ন্যাসনাল ব্যাংক অফ পাকিস্তানের কুমিল্লা চান্দিনা শাখার জেনারেল ম্যানেজারের স্ত্রী,র গল্ড ব্লাডার অপারেশন।
কুমিল্লা জেনারেল হসপিটালের সার্জন ড: আব্দুল হান্নান।
সেই সময়, ল্যাপোরেসকপি ছিল না। সাধারণ গল্ড ব্লাডার অপারেসনে ৭/৮ দিন এডমিটেড থাকা লাগতো।
সার্জন সাহেব, একটা বড় আকারের অর্থের বিনিময় মূল্যের নিশ্চয়তা পেয়ে অপারেসনের ছুরি কাচির নিচে রুগিনী কে শুয়ালেন।
যথাক্রমে অপারেশন সফল হলে , সার্জন মহোদয়, ব্যাংকার সাহেবের কাছে হিসাবের টাকা দাবী করলেন।
ব্যাংকার সামান্য কিছু অর্থ দিতে পারলেন, বাকি টাকার জোগার সৎ ব্যাংকারের নেই।
মানব শরীর কাটাছেড়াতে অভ্যস্ত সার্জন এবার সত্যিকারের কশাই এর ভূমিকা নিলেন। তিনি সদ্য অপারেশন হওয়া পেসেন্টের হাত ও গলা থেকে অর্নামেন্টস খুলে রেখে দিলেন।
এই ঘটনার কিছুদিন পর কুমিল্লাতে আর্মি ক্যাম্প বসলে, আর্মির কাছে ঘটনাটি রিপোর্ট করে দেন, হাসপাতালের একজন স্টাফ। উল্লেখ্য, উক্ত সার্জন অপারেশনটি করেছিলেন সরকারি হাসপাতালে, বিধায় সার্জনের ব্যাক্তিগত ভাবে অর্থ গ্রহন অনৈতিক ছিল।
ইয়াহিয়া খানের, সেনাবাহিনী ঘটনাটি তদন্ত করে, ঘটনার সত্যতা পেলে সার্জন ভদ্রলোককে, সমস্ত সুবিধা বঞ্চিত করে চাকুরিচ্যুত করা হয়, সাথে তার ঢাকা শহরে ব্যাক্তিগত বাড়ি সরকার নিয়ে নেয়।
৭১ সালে, মুক্তিযুদ্ধের পর, সার্জন আব্দুল হান্নান বংগ বন্ধুর ৩২ নাম্বারের বাড়িতে, পাকি শাষক ইয়াহিয়া কতৃক
তার ভুগান্তির কথা তুলে ধরে, বাংলাদেশ সরকারের কাছে তার ঢাকার বাড়িটি ফিরিয়ে দেবার অনুরোধ করে।
শেখ সাহেব, সব কাগজ দেখে শুনে বলেন, হাকিম বদল হয়েছে, হুকুম আগের জাইগাতেই আছে। ইয়াহিয়া তো অবিচার কিছু করে নি। তুমি সরকারি মাল দিয়ে অপারেশন করে, নিজের পকেট বানাবা, তা তো হবে না। ইয়াহিয়ার সিদ্ধান্ত আমিও বহাল রাখলাম।
এই ঘটনাটি প্রিয় সিনিয়র Iqbal Chowdhury ভায়ের কাছ থেকে শুনা।
ঘটনাটি বলার উদ্দেশ্য আছে:
আজ দেখলাম ১০০০ টাকা বিনিময়ে, শেখ রেহানা গুলশানে যে বিশাল বাড়িটি সরকারের কাছ থেকে অনুদান হিসাবে নিয়েছেন, সেই বাড়িটির রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কার বাবদ ৯ কোটি টাকা পুনরায় সরকারের কোষাগার থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
ঐ ডাক্তার ভদ্রলোক যদি সরাসরি শেখ সাহেবের কাছে না যেয়ে , শেখ কামাল, জামাল, আমু, তোফায়েলদের মাধ্যমে শেখ সাহেবকে ধরতেন তাহলে, হাকিমের সাথে হয়তো হুকুম নিজেও নড়াচড়া করতো।
আজকে ৯ কোটি টাকা যখন একটি বাড়ির সংস্কার বাবদ খরচ হয়, তাও আবার আনুকূল্যে পাওয়া সরকারি বাড়ি মেরামতি কেরামতির স্বার্থে তাও আবার সরকারি কোষাগার থেকে তখন ধুকতে থাকা রক্তশূন্য, রাজকোষ, হার্ট এটাকের প্রবল ঝুঁকিতে মৃত্যু প্রহরের অপেক্ষা।
যথাক্রমে অপারেশন সফল হলে , সার্জন মহোদয়, ব্যাংকার সাহেবের কাছে হিসাবের টাকা দাবী করলেন।
ব্যাংকার সামান্য কিছু অর্থ দিতে পারলেন, বাকি টাকার জোগার সৎ ব্যাংকারের নেই।
মানব শরীর কাটাছেড়াতে অভ্যস্ত সার্জন এবার সত্যিকারের কশাই এর ভূমিকা নিলেন। তিনি সদ্য অপারেশন হওয়া পেসেন্টের হাত ও গলা থেকে অর্নামেন্টস খুলে রেখে দিলেন।
এই ঘটনার কিছুদিন পর কুমিল্লাতে আর্মি ক্যাম্প বসলে, আর্মির কাছে ঘটনাটি রিপোর্ট করে দেন, হাসপাতালের একজন স্টাফ। উল্লেখ্য, উক্ত সার্জন অপারেশনটি করেছিলেন সরকারি হাসপাতালে, বিধায় সার্জনের ব্যাক্তিগত ভাবে অর্থ গ্রহন অনৈতিক ছিল।
ইয়াহিয়া খানের, সেনাবাহিনী ঘটনাটি তদন্ত করে, ঘটনার সত্যতা পেলে সার্জন ভদ্রলোককে, সমস্ত সুবিধা বঞ্চিত করে চাকুরিচ্যুত করা হয়, সাথে তার ঢাকা শহরে ব্যাক্তিগত বাড়ি সরকার নিয়ে নেয়।
৭১ সালে, মুক্তিযুদ্ধের পর, সার্জন আব্দুল হান্নান বংগ বন্ধুর ৩২ নাম্বারের বাড়িতে, পাকি শাষক ইয়াহিয়া কতৃক
তার ভুগান্তির কথা তুলে ধরে, বাংলাদেশ সরকারের কাছে তার ঢাকার বাড়িটি ফিরিয়ে দেবার অনুরোধ করে।
শেখ সাহেব, সব কাগজ দেখে শুনে বলেন, হাকিম বদল হয়েছে, হুকুম আগের জাইগাতেই আছে। ইয়াহিয়া তো অবিচার কিছু করে নি। তুমি সরকারি মাল দিয়ে অপারেশন করে, নিজের পকেট বানাবা, তা তো হবে না। ইয়াহিয়ার সিদ্ধান্ত আমিও বহাল রাখলাম।
এই ঘটনাটি প্রিয় সিনিয়র Iqbal Chowdhury ভায়ের কাছ থেকে শুনা।
ঘটনাটি বলার উদ্দেশ্য আছে:
আজ দেখলাম ১০০০ টাকা বিনিময়ে, শেখ রেহানা গুলশানে যে বিশাল বাড়িটি সরকারের কাছ থেকে অনুদান হিসাবে নিয়েছেন, সেই বাড়িটির রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কার বাবদ ৯ কোটি টাকা পুনরায় সরকারের কোষাগার থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
ঐ ডাক্তার ভদ্রলোক যদি সরাসরি শেখ সাহেবের কাছে না যেয়ে , শেখ কামাল, জামাল, আমু, তোফায়েলদের মাধ্যমে শেখ সাহেবকে ধরতেন তাহলে, হাকিমের সাথে হয়তো হুকুম নিজেও নড়াচড়া করতো।
আজকে ৯ কোটি টাকা যখন একটি বাড়ির সংস্কার বাবদ খরচ হয়, তাও আবার আনুকূল্যে পাওয়া সরকারি বাড়ি মেরামতি কেরামতির স্বার্থে তাও আবার সরকারি কোষাগার থেকে তখন ধুকতে থাকা রক্তশূন্য, রাজকোষ, হার্ট এটাকের প্রবল ঝুঁকিতে মৃত্যু প্রহরের অপেক্ষা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন