স্মৃতির দুয়ার খুলে দেখি, হাসিমুখে দাঁড়িয়ে জিয়া
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ছোট ছিলাম তখন , জেঠুর কাছে খুব যেতাম। গেলেই জেঠু গল্প গুড়ে দিতেন ; জিয়া জিয়া আর জিয়া ,যেন জিয়া ছাড়া উনার গল্প করার আর কোন বিষয় নেই। জিয়া এই করছে , সেই করছে ...এই সব আর কি !
শেখ মুজিব নিহত হবার আগেই জেঠু সরকারী চাকরি ছেড়ে সৌদি চলে যান। সৌদি আরব সরকারের অধিনে চাকরি নিয়েছিলেন সেখানে, পেট্র ডলারে বেশ ভালোই চলছিল।
"জিয়া ক্ষমতাতে এসে সৌদি গেলে আমার সাথে দেখা হয়ে যায়। স্বদেশীদের সাথে কথা বলার জন্য আমাদের ডেকেছিল জিয়া " জেঠু বলেন।
জেঠুর গলা আস্তে আস্তে ভারী হয়ে আসে, হাই পাওয়ারের চশমার ফাঁক দিয়ে স্পষ্ট টলমলে চোখ...দেখতে পারছিলাম
জেঠু কান্না ভেজা স্বরে বলেন -
"জিয়া আমাকে জড়িয়ে ধরেছিলোরে, আর বলে কি জানিস... দেশে যখন আপনাদের মতো মেধাবী ব্যক্তিদের প্রয়োজন তখন আপনারা বাহিরে চলে যান এটা তো ঠিক নয়। কোন কথা শুনতে চাচ্চিনা ,আপনি আমার সাথে দেশে যাচ্ছেন। বলেই জিয়া, পাশে দাঁড়ানো অফিসার টিকে কি যেন ইঙ্গিত করলেন। ঘন্টা তিন চারের ভেতর আমার সৌদি আরবের চাকরী শেষ হয়ে গেল, বকেয়া বেতনও পেয়ে গেলাম। বুঝলাম জিয়ার ইঙ্গিতেই এত সব হচ্ছে "
"জিয়াকে আমি আসলে তখন না করতে পারিনি বাপু । এত বড় মানুষ , পাক আর্মির স্বাক্ষাত যম, বিশাল মুক্তিযোদ্ধা, আবার তখন প্রেসিডেন্ট। না কি বলা যায়?
পর দিন জিয়ার সাথে জিয়ার বিমানেই দেশে চলে আসি "
---
আমার জেঠুকে হয়তো চিনবেন কেও কেও । ক্যান্টোনমেন্টের মাটিকাটা তে সানাউল্লাহ সুপার মার্কেটের সানাউল্লাহ হচ্ছেন আমার সেই জেঠু।
জিয়াকে হারিয়ে জাতি যে কি হারিয়েছে , যার যায় সেই শুধু বোঝে !
আমার জেঠা জিয়ার সামান্য ফোন অপারেটর ছিলেন। সেই সুবাদে জিয়ার ভাবনা চিন্তা অনেক বেশি ভালো বুঝতেন জেঠু। জিয়ার প্রতি তার এত ভালোবাসা ছিল যে বাড়িতে আসতেনই না। জিয়ার মৃত্যুর পরের ১৩ বছর নিজেকে আরো একাকী করে ফেলেন জেঠু।
শেষ নিঃশ্বাস ক্যান্টনমেন্টে এলাকাতেই ছেড়েছেন জেঠু। ওখানেই মাটি দেয়া হয়েছে!
ফুট নোট : জেঠুর আদুরে ভাতিজা, আমাদের প্রীয় মুখ Milon Moin Chowdhury র জীবনের এমন একটি গল্প এটি , যা সে কখনোই ভুলে যাবে না । মিলন মইন এর কাছে গল্পটা শুনে সঙ্গে সঙ্গেই চেয়ে নিয়েছি লেখার জন্য।
বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
জিয়ার ইনডেমনিটি - একটি নির্জলা মিথ্যা
দায়ভার
জিয়া কথিত ইনডেমনিটি দিয়ে মুজিব হত্যার বিচারের পথ বন্ধ করেছিল" –একটি নির্জলা মিথ্যা
ইনডেমনিটি কি ? দায় মুক্তি কি ?অধ্যাদেশ কি ? ইন্ডিমিনিটি বা দায়মুক্তির শুরু কোথায়?
১৯৭৪ সালে জাতীয় রক্ষীবাহিনী আইনের সংশোধনী এনে এই ইনডেমনিটি দেয়া হয়। রক্ষীবাহিনীকে অত্যাচার, নির্যাতন, লুটতরাজ ও গোপনে-প্রকাশ্যে হত্যাকান্ডের দায় থেকে মুক্তি দিতে জাতীয় রক্ষীবাহিনী আইনে এ সংশোধনী আনা হয়।
এটা ছিল ১৯৭৪ সালের ১১নং আদেশ
১৯৭৪ সালে রক্ষীবাহিনী আইনের সংশোধনী এনে ইনডেমনিটি দেয়া হলেও কার্যকারিতা দেখানো হয় ১৯৭২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে। অর্থাৎ রক্ষীবাহিনী কার্যক্রমের শুরু থেকে যা কিছু দায়ভার, সবই দায়মুক্তি পায় ১৯৭৪ সালের সংশোধনীতে। ১৯৭২ সালে আইন তৈরির মাধ্যমে রক্ষীবাহিনী গঠনের পর এটিই ছিল এই আইনের প্রথম সংশোধনী।
মার্চ ১৯৭২
জাতীয় রক্ষীবাহিনী অর্ডার প্রণয়ন করা হয় যা ১৯৭২ সালের ২১নং আইন
১৯৭৪ সালের রক্ষীবাহিনী আইনের দুটি সংশোধনীঃ
১৬(ক)অনুচ্ছেদ সংশোধনী
রক্ষীবাহিনীর সদস্যরা তাদের যে কোনো কাজ সরল বিশ্বাসে করেছেন বলে গণ্য করা হবে এবং এ নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের, অভিযোগ পেশ কিংবা আইনগত কোনো পদক্ষেপ নেয়া যাবে না।
৮(ক) অনুচ্ছেদ সংশোধনী
রক্ষীবাহিনীর যে কোনো সদস্য বা অফিসার ৮নং অনুচ্ছেদবলে বিনা ওয়ারেন্টে আইনের পরিপন্হী কাজে লিপ্ত সন্দেহবশত যে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবে। এছাড়া যে কোনো ব্যক্তি, স্হান, যানবাহন, নৌযান ইত্যাদি তল্লাশি বা আইনশৃঙ্খলাবিরোধী কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে-এমন যে কোনো সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করতে পারবেন। যে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার এবং তার সম্পত্তি হস্তগত করার পর একটি রিপোর্টসহ নিকটতম থানা হেফাজতে পাঠিয়ে আইনানুগ ব্যবস্হা গ্রহণ করতে পারবে।
একটি উদাহরণ থেকে বুঝা যাবে কেন রক্ষীবাহিনীকে রক্ষার জন্য একটি কুৎসিত ইন্ডিমিনিটি প্রদান করতে হয়েছিলঃ
“ইতিহাসের কাঠগড়ায় আওয়ামী লীগ”
বইটিতে আহাম্মেদ মুসা, অরুণা সেনের উদ্ধৃতিতে বলেন-"১৭ আশ্বিন রক্ষীবাহিনীর লোকরা আমাদের গ্রামের ওপর হামলা করে। ওইদিন ছিল হিন্দুদের দুর্গাপুজার দ্বিতীয় দিন। খুব ভোরেই আমাকে গ্রেফতার করে। গ্রামের অনেক যুবককে ধরে মারপিট করে। লক্ষণ নামে এক কলেজছাত্র এবং আমাকে তারা নাড়িয়া রক্ষীবাহিনীর ক্যাম্পে নিয়ে যায়। সেখানে আমাকে জিজ্ঞাসা করে স্বামী শান্তি সেন এবং পুত্র চঞ্চল সেন কোথায়? তারা রাষ্ট্রদ্রোহী; তাদের ধরিয়ে দিন! আরও জিজ্ঞাসাবাদের পর সন্ধ্যার দিকে আমাকে ছেড়ে দেয়া হয়। লক্ষণ সেনকে রেখে পরের দিন ছাড়ে। বাড়িতে ফিরে দেখি মারধরের ফলে সে গুরুতর অসুস্হ। চার-পাঁচ দিন পর আবার তারা রাতে গ্রামের ওপর হামলা করে। অনেক বাড়ি তল্লাশি করে। অনেককে মারধর করে। কৃষ্ণ ও ফজলু নামের দু’যুবককে মারতে মারতে নিয়ে যায়। আজও তারা বাড়ি ফিরে আসেনি। আত্মীয়রা ক্যাম্পে গেলে বলে তারা সেখানে নেই। তাদের মেরে ফেলে বলেই মনে হয়। এরপর থেকে রক্ষীবাহিনী মাঝে মাঝেই গ্রামে এসে যুবকদের খোঁজ করত"
এই নির্যাতিত সহ আরো ৩০ হাজার নিহত ব্যাক্তির পরিবার ১৯৭৪ সালের কালো আইনটির কারণে আদালতের দুয়ারে বিচার চাওয়ার অধিকার খুইয়েছে। যা ৭১ এ মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে পূর্ন বিশ্বাস ঘাতকতা।
এই প্রাইভেট বাহিনীর ধারাবাহিক নির্যাতনের ছোট্ট একটি হাই লাইট দেখা যায়
২ এপ্রিল ১৯৭২ সাপ্তাহিক হলিডে সংখ্যাতে
তাঁদের শিরনাম হয়সেখানে লেখা হয় –-স্যাংশান টু দ্য কিল ডিসেন্টার -
-প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিব যখন প্রকাশ্যে জনসভায় নির্দেশ দিলেন, “নক্সালদের দেখামাত্র গুলী কর” তখন রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক হত্যাকান্ড চালানোর জন্য অন্য কোনো অনুমোদনের আর দরকার পড়ে না-
ঐ একই পত্রিকা ২০ মে ১৯৭৩ এ টাইটেল হেড লেখে
-ভিসেজ অব কাউন্টার রেভ্যলুশন
বিবরণে লেখা হয়“রক্ষীবাহিনী হচ্ছে প্রতি বিপ্লবের অস্ত্র, যার উপর এমনকি সর্বভুক শাসক শ্রেণীর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ভারতীয় শাসক শ্রেণীর অনুগত এক সরকারকে এবং ভারতীয় উপ-সাম্রাজ্যবাদের সম্প্রসারণবাদী স্বার্থকে রক্ষা করার জন্য এটা হচ্ছে সিআরপির সম্প্রসারণ। এর নিঃশ্বাসে রয়েছে মৃত্যু আর ভীতি। আপনি অথবা আমি যে কেউ হতে পারি এর শিকার এবং বাংলাদেশের প্রশাসনের পুস্তকে আমাদের পরিচিতি হবে ‘দুষ্কৃতকারী’ হিসাবে।”
গ্রন্থে ব্যারিস্টার মওদূদ আহাম্মেদ লেখেন‘শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনকাল’
-যখন রক্ষীদের আচার আচরণ ও ভুমিকা নিয়ে জনমানসে অসন্তোষ, চরম পর্যায়ে উপনীত হয় ও সংবাদপত্রগুলো তাদের ক্ষমতা, কতৃত্ব ও ভুমিকা নিয়ে অব্যাহতভাবে প্রশ্ন উত্থাপন করতে থাকে তখন ২০ মাস কার্যধারা পরিচালনায় ঢালাও লাইস্নস দেয়ার পর সরকার রক্ষী বাহিনীর তৎপরতাকে আইনসিদ্ধ প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যেও একটি অধ্যাদেশ জারি করেন-
আশা করি ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ কি তার একটা পরিষ্কার ধারনা পেয়েছেন। এবার আসি আমাদের মূল বিষয়ে । ১৫ ই আগষ্ট এক ঐতিহাসিক বিয়াগান্ত ঘটনায় বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এবং বাকশালের সভাপতি ও সরকার প্রধান, বঙ্গ বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান তার পরিবারের অনেক সদস্য নিহত হয় ।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্তাক্ত লাশ সিঁড়িতে রেখেই তাঁর দীর্ঘকালের সহচরর খন্দকার যিনি ৭১ সালে মজিব নগর সরকারের প্রথমে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরবর্তীতে খাদ্য-মন্ত্রীর মোশতাক বঙ্গবন্ধু মন্ত্রিসভার সদস্য রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে এবং নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে । মোশতাক শুধু মন্ত্রী ছিলেন না, ছিলেন বাকশালের ১৫ সদস্যের পলিটব্যুরোর চার নম্বর সদস্য এবং আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন শেখ মজিবরের মতই যুগ্ন –সাধারন সম্পাদক ।
শুধুকিই মোশতাক !! যারা মোশতাকের মন্ত্রী সভার মন্ত্রী হয়েছিলেন তারা প্রত্যেকে বঙ্গবন্ধু হত্যার আগমুহূর্তেও বঙ্গবন্ধু মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন।
শেখ মুজিব হত্যার ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে তাঁরই ঘনিষ্ঠ সহচরদের ৮১ দিনের শাসনামলে সঙ্গী ছিলেন বঙ্গবন্ধু মন্ত্রিসভার ২১ সদস্য
~~~~~~~~~~~~~~~~~১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর
ঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) অধ্যাদেশ জারি করেন। সেদিন ছিল শুক্রবার। ‘দি বাংলাদেশ গেজেট, পাবলিশড বাই অথরিটি’ লেখা অধ্যাদেশটিতে খন্দকার মোশতাকের স্বাক্ষর আছে।
মোশতাকের স্বাক্ষরের পর আধ্যাদেশে তত্কালীন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এইচ রহমানের স্বাক্ষর আছে।
অধ্যাদেশটিতে দুটি ভাগ আছে
প্রথম অংশে বলা হয়েছে,
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে বলবৎ আইনের পরিপন্থী যা কিছুই ঘটুক না কেন, এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টসহ কোনো আদালতে মামলা, অভিযোগ দায়ের বা কোনো আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়া যাবে না।
দ্বিতীয় অংশে বলা আছে, রাষ্ট্রপতি উল্লিখিত ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে যাদের প্রত্যয়ন করবেন তাদের দায়মুক্তি দেওয়া হলো। অর্থাত্ তাদের বিরুদ্ধে কোনো আদালতে মামলা, অভিযোগ দায়ের বা কোনো আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়া যাবে না।
ইন্ডেমনীটি আদেশ পত্রটির ছবি দেখুন
![]() |
| ১৯৭৫ সাথে স্বাক্ষর কৃত ইনডেমনিটি এক্ট - দেখুন স্বাক্ষর কাদের |
তখন কে বা কারা ছিলেন ক্ষমতার শীর্ষ বিন্দুতে?
১।সেনা প্রথান মেজর জেনারেল সফিউল্লাহ, বীর উত্তম।
২।এয়ার ভাইস মার্সাল ছিলেন একে খন্দকার।
৩।জাতীয় রক্ষী বাহিনী প্রধান ছিলেন স্যার তোফায়েল আহাম্মদ।
৪।সচিব এইচ টি ইমাম ছিলেন মোস্তাক সরকারের শপথ পরিচালনাকারী।
এরা সবাই অদ্যাবধি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারে এবং দলের সংসদ,মন্ত্রী, উপদেষ্টা সহ বিভিন্ন অতীব গুরুত্বপূর্ন পদে আসীন আছেন, কিন্তু কেনো, কিভাবে?
এক্ষেত্রে তৎকালীন নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল এম এইচ খান এবং বিডিআর প্রধান মেজর জেনারেল খলিলুর রহমান ১৯৯৬ এর আগেই মৃত্যুবরন করায় সম্ভবত তাদেরও মন্ত্রী বানানো যায়নি।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ক্ষমতার প্রাদ প্রদিপে আসেন
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর
সিপাহী জনতার বিপ্লবের পর । সে সময় বিচারপতি সায়েম রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
১৯৭৬ সালের ২৯ এপ্রিল
জনাব সায়েম, জেনারেল জিয়াউর রহমানের কাছে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।
১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল
সায়েম রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং জিয়া রাষ্ট্রপতি হন ।
ইতিহাসের কাঠগড়ায় ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ঘোষিত ইনডেমনিটি(দায়মুক্তি) অধ্যাদেশের দায় ভার কি করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপর বর্তায় ?
আমি প্রশ্ন রাখলাম , উত্তরের দায় দায়িত্ব আপনাদের হাতে।
তবে এই কথা নিশ্চিত ভাবেই বলা যায় বাংলাদেশের জনগণের কাছে জিয়াউর রহমানের গ্রহণযোগ্যতা ও বিপুল জনপ্রিয়তার কারণেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হত্যার সঙ্গে
আশার কথা, ইতিহাস তার নিজস্ব গতিতেই চলে। হয়ত কখনো থমকে দাড়ায় মনে হয় ইতিহাস বিকৃত বা শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ইতিহাস যতক্ষন থমকে ছিল তার চেয়ে অনেক বেশি গতি ,সাহস, শক্তি ও সময় নিয়ে আবার এগিয়ে যেতে থাকে।
লেখাটি ২৭ মে জিয়া দ্যা প্যাট্রিয়ট বা তৎকালীন "জিয়া ডাইনেষ্টি" পেজে প্রকাশ হয়।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
সত্য উন্মেচিত হোক
তথ্যসুত্র #ব্রাইট সেন্ট্রাল #রক্ষী বাহিনী সংশোধন আইন #ব্যারিস্টার মওদূদ আহাম্মেদ – শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনকাল #সাপ্তাহিক হলিডে #বাংলাদেশ আর্কাইভ
শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
শহীদ জিয়ার ভিন্ন স্বত্বা
শহীদ জিয়ার ভিন্ন স্বত্বা
---------------
জিয়া ব্যক্তি
জীবনে ছিলেন একজন আল্লাহ পরহেজগার মানুষ। যা বাইরে থেকে সেভাবে বোঝা যেত না। একবার তিনি কথা
প্রসঙ্গে আমাকে বলেছিলেন –
“আল্লাহর রহম এবং নীরব কর্ম নিয়ে আমি জীবন কাটাতে চাই।”
আল্লাহ তার
আর্জি শুনছিলেন আজীবন তিনি তাই পেয়েছিলেন।
তার পাচ বছরের
জীবন ধারা লক্ষ্য করলে দেখা যাবে রাষ্ট্রীয় কর্মযজ্ঞের মাঝে সুন্দর ভাবে
ধর্মকে মিলিয়ে নিয়েছিলেন। কোন গুরুত্বপূর্ন কাজে হাত দেবার আগে সিলেটে
হযরত শাহজালাল (রাঃ) এবং অন্যান্য ওলী আউলিয়ার মাযার জিয়ারত করতেন।
বিদেশে
রাষ্ট্রীয় সফরের মাঝে সুযোগ পেলেই সে দেশের বরেন্য আউলিয়াদের মাযারে না যেতে
চাইতেন প্রেসিডেন্ট জিয়া।
১৯৭৯ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ বিমানের “সিটি অভ শাহজালাল” নামক বিমানটি প্রেসিডেন্ট জিয়া এবং তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে জেদ্দা বিমান বন্দরে নামল। মটর শোভা যাত্রা সহকারে তাদের সৌদি বাদশাহর রাজকীয় অতিথি প্রসাদে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সবাই সামান্য বিরতি দিয়ে ওযু করে ইহরামের কাপড় পরল। দুই রাকাত নফল নামায আদায় করে জেদ্দা থেকে মক্কা ময়াজ্জেমায় রওনা হল পবিত্র ওমরাহের জন্য।
সুমাইছিয়া মিনারের কাছে পৌছে সবার কন্ঠে উচ্চারিত হয়
“আল্লাহুম্মা
হাজা হারামুকা-ইয়াওমা তাবআসুক ইবাদাকা।”
সুমাইছিয়া
মিনার থেকেই পবিত্র হেরেম শরীফের সীমানা শুরু। মসজিদুল হারামে জিয়া ও তার সফর
সঙ্গীরা প্রবেশ করল। খানায়ে কাবা তওয়াফ করা হল। এর পর নফল নামায। পবিত্র জমজমের পানি পান। এর পর
খানায়ে কাবার ভেতর ঢুকলেন সবাই। চারদিকে মুখ করে দু রাকাত করে নফল নামায পড়লেন সবাই।
জিয়া সহ সবার চাপা কান্নার আওয়াজ
উঠল আবেগে। পরম করুনাময়ের ইচ্ছায় এই সৌভাগ্যে সবাই আনন্দে অবিরত পানি ফেলছে।
এর পর সবাইকে
নিয়ে তিনি পবিত্র খানায়ে কাবার মেঝে ঝাড়ু দিলেন। পবিত্র নেয়ামত হিসাবে সেই ঝাড়ন খানা নিয়ে
নীচে নেমে আসেন বুকে জড়িয়ে ধরে। তার
চোখ দিয়ে তখন অবিরল ধারায় পানি গড়িয়ে পড়ছিলো।
এখানে এটা
সবাইকে জানানো প্রয়োজন পবিত্র কাবা শরীফ সৌদী বাদশাহ নিজে বছরে দু’বার নিজ হাতে ধোয়া মোছা করেন। আর খুব
অল্প কয়েকজন রাষ্ট্র প্রধান ই এই বিরল সৌভাগ্যের অধিকারী ছিলেন যারা নিজ হাতে কাবা শরীফ
ধৌত করেছেন।
সাফা মারওয়া “সাঈ”
সাতবার সাঈ
করার পর কিবলামুখী হয়ে সবাই মোনাযাত করেন। মাগরিবের নামাযের ওয়াক্ত সব
মুসুল্লীর সাথে এক সাথে পড়েন। এর পর স্থানীয় সব মুসুলীরা জিয়া এবং তার সফর
সঙ্গীদের সাথে আলিঙ্গন করেন। ফিরতি পথ ধরার সময় স্থানীয় জনতা “নাড়া” দিয়ে ওঠে শোকরানা ইয়া বাংলাদেশ শোকরানা।
জেদ্দা থেকে
আবার পবিত্র মদিনা
মুনাওয়ারা। বিমান বন্দরে জিয়াকে অভ্যার্থনা জানায় মদিনার গভর্নর এবং স্থানীয় গ্যারিসন কমান্ডার
এবং রাজকীয় উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। লাল গালিচায় লেখা আহলান ওয়া আহ সালান। কথা ছিল রাজকীয়
বিশ্রামালয়ে বিশ্রাম নিয়ে পাক রওযায়
যাবেন কিন্তু জিয়া মদিনার মাননীয় গভর্নর কে অনুরোধ করেন তারা সর্বপ্রথম রসুলে করীম (সাঃ) এর
পবিত্র রওযায় যেতে চান।
সবাই ওযু করে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর পাক রওযার মুল প্রকোষ্ঠে যায় এটা
অত্যান্ত দুর্লভ এক সন্মান।
ঢাকা থেকে যাত্রা করার পর ২০ ঘন্টা কেটে গেছে কিছুটা ক্লান্তি থাকলেও সবাই এই পবিত্র আনন্দে হাসি মুখে ছিল। ৩ ঘন্টা বিশ্রাম নিয়ে সবাই রাত চারটায় পৌছে মসজিদে নববীতে। মিম্বর শরীফ এবং নবী করিম (সাঃ) এর ঘরের মধ্যবর্তী এলাকার নাম “রওযাতুল জান্নাহ”। এই রওযাতুল জান্নাহ তে সবাই আদায় করল দুই রাকাত “তাহইয়াতুল মসজিদ” তারপর তাহাজ্জুদের নামায। এর পর জিয়া সহ সবাই পবিত্র কোরান শরীফ পাঠ করতে থাকেন।
এর পর বেলাল (রাঃ) যেখানে দাড়িয়ে আযান দিতেন সেখানে
দাঁড়িয়ে মুয়াজ্জিনের আযান ধ্বনিত হল ফযরের। ফযরের নামাযের পর মসজিদে নববীর ইমাম জিয়া ও তার
সফর সঙ্গীদের কাছে এলেন। উনার
নেতৃত্বে সবাই নবী করিম (সাঃ) সালাম পেশ করেন। এর পরই সালাম পেশ করেন ইসলামের
প্রথম দুই খলিফা হযরত আবু বকর (রাঃ) ও হযরত ওমর (রাঃ) কে।
সবার কন্ঠে
ধ্বনিত হয়
“আস সালামু আলাইকা ইয়া রাসুলুল্লাহ, আস সালামু আলাইকা ইয়া খাইরা খাল কিল্লাহ – ইনদাকা আনদাকা সুবাহানাকা জুল ফাদলিল আজিম”
সবার চোখ দিয়ে
তখন হুহু করে পানি পড়ছে সবাই ভুলে গেছে ওখানে কে প্রেসিডেন্ট কে তার ষ্টাফ। বিশ্ব
মানবের সামনে সবাই এক কাতারে নেমে এল।
সুবাহান
আল্লাহ।
মসজিদে নববী
থেকে বের হয়ে সবাই এলেন “জান্নাতুল বাকী” তে এখানে নবী করিম (সাঃ) এর অনেক পারিবারিক সদস্য এবং
সাহাবা রা শুয়ে আছেন। এখানে শায়িত আছেন বিবি খাদিজা (রাঃ), বিবি মায়মুনা (রাঃ), রোকেয়া বিনতে রাসুল (সাঃ), হযরত ইমাম হাসান (রাঃ), জয়নুল আবেদিন (রাঃ), হযরত ইমাম বাকের (রাঃ), হযরত ইমাম জাফর সাদেক (রাঃ)। এর পর মসজিদে হামযা এবং হামযা (রাঃ)
এর মাযারে।
এর পর সবাই যায়
মসজিদে কোবায়। হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) মক্কা থেকে মদিনা হিযরত করার সময় এখানে
১৪ দিন অবস্থান করেন এবং নিজ হাতে মসজিদে কোবা র ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন। সবার মুখ আনন্দে
ঝলমল করছিলো। সবাই ফিরে আসল রাজকীয় অতিথি শালায়। ব্রেক ফাষ্টের পর সবাই রওনা দিল বাগদাদ অভিমুখে।
যে ইতিহাস অন্য একদিন
শুনবো।
জনাব হেদায়েত
হোসাইন মোরশেদ এর লেখা অবলম্বনে "ক্যাপ্টেন নিমো" প্রডাক্ট
মূল পোস্ট Zia: The Patriot - দ্যা প্যাট্রিয়ট
মূল পোস্ট Zia: The Patriot - দ্যা প্যাট্রিয়ট
শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
Iconic Jackson.
Iconic Jackson.
Happy birth day King
২৯ অগাস্ট
১) ৯/১১ সকাল বেলাতে ওয়াল্ড ট্রেড সেন্টারে জ্যাকসনের মিটিং ছিল, ঘুম ভাঙতে দেরি হবার জন্য মিটিং মিস হয়।
২)জ্যাকসন ফ্যামিলি নিয়ে যে কোন বিমান যাত্রার সময়, ডায়েট কোকের ক্যানে তাকে বিয়ার দেওয়া হত, কারন জ্যাকসন চাইতো না তার বাচ্চারা এল্কোহল খাওয়া দেখুক।
৩)মাইকেল তার জীবন ৫০০ টি মূলধারা এওয়ার্ড ও এওয়ার্ডের নমিনেশন পেয়েছিলেন।
৪) মৃত্যুর পর মাইকেলের পারসোনাল ভল্টে ১০০ অপ্রকাশিত গান পাওয়া যায়।
৫)Bubbles নামে মাইকেলের পোষা শিম্পাঞ্জি, আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে যখন মাইকেলকে শেষবার হাসপাতালে নেওয়া হয়।
Happy birth day King
২৯ অগাস্ট
১) ৯/১১ সকাল বেলাতে ওয়াল্ড ট্রেড সেন্টারে জ্যাকসনের মিটিং ছিল, ঘুম ভাঙতে দেরি হবার জন্য মিটিং মিস হয়।
২)জ্যাকসন ফ্যামিলি নিয়ে যে কোন বিমান যাত্রার সময়, ডায়েট কোকের ক্যানে তাকে বিয়ার দেওয়া হত, কারন জ্যাকসন চাইতো না তার বাচ্চারা এল্কোহল খাওয়া দেখুক।
৩)মাইকেল তার জীবন ৫০০ টি মূলধারা এওয়ার্ড ও এওয়ার্ডের নমিনেশন পেয়েছিলেন।
৪) মৃত্যুর পর মাইকেলের পারসোনাল ভল্টে ১০০ অপ্রকাশিত গান পাওয়া যায়।
৫)Bubbles নামে মাইকেলের পোষা শিম্পাঞ্জি, আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে যখন মাইকেলকে শেষবার হাসপাতালে নেওয়া হয়।
বৃক্ষ কন্যা জিলুফা সুলতানা
প্রবাদ আছে আজ ইউ সো, সো ইউ রিপ
কে জানে হয়তো এখান থেকেই তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন , অথবা মরুকরণ প্রকৃয়ার স্বীকার বাংলাদেশ বা সুন্দর বনের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিল তার।
গ্রামের লোকেরা এমনিতেই ভোর বেলা ওঠে, সেদিন ফজরের নামাজের শেষে মসজিদের মাইকে একটি বিশেষ ঘোষনা দিয়ে সবাইকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়। আগে থেকে স্কুলের ছেলে মেয়ে সহ প্রায় ৩০,০০০ মানুষ রাস্তাতে নেমে আসে , রাস্তার মোড়ে মোড়ে দেশ মাতৃকতার গান বাজছিল, ১৫৩ টি রাস্তার ৪৬০ কিলোমিটার জুড়ে মানুষ ছড়িয়ে পরে।
সকাল যখন ৭ টা বাজে তখন বাঁশি বাজানো হয়। সাথে সাথে কোদাল , খুন্তি হাতে
নিয়ে গাছ লাগাতে শুরু করে তাঁরা। ঠিক ১ ঘন্টা পর যখন সকাল ৮ টা বাজে আবারো
বাঁশি বাজানো হয়। মধ্য খানের ৬০ মিনিটের মধ্যে একটি সবুজ ওয়াল্ড রেকর্ড গড়ে
ফেলে তাঁরা।
২,৫০,০০০ গাছ রোপণ করে ফিলিপিনের ২,২৩৩৯০ টি চারা
বপনের রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে তারাগঞ্জবাসী। তারাগঞ্জ নামের উপজেলাতে ততক্ষণে
"সবুজ তারাগঞ্জ গড়ি" নামের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হয়ে গিয়েছে।
এর আগে লম্বা সময় ধরে প্রস্তুতি নিতে হয়, ৫০ জনের একটি করে টিমের একজন করে টিম লিডারের অধীনে সেরে নেয় যাবতীয় প্রস্তুতি। ট্রাক , ভ্যানে ৩১ শে অগাস্ট তারিখের ভেতর সব চারা এসে পৌঁছে যায় , ৪৫ টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে সেদিন উৎসবের ফাগুন লেগেছিল।
যখন সবুজের রেকর্ড গড়া হয়ে গিয়েছে , তখন জিলুফা সুলতানার চোখের কোনে চিকচিক করছিল মুক্তদানার মত
জল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিলুফা সুলতানার ব্রেন চাইল্ড ছিল এই “সবুজ তারাগঞ্জ গাড়ি” প্রকল্পটি।
তার সহকর্মীদের উৎসাহে কোন ঘাটতি ছিল না , সাধারণ মানুষের সাহায্য ও আগ্রহে অজপারাগার জিলুফা সুলতানা , গ্রামের মানুষদের সাথে নিয়ে গড়ে ফেলেন সম্ভবত পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম সেরা সবুজায়ন প্রকল্পটি।
যখন সবুজ পাতারা অবহেলার যাঁতাকলে ঝরে যাবার হুমকির মুখে , তখন গ্রামবাংলার জিলুফা সুলতানা ও খেটে খাওয়া মানুষেরা আবারো বাসযোগ্য পৃথিবীর স্বপ্ন বুনে দেন।
স্বপ্ন বুনে দেওয়া জিলুফা সুলতানার ফেসবুক লিঙ্ক https://www.facebook.com/jilufa.sultana?fref=ts
খবরটির সর্ট লিঙ্ক http://bit.ly/2bUlOYx
এর আগে লম্বা সময় ধরে প্রস্তুতি নিতে হয়, ৫০ জনের একটি করে টিমের একজন করে টিম লিডারের অধীনে সেরে নেয় যাবতীয় প্রস্তুতি। ট্রাক , ভ্যানে ৩১ শে অগাস্ট তারিখের ভেতর সব চারা এসে পৌঁছে যায় , ৪৫ টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে সেদিন উৎসবের ফাগুন লেগেছিল।
যখন সবুজের রেকর্ড গড়া হয়ে গিয়েছে , তখন জিলুফা সুলতানার চোখের কোনে চিকচিক করছিল মুক্তদানার মত
জল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিলুফা সুলতানার ব্রেন চাইল্ড ছিল এই “সবুজ তারাগঞ্জ গাড়ি” প্রকল্পটি।
তার সহকর্মীদের উৎসাহে কোন ঘাটতি ছিল না , সাধারণ মানুষের সাহায্য ও আগ্রহে অজপারাগার জিলুফা সুলতানা , গ্রামের মানুষদের সাথে নিয়ে গড়ে ফেলেন সম্ভবত পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম সেরা সবুজায়ন প্রকল্পটি।
যখন সবুজ পাতারা অবহেলার যাঁতাকলে ঝরে যাবার হুমকির মুখে , তখন গ্রামবাংলার জিলুফা সুলতানা ও খেটে খাওয়া মানুষেরা আবারো বাসযোগ্য পৃথিবীর স্বপ্ন বুনে দেন।
স্বপ্ন বুনে দেওয়া জিলুফা সুলতানার ফেসবুক লিঙ্ক https://www.facebook.com/jilufa.sultana?fref=ts
খবরটির সর্ট লিঙ্ক http://bit.ly/2bUlOYx
এরশাদনামা ৫
এরশাদনামা ৫
--------------------
এরশাদ Vs মেজর জেনারেল নুরুল ইসলাম শিশু
প্রেসিডেন্ট জিয়া হত্যাকান্ডের পর জেঃ এরশাদের জন্য সবচেয়ে বড় বাঁধা হয়ে
দাড়াই মেজর জেনারেল নূরুল ইসলাম শিশু।বিএনপি সংশ্লিষ্ট সকলের ভেতর কৃষি
মন্ত্রী মেজর জেনারেল শিশু ও ডঃ বি চৌধুরী ছিলেন এরশাদের সবচেয়ে বড় আতঙ্ক ও
পথের কাঁটা। জিয়ার বিশ্বস্ত সহযোগী এই দুজনকে সরিয়ে দিতে এরশাদ গ্রহণ করেন
কুচক্রী পলিসি।
দ্র: তখন পর্যন্ত বেগম জিয়া প্রেক্ষাপটে আসেন নি, আসার সম্ভবনা নিয়ে সেভাবে কোন কথাও ওঠেনি।
প্রখর বুদ্ধিমত্তা, মুক্তিযোদ্ধা, অমায়িক ব্যাবহারের গুণাগুণ সমৃদ্ধ
শিশুকে যে কোন সমস্যার সহজ সমাধানের কারিগর বলা হত। সেনাবাহিনী ও প্রশাসনে
তাঁর ছিল উজ্জ্বল ভাবমূর্তি। বিএনপি ও প্রশাসনের মুক্তিযোদ্ধা অংশ এবং দলের
তরুণ নেতা কর্মিরা একমত ছিল যে জিয়াউর রহমানের অবর্তমানে একমাত্র মেজর
জেনারেল শিশু রাজনৈতিক ভাবে তাঁর উত্তরসূরি হবার যোগ্যতা রাখেন।
কাজেই শিশুর দ্বারাই শহীদ জিয়ার অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব।
সেনাবাহিনীতে শিশুর জনপ্রিয়তা থাকার কারণে বিএনপির প্রতি আর্মিদের সফট
কর্নার জিয়ার পরেও টিকে থাকে।
ব্যারিস্টার মওদুদ আহাম্মেদ ,কে এম
ওবাইদুর রহমান, কর্নেল আকবর সহ ৫৫-৬০ জন দলীয় এমপি ও দলের শুভানুধ্যায়ীরা
শিশুকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেবার ইচ্ছা পোষন করেছিলেন। উচ্চপদস্ত সরকারী
আমলারাও চাচ্ছিলেন বিএনপি শিশুকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী করুক।
নূরুল
ইসলাম শিশুর প্রার্থীতার গুঞ্জনে প্রমোদ গুনলেন এরশাদ, যদি শিশুকে প্রতিহত
না করা যায় তাহলে ক্ষমতা দখলের সব সাধ , পরিকল্পনা ভেস্তে যাবে সাথে সাথে
জিয়ার অসমাপ্ত কাজ সমূহ পুর্নতা পাবে এবং এরশাদের ক্ষমতা দখলের আশা
চিরদিনের মত তিরোহিত হবে।
এরশাদ মানসিক ভাবে প্রস্তুত ছিল বয়বৃদ্ধ
সাত্তার প্রেসিডেন্ট হলে কিভাবে তাঁকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ধীরে ধীরে
ক্ষমতার হাতবদল ঘটাবে। এ লক্ষে সাত্তারের সাথে শিশুর মনোমালিন্য বৃদ্ধি করা
ও সাত্তারের মন্ত্রী পরিষদে নিজের লোক ঢুকানোর পরিকল্পনা নেয় এরশাদ। এরশাদ
গোয়েন্দা রিপোর্টের নামে সাত্তারের কান ভারি করে যে শিশুর নেতৃত্বে
ওবায়েদ, মওদূদ, আকবর, এস এ বারী দল পাকাচ্ছে যাতে সাত্তার মনোনয়ন না পান।
এরশাদ আরো জানায় যেহেতু ইয়াং বিএনপি সবাই শিশুর পক্ষে, ভাষানি ন্যাপ থেকে
আসা এমপি এরা সবাই শিশুর পক্ষে তাই যদি ওবায়েদ, মওদূদ, আকবর, এস এ বারী,
সাইফুর রহমান, হাবিবুল্লাহ খান ও ক্যাপ্টেন নূরুল হককে মন্ত্রী পরিষদ থেকে
অব্যাহতি না দেওয়া হয় তবে সাত্তারের আবার প্রেসিডেন্ট হবার সম্ভবনা
শুন্য।তাছাড়া সাত্তার মনোনীত উপরাষ্ট্রপতি হবার কারণে Office of profit
নিয়ে প্রার্থী হবার যোগ্য নন । অতএব সংবিধানের ৬ষ্ট সংশোধনীর মাধ্যমে
প্রার্থী পদ বৈধ করতে হবে।
সে কারণে শিশু ও তাঁর পক্ষের লোকদের
মন্ত্রী পরিষদ থেকে অব্যাহতি দিলে তাঁদের মনোবল ভেঙে যাবে এবং অন্যরা ৬ষ্ট
সংশোধনীর বিরুদ্ধে কোন কথা বলার সাহস পাবেনা।
এই যড়যন্ত্র
বাস্তবায়নে এরশাদের সাথে হাত মেলান তৎকালীন প্রধান মন্ত্রী শাহ্ আজিজুর
রহমান, শামসূল হূদা চৌধুরী, ডাঃ এম এ মতিন, মাইদুল ইসলাম মুকুল,
ব্যারিস্টার হাসনাত প্রমুখ। এরা সকলে মিলে সাত্তার কে বুঝাতে সক্ষম হয় যে
যদি সাত্তার প্রেসিডেন্ট হতে চাই তবে শিশু ও তাঁর বিশ্বস্ত লোকদের মন্ত্রী
সভা থেকে বিদায় করতে হবে।
অবশেষে সাত্তার নিজের কফিনে শেষ পেরেক
ঠুকতে ২০ জুন ১৯৮১ তে কৃষি মন্ত্রী মেজর জেনারেল শিশু এবং কর্নেল আকবরকে
মন্ত্রীসভা থেকে বহিষ্কার করে দেয়।
ফলশ্রুতিতে বিএনপির অভ্যন্তরীণ
কোন্দল প্রকাশ্যে চলে আসে এবং সেনাবাহিনী , প্রশাসন ও দলের ইয়াং জেনারেশনের
ভেতর তীব্র প্রতিকৃয়া দেখা দেয়।
এরশাদ ও শাহ্ আজিজ চেয়েছিল
মন্ত্রীসভা থেকে শিশুদের বিদায় করে দিয়ে সাত্তারকে একা করে দেওয়া দেওয়া
যাতে সাত্তার তাঁদের ওপর আরো নির্ভরশীল হয়ে পরলে তাঁদের পরিকল্পনা
বাস্তবায়ন সহজ হয়।
এরশাদ এই সময় প্রায় প্রকাশ্য সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতেন এবং নিজেকে জনপ্রিয় করার মত কথা বার্তা বলতেন।
সাত্তারকে বন্ধুহীন ও একা করে, এরশাদ ও শাহ্ আজিজের ওপর নির্ভরশীল করতে চাওয়ার পেছনে এরশাদের লক্ষ ছিল সুদুর প্রসারী।
ধূর্ত এরশাদের প্রথম পছন্দ ছিল বিচারপতি সাত্তার কে কনভিন্স করে উপ
রাষ্ট্রপতির পদ টি বাগিয়ে নেওয়া যাতে সাত্তারকে শারীরিক ভাবে অক্ষম ঘোষনা
দেওয়ানোর মাধ্যমে পুরো বিএনপিকে হাইজ্যাক করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট পদে
আপগ্রেড করা।
দ্বিতীয়ত যদি সাত্তার নিজেকে অসুস্থ হিসাবে ঘোষনা দিতে
অস্বীকৃতি জানান সে ক্ষেত্রে আরো আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়ে সময়
সুযোগ মত সামরিক আইন জারির মাধ্যমে সাত্তারকে সরিয়ে দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতাতে
আসীন হওয়া।
বিচারপতি সাত্তার যদি সেনাপ্রধান এরশাদের পাতা ফাঁদে পা
না দিয়ে মেজর জেনারেল নূরুল ইসলাম শিশুর সাথে বোঝাপারার মাধ্যমে একটা
সমঝোতাতে আসতেন , তবে ইতিহাসে ৯ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের কথা হয়তো লেখা হতো
না ।
লাল্টু কেচ্ছা
ডিয়ার সাহাবুদ্দিন লাল্টু ভাই , আপনার সাথে দুএক বার দেখা ও কথা হলেও পরস্পর কে জানার বোঝার সুযোগ হয় নি । ব্যাক্তি লাল্টু ভাই কে নিয়ে আমার অভিযোগ নেই , থাকার কথাও নয় ।
ঢাকা ভার্সিটি থেকে ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বাছায় করতে চাওয়াকে আমিও উপযুক্ত মনে করি।
আপনার যে লেখা পত্রিকা তে এসেছে তা নির্ভেজাল বিদ্রহী কোন নেতার কথা মনে হচ্ছেনা , বরং প্রতিহিংসা পরায়ণাতা বলেই ভ্রম হচ্ছে। আপনারই কোন এক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাবেক সহযোগীর অভিযোগের কোন প্রতিউত্তর আছে কি ?
লাল্টু লিখেছে
না তাঁর বক্তব্য প্রকাশ করতে যেয়ে আমার দ্বিধা কাজ করছে না , কারণ
পত্রিকাতে আপনার যে লেখা এসেছে, তা দেখেছি । এও দেখেছি আপনি প্রতিবাদ জানান
নি , যে তাঁরা আপনার ওয়ালের লেখা এডিট করে প্রকাশ করেছে ।
আসুন দেখি ইনবক্স থেকে কি এসেছে ...
ইনবক্স থেকে
""সাহাবুদ্দিন লাল্টু ভাই ফেসবুকে লিখেছেন, ফেসবুক থেকে সংবাদ পোর্টালে এসেছে।
লাল্টু ভাই আপনি আমার সরাসরি নেতা ছিলেন , অনেক সুখ দুঃখের স্বাক্ষী আমি। আমাকে মনে পড়তে বেশি কষ্ট হবেনা। পালিয়ে থাকার সময় ৩৫ দিন ৩৬ রাত আপনি আমার কাছেই ছিলেন...
আপনার অভিযোগ নিয়ে কিছু বলার নেই , এমনি এমন এক ব্যাক্তিকে তুলে এনে সমালোচনা করেছেন যে বহুদিন ধরেই সমালোচিত। আপনিও জানেন , আমিও জানি , আমরা সব্বাই জানি। সত্য মিথ্যা ও প্রপাগান্ডার পার্থক্য আপনার বোঝার কথা।
কিন্তু ভাই এতদিন পরে এইসব নিয়ে লিখতে গেলেন কেন হটাত করে? খুব প্রয়োজন ছিল কি ? প্রয়োজন কিসের?
দলের নেতা হিসাবে আপনার সবসময় সুযোগ ছিল নেত্রীর কাছে অভিযোগ করার । আমি স্বাক্ষী ভাই!
যে ভাষাতে আওয়ামীলীগ কথা বলে , সে ভাষাতে আপনি লিখছেন, তাও বিদেশ থেকে।কেন ভাই !
বিদেশ যাওয়ার সময় তো আমাদের কথা ভাবেন নি !
ভাই লাল্টু আপনি হাওয়া ভবনের প্রভাব থেকে সব ছাত্রলীগকে বিসিএস এর সোনার হরিণ দিয়ে দলের দূর্দিনে মুখফুটে এসব কি বলছেন!
আপনার কারনে সব গোপালী আজ পুলিশ অফিসার হইছে। টাকা কথা বলেছে। আমরা তখন বিসিএসে কিছু করতে পারি নাই টাকা দিই নাই বলে।
টাকা কার কাছে দিয়ার হুকুম ছিল লাল্টু ভাই?
আপনি যুগ্ম থাকতে মাইর খেলে কেমনে সেক্রেটারী হইসেন যদি ফালুমিয়ার ক্ষমতা এতই বেশী হতো!
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো ছাত্রলীগের প্রায় অর্ধেক কমিটিকে আপনি পুলিশে ঢুকিয়েছেন। প্রতিজনে দশ লাখ টাকা নিয়েছেন।
আমি ফার্স্টক্লাস ফার্স্ট হয়ে টিচার হতে পারি নাই (চিনতে পারছেন এবার) তবুও জিয়া আদর্শে ভড়সা রাখতাম বলে কাউকে বলি নাই যে, লাল্টুকে টাকা দিই নাই বলে আমার বিসিএস হয় নাই।
অথচ আমার জায়গায় ১০ লাখ টাকা নিয়ে তখন ছাত্রলীগের ১৯ তম ছেলেটিকে টিচার হবার সুযোগ দেন আপনি।
বস্ , এই লাল্টুর এই স্ট্যাটাসের উচিত জবাব দিন আমি বাসে চাপাই, যাচ্ছি। তাই অনুরোধ করলাম ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
বিশ্বাস করুন আমার অভিযোগের একচুল মিথ্যা নয় , অর্ধ সত্য নয়। বুকের ভেতর এতদিন ধরে জ্বলতে থাকা আগুন আজ লাল্টু ভায়ের পোস্ট দেখার পর থেকে আর চেপে রাখতে পারলাম না ।----
লাল্টুর প্রতিউত্তর
মেজবা বাই এর উত্তর
আমার উত্তর
আসুন দেখি ইনবক্স থেকে কি এসেছে ...
ইনবক্স থেকে
""সাহাবুদ্দিন লাল্টু ভাই ফেসবুকে লিখেছেন, ফেসবুক থেকে সংবাদ পোর্টালে এসেছে।
লাল্টু ভাই আপনি আমার সরাসরি নেতা ছিলেন , অনেক সুখ দুঃখের স্বাক্ষী আমি। আমাকে মনে পড়তে বেশি কষ্ট হবেনা। পালিয়ে থাকার সময় ৩৫ দিন ৩৬ রাত আপনি আমার কাছেই ছিলেন...
আপনার অভিযোগ নিয়ে কিছু বলার নেই , এমনি এমন এক ব্যাক্তিকে তুলে এনে সমালোচনা করেছেন যে বহুদিন ধরেই সমালোচিত। আপনিও জানেন , আমিও জানি , আমরা সব্বাই জানি। সত্য মিথ্যা ও প্রপাগান্ডার পার্থক্য আপনার বোঝার কথা।
কিন্তু ভাই এতদিন পরে এইসব নিয়ে লিখতে গেলেন কেন হটাত করে? খুব প্রয়োজন ছিল কি ? প্রয়োজন কিসের?
দলের নেতা হিসাবে আপনার সবসময় সুযোগ ছিল নেত্রীর কাছে অভিযোগ করার । আমি স্বাক্ষী ভাই!
যে ভাষাতে আওয়ামীলীগ কথা বলে , সে ভাষাতে আপনি লিখছেন, তাও বিদেশ থেকে।কেন ভাই !
বিদেশ যাওয়ার সময় তো আমাদের কথা ভাবেন নি !
ভাই লাল্টু আপনি হাওয়া ভবনের প্রভাব থেকে সব ছাত্রলীগকে বিসিএস এর সোনার হরিণ দিয়ে দলের দূর্দিনে মুখফুটে এসব কি বলছেন!
আপনার কারনে সব গোপালী আজ পুলিশ অফিসার হইছে। টাকা কথা বলেছে। আমরা তখন বিসিএসে কিছু করতে পারি নাই টাকা দিই নাই বলে।
টাকা কার কাছে দিয়ার হুকুম ছিল লাল্টু ভাই?
আপনি যুগ্ম থাকতে মাইর খেলে কেমনে সেক্রেটারী হইসেন যদি ফালুমিয়ার ক্ষমতা এতই বেশী হতো!
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো ছাত্রলীগের প্রায় অর্ধেক কমিটিকে আপনি পুলিশে ঢুকিয়েছেন। প্রতিজনে দশ লাখ টাকা নিয়েছেন।
আমি ফার্স্টক্লাস ফার্স্ট হয়ে টিচার হতে পারি নাই (চিনতে পারছেন এবার) তবুও জিয়া আদর্শে ভড়সা রাখতাম বলে কাউকে বলি নাই যে, লাল্টুকে টাকা দিই নাই বলে আমার বিসিএস হয় নাই।
অথচ আমার জায়গায় ১০ লাখ টাকা নিয়ে তখন ছাত্রলীগের ১৯ তম ছেলেটিকে টিচার হবার সুযোগ দেন আপনি।
বস্ , এই লাল্টুর এই স্ট্যাটাসের উচিত জবাব দিন আমি বাসে চাপাই, যাচ্ছি। তাই অনুরোধ করলাম ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
বিশ্বাস করুন আমার অভিযোগের একচুল মিথ্যা নয় , অর্ধ সত্য নয়। বুকের ভেতর এতদিন ধরে জ্বলতে থাকা আগুন আজ লাল্টু ভায়ের পোস্ট দেখার পর থেকে আর চেপে রাখতে পারলাম না ।----
লাল্টুর প্রতিউত্তর
মেজবা বাই এর উত্তর
আমি যখন রাউজানে রাজনীতি করছি তখন সেখানে ছিল মার্ডারের অভয়ারণ্য । সালাউদ্দিন ভাই তখন আমাদের পার্টীতে আসেন নাই । কিছু মার্ডার হত এটাকের মাধ্যমে কিছু মার্ডার হত বিশ্বাসঘাতকদের মাধ্যমে । খবর নেওয়া হত বা খবর আসতো ছাত্রলীগের ইকবালের কাছের দুই একজন ইকবালের উপর নাখোশ কিনা , তাদেরকে অফার দেওয়া হত কিল হিম এন্ড কাম বেক , বিনিময়ে ঐ এলাকা , অস্ত্র মামলার দায়িত্ব ......। অথচ যাদেরকে বলা হচ্ছে তারা কিন্তু মাস খানেক আগে আমাদের দলের বা সাকা ভাইয়ের দলের ভাই/ ভাইদের (মনে করেন আরিফ) ইকবাল কে সাথে করে খুন করে গেছে -তারাই আবার আমাদের অফারে ইকবালকে খুন করে আমাদের কাছে চলে আসলো । এবার আসি আসল কথায় - তারা আসার পর একবারেও তারা কিন্তু বলে নাই যে তারা আরিফকে কিভাবে মেরেছে বা আমরাও জিজ্ঞাসা করতাম না । এবং এটাই নিয়ম যে আমি দল ছেড়ে চলে যাব বা পার্টী করা ছেড়ে দিব বা আমি তারেক জিয়ার উপর নাখোশ তাই বলে আগের সব গোপন কাহিনী বলে দিব । এই যে সুবিধাভোগী লাল্টু যা বলছে তাতে করে তারই ভাবমূর্তি নস্ট হচ্ছে । কারন সে রাজনীতির মৌলিক যে অনু তা ভেঙ্গে চুরমার করে পরমানু বানিয়ে ফেলছে । তাতে করে এখন অনেক নেতা বা কর্মীকে তারেক জিয়া বা খালেদা জিয়া বা বড় নেতারা বেক আপ দিতে ভয় পাবে আর সেই এসাইমেন্টে নেমেছে কানাডাবা্সী কান কাঁটা লাল্টু । লাল্টু , তোমাকে আমি চিনি , হেয়ার রোডে অলি ভাইয়ের বাসায় তুমি কি করেছিলে । কিন্তু নিয়মানুযায়ী আমি তা বলতে পারি না।
আমার উত্তর
প্রথমেই জানতে চাই, উত্তর যদি দেবেন তো নিজ ওয়ালে নয় কেন?
এত কিছু যদি জানেন তো দেশ ছাড়ার পর জানালেন না কেন? ২০১২ -১৬ সাল চার বছর কেন অপেক্ষা করা লাগলো?
২০১২ সালের আগে ৮ বছর পদ পদবীর জন্য ঘুড়েছেন! দুঃখ জনক অবশ্যই। আমারো করুনা হচ্ছে! আচ্ছা লাল্টুদা ৮ বছর মানে ২০০৪ - থেকে ২০১২, এর ভেতর তো মাত্র ১ টা কাউন্সিল হয়েছে, তাও আবার শর্ত পূরনের জন্য। এক কাউন্সিল অপেক্ষাতেই আপনার মেজাজ সপ্তমে উঠে গেল? একবারো ভাবলেন না কদিন আগেই ছাত্রদলের কত ছেলেকে আপনিই অপেক্ষা করিয়েছিলেন!
বেগম জিয়ার পদ নিয়ে কথা বলছেন! তবে বলতেই হয় ৮ বছর পদের জন্য দ্বারেদ্বারে ঘুরা আপনার জন্য যথা উপযুক্ত ছিল। যে ব্যক্তি ছাত্র রাজনীতি করে আজো শিখতে চাইলো না দেশের রাজনীতির একক ঐক্যের দুই টি নাম খালেদা ও হাসিনা, সে রাজনৈতিক ইচড়ে পাকা ব্যাতীত আর কিই বা হতে পারে?
অতি চতুরের মত লিখেছেন দলের লোকেরা চাচ্ছিলনা আপনি রাজনীতি করেন, তাই বিদায় নিয়েছেন।
লাল্টু ভাই এক টিকিটে দুই ছবি দেখা হয়ে গেলো না? দলে এক নেতা অন্য নেতাকে ল্যাং দিয়ে ফেলে নিজে আগাতে চাইবে, এটা খুব স্বাভাবিক প্রকৃয়া, আপনি রাজনীতি থেকে চলে যাবার মাধ্যমে প্রমান দিয়েছেন প্রতিদন্দিতার মানসিকতা আপনার ছিল না, অন্যদিকে রেসে হেরে বিদায় নিয়ে আপনি খোদ রাজনীতিতে হেরে ধৌর্যের খেলা চালাতে পারেন নি। দূর্বলের মত ব্লেম গেম খেলছেন মাত্র।
বিভিন্ন হত্যাকান্ডের কথা বলে আজ আপনি নেত্রী সহ অসংখ্য অন্য নেতাদের দিকে আংগুল তুলছেন। জবান খুনিকে প্রশ্রয় দেবার কিছু নেই, তবে আপনার অভিযোগের প্রথম খুনের পর যদি অভিযোগ তুলতেন, বাধ্য হয়ে দেশ ছেড়ে পালাতেন রাজনের মত, তবে আপনার জন্য আমাদের স্যালুট থাকতো, আপনি জানেন ন্যায় সংগত বিদ্রোহীরা সব সময় অন্তত বিএনপি কর্মীদের কাছে উচ্চ আসনে আসিন।
আপনাকে লাল দালানে ঢুকাতে নেত্রী ব্যার্থ হয়েছে বলছেন! সত্যিই পারেন ভাই, । দেশের প্রধান মন্ত্রী কারো কোমরে দড়ি পড়াতে চাইলে আবার কোন কারন লাগে নাকি? পিন্টুর কথা ভূলে গেসেন, সোহেল ভায়ের জেল খাটার কথা ভূলে গেলেন! ইলিয়াস আলীর জেল খাটার কথা ভুলে গেলেন!
তারেক রহমানকে নির্যাতনের ক্ষেত্রে উনার মায়ের ফ্যামিলিচিত্র টেনে আপনি মইন ফকরুদ্দিনকেই হালাল করার চেষ্টা করছেন মাত্র!
আর হ্যা পিন্টু হত্যাকান্ডে আপনাকে দোষী ভাবি না।
টাকা খেয়ে চাকুরী দেবার মূল অভিযোগে হাস্যকর ভাবে তাদের নাম প্রকাশ করতে বলছেন? আপনি কি অভিযোগে দেখেন নি ছাত্রদলের ফাস্ট ক্লাস ফাস্টকে সুযোগ না দিয়ে আওয়ামীলীগের ১৯ তম জনকে সুযোগ দেবার অভিযোগ আপনার বিরুদ্ধে!
ডিয়ার লিডার লাল্টু ভাই, ১৫/২০ বছর রাজনীতি করে যখন ভাগে টান পড়লো তখনই গনেশ উল্টে গেলো!
ভালো তো, ছাত্রদলের প্রথম অযোগ্য কিমিটিতে আপনার নাম কিন্তু ছাত্রদলের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়ে গিয়েছে বহু বছর আগেই।
ভারতীয় গরু বর্জন করুন
আপনারা যারা ২৪ ঘন্টা, ইন্ডিয়ার ১৪ গুষ্ঠি উদ্ধার করেন, তাদের সামনে এক চমৎকার সুযোগ উপস্থিত।
বর্ডারে গরু বানিজ্যের অভিযোগে BSF যে হারে গুলি করে বাংলাদেশি হত্যা করে, তার প্রতিবাদে এবার ভারতীয় গরু কোরবানি দেবার জন্য ক্রয় করবেন না।
হুজুররা যদি মনে করেন এই সরকার ভারত প্রীতির কারনে দেশবাসীর প্রতি অত্যাচার করছে বা ধর্ম হরণ করছে, তবে এবার ঘোষণা দিন এবং প্রতিজ্ঞা করুন এই কোরবানি ঈদে ইন্ডিয়ান গরু জবাই দেবেন না।
বর্ডারে গরু বানিজ্যের অভিযোগে BSF যে হারে গুলি করে বাংলাদেশি হত্যা করে, তার প্রতিবাদে এবার ভারতীয় গরু কোরবানি দেবার জন্য ক্রয় করবেন না।
হুজুররা যদি মনে করেন এই সরকার ভারত প্রীতির কারনে দেশবাসীর প্রতি অত্যাচার করছে বা ধর্ম হরণ করছে, তবে এবার ঘোষণা দিন এবং প্রতিজ্ঞা করুন এই কোরবানি ঈদে ইন্ডিয়ান গরু জবাই দেবেন না।
ব্যাস আপনার দায়িত্ব এতটুকুই ঃ এবার গ্যালারীতে বসে ভারতীয় দালালদের বিভ্রান্ত পাছা চাপরানী দেখুন।
একই সাথে প্রমান করে দিন, আপনি যা বলেন, তা বিশ্বাস করেন ও সুযোগ পেলে বাস্তবায়ন করেন।
Regiment Gurkha
একই সাথে প্রমান করে দিন, আপনি যা বলেন, তা বিশ্বাস করেন ও সুযোগ পেলে বাস্তবায়ন করেন।
Regiment Gurkha
জাতীয়তাবাদ একটি জাতির আল্টিমেট দেশ প্রেম
জাতীয়তাবাদ একটা জাতির আল্টিমেট দেশ প্রেম। তত্ত্ব কথা দিয়ে আমি এক্সপ্লেইন করতে পারি, কিন্তু সেদিকে যাব না। খুব অল্প কথায় সোজা উদাহরন দেই। বুজতে পারবেন জাতীয়তাবাদ কি জিনিস।
জাতীয়তাবাদ ভয়াবহ জিনিস, অনেকটা পারমানবিক শক্তির মত, ঠিক ভাবে ইউজ করতে
পারলে উন্নতির চরমে যাওয়া যায় আর সঠিক হ্যান্ডেল না হলে জাতিকেই ধ্বংস করে
ফেলে।
সারা বিশ্বের বিরুদ্ধে দু’ দুটো বিশ্বযুদ্ধ পরিচালনা করে জার্মানি জাতি আবারো মাথা তুলে দাড়িয়েছে, কেন জানেন? জার্মান জাতীয়তাবাদ থেকে। এখন কেন এই জাতীয়তাবাদ তাদের চুড়ান্ত উন্মাদনায় নিয়ে গিয়েছিল, সেটা ভালো না খারাপ সেটা ভিন্ন হিসাব।
জাপানীদের বর্তমান অবস্থানে আসার কারন, তাদের আত্ম অহমিকা জাতীয়তাবাদ। চীনের দিকে দেখুন, কি বিশাল জনসংখ্যা, কিছুটা মিলিটারি শাষনের সাথে আত্ম জাতীয়তাবাদের শিক্ষা চীনাদের শীর্ষে নিয়ে যাচ্ছে।
ভারত কে আপনি পছন্দ করেন বা না করেন তাদের জাতীয়তাবাদ বোধ কিন্তু উন্মেষ হচ্ছে ধীরে ধীরে, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। সারা দেশ না আসলেও ইন্ডিয়ানদের জাতীয়তাবোধ কিন্তু একটা শেপে আসছে, একটা বিশাল প্রসেসের মাধ্যমে, সেটা হতে পারে শিক্ষা, সিনেমা সহ আরো অনেক কিছু মাধ্যমে।
মাত্র দেড় বছরে সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচী শেষ হয়েছিল, লাখ কয়েক মানুষের শারিরীক পরিশ্রমে। এরা কিন্তু কোন পারিশ্রমিক পায় নি বা নেয় নি। কিন্তু দেখুন কি ভয়াবহ দ্রুততায় কত বিশাল কর্মযজ্ঞ তারা শেষ করেছিল। প্রায় মরু বরেন্দ্র, কিভাবে খাদ্য শষ্যের ভান্ডার হয়ে দাড়িয়েছিল? ইয়েস এটাই জাতীয়তাবাদ।
শহীদ জিয়া ছিলেন জাদুকরী ক্যারিশমেটিক লীডার। দেশের মানুষ কে শুধু বুজিয়েছিলেন। এই দেশ তোমার। আমার ও এক নাম্বার হতে পারি বিশ্বে। ব্যাস শুরু হল রাজসূয় যজ্ঞ।
ভারত জিয়াকে যতই দেখল ততই শংকিত হল কারন বাংলাদেশ যদি সিঙ্গাপুর হয়ে যায় তাদের বিশ্ব পরাশক্তি কোন দিন হতে হবে না। নিহত হলেন জিয়া। দেশীয় মীর জাফর রা আর একবার আমাদের তলানীতে ঠেলে দিল। এরশাদ সে সময় স্রেফ ভারতের পদলেহী হিসাবে কাজ করে গেছে।
অনেক কিছু বলার ছিল, আলাপের ছিল, ইচ্ছে করে না। বিতর্কে যেতেও ইচ্ছে করছে না। বুকটা বেদনায় ভরে যায় জিয়াকে ভাবলে।।
লিখেছেন মুঘল সেনা প্রধান বৈরাম খাঁ
সারা বিশ্বের বিরুদ্ধে দু’ দুটো বিশ্বযুদ্ধ পরিচালনা করে জার্মানি জাতি আবারো মাথা তুলে দাড়িয়েছে, কেন জানেন? জার্মান জাতীয়তাবাদ থেকে। এখন কেন এই জাতীয়তাবাদ তাদের চুড়ান্ত উন্মাদনায় নিয়ে গিয়েছিল, সেটা ভালো না খারাপ সেটা ভিন্ন হিসাব।
জাপানীদের বর্তমান অবস্থানে আসার কারন, তাদের আত্ম অহমিকা জাতীয়তাবাদ। চীনের দিকে দেখুন, কি বিশাল জনসংখ্যা, কিছুটা মিলিটারি শাষনের সাথে আত্ম জাতীয়তাবাদের শিক্ষা চীনাদের শীর্ষে নিয়ে যাচ্ছে।
ভারত কে আপনি পছন্দ করেন বা না করেন তাদের জাতীয়তাবাদ বোধ কিন্তু উন্মেষ হচ্ছে ধীরে ধীরে, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। সারা দেশ না আসলেও ইন্ডিয়ানদের জাতীয়তাবোধ কিন্তু একটা শেপে আসছে, একটা বিশাল প্রসেসের মাধ্যমে, সেটা হতে পারে শিক্ষা, সিনেমা সহ আরো অনেক কিছু মাধ্যমে।
মাত্র দেড় বছরে সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচী শেষ হয়েছিল, লাখ কয়েক মানুষের শারিরীক পরিশ্রমে। এরা কিন্তু কোন পারিশ্রমিক পায় নি বা নেয় নি। কিন্তু দেখুন কি ভয়াবহ দ্রুততায় কত বিশাল কর্মযজ্ঞ তারা শেষ করেছিল। প্রায় মরু বরেন্দ্র, কিভাবে খাদ্য শষ্যের ভান্ডার হয়ে দাড়িয়েছিল? ইয়েস এটাই জাতীয়তাবাদ।
শহীদ জিয়া ছিলেন জাদুকরী ক্যারিশমেটিক লীডার। দেশের মানুষ কে শুধু বুজিয়েছিলেন। এই দেশ তোমার। আমার ও এক নাম্বার হতে পারি বিশ্বে। ব্যাস শুরু হল রাজসূয় যজ্ঞ।
ভারত জিয়াকে যতই দেখল ততই শংকিত হল কারন বাংলাদেশ যদি সিঙ্গাপুর হয়ে যায় তাদের বিশ্ব পরাশক্তি কোন দিন হতে হবে না। নিহত হলেন জিয়া। দেশীয় মীর জাফর রা আর একবার আমাদের তলানীতে ঠেলে দিল। এরশাদ সে সময় স্রেফ ভারতের পদলেহী হিসাবে কাজ করে গেছে।
অনেক কিছু বলার ছিল, আলাপের ছিল, ইচ্ছে করে না। বিতর্কে যেতেও ইচ্ছে করছে না। বুকটা বেদনায় ভরে যায় জিয়াকে ভাবলে।।
লিখেছেন মুঘল সেনা প্রধান বৈরাম খাঁ
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি
কলকাতা, ১৬ আগস্ট ১৯৪৬।
ইতিহাসের ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার সাবেক এই রাজধানীতে। পাঁচদিন ধরে চলা এই দাঙ্গায় প্রায় পাচ হাজার মানুষ নিহত হয়, আহত হয় প্রায় আরো পনের হাজার। ভিকটিমদের বেশির ভাগই মুসলিম ছিল।
পৃথক দেশের দাবীতে সারা ইন্ডিয়া জুড়ে মুসলমানরা ১৬ আগস্ট 'ডাইরেক্ট একশন ডে' ঘোষনা করে। কলকাতার বিখ্যাত ময়দানে মুসলিম লীগ নেতা-কর্মীরা যখন ডাইরেক্ট একশন ডে উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় বক্তৃতায় ব্যস্ত, তখন কলকাতার অন্য প্রান্তে শুরু হয় হিন্দু মহাসভা ও আরএসআই-এর কর্মীরা মুসলমান নিধনের হোলি খেলা। রক্ত মাখা কাপড়ে যখন কিছু কিছু মুসলিমরা জনসভায় হাজির হওয়া শুরু করল, মুসলমানদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পরল। পুরো কলকাতা মুহুর্তের মধ্যে রক্তের হলি খেলায় মেতে গেল। হিন্দু মুসলিমকে মারে, মুসলিম হিন্দুকে মারে। পুরো পাঁচ দিন ধরে কলকাতা ছিল জতুগৃহ।
ইতিহাসের ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার সাবেক এই রাজধানীতে। পাঁচদিন ধরে চলা এই দাঙ্গায় প্রায় পাচ হাজার মানুষ নিহত হয়, আহত হয় প্রায় আরো পনের হাজার। ভিকটিমদের বেশির ভাগই মুসলিম ছিল।
পৃথক দেশের দাবীতে সারা ইন্ডিয়া জুড়ে মুসলমানরা ১৬ আগস্ট 'ডাইরেক্ট একশন ডে' ঘোষনা করে। কলকাতার বিখ্যাত ময়দানে মুসলিম লীগ নেতা-কর্মীরা যখন ডাইরেক্ট একশন ডে উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় বক্তৃতায় ব্যস্ত, তখন কলকাতার অন্য প্রান্তে শুরু হয় হিন্দু মহাসভা ও আরএসআই-এর কর্মীরা মুসলমান নিধনের হোলি খেলা। রক্ত মাখা কাপড়ে যখন কিছু কিছু মুসলিমরা জনসভায় হাজির হওয়া শুরু করল, মুসলমানদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পরল। পুরো কলকাতা মুহুর্তের মধ্যে রক্তের হলি খেলায় মেতে গেল। হিন্দু মুসলিমকে মারে, মুসলিম হিন্দুকে মারে। পুরো পাঁচ দিন ধরে কলকাতা ছিল জতুগৃহ।
এই অন্ধকার সময়ে যে লোকটি সবচেয়ে অসহায় অনুভব করেছিলেন, তিনি হোসেন শহীদ
সোহরাওয়ার্দি। অক্সফোর্ড শিক্ষিত ব্যারিস্টার, তিনি ছিলেন তৎকালীন অবিভক্ত
বৃটিশ বাংলার প্রধান মন্ত্রী।
হিন্দুরা যদিও বর্বরতায় এগিয়ে ছিল, কিন্তু তারা সকল দায় চাপিয়ে দিয়েছিল সোহরাওয়ার্দি ও বাংলার মুসলিম সরকারকে তথা মুসলমানদের।
সোহরাওয়ার্দি দাঙ্গা থামাতে গান্ধী, নেহেরু, প্যাটেলদের সহযোগিতা চান। তারা তাকে নিরাশ করে।বৃটিশ ভাইসরয়ও সহযোগিতা করেনি। চুপচাপ ছিল।
সে সময় শহর কলকাতায় ১২শ প্রশিক্ষিত পুলিশ ছিল, তার মধ্যে মাত্র ৬৩ জন ছিল মুসলিম। হিন্দু পুলিশদের দাঙ্গা দমনে পাঠানো হলেও তারা দাঙ্গা দমন না করে হিন্দুদের বরং দাঙ্গায় সহয়তায় করেছিল। এই খবর পেয়ে তিনি ১২'শ পাঞ্জাবীকে কনেস্টবল মর্যাদায় দাঙ্গা দমনে নিয়োজিত করেছিলেন।
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি দাঙ্গা দমন করার জন্য প্রথম দিনই পুলিশ কন্ট্রোল রুমে আস্তানা নেন। দীর্ঘ পাঁচদিন তিনি নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে নির্ঘুম সময় কাটিয়েছেন পুলিশ কন্ট্রোল রুমে কিংবা বিভিন্ন জনের দ্বারে দৌড়ে দৌড়ে। সবাই তাকে হতাশ করেছিল। তিনি খুব আশা নিয়ে গান্ধীর কাছে দৌড়ে গিয়েছিল। কিন্তু গান্ধীও তাকে সহযোগিতা করেনি।
পাঁচদিন পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি তার স্বাভাবিক কাজ-কর্মে ফিরেন।
উর্দুভাষী এই মহান লোকটি চেয়েছিল বাংলা অবিভক্ত থেকে ইন্ডিয়া ও পাকিস্থানের বাইরে তৃতীয় রাষ্ট হউক। জিন্নাহ রাজি হলেও তিনি গান্ধী, নেহেরুদের রাজি করাতে পারেননি।
বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া ও পাকিস্থান জুড়ে তার অসংখ্য রাজনৈতিক শিষ্য রয়েছে। শেখ মুজিব তাদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল।
আজকে তার জন্মদিন। ১৮৯২ সালের আজকের দিনে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ তার জন্মের জন্য এই মহাত্মা লোকটির কাছে কৃতজ্ঞ!
Ekjon Ghunpoka র সাবলীল বর্ননা।
হিন্দুরা যদিও বর্বরতায় এগিয়ে ছিল, কিন্তু তারা সকল দায় চাপিয়ে দিয়েছিল সোহরাওয়ার্দি ও বাংলার মুসলিম সরকারকে তথা মুসলমানদের।
সোহরাওয়ার্দি দাঙ্গা থামাতে গান্ধী, নেহেরু, প্যাটেলদের সহযোগিতা চান। তারা তাকে নিরাশ করে।বৃটিশ ভাইসরয়ও সহযোগিতা করেনি। চুপচাপ ছিল।
সে সময় শহর কলকাতায় ১২শ প্রশিক্ষিত পুলিশ ছিল, তার মধ্যে মাত্র ৬৩ জন ছিল মুসলিম। হিন্দু পুলিশদের দাঙ্গা দমনে পাঠানো হলেও তারা দাঙ্গা দমন না করে হিন্দুদের বরং দাঙ্গায় সহয়তায় করেছিল। এই খবর পেয়ে তিনি ১২'শ পাঞ্জাবীকে কনেস্টবল মর্যাদায় দাঙ্গা দমনে নিয়োজিত করেছিলেন।
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি দাঙ্গা দমন করার জন্য প্রথম দিনই পুলিশ কন্ট্রোল রুমে আস্তানা নেন। দীর্ঘ পাঁচদিন তিনি নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে নির্ঘুম সময় কাটিয়েছেন পুলিশ কন্ট্রোল রুমে কিংবা বিভিন্ন জনের দ্বারে দৌড়ে দৌড়ে। সবাই তাকে হতাশ করেছিল। তিনি খুব আশা নিয়ে গান্ধীর কাছে দৌড়ে গিয়েছিল। কিন্তু গান্ধীও তাকে সহযোগিতা করেনি।
পাঁচদিন পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি তার স্বাভাবিক কাজ-কর্মে ফিরেন।
উর্দুভাষী এই মহান লোকটি চেয়েছিল বাংলা অবিভক্ত থেকে ইন্ডিয়া ও পাকিস্থানের বাইরে তৃতীয় রাষ্ট হউক। জিন্নাহ রাজি হলেও তিনি গান্ধী, নেহেরুদের রাজি করাতে পারেননি।
বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া ও পাকিস্থান জুড়ে তার অসংখ্য রাজনৈতিক শিষ্য রয়েছে। শেখ মুজিব তাদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল।
আজকে তার জন্মদিন। ১৮৯২ সালের আজকের দিনে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ তার জন্মের জন্য এই মহাত্মা লোকটির কাছে কৃতজ্ঞ!
Ekjon Ghunpoka র সাবলীল বর্ননা।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)











