প্রবাদ আছে আজ ইউ সো, সো ইউ রিপ
কে জানে হয়তো এখান থেকেই তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন , অথবা মরুকরণ প্রকৃয়ার স্বীকার বাংলাদেশ বা সুন্দর বনের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিল তার।
গ্রামের লোকেরা এমনিতেই ভোর বেলা ওঠে, সেদিন ফজরের নামাজের শেষে মসজিদের মাইকে একটি বিশেষ ঘোষনা দিয়ে সবাইকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়। আগে থেকে স্কুলের ছেলে মেয়ে সহ প্রায় ৩০,০০০ মানুষ রাস্তাতে নেমে আসে , রাস্তার মোড়ে মোড়ে দেশ মাতৃকতার গান বাজছিল, ১৫৩ টি রাস্তার ৪৬০ কিলোমিটার জুড়ে মানুষ ছড়িয়ে পরে।
সকাল যখন ৭ টা বাজে তখন বাঁশি বাজানো হয়। সাথে সাথে কোদাল , খুন্তি হাতে
নিয়ে গাছ লাগাতে শুরু করে তাঁরা। ঠিক ১ ঘন্টা পর যখন সকাল ৮ টা বাজে আবারো
বাঁশি বাজানো হয়। মধ্য খানের ৬০ মিনিটের মধ্যে একটি সবুজ ওয়াল্ড রেকর্ড গড়ে
ফেলে তাঁরা।
২,৫০,০০০ গাছ রোপণ করে ফিলিপিনের ২,২৩৩৯০ টি চারা
বপনের রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে তারাগঞ্জবাসী। তারাগঞ্জ নামের উপজেলাতে ততক্ষণে
"সবুজ তারাগঞ্জ গড়ি" নামের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হয়ে গিয়েছে।
এর আগে লম্বা সময় ধরে প্রস্তুতি নিতে হয়, ৫০ জনের একটি করে টিমের একজন করে টিম লিডারের অধীনে সেরে নেয় যাবতীয় প্রস্তুতি। ট্রাক , ভ্যানে ৩১ শে অগাস্ট তারিখের ভেতর সব চারা এসে পৌঁছে যায় , ৪৫ টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে সেদিন উৎসবের ফাগুন লেগেছিল।
যখন সবুজের রেকর্ড গড়া হয়ে গিয়েছে , তখন জিলুফা সুলতানার চোখের কোনে চিকচিক করছিল মুক্তদানার মত
জল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিলুফা সুলতানার ব্রেন চাইল্ড ছিল এই “সবুজ তারাগঞ্জ গাড়ি” প্রকল্পটি।
তার সহকর্মীদের উৎসাহে কোন ঘাটতি ছিল না , সাধারণ মানুষের সাহায্য ও আগ্রহে অজপারাগার জিলুফা সুলতানা , গ্রামের মানুষদের সাথে নিয়ে গড়ে ফেলেন সম্ভবত পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম সেরা সবুজায়ন প্রকল্পটি।
যখন সবুজ পাতারা অবহেলার যাঁতাকলে ঝরে যাবার হুমকির মুখে , তখন গ্রামবাংলার জিলুফা সুলতানা ও খেটে খাওয়া মানুষেরা আবারো বাসযোগ্য পৃথিবীর স্বপ্ন বুনে দেন।
স্বপ্ন বুনে দেওয়া জিলুফা সুলতানার ফেসবুক লিঙ্ক https://www.facebook.com/jilufa.sultana?fref=ts
খবরটির সর্ট লিঙ্ক http://bit.ly/2bUlOYx
এর আগে লম্বা সময় ধরে প্রস্তুতি নিতে হয়, ৫০ জনের একটি করে টিমের একজন করে টিম লিডারের অধীনে সেরে নেয় যাবতীয় প্রস্তুতি। ট্রাক , ভ্যানে ৩১ শে অগাস্ট তারিখের ভেতর সব চারা এসে পৌঁছে যায় , ৪৫ টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে সেদিন উৎসবের ফাগুন লেগেছিল।
যখন সবুজের রেকর্ড গড়া হয়ে গিয়েছে , তখন জিলুফা সুলতানার চোখের কোনে চিকচিক করছিল মুক্তদানার মত
জল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিলুফা সুলতানার ব্রেন চাইল্ড ছিল এই “সবুজ তারাগঞ্জ গাড়ি” প্রকল্পটি।
তার সহকর্মীদের উৎসাহে কোন ঘাটতি ছিল না , সাধারণ মানুষের সাহায্য ও আগ্রহে অজপারাগার জিলুফা সুলতানা , গ্রামের মানুষদের সাথে নিয়ে গড়ে ফেলেন সম্ভবত পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম সেরা সবুজায়ন প্রকল্পটি।
যখন সবুজ পাতারা অবহেলার যাঁতাকলে ঝরে যাবার হুমকির মুখে , তখন গ্রামবাংলার জিলুফা সুলতানা ও খেটে খাওয়া মানুষেরা আবারো বাসযোগ্য পৃথিবীর স্বপ্ন বুনে দেন।
স্বপ্ন বুনে দেওয়া জিলুফা সুলতানার ফেসবুক লিঙ্ক https://www.facebook.com/jilufa.sultana?fref=ts
খবরটির সর্ট লিঙ্ক http://bit.ly/2bUlOYx




কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন