ইতিহাসের ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার সাবেক এই রাজধানীতে। পাঁচদিন ধরে চলা এই দাঙ্গায় প্রায় পাচ হাজার মানুষ নিহত হয়, আহত হয় প্রায় আরো পনের হাজার। ভিকটিমদের বেশির ভাগই মুসলিম ছিল।
পৃথক দেশের দাবীতে সারা ইন্ডিয়া জুড়ে মুসলমানরা ১৬ আগস্ট 'ডাইরেক্ট একশন ডে' ঘোষনা করে। কলকাতার বিখ্যাত ময়দানে মুসলিম লীগ নেতা-কর্মীরা যখন ডাইরেক্ট একশন ডে উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় বক্তৃতায় ব্যস্ত, তখন কলকাতার অন্য প্রান্তে শুরু হয় হিন্দু মহাসভা ও আরএসআই-এর কর্মীরা মুসলমান নিধনের হোলি খেলা। রক্ত মাখা কাপড়ে যখন কিছু কিছু মুসলিমরা জনসভায় হাজির হওয়া শুরু করল, মুসলমানদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পরল। পুরো কলকাতা মুহুর্তের মধ্যে রক্তের হলি খেলায় মেতে গেল। হিন্দু মুসলিমকে মারে, মুসলিম হিন্দুকে মারে। পুরো পাঁচ দিন ধরে কলকাতা ছিল জতুগৃহ।
এই অন্ধকার সময়ে যে লোকটি সবচেয়ে অসহায় অনুভব করেছিলেন, তিনি হোসেন শহীদ
সোহরাওয়ার্দি। অক্সফোর্ড শিক্ষিত ব্যারিস্টার, তিনি ছিলেন তৎকালীন অবিভক্ত
বৃটিশ বাংলার প্রধান মন্ত্রী।
হিন্দুরা যদিও বর্বরতায় এগিয়ে ছিল, কিন্তু তারা সকল দায় চাপিয়ে দিয়েছিল সোহরাওয়ার্দি ও বাংলার মুসলিম সরকারকে তথা মুসলমানদের।
সোহরাওয়ার্দি দাঙ্গা থামাতে গান্ধী, নেহেরু, প্যাটেলদের সহযোগিতা চান। তারা তাকে নিরাশ করে।বৃটিশ ভাইসরয়ও সহযোগিতা করেনি। চুপচাপ ছিল।
সে সময় শহর কলকাতায় ১২শ প্রশিক্ষিত পুলিশ ছিল, তার মধ্যে মাত্র ৬৩ জন ছিল মুসলিম। হিন্দু পুলিশদের দাঙ্গা দমনে পাঠানো হলেও তারা দাঙ্গা দমন না করে হিন্দুদের বরং দাঙ্গায় সহয়তায় করেছিল। এই খবর পেয়ে তিনি ১২'শ পাঞ্জাবীকে কনেস্টবল মর্যাদায় দাঙ্গা দমনে নিয়োজিত করেছিলেন।
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি দাঙ্গা দমন করার জন্য প্রথম দিনই পুলিশ কন্ট্রোল রুমে আস্তানা নেন। দীর্ঘ পাঁচদিন তিনি নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে নির্ঘুম সময় কাটিয়েছেন পুলিশ কন্ট্রোল রুমে কিংবা বিভিন্ন জনের দ্বারে দৌড়ে দৌড়ে। সবাই তাকে হতাশ করেছিল। তিনি খুব আশা নিয়ে গান্ধীর কাছে দৌড়ে গিয়েছিল। কিন্তু গান্ধীও তাকে সহযোগিতা করেনি।
পাঁচদিন পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি তার স্বাভাবিক কাজ-কর্মে ফিরেন।
উর্দুভাষী এই মহান লোকটি চেয়েছিল বাংলা অবিভক্ত থেকে ইন্ডিয়া ও পাকিস্থানের বাইরে তৃতীয় রাষ্ট হউক। জিন্নাহ রাজি হলেও তিনি গান্ধী, নেহেরুদের রাজি করাতে পারেননি।
বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া ও পাকিস্থান জুড়ে তার অসংখ্য রাজনৈতিক শিষ্য রয়েছে। শেখ মুজিব তাদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল।
আজকে তার জন্মদিন। ১৮৯২ সালের আজকের দিনে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ তার জন্মের জন্য এই মহাত্মা লোকটির কাছে কৃতজ্ঞ!
Ekjon Ghunpoka র সাবলীল বর্ননা।
হিন্দুরা যদিও বর্বরতায় এগিয়ে ছিল, কিন্তু তারা সকল দায় চাপিয়ে দিয়েছিল সোহরাওয়ার্দি ও বাংলার মুসলিম সরকারকে তথা মুসলমানদের।
সোহরাওয়ার্দি দাঙ্গা থামাতে গান্ধী, নেহেরু, প্যাটেলদের সহযোগিতা চান। তারা তাকে নিরাশ করে।বৃটিশ ভাইসরয়ও সহযোগিতা করেনি। চুপচাপ ছিল।
সে সময় শহর কলকাতায় ১২শ প্রশিক্ষিত পুলিশ ছিল, তার মধ্যে মাত্র ৬৩ জন ছিল মুসলিম। হিন্দু পুলিশদের দাঙ্গা দমনে পাঠানো হলেও তারা দাঙ্গা দমন না করে হিন্দুদের বরং দাঙ্গায় সহয়তায় করেছিল। এই খবর পেয়ে তিনি ১২'শ পাঞ্জাবীকে কনেস্টবল মর্যাদায় দাঙ্গা দমনে নিয়োজিত করেছিলেন।
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি দাঙ্গা দমন করার জন্য প্রথম দিনই পুলিশ কন্ট্রোল রুমে আস্তানা নেন। দীর্ঘ পাঁচদিন তিনি নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে নির্ঘুম সময় কাটিয়েছেন পুলিশ কন্ট্রোল রুমে কিংবা বিভিন্ন জনের দ্বারে দৌড়ে দৌড়ে। সবাই তাকে হতাশ করেছিল। তিনি খুব আশা নিয়ে গান্ধীর কাছে দৌড়ে গিয়েছিল। কিন্তু গান্ধীও তাকে সহযোগিতা করেনি।
পাঁচদিন পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি তার স্বাভাবিক কাজ-কর্মে ফিরেন।
উর্দুভাষী এই মহান লোকটি চেয়েছিল বাংলা অবিভক্ত থেকে ইন্ডিয়া ও পাকিস্থানের বাইরে তৃতীয় রাষ্ট হউক। জিন্নাহ রাজি হলেও তিনি গান্ধী, নেহেরুদের রাজি করাতে পারেননি।
বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া ও পাকিস্থান জুড়ে তার অসংখ্য রাজনৈতিক শিষ্য রয়েছে। শেখ মুজিব তাদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল।
আজকে তার জন্মদিন। ১৮৯২ সালের আজকের দিনে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ তার জন্মের জন্য এই মহাত্মা লোকটির কাছে কৃতজ্ঞ!
Ekjon Ghunpoka র সাবলীল বর্ননা।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন