২৭
সেপ্টেম্বর ১৯৭৭ থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানিজ বিমান হাইজ্যাক করে
ঢাকাতে নিয়ে আসা হয়। এয়ার চিফ থেকে শুরু করে অধিকাংশ সিনিয়র এয়ারফোর্স
অফিসাররা যখন কুর্মিটোলা এয়ারপোর্টে বসে মুক্তিপণে প্রদানের মাধ্যমে
যাত্রীদের জীবন রক্ষাতে নগদ ৬০ কোটি টাকা যখন টার্মিমানে প্রবেশ করে ঠিক
তখনি ক্যু-কারীরা এয়ারপোর্টে এসে তাঁদের হত্যা ও তাণ্ডব শুরু করে। এয়ারচিফ
ছাড়া অন্য সকল অফিসার নিহত হন এবং জমা করা ৬০ কোটি টাকা গায়েব হয়ে যায়।
এয়ার পোর্টে প্রায় ১২ জন অফিসারকে হত্যা করে ক্যু-কারিরা। এই সকল অস্ত্রধারীদের দমন করতে যেয়ে আরো প্রায় ৮০-৯০ নিহত হয়। পরবর্তিতে যাঁদের কোর্ট মার্শাল করা হয় , স্বাভাবিক ভাবে মৃত্যুদণ্ড তাঁদের প্রাপ্য ছিল। সামরিক আদালতে বিচারের ইতিহাসে এই কোর্ট মার্শাল অন্যতম সাহসী ও উচিৎ বিচারের উদাহরণ হয়েই থাকবে। জেঃ হামিদের বই "আমার দেখা তিনটি সেনা অভ্যুত্থান" এ এই বিচারের বিস্তারিত নোট আছে।
এয়ার পোর্টে প্রায় ১২ জন অফিসারকে হত্যা করে ক্যু-কারিরা। এই সকল অস্ত্রধারীদের দমন করতে যেয়ে আরো প্রায় ৮০-৯০ নিহত হয়। পরবর্তিতে যাঁদের কোর্ট মার্শাল করা হয় , স্বাভাবিক ভাবে মৃত্যুদণ্ড তাঁদের প্রাপ্য ছিল। সামরিক আদালতে বিচারের ইতিহাসে এই কোর্ট মার্শাল অন্যতম সাহসী ও উচিৎ বিচারের উদাহরণ হয়েই থাকবে। জেঃ হামিদের বই "আমার দেখা তিনটি সেনা অভ্যুত্থান" এ এই বিচারের বিস্তারিত নোট আছে।
যারা
ঘটনাটি পড়ছেন তাঁরা নিশ্চিয় বুঝতে পারছেন , ক্যু কারীদের অন্তত একটা অংশের
উদ্দেশ্য ছিল জাপানিজ বিমানের ১৩০ জন পণবন্দীর জন্য সংগ্রহীত ৬০ কোটি টাকা
লোপাট করে দেওয়া।
নিন্দুকেরা বিশেষত আওয়ামী ও ইন্ডিয়া ঘরনার পোষ্য বুদ্ধিজীবীরা দাবী করে এই ক্যুতে নাকি ১৪০০ জনকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল, যা এক্কেবারে মিথ্যা। সেই সময়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্য সংখ্যা কত ছিল তা নিন্দুকদের জিজ্ঞাস করা হলে নিশ্চিত ভাবেই তাঁদের মুখ বিকৃত হয়ে উঠবে।
এই ক্যু যা সাধারণ যাত্রী পরিবহনের এয়ারপোর্ট পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল, তা নিশ্চয় কোন অন্তরালে ঘটে যাওয়া গোপন ব্যাপার ছিল না। তাই প্রকাশ্য এই ক্যাু এর ফলে জনমনে তীব্র আতঙ্ক তৈরী হয়েছিল। প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ও প্রেসিডেন্ট জেঃ জিয়া ২ অক্টোবর রেডিও বাংলাদেশে একটি গুরুত্বপূর্ন ভাষণ প্রদান করেন।
ইতিহাসের সামরিক ও সিভিল-মিলিটারি দৃষ্টিকোণ থেকে জেঃ জিয়াউর রহমানের বেতার ভাষণটি দালিলিক ভাবে অত্যান্ত মূল্যবান। কোন ধরনের কাটাছেড়া এড়াতে ও বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখার উদ্দেশ্যে চার (৪) টি JPG Image এর মাধ্যমে পূর্নাংগ ভাষণটি তুলে ধরলাম।
এখানে আরো উল্লেখ করতে চাই বিমান বাহিনীর এই ক্যু টিকে বুঝতে হলে ২৭ সেপ্টেম্বর- থেকে ৩ অক্টবর পর্যন্ত চলা ১০৫ ঘন্টার বিমান ছিনতাই কাহিনীটির নাড়ী-নক্ষত্র ভালো ভাবে বুঝতে হবে।
P1, P2, P3, P4 নাম দিয়ে চারটি ছবিতে সিরিয়াল মেন্টেন করে ছবিতে জিয়ার বক্তব্য পড়ে নিন ।
নিন্দুকেরা বিশেষত আওয়ামী ও ইন্ডিয়া ঘরনার পোষ্য বুদ্ধিজীবীরা দাবী করে এই ক্যুতে নাকি ১৪০০ জনকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল, যা এক্কেবারে মিথ্যা। সেই সময়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্য সংখ্যা কত ছিল তা নিন্দুকদের জিজ্ঞাস করা হলে নিশ্চিত ভাবেই তাঁদের মুখ বিকৃত হয়ে উঠবে।
এই ক্যু যা সাধারণ যাত্রী পরিবহনের এয়ারপোর্ট পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল, তা নিশ্চয় কোন অন্তরালে ঘটে যাওয়া গোপন ব্যাপার ছিল না। তাই প্রকাশ্য এই ক্যাু এর ফলে জনমনে তীব্র আতঙ্ক তৈরী হয়েছিল। প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ও প্রেসিডেন্ট জেঃ জিয়া ২ অক্টোবর রেডিও বাংলাদেশে একটি গুরুত্বপূর্ন ভাষণ প্রদান করেন।
ইতিহাসের সামরিক ও সিভিল-মিলিটারি দৃষ্টিকোণ থেকে জেঃ জিয়াউর রহমানের বেতার ভাষণটি দালিলিক ভাবে অত্যান্ত মূল্যবান। কোন ধরনের কাটাছেড়া এড়াতে ও বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখার উদ্দেশ্যে চার (৪) টি JPG Image এর মাধ্যমে পূর্নাংগ ভাষণটি তুলে ধরলাম।
এখানে আরো উল্লেখ করতে চাই বিমান বাহিনীর এই ক্যু টিকে বুঝতে হলে ২৭ সেপ্টেম্বর- থেকে ৩ অক্টবর পর্যন্ত চলা ১০৫ ঘন্টার বিমান ছিনতাই কাহিনীটির নাড়ী-নক্ষত্র ভালো ভাবে বুঝতে হবে।
P1, P2, P3, P4 নাম দিয়ে চারটি ছবিতে সিরিয়াল মেন্টেন করে ছবিতে জিয়ার বক্তব্য পড়ে নিন ।





কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন