দুই টা বিষয় আছে এখানে।
১।
একপক্ষ বলছে হেফাজতের পক্ষে মাঠে নামা উচিৎ ছিল আমাদের।
সত্যি কথা বলতে নির্দেশ ছিল এমনই।
২।
মাঠে নামার জন্য যাদের নির্দেশ দেওয়া হয়ে ছিল ; তারা বিট্রে করে ছিল।
যার ফলাফল হয়েছিল আরো দুই টা।
১। সরকারকে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফেলে দেওয়ার পথ নস্ট হয়ে যায়।
২।বিএনপি,র ছেলেরা নিজেদের শক্তি নিয়ে মাঠে নামলে সেদিন সেখানে এভাবে রক্তপাত ঘটানো সম্ভব নাও হতে পারতো।
এই দুটি ঘটনা আপাতদৃস্টিতে বিএনপি,র পক্ষে যাবার কথা ছিল।
কথিত নির্দেশ মত মাঠে নামলে সরকারের পতনের সম্ভবনা ৫০ ভাগের বেশি ছিল বলে ধরে নেওয়া যায়।
লক্ষ করেছেন জোটের অংশ জামাত কে নিয়ে কি পরিমান সমালচনা বর্তমান।
জামাতের চেয়ে আরো দুই কাঠি বেশী রক্ষনশীল এবং একরোখা হচ্ছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
ওই বিষেশ সময়ে তারা ছিল তাদের ইতিসাহে সবচেয়ে সংগঠিত অবস্থাতে।
ঐ ধরনের বিপদজনক সময়ে প্রতিকুল চরম পরিস্থিতিতে টিকে থাকার অভিজ্ঞতা সম্বলিত বিএনপি তাদের জন্য সরাসরি মাঠে নামলে তাদের জন্য সার্ভাইভ করা সহজ হতো ফলশ্রুতীতে বিপদ বেড়ে যেতো সরকারি পক্ষে।
এই ধরনের পরিস্থিতি কে ঘোলাটে পরিস্থিতি বলা হয়।ঘোলা পানিতে মাছ শিকার হতেও পারে আবার নাও হতে পারে।
মাছকে যদি কুপোকাত করা যেত তাতে কি বিএনপি সরাসরি ক্ষমতাতে আসতে পারতো?
ক্ষমতার মাসনদে কোন ভাবে পৌঁছলে কট্টর পন্থী হেফাজত কে ট্যাকেল করতো কোন প্রকৃয়াতে?
হতে পারে
প্রথমত ক্ষমতার গোস্ত রুটির ভাগ দেওয়া
দ্বিতীয়ত
তাদের দাবী দাওয়া অর্থাৎ যার ভেতর বেশ কিছু অন্যায় আবদার আছে তা মেনে নেওয়া।
অথবা তৃতীয়ত
আওয়ামিলীগের মত রক্ত গংগা বইয়ে দেওয়া।
পক্ষান্তরে
শিকার যদি ব্যার্থ হতো তাহলে মৌলবাদী বিপ্লবে অংশ নেওয়ার কারনে বিএনপি,র পরিস্থিতি কি হতো ভেবে দেখেছেন কি?
সবচেয়ে বড় কথা বিএনপি,র কাছ থেকে ক্ষমতার জন্য লালায়িত থাকা যেমন আশা করে না সাধারন মানূষ ;
ঠিক তেমনি ভাবে হত্যার শিকার হওয়া হেফাজতি সহ বিশ্বজিত এবং সকলের জন্য বিএনপি নিজে প্রতিবাদি হবে এমন একটা শক্তিধর বিএনপি কে দেখতে চায় সমর্থকেরা।
আদর্শের ফারাক যার সাথে আকাশ পাতাল সেই এজেন্ডা বাস্তবায়নে নেমে ডাইজেস্ট করা টা চারটি খানি কথা নয়।
অন্যের ঘাড়ে ভড় করে ক্ষমতাতে যাওয়া বিএনপি,র জন্য মানানসয় কাজ না।
৯০ এ ক্ষমতাতে এসেছিল বিএনপি, ২০০১ এ এসেছিল ; ভোটের জোট থাকলেও নিজ দলিয় খুটি কিন্তু অটুট ছিল সংসদে।
নিজের পায়ে যতটুকু এগিয়ে যাওয়া যাবে ততটুকুই প্রাপ্তি।
৫ মে গনহত্যার বিচার হোক।
মাঠে নামার জন্য যাদের নির্দেশ দেওয়া হয়ে ছিল ; তারা বিট্রে করে ছিল।
যার ফলাফল হয়েছিল আরো দুই টা।
১। সরকারকে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফেলে দেওয়ার পথ নস্ট হয়ে যায়।
২।বিএনপি,র ছেলেরা নিজেদের শক্তি নিয়ে মাঠে নামলে সেদিন সেখানে এভাবে রক্তপাত ঘটানো সম্ভব নাও হতে পারতো।
এই দুটি ঘটনা আপাতদৃস্টিতে বিএনপি,র পক্ষে যাবার কথা ছিল।
কথিত নির্দেশ মত মাঠে নামলে সরকারের পতনের সম্ভবনা ৫০ ভাগের বেশি ছিল বলে ধরে নেওয়া যায়।
লক্ষ করেছেন জোটের অংশ জামাত কে নিয়ে কি পরিমান সমালচনা বর্তমান।
জামাতের চেয়ে আরো দুই কাঠি বেশী রক্ষনশীল এবং একরোখা হচ্ছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
ওই বিষেশ সময়ে তারা ছিল তাদের ইতিসাহে সবচেয়ে সংগঠিত অবস্থাতে।
ঐ ধরনের বিপদজনক সময়ে প্রতিকুল চরম পরিস্থিতিতে টিকে থাকার অভিজ্ঞতা সম্বলিত বিএনপি তাদের জন্য সরাসরি মাঠে নামলে তাদের জন্য সার্ভাইভ করা সহজ হতো ফলশ্রুতীতে বিপদ বেড়ে যেতো সরকারি পক্ষে।
এই ধরনের পরিস্থিতি কে ঘোলাটে পরিস্থিতি বলা হয়।ঘোলা পানিতে মাছ শিকার হতেও পারে আবার নাও হতে পারে।
মাছকে যদি কুপোকাত করা যেত তাতে কি বিএনপি সরাসরি ক্ষমতাতে আসতে পারতো?
ক্ষমতার মাসনদে কোন ভাবে পৌঁছলে কট্টর পন্থী হেফাজত কে ট্যাকেল করতো কোন প্রকৃয়াতে?
হতে পারে
প্রথমত ক্ষমতার গোস্ত রুটির ভাগ দেওয়া
দ্বিতীয়ত
তাদের দাবী দাওয়া অর্থাৎ যার ভেতর বেশ কিছু অন্যায় আবদার আছে তা মেনে নেওয়া।
অথবা তৃতীয়ত
আওয়ামিলীগের মত রক্ত গংগা বইয়ে দেওয়া।
পক্ষান্তরে
শিকার যদি ব্যার্থ হতো তাহলে মৌলবাদী বিপ্লবে অংশ নেওয়ার কারনে বিএনপি,র পরিস্থিতি কি হতো ভেবে দেখেছেন কি?
সবচেয়ে বড় কথা বিএনপি,র কাছ থেকে ক্ষমতার জন্য লালায়িত থাকা যেমন আশা করে না সাধারন মানূষ ;
ঠিক তেমনি ভাবে হত্যার শিকার হওয়া হেফাজতি সহ বিশ্বজিত এবং সকলের জন্য বিএনপি নিজে প্রতিবাদি হবে এমন একটা শক্তিধর বিএনপি কে দেখতে চায় সমর্থকেরা।
আদর্শের ফারাক যার সাথে আকাশ পাতাল সেই এজেন্ডা বাস্তবায়নে নেমে ডাইজেস্ট করা টা চারটি খানি কথা নয়।
অন্যের ঘাড়ে ভড় করে ক্ষমতাতে যাওয়া বিএনপি,র জন্য মানানসয় কাজ না।
৯০ এ ক্ষমতাতে এসেছিল বিএনপি, ২০০১ এ এসেছিল ; ভোটের জোট থাকলেও নিজ দলিয় খুটি কিন্তু অটুট ছিল সংসদে।
নিজের পায়ে যতটুকু এগিয়ে যাওয়া যাবে ততটুকুই প্রাপ্তি।
৫ মে গনহত্যার বিচার হোক।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন