল বাতি দেখিয়ে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পরিস্থিতির পরিবর্তন করা যায় না...
যোগান আর চাহিদার ফাঁকে সামর্থটা খুব গূরুত্তপূর্ন।.
খোঁজ না রেখে উপাই আছে?
আদা তো চাইনা থেকে জাহাজে ইম্পোর্ট হয়।
আজ হটাৎ দেখলাম আমাদের গড় কামাই নাকি $200 বৃদ্ধি পেয়েছে।
১১৯০ ডলার থেকে ১৩৬০ ডলার হয়েছে।
এই কারনেই আমার আজ জাহাজের খবর নেওয়ার ইচ্ছা হচ্ছে...
বিগত ছয় বছরে সমগ্র বাংলাদেশে বিশেষত ঢাকা সিটিতে জীবনযাত্রা,র খরচ বেড়ে গিয়েছে শতকরা ৬০%।
বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যেমন চাল, মাংস, বিদ্যুৎ, বাড়ি ভাড়া ও পরিবহন ভাড়া এই সবের দাম বৃদ্ধি হয়েছে সবচেয়ে বেশী ।
মূল্য বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার খরচ মেটাতে দেশের অল্প এবং নির্দিষ্ট আয়ের পরিবার গুলির নাভিশ্বাস উঠছে।
অর্থনীতিবিদরা ব্যাক্তিগত পর্যায়ে কথা বলার সময় বর্তমান মূল্য বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার খরচ বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য তুলে ধরেন।
সরকারি বাণিজ্যিক সংস্থা Trading Corporation of Bangladesh এর তথ্য মতে বিগত ছয় বছরে শুধুমাত্র মোটা চালের দাম বেড়েছে শতকরা ৬০ ভাগ ,ময়দা ,র মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে ৪৫% এবং খোলা লাল ডালের দাম বেড়েছে শতকরা ১৮ ভাগের চেয়েও বেশী ।
Trading Corporation of Bangladesh এর পরিসংখ্যান থেকে আরো দেখা যাচ্ছে লাল মাংসের দাম যেখানে ৬০ শতাংশ বেড়েছে সেখানে মাছ জাতীয় খাবারের দাম বেড়েছে ৪২ % এবং শাক সবজীর প্রায় সব ধরনের আইটেমের দাম দ্বিগুণের বেশী বৃদ্ধি পেয়েছে ।
২০১০ সাল থেকে মোট সাত দফাতে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের মূল্য হয়েছে গড়ে ৩.৭৬ টাকা থেকে ৬.১৫ টাকা।
The Bangladesh Energy Regulatory Commission এর হিসাবে ৬৩.৫৬ ভাগ মূল্য বৃদ্ধি ।
বাড়িভাড়া,র ক্ষেত্রে ঢাকা শহরের ভাড়া বৃদ্ধির হার ৮০% যার ভেতর ৯,৭৬% ভাড়া বৃদ্ধির মূল কারণ ছিল House Rent Control Act 1991 এর যথাযথ প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক চরম ব্যার্থতা ।
২০১২ সালের অক্টবর থেকে মূল্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রেলওয়ে যাত্রী ভাড়া বৃদ্ধি করেছে ৫০ ভাগ থেকে ক্ষেত্র বিশেষে ১১৫% পর্যন্ত।
জুন মাস ২০০৬ এ যেখানে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ছিল ৩৩টাকা , সেখানে আওয়ামীলীগের দ্বিতীয়বার ক্ষমতাতে আসার পরে জানুয়ারি ২০০৯ তে সেই মূল্য হয় ৪৪টাকা প্রতি লিটার।
২০১৩ সালের জানুয়ারিতে এসে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম দাড়াই ৬৮ টাকা তে যা পূর্ববর্তি মূল্যের চেয়ে ৫০% বৃদ্ধি ।
CAB রিপোর্ট অনুসারে বাড়িভাড়া ও ইউটিলিটি চার্জ ও অন্যান্য কিছু আইটেমের দর বৃদ্ধির ফলে এই সময় ২০১৪ পর্যন্ত জীবনযাত্রা খরচ বেড়ে গিয়েছে ৬.৮২ ভাগ।
অবশ্য Policy Research Institute of Bangladesh এর এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর আহসান আল মনসুরের মতে এই সব দর বৃদ্ধি খুব বেশী প্রভাব জনজীবনে ফেলবে না যেহেতু একই সাথে মানুষের গড় আয় বৃদ্ধির ঘটনাও ঘটেছে ।
তবে তিনি এও বলেন যে নির্দিস্ট ভাবে খাদ্য বহির্ভূত মুদ্রাস্ফীতি এখনো বেশ কিছুটা বেশী।
মূল কথা তে আসেন এবার:
তবে গড় আয় এর হিসাব দিয়ে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতাকে মূল্যায়ন করা যায় না বলে নিশ্চিত করেছেন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ।
তার মতে
গত ছয় বছরে গড় ইনকাম বৃদ্ধি পেয়েছে ঠিকই কিন্তু ব্যাপক সংখ্যক মানুষ তাদের প্রয়োজন মিটাতে অতিরিক্ত সময় কাজ করতে বাধ্য হয়েছে।
তার মতে যে ৫০% মানুষের আয় বেড়েছে বাস্তবের মূল্য বৃদ্ধিতে তাদের খুব বেশী কিছু আসে যায় না কিন্তু এর বাইরের সাধারণ মানুষ এই জীবনযাত্রা, র মূল্য বৃদ্ধিতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ।
গত ছয় বছরে মাথাপিছু আয় প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে ২০১৩-১৪ সালে হয়েছে ১১৯০ডলার যা ২০০৭-০৮ অর্থ বছরে ৬০৮ ডলার ছিল।
মূল থেকে ধরলে দেশের বার্ষিক মাথাপিছু আয় ৯২৩ ডলার থেকে ২০১২-১৩ সালে এসে ১০৪৪ ডলারে এসে ঠেকেছে।
বিশ্ব ব্যাংকের “'দক্ষিণ এশিয়ার বৈষম্য অ্যাড্রেসিং' রিপোর্ট অনুসারে অর্থনৈতিক বৈষম্যের হার এযাবৎ প্রায় একই ছিল বাংলাদেশে এবং এই সংক্রান্ত ৮ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের স্থান তৃতীয় অর্থাৎ অর্থনৈতিক ব্যাবধান কমাতে যারা ব্যার্থ হচ্ছে বাংলাদেশ তাদের ভেতর নেগেটিভলি তৃতীয়।
তবে অর্থনীতিবিদ আব্দুল বায়েসের মতে মাংসের বর্তমান দাম বৃদ্ধির মূল কারণ উৎপাদন এবং যোগান কমে যাওয়া ।
তবে ক্রমবর্ধমান মূল্য বৃদ্ধির পরেও মাছের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে ছিল বলে দাবী করেন তিনি।
তবে রাস্তাতে নেমে বাস্তবতা ভিন্ন...
সাধারণ মানুষ যারা দিন এনে দিন খায় তাদের মতামত নিতে গেলে তাঁরা জানায় বর্তমান মূল্যবৃদ্ধির হারের গতির সাথে তাঁরা কোন ভাবেই তাল মিলিয়ে তাদের দৈনন্দিন আয় বৃদ্ধি করতে পারছেন না ।
খোদ সরকারের নিজস্য হিসাবেই এখনো দেশের পরিবার গুলির অন্তত ৩৯.৮০ শতাংশ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিতে আছে ।
এবং এঁদের প্রায়ই না খেয়ে দিন কাটাতে হয় অথবা কারো কাছে খাদ্যের জন্য ধার করা বা হাত পাতা লাগে।
এটা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর রিপোর্ট ।
রাজধানীর ঢাকা এ্যপারেলসের অপারেটর ইয়াসমিন জানান গত পাচ বছরে তার বেতন ৪০০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৭০০০ টাকা হলেও তার দিনাতিপাত করা এখনো সহজসাধ্য হয় নায়।কারণ হিসাবে সে জানায় ২০১০ সালে তার বাড়ি ভাড়া ৯০০ টাকা থাকলেও এখন সেই একই বাড়িতে ২৫০০টাকা ভাড়া গুনতে হয় প্রতি মাসে।ইয়াসমিনের অভিজ্ঞতাতে দেখা যায় গত পাচ বছরে জীবন যাত্রার খরচ চার গুনের অধিক বৃদ্ধি পেয়েছে ।তার পরিবারের আকার বাড়ছে , প্রতিদিনের প্রয়োজন বাড়ছে তাই ৭০ % বেতন বৃদ্ধির পরেও সে কোন ভাবেই কুলিয়ে উঠতে পারছে না ।
এবার আপনার হিসাবের খাতাটা খুলুন
৬০ টাকার প্যাকেট গোল্ডলিফ সিগারেট এখন ১২৫ টাকা।
১০ টাকা দামের ওয়ান টাইম রেজারের দাম ৩৫ টাকা..
গড় কামাই, পাথরের দালান, রাজপথের লাল-নীল বাতি দেখিয়ে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পরিস্থিতির পরিবর্তন করা যায় না...
যোগান আর চাহিদার ফাঁকে সামর্থটা খুব গূরুত্তপূর্ন।.
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন