শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

Iconic Jackson.

Iconic Jackson.


Happy birth day King
২৯ অগাস্ট 




১) ৯/১১ সকাল বেলাতে ওয়াল্ড ট্রেড সেন্টারে জ্যাকসনের মিটিং ছিল, ঘুম ভাঙতে দেরি হবার জন্য মিটিং মিস হয়।






২)জ্যাকসন ফ্যামিলি নিয়ে যে কোন বিমান যাত্রার সময়, ডায়েট কোকের ক্যানে তাকে বিয়ার দেওয়া হত, কারন জ্যাকসন চাইতো না তার বাচ্চারা এল্কোহল খাওয়া দেখুক।









৩)মাইকেল তার জীবন ৫০০ টি মূলধারা এওয়ার্ড ও এওয়ার্ডের নমিনেশন পেয়েছিলেন।



৪) মৃত্যুর পর মাইকেলের পারসোনাল ভল্টে ১০০ অপ্রকাশিত গান পাওয়া যায়।





৫)Bubbles নামে মাইকেলের পোষা শিম্পাঞ্জি, আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে যখন মাইকেলকে শেষবার হাসপাতালে নেওয়া হয়।






বৃক্ষ কন্যা জিলুফা সুলতানা

প্রবাদ আছে আজ ইউ সো, সো ইউ রিপ


কে জানে হয়তো এখান থেকেই তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন , অথবা মরুকরণ প্রকৃয়ার স্বীকার বাংলাদেশ বা সুন্দর বনের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিল তার।




গ্রামের লোকেরা এমনিতেই ভোর বেলা ওঠে, সেদিন ফজরের নামাজের শেষে মসজিদের মাইকে একটি বিশেষ ঘোষনা দিয়ে সবাইকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়। আগে থেকে স্কুলের ছেলে মেয়ে সহ প্রায় ৩০,০০০ মানুষ রাস্তাতে নেমে আসে , রাস্তার মোড়ে মোড়ে দেশ মাতৃকতার গান বাজছিল, ১৫৩ টি রাস্তার ৪৬০ কিলোমিটার জুড়ে মানুষ ছড়িয়ে পরে।
সকাল যখন ৭ টা বাজে তখন বাঁশি বাজানো হয়। সাথে সাথে কোদাল , খুন্তি হাতে নিয়ে গাছ লাগাতে শুরু করে তাঁরা। ঠিক ১ ঘন্টা পর যখন সকাল ৮ টা বাজে আবারো বাঁশি বাজানো হয়। মধ্য খানের ৬০ মিনিটের মধ্যে একটি সবুজ ওয়াল্ড রেকর্ড গড়ে ফেলে তাঁরা।







২,৫০,০০০ গাছ রোপণ করে ফিলিপিনের ২,২৩৩৯০ টি চারা বপনের রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে তারাগঞ্জবাসী। তারাগঞ্জ নামের উপজেলাতে ততক্ষণে "সবুজ তারাগঞ্জ গড়ি" নামের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হয়ে গিয়েছে।
এর আগে লম্বা সময় ধরে প্রস্তুতি নিতে হয়, ৫০ জনের একটি করে টিমের একজন করে টিম লিডারের অধীনে সেরে নেয় যাবতীয় প্রস্তুতি। ট্রাক , ভ্যানে ৩১ শে অগাস্ট তারিখের ভেতর সব চারা এসে পৌঁছে যায় , ৪৫ টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে সেদিন উৎসবের ফাগুন লেগেছিল।



যখন সবুজের রেকর্ড গড়া হয়ে গিয়েছে , তখন জিলুফা সুলতানার চোখের কোনে চিকচিক করছিল মুক্তদানার মত

জল।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিলুফা সুলতানার ব্রেন চাইল্ড ছিল এই “সবুজ তারাগঞ্জ গাড়ি” প্রকল্পটি।
তার সহকর্মীদের উৎসাহে কোন ঘাটতি ছিল না , সাধারণ মানুষের সাহায্য ও আগ্রহে অজপারাগার জিলুফা সুলতানা , গ্রামের মানুষদের সাথে নিয়ে গড়ে ফেলেন সম্ভবত পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম সেরা সবুজায়ন প্রকল্পটি।
যখন সবুজ পাতারা অবহেলার যাঁতাকলে ঝরে যাবার হুমকির মুখে , তখন গ্রামবাংলার জিলুফা সুলতানা ও খেটে খাওয়া মানুষেরা আবারো বাসযোগ্য পৃথিবীর স্বপ্ন বুনে দেন।








স্বপ্ন বুনে দেওয়া জিলুফা সুলতানার ফেসবুক লিঙ্ক https://www.facebook.com/jilufa.sultana?fref=ts


খবরটির সর্ট লিঙ্ক http://bit.ly/2bUlOYx

এরশাদনামা ৫

এরশাদনামা ৫

--------------------

এরশাদ Vs মেজর জেনারেল নুরুল ইসলাম শিশু 




প্রেসিডেন্ট জিয়া হত্যাকান্ডের পর জেঃ এরশাদের জন্য সবচেয়ে বড় বাঁধা হয়ে দাড়াই মেজর জেনারেল নূরুল ইসলাম শিশু।বিএনপি সংশ্লিষ্ট সকলের ভেতর কৃষি মন্ত্রী মেজর জেনারেল শিশু ও ডঃ বি চৌধুরী ছিলেন এরশাদের সবচেয়ে বড় আতঙ্ক ও পথের কাঁটা। জিয়ার বিশ্বস্ত সহযোগী এই দুজনকে সরিয়ে দিতে এরশাদ গ্রহণ করেন কুচক্রী পলিসি।
দ্র: তখন পর্যন্ত বেগম জিয়া প্রেক্ষাপটে আসেন নি, আসার সম্ভবনা নিয়ে সেভাবে কোন কথাও ওঠেনি।



প্রখর বুদ্ধিমত্তা, মুক্তিযোদ্ধা, অমায়িক ব্যাবহারের গুণাগুণ সমৃদ্ধ শিশুকে যে কোন সমস্যার সহজ সমাধানের কারিগর বলা হত। সেনাবাহিনী ও প্রশাসনে তাঁর ছিল উজ্জ্বল ভাবমূর্তি। বিএনপি ও প্রশাসনের মুক্তিযোদ্ধা অংশ এবং দলের তরুণ নেতা কর্মিরা একমত ছিল যে জিয়াউর রহমানের অবর্তমানে একমাত্র মেজর জেনারেল শিশু রাজনৈতিক ভাবে তাঁর উত্তরসূরি হবার যোগ্যতা রাখেন।





কাজেই শিশুর দ্বারাই শহীদ জিয়ার অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। সেনাবাহিনীতে শিশুর জনপ্রিয়তা থাকার কারণে বিএনপির প্রতি আর্মিদের সফট কর্নার জিয়ার পরেও টিকে থাকে।




ব্যারিস্টার মওদুদ আহাম্মেদ ,কে এম ওবাইদুর রহমান, কর্নেল আকবর সহ ৫৫-৬০ জন দলীয় এমপি ও দলের শুভানুধ্যায়ীরা শিশুকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেবার ইচ্ছা পোষন করেছিলেন। উচ্চপদস্ত সরকারী আমলারাও চাচ্ছিলেন বিএনপি শিশুকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী করুক।



নূরুল ইসলাম শিশুর প্রার্থীতার গুঞ্জনে প্রমোদ গুনলেন এরশাদ, যদি শিশুকে প্রতিহত না করা যায় তাহলে ক্ষমতা দখলের সব সাধ , পরিকল্পনা ভেস্তে যাবে সাথে সাথে জিয়ার অসমাপ্ত কাজ সমূহ পুর্নতা পাবে এবং এরশাদের ক্ষমতা দখলের আশা চিরদিনের মত তিরোহিত হবে।



এরশাদ মানসিক ভাবে প্রস্তুত ছিল বয়বৃদ্ধ সাত্তার প্রেসিডেন্ট হলে কিভাবে তাঁকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ধীরে ধীরে ক্ষমতার হাতবদল ঘটাবে। এ লক্ষে সাত্তারের সাথে শিশুর মনোমালিন্য বৃদ্ধি করা ও সাত্তারের মন্ত্রী পরিষদে নিজের লোক ঢুকানোর পরিকল্পনা নেয় এরশাদ। এরশাদ গোয়েন্দা রিপোর্টের নামে সাত্তারের কান ভারি করে যে শিশুর নেতৃত্বে ওবায়েদ, মওদূদ, আকবর, এস এ বারী দল পাকাচ্ছে যাতে সাত্তার মনোনয়ন না পান।



এরশাদ আরো জানায় যেহেতু ইয়াং বিএনপি সবাই শিশুর পক্ষে, ভাষানি ন্যাপ থেকে আসা এমপি এরা সবাই শিশুর পক্ষে তাই যদি ওবায়েদ, মওদূদ, আকবর, এস এ বারী, সাইফুর রহমান, হাবিবুল্লাহ খান ও ক্যাপ্টেন নূরুল হককে মন্ত্রী পরিষদ থেকে অব্যাহতি না দেওয়া হয় তবে সাত্তারের আবার প্রেসিডেন্ট হবার সম্ভবনা শুন্য।তাছাড়া সাত্তার মনোনীত উপরাষ্ট্রপতি হবার কারণে Office of profit নিয়ে প্রার্থী হবার যোগ্য নন । অতএব সংবিধানের ৬ষ্ট সংশোধনীর মাধ্যমে প্রার্থী পদ বৈধ করতে হবে। 




সে কারণে শিশু ও তাঁর পক্ষের লোকদের মন্ত্রী পরিষদ থেকে অব্যাহতি দিলে তাঁদের মনোবল ভেঙে যাবে এবং অন্যরা ৬ষ্ট সংশোধনীর বিরুদ্ধে কোন কথা বলার সাহস পাবেনা।

এই যড়যন্ত্র বাস্তবায়নে এরশাদের সাথে হাত মেলান তৎকালীন প্রধান মন্ত্রী শাহ্‌ আজিজুর রহমান, শামসূল হূদা চৌধুরী, ডাঃ এম এ মতিন, মাইদুল ইসলাম মুকুল, ব্যারিস্টার হাসনাত প্রমুখ। এরা সকলে মিলে সাত্তার কে বুঝাতে সক্ষম হয় যে যদি সাত্তার প্রেসিডেন্ট হতে চাই তবে শিশু ও তাঁর বিশ্বস্ত লোকদের মন্ত্রী সভা থেকে বিদায় করতে হবে।


অবশেষে সাত্তার নিজের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকতে ২০ জুন ১৯৮১ তে কৃষি মন্ত্রী মেজর জেনারেল শিশু এবং কর্নেল আকবরকে মন্ত্রীসভা থেকে বহিষ্কার করে দেয়।


ফলশ্রুতিতে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্যে চলে আসে এবং সেনাবাহিনী , প্রশাসন ও দলের ইয়াং জেনারেশনের ভেতর তীব্র প্রতিকৃয়া দেখা দেয়।

