গণতন্ত্র বিহীন রাষ্ট্রের দিনপঞ্জি
প্রধান বিচারপতিকে বাধ্য হয়ে বলতে হচ্ছে
Xinhua Net- Bangladesh and its South Asian neighbors need to develop container ports: World Bank report
The Daily Star- 1 killed in Faridpur AL infighting
বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে রক্ষিত জনগণের $৮১ মিলিয়ন ডলার চুরি সংক্রান্ত তদন্তে FBI বলেছে এই চুরি ছিল রাষ্ট্রের সৌজন্যে বা তত্ত্বাবধানে। FBI অর্থাৎ আমেরিকান প্রশাসনের ভাষাতেঃ
১) রিজার্ভ চুরির ঘটনা দেশের সংবাদ পত্রে প্রকাশ হতে একমাস সময় লাগলো কেন?২) ফিলিপিনের সংবাদ পত্রে চুরির ঘটনা ফাঁস না হলে বাংলাদেশের সংবাদ পত্রে তা আদৌ প্রকাশ হত কিনা ?৩) সরকারি সূত্রের দাবী মত এই চুরির ঘটনা প্রধান মন্ত্রীর নোটিশে আনতে ৩০ দিন দেরি করার কারণ কি ?৪) ঘটনার প্রকাশ প্রথমে অর্থমন্ত্রীর কাছে না হয়ে প্রধান মন্ত্রীর কাছে হল কেন?৫) ১৯ মার্চ তারিখে অর্থ মন্ত্রী 'জনকণ্ঠে' বিবৃতিতে বলেন ১৭ মার্চ 'প্রথম আলো' তাঁর যে সাক্ষাৎকার নিয়েছিল সেখানে প্রথম আলোর সাথে তাঁর অফ দ্যা রেকর্ড কথাবার্তা প্রথম আলো ছাপিয়ে দিয়েছে যা অগ্রহন যোগ্য। এই অফ দা রেকর্ড ফাঁস হওয়া বক্তব্যকে কেন আস্থাতে নেওয়া হয়নি? যুগান্তর এ বিবৃতির শর্ট লিংকঃ দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকাতে অর্থমন্ত্রী তাঁর আগের বক্তব্য অনুযায়ী প্রথম আলোকে দেওয়া বক্তব্যকে অগ্রহন যোগ্য বলে বিবৃতি দিলেন৬) প্রথম আলোর সাথে সাক্ষাৎকারে অর্থমন্ত্রীর অফ দ্যা রেকর্ড করা মন্তব্যকে "অসত্য" আখ্যা না দিয়ে "অগ্রহন-যোগ্য" বলার কারণ কি ?৭) বাংলাদেশ ব্যাংকে অন-লাইন সিকিউরিটি প্রভাইডের জন্য রাকেশ আস্তানা নামের যে ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয়, তার রেফারেন্স কি/কে?৮) লোকাল আইটি এক্সপার্ট জোহা ৬ দিন নিখোঁজ থাকার পেছনের কারণ উদঘাটন করা হচ্ছেনা কেন?৯) জোহা অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা করতে প্রশাসনের উৎসাহ আদৌ আন্তরিক ছিল কি না?১০) চুরির ঘটনা ঘটার ১ মাস পর চুরির ঘটনা প্রকাশের পরে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্ণর আতিয়ার রহমানকে যথাযথ তদন্ত ও জেরা ব্যাতীত অবসর দেওয়া হল অথছ তাঁকে বিচারের সম্মুখীন করা হল না কেন?১১) বাংলাদেশ ব্যাংকের কম্পিউটার মনিটরিং রুমের সিকিউরিটি ক্যামেরা বন্ধ হল কেন এবং তা যথাযথ সময়ে রিপেয়ার করা হয়নি কেন?১২) FBI তাঁদের রিপোর্ট প্রকাশের মাত্র ৫ দিন আগে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনের ১৩ তলাতে অস্বাভাবিক অগ্নিকান্ড ঘটার পেছনের কারণ কি ?১৩) FBI রিপোর্ট প্রকাশের ঠিক আগে, ইন্টারনেট সুবিধা বঞ্চিত ও বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের দায়ী করার কারণ কি?
১৪) দেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি, তাঁদের অবস্থান প্রকাশ করার পরের দিনই প্রেজেন্টেশন প্রস্তুতকারী BNP নেত্রী Shama Obaed এর নামে মামলা করার কারণ কি?
১৯৮৬ সালে এরশাদের নির্বাচনে অংশ নিতে কোন দুটি দল বন্ধুত্ব করেছিল?
১৯৯৬ সালে কারা জামাতের সাথে সমঝোতায় গিয়ে সরকার গঠন করছিলো?
২০০৭ সালে স্থগিত নির্বাচনের আগে কারা শায়খুল হাদীসের সাথে বাংলাদেশে ফতোয়াকে বৈধতা প্রদান সহ পাচ দফা চুক্তি সই করেছিলো?
বিএনপি না আওয়ামীলীগ?
১৯৮৬ সালে কারা গোলাম আযমের সাথে দেখা করে দোয়া নিয়েছিল?
এই মিথ্যার বেসাতি করা দলটির নাম কি ?
WHEREAS: the hole Bangladesh has been under Martial law since 15th August, 1975; and whereas Kandahar Mostaque Ahmed, and who placed the martial law, has made over the office president of Bangladesh to me and I have entered upon that office on the 6th day of November, 1975. AND WHEREAS in the interest of peace, order, security, progress, prosperity and development of country, I deem it necessary to keep in force the Martial law proclaimed on 15th August, 1975.
সত্য উন্মোচিত হোক।#BlackCoffee
সেই সময় মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানের সংবাদ পেলে, মুক্তিকামী জনতা সেখানে আছড়ে পড়তো। মুক্তিযোদ্ধাদের মুখে তাঁরা যুদ্ধের গল্প শুনতে চাইতো, আশা আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্নের কথা শুনতে চাইতো। বাড়ির মুরগী , খাসী জবাই করে মুক্তিদের খাওয়া দাওয়ার ব্যাবস্থা করতে পারলে ধন্য হত। তাঁরা বলতো “মুক্তি এসেছে”।
“ওদের রওনা দেবার খবর পাবার আগেই নিরাপত্যার কথা ভেবে বাজারের কাছে এ্যম্বুস পেতে রেখেছিলাম আমরা, তাঁরা এই ফাঁক দিয়ে আসতে পারে এমন একটা ধারণা আমরা করেছিলাম”পাকিস্তানীরা আসার খবর শোনা মাত্র এ্যামবুশকারীদের সাবধান করে জিয়া ওই দুই সহযোদ্ধাকে নির্দেশ দিয়ে এ্যটাকের প্রস্ততি নিতে বলেন। পাকিস্তানী বাহিনী এ্যামবুশের মাঝে আসা মাত্র দুই ধারে সাব-মেশিন গানের গুলি শুরু করে ক্যাপ্টেন অলির বাহিনী। খুব অল্প পাকিস্তানী সেনা সেদিন ফেরত যেতে পারে। জিয়া তখন হাসতে হাসতে সবাইকে বলেনঃ
ব্রিগেডিয়ার শাবেদ শিং এরপর “সাপ্তাহিক সমাজ” পত্রিকার সম্পাদক সাংবাদিক বাশারকে ইটারভিউ দিতে গিয়ে ইংরেজীতে বলেনঃ
“ডিয়ার সাংবাদিক, যুদ্ধে তোমরা অবশ্যই বিজয়ী হবে। যে জাতির হাতে মেজর জিয়ার মত একজন কমব্যাটেন্ট থাকে তাদের দমিয়ে রাখা যায় না। আমি নিজে অনেক যুদ্ধ করেছি, অনেক যুদ্ধের কৌশল নিয়ে পড়েছি, কিন্তু জিয়ার মত ঠান্ডা মাথার কমব্যাটেন্ট কোথাও দেখি নি”
“স্যার আজকের ঘটনার ওপর কিন্তু কাভার ষ্টোরী হবে। কালো সানগ্লাসে ঢাকা চোখের স্বভাব সুলভ মুচকি হাসিতে, জিয়া প্রচ্ছন্ন সাঁয় দিয়ে বলেনঃ
Well, you’ve a story, no doubt. But please don’t mention our name. That’s our of military rules.
“ওয়েল ইউ হ্যাভ আ ষ্টোরী। নো ডাউট। বাট প্লীজ ডোন্ট মেনশান আওয়ার নেইম। ওটা আমাদের সামরিক নিয়মের বাইরে।”
ইতিহাসের মাইনফিল্ডে নিরাপদে হাঁটার জন্য এখন প্রয়োজন মাইনগুলো নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া, সে জন্য প্রয়োজন প্যান্ডোরার বাক্সগুলো পুরোপুরি খুলে ফেলা, জানতে হলে পড়তে হবে ।
১৯৫৪ সালে প্রায় ঢাকায় ১৮ তোপখানা রোডের ঐতিহাসিক লাল বাড়িতে প্রেস ক্লাবের জন্ম ও বেড়ে ওঠা। একসময় এ বাড়িতেই থাকতেন বিজ্ঞানী সত্যেন বোস। সেই লাল বাড়িটি এখন আর নেই। সেখানে নির্মিত হয়েছে নতুন ভবন। সাংবাদিকই শুধু নন, শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতি ক্রীড়া অঙ্গনের বিশিষ্ট সব মানুষের মিলন কেন্দ্র হিসেবে উজ্জ্বল ঐতিহ্য রয়েছে এই ক্লাবের। প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, স্বৈরাচারবিরোধী সব আন্দোলনে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রেস ক্লাব ছিল অনন্য বলিষ্ঠ এক প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠান এখনো সমাজের বঞ্চিত, শোষিত মানুষের প্রতিবাদের কেন্দ্র এবং প্রত্যাশার প্রতীক। বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা, পরমত সহিষ্ণুতার লালন, গোঁড়ামিমুক্ত ঋদ্ধ, আলোকিত সমাজ বিনির্মাণ ও প্রগতির অভিযাত্রায় এই প্রতিষ্ঠান সব সময়ই থেকেছে অগ্রণী।
‘সচিবালয়ের প্রয়োজনে জায়গাটি সাংবাদিকদের দেয়া যাবে না।’
পরবর্তী সময়ে ১৯৭৬ সালে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর সাংবাদিকরা বিষয়টি তাঁর নজরে আনলে তিনি প্রেস ক্লাব পরিদর্শনে আসেন। ১৯৭৮ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জাতীয় প্রেস ক্লাবের বর্তমান জায়গা (১.১২ একর) ৩০ বছরের জন্য বন্দোবস্ত দেন। ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে শিয়া ইসমাইলি মুসলমানদের ৪৯তম ইমাম এবং আগা খান উন্নয়ন নেটওয়ার্কের (একেডিএন) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রিন্স করিম আগা খান বাংলাদেশে আসেন এবং সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রেসক্লাবের ভবন নির্মাণে অর্থ সাহায্যের ঘোষনা দেন ।
![]() |
| সুসজ্জিত আমেরিকান ট্যানেল ফাইটার |
![]() | ||
| আমেরিকার হিপ্পিরা জাহাজ পর্যন্ত হাইজ্যাক করেছিল , যুদ্ধের প্রতিবাদে |
“ভারতীয় সৈন্যদের লুণ্ঠিত মালামালের মূল্য ছিল প্রায় ১শ’ কোটি মার্কিন ডলার।”
“শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের শত শত মিল কারখানার যন্ত্রপাতি, ব্যাংক, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যাল, ঘর-বাড়ির গৃহস্থালী জিনিসপত্র পর্যন্ত বাদ যায়নি লোভী ভারতীয় লুটেরাদের হাত থেকে। এসব সম্পদ ও দ্রব্যাদির তখনকার মূল্য ছিলো আনুমানিক ৯০ হাজার কোটি টাকা। শৌচাগারের বদনাগুলোও বাদ দেয়নি ভারতীয় লুটেরার দল। এছাড়াও যুদ্ধকালীন ও যুদ্ধ পরবর্তীকালীন সময়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার বিপুল পরিমাণ অর্থ ও অন্যান্য সাহায্যও লুট করে নিয়ে যায়। সত্য কথা বলতে গেলে কিসিঞ্জার এই সব জানার পরেই উপহাস করে Bottomless basket বলেছিলেন।“
“১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শেষ অংশে ৩রা ডিসেম্বর ভারতীয় আরদালী বাহিনী বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তারা ১৬ ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ জুড়ে নজির বিহীন লুটপাট চালিয়েছিলো। ৯৩ হাজার পাকিস্তানী সৈন্যদের ফেলে যাওয়া বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদ- যার মূল্য ওই সময় ছিলো ২৭ হাজার কোটি টাকা, তার সবই ভারতীয় আরদালী বাহিনী ১৫টি বিশাল জাহাজে করে বাংলাদেশ থেকে লুট করে নিয়ে যায়। অথচ সেই অস্ত্রের মালিকানা ছিলো পুরোপুরি বাংলাদেশের”
“যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবার পর ভারতীয় সৈন্যরা পার্বত্য চট্টগ্রামে অধিক সময় অবস্থান করতে থাকায় ভারত সমালোচিত হতে থাকে। অভিযোগ করা হয় যে, ভারতীয় সেনাবাহিনী ট্রাক বহরে করে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র ও সাজসরঞ্জাম সরিয়ে নিয়ে যায়। ফলে ভারত বাংলাদেশকে আত্মমর্যাদাশালী রাষ্ট্রের পরিবর্তে একটি তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় এমন একটি আশঙ্কা থেকে বাংলাদেশের প্রতি ভারতীয় নীতির বিরুদ্ধে উত্তেজনা ও সংশয় সৃষ্টি হয়।”
“যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবার পর ভারতীয় সৈন্যরা পার্বত্য চট্টগ্রামে অধিক সময় অবস্থান করতে থাকায় ভারত সমালোচিত হতে থাকে। অভিযোগ করা হয় যে, ভারতীয় সেনাবাহিনী ট্রাক বহরে করে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র ও সাজসরঞ্জাম সরিয়ে নিয়ে যায়। ফলে ভারত বাংলাদেশকে আত্মমর্যাদাশালী রাষ্ট্রের পরিবর্তে একটি তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় এমন একটি আশঙ্কা থেকে বাংলাদেশের প্রতি ভারতীয় নীতির বিরুদ্ধে উত্তেজনা ও সংশয় সৃষ্টি হয়।”
“পাকিস্তানি সৈন্যদের আত্মসমর্পণের পর ভারতীয় সৈন্যদের ব্যাপক লুটতরাজ দেখতে পেয়ে ভারতের প্রকৃত চেহারা আমার কাছে নগ্নভাবে ফুটে উঠে। ভারতীয় সৈন্যরা যা কিছু দেখতে পেতো তার উপর হুমড়ি খেয়ে পড়তো এবং সেগুলো ভারতে বহন করে নিয়ে যেতো। লুটতরাজ সহজতর করার জন্য তারা আমাদের শহর, শিল্প স্থাপনা, বন্দর, সেনানিবাস, বাণিজ্যিক কেন্দ্র এমনকি আবাসিক এলাকায় কারফিউ জারি করে। তারা সিলিং ফ্যান থেকে শুরু করে সামরিক সাজসরঞ্জাম, তৈজষপত্র ও পানির ট্যাপ পর্যন্ত উঠিয়ে নিয়ে যায়। লুণ্ঠিত মালামাল ভারতে পরিবহনের জন্য হাজার হাজার সামরিক যান ব্যবহার করা হয়।”
“বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ভারত অর্থনৈতিক, সামরিক, কৌশলগত ও আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক লাভবান হয়েছে। এ কারণে দেশটি তার নিজের স্বার্থে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সম্পৃক্ত হয়, আমাদের স্বার্থে নয়।”