এরশাদ ও শাহ্‌ আজিজ চেয়েছিল মন্ত্রীসভা থেকে শিশুদের বিদায় করে দিয়ে সাত্তারকে একা করে দেওয়া দেওয়া যাতে সাত্তার তাঁদের ওপর আরো নির্ভরশীল হয়ে পরলে তাঁদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হয়।

এরশাদ এই সময় প্রায় প্রকাশ্য সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতেন এবং নিজেকে জনপ্রিয় করার মত কথা বার্তা বলতেন।



সাত্তারকে বন্ধুহীন ও একা করে, এরশাদ ও শাহ্‌ আজিজের ওপর নির্ভরশীল করতে চাওয়ার পেছনে এরশাদের লক্ষ ছিল সুদুর প্রসারী। 


ধূর্ত এরশাদের প্রথম পছন্দ ছিল বিচারপতি সাত্তার কে কনভিন্স করে উপ রাষ্ট্রপতির পদ টি বাগিয়ে নেওয়া যাতে সাত্তারকে শারীরিক ভাবে অক্ষম ঘোষনা দেওয়ানোর মাধ্যমে পুরো বিএনপিকে হাইজ্যাক করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট পদে আপগ্রেড করা।


দ্বিতীয়ত যদি সাত্তার নিজেকে অসুস্থ হিসাবে ঘোষনা দিতে অস্বীকৃতি জানান সে ক্ষেত্রে আরো আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়ে সময় সুযোগ মত সামরিক আইন জারির মাধ্যমে সাত্তারকে সরিয়ে দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতাতে আসীন হওয়া।
বিচারপতি সাত্তার যদি সেনাপ্রধান এরশাদের পাতা ফাঁদে পা না দিয়ে মেজর জেনারেল নূরুল ইসলাম শিশুর সাথে বোঝাপারার মাধ্যমে একটা সমঝোতাতে আসতেন , তবে ইতিহাসে ৯ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের কথা হয়তো লেখা হতো না ।

লাল্টু কেচ্ছা



ডিয়ার সাহাবুদ্দিন লাল্টু ভাই , আপনার সাথে দুএক বার দেখা ও কথা হলেও পরস্পর কে জানার বোঝার সুযোগ হয় নি । ব্যাক্তি লাল্টু ভাই কে নিয়ে আমার অভিযোগ নেই , থাকার কথাও নয় ।
ঢাকা ভার্সিটি থেকে ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বাছায় করতে চাওয়াকে আমিও উপযুক্ত মনে করি।
আপনার যে লেখা পত্রিকা তে এসেছে তা নির্ভেজাল বিদ্রহী কোন নেতার কথা মনে হচ্ছেনা , বরং প্রতিহিংসা পরায়ণাতা বলেই ভ্রম হচ্ছে। আপনারই কোন এক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাবেক সহযোগীর অভিযোগের কোন প্রতিউত্তর আছে কি ?
 লাল্টু লিখেছে 

না তাঁর বক্তব্য প্রকাশ করতে যেয়ে আমার দ্বিধা কাজ করছে না , কারণ পত্রিকাতে আপনার যে লেখা এসেছে, তা দেখেছি । এও দেখেছি আপনি প্রতিবাদ জানান নি , যে তাঁরা আপনার ওয়ালের লেখা এডিট করে প্রকাশ করেছে ।
আসুন দেখি ইনবক্স থেকে কি এসেছে ...
ইনবক্স থেকে
""সাহাবুদ্দিন লাল্টু ভাই ফেসবুকে লিখেছেন, ফেসবুক থেকে সংবাদ পোর্টালে এসেছে।
লাল্টু ভাই আপনি আমার সরাসরি নেতা ছিলেন , অনেক সুখ দুঃখের স্বাক্ষী আমি। আমাকে মনে পড়তে বেশি কষ্ট হবেনা। পালিয়ে থাকার সময় ৩৫ দিন ৩৬ রাত আপনি আমার কাছেই ছিলেন...
আপনার অভিযোগ নিয়ে কিছু বলার নেই , এমনি এমন এক ব্যাক্তিকে তুলে এনে সমালোচনা করেছেন যে বহুদিন ধরেই সমালোচিত। আপনিও জানেন , আমিও জানি , আমরা সব্বাই জানি। সত্য মিথ্যা ও প্রপাগান্ডার পার্থক্য আপনার বোঝার কথা।
কিন্তু ভাই এতদিন পরে এইসব নিয়ে লিখতে গেলেন কেন হটাত করে? খুব প্রয়োজন ছিল কি ? প্রয়োজন কিসের?
দলের নেতা হিসাবে আপনার সবসময় সুযোগ ছিল নেত্রীর কাছে অভিযোগ করার । আমি স্বাক্ষী ভাই!
যে ভাষাতে আওয়ামীলীগ কথা বলে , সে ভাষাতে আপনি লিখছেন, তাও বিদেশ থেকে।কেন ভাই !
বিদেশ যাওয়ার সময় তো আমাদের কথা ভাবেন নি !
ভাই লাল্টু আপনি হাওয়া ভবনের প্রভাব থেকে সব ছাত্রলীগকে বিসিএস এর সোনার হরিণ দিয়ে দলের দূর্দিনে মুখফুটে এসব কি বলছেন!
আপনার কারনে সব গোপালী আজ পুলিশ অফিসার হইছে। টাকা কথা বলেছে। আমরা তখন বিসিএসে কিছু করতে পারি নাই টাকা দিই নাই বলে।
টাকা কার কাছে দিয়ার হুকুম ছিল লাল্টু ভাই?
আপনি যুগ্ম থাকতে মাইর খেলে কেমনে সেক্রেটারী হইসেন যদি ফালুমিয়ার ক্ষমতা এতই বেশী হতো!
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো ছাত্রলীগের প্রায় অর্ধেক কমিটিকে আপনি পুলিশে ঢুকিয়েছেন। প্রতিজনে দশ লাখ টাকা নিয়েছেন।
আমি ফার্স্টক্লাস ফার্স্ট হয়ে টিচার হতে পারি নাই (চিনতে পারছেন এবার) তবুও জিয়া আদর্শে ভড়সা রাখতাম বলে কাউকে বলি নাই যে, লাল্টুকে টাকা দিই নাই বলে আমার বিসিএস হয় নাই।
অথচ আমার জায়গায় ১০ লাখ টাকা নিয়ে তখন ছাত্রলীগের ১৯ তম ছেলেটিকে টিচার হবার সুযোগ দেন আপনি।
বস্ , এই লাল্টুর এই স্ট্যাটাসের উচিত জবাব দিন আমি বাসে চাপাই, যাচ্ছি। তাই অনুরোধ করলাম ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
বিশ্বাস করুন আমার অভিযোগের একচুল মিথ্যা নয় , অর্ধ সত্য নয়। বুকের ভেতর এতদিন ধরে জ্বলতে থাকা আগুন আজ লাল্টু ভায়ের পোস্ট দেখার পর থেকে আর চেপে রাখতে পারলাম না ।----



লাল্টুর প্রতিউত্তর


মেজবা বাই এর উত্তর
আমি যখন রাউজানে রাজনীতি করছি তখন সেখানে ছিল মার্ডারের অভয়ারণ্য । সালাউদ্দিন ভাই তখন আমাদের পার্টীতে আসেন নাই । কিছু মার্ডার হত এটাকের মাধ্যমে কিছু মার্ডার হত বিশ্বাসঘাতকদের মাধ্যমে । খবর নেওয়া হত বা খবর আসতো ছাত্রলীগের ইকবালের কাছের দুই একজন ইকবালের উপর নাখোশ কিনা , তাদেরকে অফার দেওয়া হত কিল হিম এন্ড কাম বেক , বিনিময়ে ঐ এলাকা , অস্ত্র মামলার দায়িত্ব ......। অথচ যাদেরকে বলা হচ্ছে তারা কিন্তু মাস খানেক আগে আমাদের দলের বা সাকা ভাইয়ের দলের ভাই/ ভাইদের (মনে করেন আরিফ) ইকবাল কে সাথে করে খুন করে গেছে -তারাই আবার আমাদের অফারে ইকবালকে খুন করে আমাদের কাছে চলে আসলো । এবার আসি আসল কথায় - তারা আসার পর একবারেও তারা কিন্তু বলে নাই যে তারা আরিফকে কিভাবে মেরেছে বা আমরাও জিজ্ঞাসা করতাম না । এবং এটাই নিয়ম যে আমি দল ছেড়ে চলে যাব বা পার্টী করা ছেড়ে দিব বা আমি তারেক জিয়ার উপর নাখোশ তাই বলে আগের সব গোপন কাহিনী বলে দিব । এই যে সুবিধাভোগী লাল্টু যা বলছে তাতে করে তারই ভাবমূর্তি নস্ট হচ্ছে । কারন সে রাজনীতির মৌলিক যে অনু তা ভেঙ্গে চুরমার করে পরমানু বানিয়ে ফেলছে । তাতে করে এখন অনেক নেতা বা কর্মীকে তারেক জিয়া বা খালেদা জিয়া বা বড় নেতারা বেক আপ দিতে ভয় পাবে আর সেই এসাইমেন্টে নেমেছে কানাডাবা্সী কান কাঁটা লাল্টু । লাল্টু , তোমাকে আমি চিনি , হেয়ার রোডে অলি ভাইয়ের বাসায় তুমি কি করেছিলে । কিন্তু নিয়মানুযায়ী আমি তা বলতে পারি না।


আমার উত্তর


প্রথমেই জানতে চাই, উত্তর যদি দেবেন তো নিজ ওয়ালে নয় কেন?

এত কিছু যদি জানেন তো দেশ ছাড়ার পর জানালেন না কেন? ২০১২ -১৬ সাল চার বছর কেন অপেক্ষা করা লাগলো?


২০১২ সালের আগে ৮ বছর পদ পদবীর জন্য ঘুড়েছেন! দুঃখ জনক অবশ্যই। আমারো করুনা হচ্ছে! আচ্ছা লাল্টুদা ৮ বছর মানে ২০০৪ - থেকে ২০১২, এর ভেতর তো মাত্র ১ টা কাউন্সিল হয়েছে, তাও আবার শর্ত পূরনের জন্য। এক কাউন্সিল অপেক্ষাতেই আপনার মেজাজ সপ্তমে উঠে গেল? একবারো ভাবলেন না কদিন আগেই ছাত্রদলের কত ছেলেকে আপনিই অপেক্ষা করিয়েছিলেন!

বেগম জিয়ার পদ নিয়ে কথা বলছেন! তবে বলতেই হয় ৮ বছর পদের জন্য দ্বারেদ্বারে ঘুরা আপনার জন্য যথা উপযুক্ত ছিল। যে ব্যক্তি ছাত্র রাজনীতি করে আজো শিখতে চাইলো না দেশের রাজনীতির একক ঐক্যের দুই টি নাম খালেদা ও হাসিনা, সে রাজনৈতিক ইচড়ে পাকা ব্যাতীত আর কিই বা হতে পারে?

অতি চতুরের মত লিখেছেন দলের লোকেরা চাচ্ছিলনা আপনি রাজনীতি করেন, তাই বিদায় নিয়েছেন।
লাল্টু ভাই এক টিকিটে দুই ছবি দেখা হয়ে গেলো না? দলে এক নেতা অন্য নেতাকে ল্যাং দিয়ে ফেলে নিজে আগাতে চাইবে, এটা খুব স্বাভাবিক প্রকৃয়া, আপনি রাজনীতি থেকে চলে যাবার মাধ্যমে প্রমান দিয়েছেন প্রতিদন্দিতার মানসিকতা আপনার ছিল না, অন্যদিকে রেসে হেরে বিদায় নিয়ে আপনি খোদ রাজনীতিতে হেরে ধৌর্যের খেলা চালাতে পারেন নি। দূর্বলের মত ব্লেম গেম খেলছেন মাত্র।

বিভিন্ন হত্যাকান্ডের কথা বলে আজ আপনি নেত্রী সহ অসংখ্য অন্য নেতাদের দিকে আংগুল তুলছেন। জবান খুনিকে প্রশ্রয় দেবার কিছু নেই, তবে আপনার অভিযোগের প্রথম খুনের পর যদি অভিযোগ তুলতেন, বাধ্য হয়ে দেশ ছেড়ে পালাতেন রাজনের মত, তবে আপনার জন্য আমাদের স্যালুট থাকতো, আপনি জানেন ন্যায় সংগত বিদ্রোহীরা সব সময় অন্তত বিএনপি কর্মীদের কাছে উচ্চ আসনে আসিন।

আপনাকে লাল দালানে ঢুকাতে নেত্রী ব্যার্থ হয়েছে বলছেন! সত্যিই পারেন ভাই, । দেশের প্রধান মন্ত্রী কারো কোমরে দড়ি পড়াতে চাইলে আবার কোন কারন লাগে নাকি? পিন্টুর কথা ভূলে গেসেন, সোহেল ভায়ের জেল খাটার কথা ভূলে গেলেন! ইলিয়াস আলীর জেল খাটার কথা ভুলে গেলেন!

তারেক রহমানকে নির্যাতনের ক্ষেত্রে উনার মায়ের ফ্যামিলিচিত্র টেনে আপনি মইন ফকরুদ্দিনকেই হালাল করার চেষ্টা করছেন মাত্র!

আর হ্যা পিন্টু হত্যাকান্ডে আপনাকে দোষী ভাবি না।

টাকা খেয়ে চাকুরী দেবার মূল অভিযোগে হাস্যকর ভাবে তাদের নাম প্রকাশ করতে বলছেন? আপনি কি অভিযোগে দেখেন নি ছাত্রদলের ফাস্ট ক্লাস ফাস্টকে সুযোগ না দিয়ে আওয়ামীলীগের ১৯ তম জনকে সুযোগ দেবার অভিযোগ আপনার বিরুদ্ধে!

ডিয়ার লিডার লাল্টু ভাই, ১৫/২০ বছর রাজনীতি করে যখন ভাগে টান পড়লো তখনই গনেশ উল্টে গেলো!

ভালো তো, ছাত্রদলের প্রথম অযোগ্য কিমিটিতে আপনার নাম কিন্তু ছাত্রদলের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়ে গিয়েছে বহু বছর আগেই।

ভারতীয় গরু বর্জন করুন

আপনারা যারা ২৪ ঘন্টা, ইন্ডিয়ার ১৪ গুষ্ঠি উদ্ধার করেন, তাদের সামনে এক চমৎকার সুযোগ উপস্থিত।



বর্ডারে গরু বানিজ্যের অভিযোগে BSF যে হারে গুলি করে বাংলাদেশি হত্যা করে, তার প্রতিবাদে এবার ভারতীয় গরু কোরবানি দেবার জন্য ক্রয় করবেন না।


হুজুররা যদি মনে করেন এই সরকার ভারত প্রীতির কারনে দেশবাসীর প্রতি অত্যাচার করছে বা ধর্ম হরণ করছে, তবে এবার ঘোষণা দিন এবং প্রতিজ্ঞা করুন এই কোরবানি ঈদে ইন্ডিয়ান গরু জবাই দেবেন না।


ব্যাস আপনার দায়িত্ব এতটুকুই ঃ এবার গ্যালারীতে বসে ভারতীয় দালালদের বিভ্রান্ত পাছা চাপরানী দেখুন।


একই সাথে প্রমান করে দিন, আপনি যা বলেন, তা বিশ্বাস করেন ও সুযোগ পেলে বাস্তবায়ন করেন।
Regiment Gurkha

জাতীয়তাবাদ একটি জাতির আল্টিমেট দেশ প্রেম



জাতীয়তাবাদ একটা জাতির আল্টিমেট দেশ প্রেম। তত্ত্ব কথা দিয়ে আমি এক্সপ্লেইন করতে পারি, কিন্তু সেদিকে যাব না। খুব অল্প কথায় সোজা উদাহরন দেই। বুজতে পারবেন জাতীয়তাবাদ কি জিনিস।


জাতীয়তাবাদ ভয়াবহ জিনিস, অনেকটা পারমানবিক শক্তির মত, ঠিক ভাবে ইউজ করতে পারলে উন্নতির চরমে যাওয়া যায় আর সঠিক হ্যান্ডেল না হলে জাতিকেই ধ্বংস করে ফেলে।


সারা বিশ্বের বিরুদ্ধে দু’ দুটো বিশ্বযুদ্ধ পরিচালনা করে জার্মানি জাতি আবারো মাথা তুলে দাড়িয়েছে, কেন জানেন? জার্মান জাতীয়তাবাদ থেকে। এখন কেন এই জাতীয়তাবাদ তাদের চুড়ান্ত উন্মাদনায় নিয়ে গিয়েছিল, সেটা ভালো না খারাপ সেটা ভিন্ন হিসাব।


জাপানীদের বর্তমান অবস্থানে আসার কারন, তাদের আত্ম অহমিকা জাতীয়তাবাদ। চীনের দিকে দেখুন, কি বিশাল জনসংখ্যা, কিছুটা মিলিটারি শাষনের সাথে আত্ম জাতীয়তাবাদের শিক্ষা চীনাদের শীর্ষে নিয়ে যাচ্ছে।



ভারত কে আপনি পছন্দ করেন বা না করেন তাদের জাতীয়তাবাদ বোধ কিন্তু উন্মেষ হচ্ছে ধীরে ধীরে, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। সারা দেশ না আসলেও ইন্ডিয়ানদের জাতীয়তাবোধ কিন্তু একটা শেপে আসছে, একটা বিশাল প্রসেসের মাধ্যমে, সেটা হতে পারে শিক্ষা, সিনেমা সহ আরো অনেক কিছু মাধ্যমে।


মাত্র দেড় বছরে সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচী শেষ হয়েছিল, লাখ কয়েক মানুষের শারিরীক পরিশ্রমে। এরা কিন্তু কোন পারিশ্রমিক পায় নি বা নেয় নি। কিন্তু দেখুন কি ভয়াবহ দ্রুততায় কত বিশাল কর্মযজ্ঞ তারা শেষ করেছিল। প্রায় মরু বরেন্দ্র, কিভাবে খাদ্য শষ্যের ভান্ডার হয়ে দাড়িয়েছিল? ইয়েস এটাই জাতীয়তাবাদ।

শহীদ জিয়া ছিলেন জাদুকরী ক্যারিশমেটিক লীডার। দেশের মানুষ কে শুধু বুজিয়েছিলেন। এই দেশ তোমার। আমার ও এক নাম্বার হতে পারি বিশ্বে। ব্যাস শুরু হল রাজসূয় যজ্ঞ।


ভারত জিয়াকে যতই দেখল ততই শংকিত হল কারন বাংলাদেশ যদি সিঙ্গাপুর হয়ে যায় তাদের বিশ্ব পরাশক্তি কোন দিন হতে হবে না। নিহত হলেন জিয়া। দেশীয় মীর জাফর রা আর একবার আমাদের তলানীতে ঠেলে দিল। এরশাদ সে সময় স্রেফ ভারতের পদলেহী হিসাবে কাজ করে গেছে।


অনেক কিছু বলার ছিল, আলাপের ছিল, ইচ্ছে করে না। বিতর্কে যেতেও ইচ্ছে করছে না। বুকটা বেদনায় ভরে যায় জিয়াকে ভাবলে।।

লিখেছেন মুঘল সেনা প্রধান বৈরাম খাঁ

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি

কলকাতা, ১৬ আগস্ট ১৯৪৬।


ইতিহাসের ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার সাবেক এই রাজধানীতে। পাঁচদিন ধরে চলা এই দাঙ্গায় প্রায় পাচ হাজার মানুষ নিহত হয়, আহত হয় প্রায় আরো পনের হাজার। ভিকটিমদের বেশির ভাগই মুসলিম ছিল।
পৃথক দেশের দাবীতে সারা ইন্ডিয়া জুড়ে মুসলমানরা ১৬ আগস্ট 'ডাইরেক্ট একশন ডে' ঘোষনা করে। কলকাতার বিখ্যাত ময়দানে মুসলিম লীগ নেতা-কর্মীরা যখন ডাইরেক্ট একশন ডে উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় বক্তৃতায় ব্যস্ত, তখন কলকাতার অন্য প্রান্তে শুরু হয় হিন্দু মহাসভা ও আরএসআই-এর কর্মীরা মুসলমান নিধনের হোলি খেলা। রক্ত মাখা কাপড়ে যখন কিছু কিছু মুসলিমরা জনসভায় হাজির হওয়া শুরু করল, মুসলমানদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পরল। পুরো কলকাতা মুহুর্তের মধ্যে রক্তের হলি খেলায় মেতে গেল। হিন্দু মুসলিমকে মারে, মুসলিম হিন্দুকে মারে। পুরো পাঁচ দিন ধরে কলকাতা ছিল জতুগৃহ।




এই অন্ধকার সময়ে যে লোকটি সবচেয়ে অসহায় অনুভব করেছিলেন, তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি। অক্সফোর্ড শিক্ষিত ব্যারিস্টার, তিনি ছিলেন তৎকালীন অবিভক্ত বৃটিশ বাংলার প্রধান মন্ত্রী।
হিন্দুরা যদিও বর্বরতায় এগিয়ে ছিল, কিন্তু তারা সকল দায় চাপিয়ে দিয়েছিল সোহরাওয়ার্দি ও বাংলার মুসলিম সরকারকে তথা মুসলমানদের।



সোহরাওয়ার্দি দাঙ্গা থামাতে গান্ধী, নেহেরু, প্যাটেলদের সহযোগিতা চান। তারা তাকে নিরাশ করে।বৃটিশ ভাইসরয়ও সহযোগিতা করেনি। চুপচাপ ছিল।
সে সময় শহর কলকাতায় ১২শ প্রশিক্ষিত পুলিশ ছিল, তার মধ্যে মাত্র ৬৩ জন ছিল মুসলিম। হিন্দু পুলিশদের দাঙ্গা দমনে পাঠানো হলেও তারা দাঙ্গা দমন না করে হিন্দুদের বরং দাঙ্গায় সহয়তায় করেছিল। এই খবর পেয়ে তিনি ১২'শ পাঞ্জাবীকে কনেস্টবল মর্যাদায় দাঙ্গা দমনে নিয়োজিত করেছিলেন।





হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি দাঙ্গা দমন করার জন্য প্রথম দিনই পুলিশ কন্ট্রোল রুমে আস্তানা নেন। দীর্ঘ পাঁচদিন তিনি নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে নির্ঘুম সময় কাটিয়েছেন পুলিশ কন্ট্রোল রুমে কিংবা বিভিন্ন জনের দ্বারে দৌড়ে দৌড়ে। সবাই তাকে হতাশ করেছিল। তিনি খুব আশা নিয়ে গান্ধীর কাছে দৌড়ে গিয়েছিল। কিন্তু গান্ধীও তাকে সহযোগিতা করেনি।
পাঁচদিন পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি তার স্বাভাবিক কাজ-কর্মে ফিরেন।




উর্দুভাষী এই মহান লোকটি চেয়েছিল বাংলা অবিভক্ত থেকে ইন্ডিয়া ও পাকিস্থানের বাইরে তৃতীয় রাষ্ট হউক। জিন্নাহ রাজি হলেও তিনি গান্ধী, নেহেরুদের রাজি করাতে পারেননি।
বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া ও পাকিস্থান জুড়ে তার অসংখ্য রাজনৈতিক শিষ্য রয়েছে। শেখ মুজিব তাদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল।



আজকে তার জন্মদিন। ১৮৯২ সালের আজকের দিনে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ তার জন্মের জন্য এই মহাত্মা লোকটির কাছে কৃতজ্ঞ!
Ekjon Ghunpoka র সাবলীল বর্ননা।

সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৬

অগাস্ট ধারা বিবরণ

সাপ্তাহিক বিচিত্রা

১৫ অগাস্ট :

সামরিক অভ্যুত্থানে শেখ মুজিবর রহমান নিহত। খন্দকার  মুস্তাকের ক্ষমতা গ্রহন।
মন্ত্রী সভা গঠন ও শপথ গ্রহন।

 ১৬ অগাস্ট

সৌদিআরব,  সুদানের স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি।
ভারতীয় মুখপাত্র বলেন : বাংলাদেশের ঘটনা আভ্যন্তরিন ব্যাপার।
মাওলানা ভাষানি কতৃক সমরর্থন অভিনন্দন।

১৭ অগাস্ট
রাষ্ট্রপতির সাথে সাবেক প্রধান মন্ত্রী এম মনসুর আলীর সাক্ষাত।

১৮ অগাস্ট
বৃটেন, জর্দান, বার্মা, জাপান কতৃক স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি।
সচিবালয়ে ব্যাপক পরিবর্তন।

১৯ অগাস্ট

স্বাধীন বাংলাদেশকে ইরান,  কাতার কতৃক স্বীকৃতি প্রদান।
মার্কিনমুলুক থেকে ব্যাপক সাহায্য প্রদানের প্রতিশ্রুতি।
বিমান বন্দর উন্মুক্ত।

২০ অগাস্ট
মার্কিন রাষ্ট্রদূত,  ইন্ডিয়ান হাইকমিসনার, সোভিয়েত চার্চ দ্যা এ্যফেয়ার্স দেখা করে নয়া রাষ্ট্রপতির সাথে।

ইন্দোনেশিয়া,  মালোয়েসিয়া,  নেপাল, কানাডা, UAE, সুইজারল্যান্ড ও ব্রাজিল স্বাধীন বাংলাদেশ কে স্বীকৃতি প্রদান করে।

২১ অগাস্ট
ইউনিয়ন পরিষদ চালু রাখার সিদ্ধান্ত।
যুগাস্লাভিয়া,  অস্ট্রেলিয়া,  মরোক্ক, বেলজিয়াম,  ইতালি,  অর্জেন্টিনা,  লিবিয়া ও দক্ষিন কোরিয়া কতৃক স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি।

২২ অগাস্ট
যুক্তরাস্ট্র কতৃক স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃত।
দৈনিক ইত্তেফাক ও সংবাদ মূল প্রকাশকের কাছে ফেরৎ।

২৩ অগাস্ট
লেবানন ও সিংগাপুর কতৃক স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি।


২৪ অগাস্ট
রাষ্ট্রপতির প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা পদে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানিকে নিয়োগ।

বংগবন্ধুর বার্তা পাবার পরেও তাঁকে রক্ষা করতে ব্যার্থ হওয়া জে: শফিউল্লারকে অপসারন করে মুক্তিযুদ্ধে  Z Force কমান্ডার জিয়াউর রহমানকে সেনা প্রধান নিয়োগ।।











সাপ্তাহিক বিচিত্রা রিসোর্স ঃ




শনিবার, ৬ আগস্ট, ২০১৬

মাইলস আতঙ্ক








প্রকৃত প্রতিবাদ ভিন্নমাত্রার কিছু হয়ে থাকে। প্রকৃত প্রতিবাদকে সদা সর্বদা প্রতিরোধের মুখে পরতে হয়। প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠির প্রতিরোধ।
নতজানু যে শিল্প, শিল্পের আবরনে সুবিধাবাদের প্রসার, তা কোন দিনই শিল্প নয়, কোন দিনই আর্ট নয়। স্রেফ আপোষ।





প্রকৃত বাংলার ছোঁয়া যেখানে আছে সেখানেই আমাদের অবাধ টান। অন্তরের আকুপাকু ছুটে চলা। কবি সুকান্ত, নেতাজী সুভাস চন্দ্র, হেমন্ত, শ্যামলদের থেকে শুরু করে আরো অনেক অনেক গুনি মানুষের পদচ্ছাপ সীমান্তের কাটাতাঁর মানেনা ; পাখির মত, প্রজাপতির মত, আকাসের মত, জোছনার আলোর মত, ফেলানীর গুলি বিদ্ধ লাশের মত।
আমার, আমাদের ভেদ, হিংসা, জ্বালা যন্ত্রনা কোনটাই মানুষের সাথে নয়। বরং মানুষের প্রভু সেজে জাপ্টে ধরা প্রশাসন, সরকার অন্যায় নীতি জুলুমের বিরুদ্ধে।


আপোষে আপোষে মেধাহীন ঘিলুধারী যন্ত্র, এপারেই হোক বা ওপারে... অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে। মানুষের বিরুদ্ধে নয়।



স্যালুট গোজ টু মাইলস ''ইন্ডিয়াতে প্রোগ্রাম করার তোষামোদি যোগ্যতা হারাবার জন্য "
বাংলা গানের ইতিহাসকে নতুন করে গর্বিত করার জন্য।
এই ব্যান হওয়া মোটেও একটি সুযোগ হারানো নয়।



এই ব্যান হওয়া কোন হারাবার বেদনা নয় বরং খুন হয়ে যাওয়া বোন বা কন্যা বা প্রেমিকা ফেলানীর লাশের জন্য এক ফোটা আনন্দ অশ্রু।
স্যালুট ফেলানি, দেখ অত্যাচারীরা উত্তেজিত হয়ে পরেছে, অতএব বিজয় সন্নিকটস্থ!
Never give up ‪#‎Miles‬...


ইন্ডিয়ান দের মাইলস বিরোধীতা

পাক ভারতের দালালেরা হুঁশিয়ার , সাবধান

আর কেও নয় ,শুধু আমরাই পারি
আমিই বাংলাদেশ , আমরাই বাংলাদেশ । আমি, আমরা বাঙালি বাংলাদেশের , আদিবাসী, উপজাতি বাংলাদেশের । আমারা সবাই মিলেই বাংলাদেশি।



কোন রাজ শক্তির পোষ্য নয় বাংলাদেশ, কোন উপনিবেশবাদের ধামাধরা নয় বাংলাদেশ। কোন উগ্রবাদী তালেবানি রাষ্ট্র ব্যাবস্থা , কোন আধিপত্যবাদী প্রতিবেশী আমাদের প্রভু নয়। আমরা লড়তে শিখেছি , মড়তে শিখেছি , প্রয়োজনে দাঁতে দাঁত চেপে মাটি কামড়ে পরে থাকতে শিখেছি।



মার খেয়েছি , রক্ত গঙ্গা বয়ে গেছে আমার শরীরের দুয়ারে , তবুও অধিকার ছাড়িনি , দাবী আদায়ের লড়ায়ে আমরাই নেতৃত্ব দিয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশে। ৭১ এ পলায়নপর , পশ্চাৎপদ রাজনৈতিক নেতৃত্ব শূন্যতাতে আমরাই জিয়া হয়েছি , হত্যা করেছি , রণাঙ্গনে জানবাজ যোদ্ধা হয়েছি। আমাদের হ্যেল্মেটে শ্যাওলা জমেছে , ক্লান্তি জমা কপালে বাঙ্কার নিমেষেই ফুলশয্যার মত জেগে উঠেছে ।




আমরাই রাজপথে নেমেছি স্বৈরাচার পতনের দৃঢ় স্লোগান, চোয়াল বদ্ধ শ্লোগানে ফুঁসে উঠেছে বাংলা, অপারাজেয় বাংলা, কলা ভবন ,ডাচ অথবা মধুর ক্যান্টিন অথবা গুলিস্থানের কামান... আমরাই মেরেছি মরেছি , বুকের তরতাজা রক্ত লালের সাথে বেঈমানি করিনি কোনদিন।




কোন অনুকম্পা নয় , কোন বিশ্বাস ঘাতকতা নয় গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্পন্দিত বুকে। আপোষহীন রাজমুকুটের খেতাব ছিনিয়ে এনেছি আমি আমরাই।



বিদ্রহ বিপ্লবের স্ফুলিঙ্গ কাজী নজরুলের বিষের বাঁশি যেন বেঁজে চলেছে অবিরাম অবিশ্রান্ত আমাদের জন্য।



প্রতিটি আঘাত , প্রতিটি অপঘাতের সমুচিত জবাবের ভাণ্ডার আমরা হারিয়ে ফেলিনি আজো। আমরা মুষ্টি বদ্ধ , শক্ত চোয়ালে আরো কঠিন , ইস্পাতসম মাটির ভালোবাসা নিয়ে অপেক্ষাতে আছি , জয় আসবেই , বিজয় অনিবার্য ...
আমার বাংলাদেশের দালালী করতে পথে নেমেছি ...পাক ভারত আর পিশাচের পদ লোহন আমাদের জন্য নয়। আমরা সত্য সুন্দরের প্রতিপক্ষ হয়ে স্বদেশ ভূমির ধূলিকণা বেঁচে দিতে শিখিনি । কোন অশুর শক্তির হাতে এই অভাগা ভূভাগের ইজ্জৎ আব্রু সম্মান নস্যাৎ হতে দেবো না ।


পাক ভারতের দালালেরা
হুঁশিয়ার , সাবধান


গগন বিদারী চিৎকারে সারা বাংলাদেশের অলিতে গলিতে রাজপথে , স্বর্গ ম্বর্ত করতলে রটিয়ে দাও স্লোগান ---পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান




পাক ভারতের দালালেরা
হুঁশিয়ার , সাবধান
পাক ভারতের দালালেরা
হুঁশিয়ার , সাবধান
পাক ভারতের দালালেরা
হুঁশিয়ার , সাবধান 


পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান