বুধবার, ১০ জুন, ২০১৫

হাসিলেন মুজতবা আলী

প্রথমত
রম্য লেখক মুজতবা আলী একজন দেশদ্রোহী ছিলেন।

বৃটিশ লর্ডের পোষা কুকুর একবার একটা কম পা নিয়ে লেংচে লেংচে সৈয়দ সাহেবের স্কুলে পদধুলী দিয়েছিল।

সৈয়দ সাহেব সেই বিশিষ্ঠ কুকুরের পা চাপাকলের পানি দিয়ে ধুয়ে না দিয়ে বরঞ্চ ছাত্রদের কাছে গ্বল্প দিয়েছিলেন যে কুকুরের কয় পায়ের সমান তার লাইফ স্টাইল ; সেই ব্যাখ্যা দিয়ে।

মুজতবা সাহেবের সেই গানিতিক ব্যাখ্যা সাঠিক ছিল।

অন্যদিকে
প্রচলিত আছে নবাবী আমলে ভূখা-নাংগা দেখলে শাহাজাদী বেগম সাহেবানরা নসিকা কুঞ্চন করতেন।

ভাতের অভাব থাকলে শাহি মোগলাই, কাচ্চি খাবার পরামর্শ দিতেন।

ভূখানাংগা দের ভেতর যারা বহুমুত্র  রোগে আক্রান্ত ছিলেন তাদের মোরগ পোলাও খাবার ফরমান দিতেন (!)

তৃতীয়ত
আগের ব্রাম্মন  সমাজের প্রায় সব্বাই প্রকাশ্যে ভেজিটেরিয়ান ছিলেন।

তবে কাশি, মথুরা, বৃন্দাবনের পথে যাত্রা নিলে যাত্রা কালিন সময়ে কাক মাংস ভগবানের ভোগে দিয়ে আহার করতে পারতেন।

তাতে দোষ হতো না।পূন্যী অর্জন হতো।

আবার
মসজিদ,  মাদ্রাসা,  এতিমখানা প্রভৃতি,র জন্য রাস্তাঘাটে,  বাসে দান বাক্স থাকে।

যৌনকেশ জন্মানোর আগেই দাড়ি গজিয়ে ওঠা কিশোর ছেলে থেকে শুরু করে ৭০ উর্ধ বৃদ্ধ সবাই টাকা তোলে আপনার পাপের ভারী খাতা হালকা করার জন্য।

যদি বীচিতে চিপা দিয়ে ঠিকঠাক ফাপর  দিতে পারেন তাহলে জানতে পারবেন চাঁন্দা তোলা টাকার ৫০% মাদ্রাসা মার্কেটিং এর লোকের ২০% গলির মাথার মাস্তানের, ৫% হুজুরের আর বাদবাকি ২৫% এর একশ ভাগ মাদ্রাসা বা এতিমখানার দরিদ্র ছেলে মেয়েদের জন্য।

বাংলাদেশের বড় হুজুরের বাৎসরিক আপ্যায়ন খরচ ৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা অর্থাৎ দৈনিক প্রায় ২লাখ ১৩ হাজার ৩৮০ টাকা।

আমাদের #বিবাহিতব্যাচেলর ভায়ের কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করতে আরো দরকার ১২ লাখ টাকা।

তাহলে বড় হুজুরের এক বছরের নাস্তা বিল দিয়ে #বিবাহিতব্যাচেলর ভায়ের কয়টা কিডনী ট্রানসপ্লান্ট করা যাবে?

একজন নিস্পাপ শিশু,র বাবার কোলে আশ্রয় চেয়ে নেবার নিশ্চয়তা  নিশ্চয় ৩০০ মিলিয়ন ডলার ম্যানের ১৯ দফা নিরাপত্তার চেয়ে খুব বেশী ছোট নয়।

দুই কান্ধে বসিয়া আছে কেরামুন, কাতেবীন।

এঁদের কোন একজন অনেক বেশী ক্লান্ত। হিসাবের বাঠখারা অনেক ভারী হয়ে এসেছে।

ক্ষমা  পাবেন কি আদৈ!

সৈয়দ বংশের বাত্তি

কোন বংশের ছাওয়াল তুমি?
বৃক্ষ তোমার নাম কি?

৩০০ মিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন।

মানুষ যখন নিজের নামের প্রতি ভড়সা হারিয়ে ফেলে তখন তাকে বংশ পরিচয়ের মুখাপেক্ষী হতেই হয়। ১৪ পুরুষের নাম বেঁচে টিকে থাকার লড়াই চালাতে হয়,  ১৪ পুরুষ ইতিহাসের সাক্ষী গোপাল হতে হয়।

দুনিয়া জোড়া বিখ্যাত ফ্যামিলি টাইটেল হচ্ছে  "আগা" ফ্যামেলী।
আমরা যাদের আগাখান বলে চিনি এবং জানি।

মুসলিম (শিয়া) বিশ্বের এরাই সম্ভবত একমাত্র বংশগৌরব যারা জিউস দের সাথে সমানে সামানে ফাইট দিয়ে চলেছে প্রায় সর্বক্ষেত্রে।

ব্যাবসা, বানিজ্য, দান, অনুদান, ফাঁকিবাজি,অস্ত্রবাজি,  অস্ত্র ব্যাবসা অথবা সর্বচ্চ পেইড ট্যাক্স ; এঁদের ভেতর টক্কর চলে বছরভর।

আগা"দের চেনার জন্য সহজ ঊধাহরন দেই।

ঢাকাতে অবস্থিত "আগাখান ইন্টারন্যাসনাল স্কুল" এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান IPDLC এইগুলি আগাদের প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশের বাংলাসিনেমা এখনো চৌধুরী যুগ পার করতে পারে নাই।বোম্বেতে কাপূর টাইটেল মানেই মাস্টার ব্লাস্টার নায়িকার কাপড় খোলার হট কেক টিকিট।

আরবের শেখ ফ্যামেলির নাম তো শুনেছেন সবাই।

এই আরবের কুরায়েশ বংশ যেমন মুর্তি পুজা এবং অনাচারের মূল হোতা ছিল তেমনি এখান থেকে জন্ম নেওয়া মেষের রাখাল তাবত মানবতার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।

বৃটিশ সিংহাসনে উত্তরাধিকার কক্ষনো রাজপরিবার বংশের বাইরের কেও হতে পারবে না। অন্যান্য ইউরোপিয়ান রাজ-পরিবার গুলির ক্ষেত্রেও নিয়মের কোন এধার ওধার নেই।

আবার রাষ্ট্রীয় বংশ বলেও কিছু একটা টের পাওয়া যায়।

আইএমএফ বা ইউএন  এর প্রধানের পদ কক্ষনো নির্দিষ্ট কিছু দেশের পদলোহন ছাড়া পাওয়া যায় না।

চক্রবর্তি থেকে পোদ্দার বা জোয়ার্দার এরা সবাই বংশগতিবিদ্যার উজ্জ্বল অনুশীলন।

নেপালের বিখ্যাত গূর্খা উপজাতিদের কথা অনেকেই জানেন।যুদ্ধ বিদ্যাতে এঁদের টেক্কা দেবার মত আর কেও এই দুনিয়াতে পয়দা হয় নাই।

গুর্খাদের সাহস, শৌর্যবীর্য এবং রনকৌশল অদ্বিতীয়।

দুনিয়ার বুকে আজো অনেক সুপার পাওয়ার আছে যারা তাদের সামরিক বাহীনিতে প্রবাসী গুর্খাদের নিয়ে আলাদা সামরিক রেজিমেন্ট তৈরি করেছে। গত তিন বছরে একজন মাত্র গুর্খা স্নাইপারের হাতে ২৬০ জন আল কায়েদা খতম হয়েছে।

আজ থেকে মাত্র ১০ বছর আগে বৃটিশ আর্মির গূর্খা রেজিমেন্ট কে একীভূত করে পৃথক গূর্খা রেজিমেন্ট ভেংগে দেওয়া হয়।

আরব দেশের আরেক বিখ্যাত বংশ "সৈয়দ" বংশ।

আমাদের দেশেও এই বংশের কদর অনেক। মান মর্যাতাতে উচু দেশি সৈয়দদের একটা বড় অংশ এই দেশে এসেছিন ধর্মপ্রচারের উদ্দেশ্যে, জাত-পাত আক্রান্ত ভারতীয় উপমহাদেশে সৈয়দদের শান্তির বানী মানুষদের উপকৃত করেছিল

রুট কানেকশন এবং ঐতিহ্য  অনেক শক্তিশালী  হওয়াতে একটা সময় আরবে সৈয়দ বংশের প্রাদূর্ভাব শুরু হয়।

ডানে সৈয়দ, বামে সৈয়দ, ঘড়ে সৈয়দ,  বাইরে সৈয়দ.. সৈয়দ সৈয়দ আর সৈয়দময়..

চুরি চামারী থেকে শুরু করে যৌতুক গ্রহণ, ব্যাভিচার, ডাকাতি, মহাজনী, সুদের কারবার  সব কিছুতেই দেখা গেল সৈয়দ বংশীয়রা জড়িয়ে পরছে বা সৈয়দদের নাম ব্যাবহার করা হচ্ছে।

এমন সময় সৌদি প্রশাসন শুদ্ধী অভিজান চালানোর সিদ্ধান্ত গ্রহন করে।

ঘোষনা  আসে জুম্মার দিনে বিশেষ মাঠে, সকল সৈয়দ একত্রীত হবে সব সৈয়দ বিশেষভাবে প্রস্তুত আগুনের গোলকের ভেতর দিয়ে লাফ দেবে। অনেকটা সার্কাসপার্টির ফায়ার জাম্পের মত।

সৈয়দদের ওপর আল্লার আদ্ধাত্মিক আনুকুল্য আছে তাই আগুনের গোলকে তাদের কোন ক্ষতি হবে না। এপার থেকে অন্য পারে লাফ দেবার পরেও,  আইরন করা জিব্বাতে ভাজ পড়বে না।

নির্দিষ্ট দিনে দেখা গেলো অর্ধেকের বেশী সৈয়দ মাঠে অনুপস্থীত। বেত্রাঘাতের ভয়ে, আগুনে ঝলসানোর ভয়ে পাগারপার..

যারা অগ্নি গোলক খেলতে আসে নাই তাদের আর কক্ষনোই আরবের মাটিতে দেখা যায়নি..

এভাবেই আরবে জেনেটিক্যালি শুদ্ধ সৈয়দ প্রতিষ্ঠালাভ করে।

বাদবাকি পলাতক সৈয়দদের  একজন সব্যসাচী  উত্তর পুরুষকে খুব সম্প্রতি ঢাকাতে পাওয়া গিয়েছে।

তিনি নিশিদ্ধ লোবানে দেশরত্ন উত্তপ্ত করছিলেন।

৭১ এই সৈয়দ, দ্বিতীয় বারও নাকি জান বাঁচাতে অগ্নি গোলকে ঝাপ না দিয়ে জেনারেল জামসেদের কোলে ঝাপ দিয়ে জান বাচিয়ে ছিলেন।

এবার অবশ্য এত পরীক্ষা, নীরিক্ষা, ঝাক্কি ঝামেলা নেই। পোষ্যবর্গ কিছু লালশালু ডেড বডি শহীদ মিনারে আড়াআড়ি রেখে পাক আর্মির ঘনিষ্ট, সৈয়দ হককে মুক্তিযুদ্ধে লঘিষ্ঠ কিছু উৎছিষ্ট ভোগীর দল সটান হয়ে কিরামুন কাতেবিনের নোট খাতাতে লেখা,  ভাগ্য রেখে উলটে পালটে দেবেন।

কূট নীতি

মাইক্রো কূটনীতি
কেস গুলি কি ছিল?

কেস স্টাডি ১

৫ জানুয়ারির আগে
প্রনব মূখার্জি যখন দেশে আসলো, হরতালের অজুহাতে নেত্রীর সাথে দেখা হল না।

হরতালের স্থায়িত্ব ১ ঘন্টা কমিয়ে দেওয়া সম্ভব ছিল।

আবার নেত্রী রিক্সা নিয়েও যেতে পারতেন যা রাজনৈতিক মাস্টার স্ট্রোক হতে পারতো।

নিরাপত্তার হাস্যকর যুক্তি, জামাতি সুলতানাতের প্রভাব এবং অন্দরমহলে অবস্থানরত দুএক জন শিয়াল পন্ডিতদের জন্য সেটা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।

কেস স্টাডি ২

বিল ক্লিনটন যখন সংক্ষিপ্ত সফরে ঢাকা আসলেন তখন তার সাভার স্মৃতিসৌধ ভিজিট বাতিল করা হয় নিরাপত্তা অজুহাতে।
বাংলাদেশ সরকার তা মেনে নেয় যেহেতু ঐ মূহুর্তে সফরটা বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা ছিল। পক্ষান্তরে আমারিকানদের কাছে কার্টেসি ভিজিট ছিল।

কেস স্টাডি ৩

এই ঘটনার কিছু পরেই জাপানের সরকার প্রধান বাংলাদেশ সফরে আসেন। তিনি তার ১৩ দেশ ভ্রমনের তালিকাতে ৪ নাম্বারে রাখেন বাংলাদেশ কে।
টাইট সিডিউলের সেই ট্রিপ ছিল নিরাপত্তা পরিষদে জাপানের পক্ষে  ভোট সংগ্রহের উদ্দেশ্যে।
তাই সেই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে সেইবার জাপান চিফ কে সাভার ভ্রমণ থেকে রেহাই দেওয়া হয় নাই।

মনে রাখতে হবে যে জাপানের তরফ থেকে অনুরোধ ছিল স্মৃতিসৌধ ট্রিপ ডিসমিস করার জন্য।

কূটনীতি আজকের

এবার যখন ডিল্কায়ার্ড ; যে
তিস্তা চুক্তি হচ্ছে না এবং
বর্ডার কিলিং জিরো টলারেন্সে নামছে না

ফারাক্কা নিয়ে কোন রিভিউ হচ্ছে না,

সীমান্তের মাদক কারখানা বন্ধ হচ্ছে না,

রামপাল প্লান্ট বাতিল হচ্ছে না

ভারতীয় অবৈধ অভিবাসীরা বাংলাদেশ ছাড়ছে না

Made in Bangladesh লেখা আরো পন্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে না

দেশি চ্যানেল গুলি ইন্ডিয়াতে উন্মুক্ত হচ্ছে না।

ক্ষুদ্র অস্ত্র স্মাগলিং বন্ধ হচ্ছে না
এবং আরো অনেক সেনসেটিভ ইস্যুর সুরাহা হচ্ছে না
সে ক্ষেত্রে সরকারের চাপে থাকার কথা।

অথছ আমরা দেখছি এইসব অগ্রাহ্য করে পররাস্ট্র ডিপার্টমেন্ট এর বস মাহামুদ আলী ঘোষনা দিচ্ছে যে নরেন্দ্র সাহেব ম্যাডাম জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করছেন না।

লক্ষ করেন মাত্র কয়েক দিন আগে রিয়াজ রহমানের স্ত্রী কে গুলশান অফিসে ঢুকতে দেওয়া হয় নি।

মোবাইল ট্রাকিং এ্যভোয়েড করার জন্য রিয়াজ সাহেবের কূটনৈতিক বার্তা বহন করছিলেন মিসেস রিয়াজ।

শোনা গিয়েছিল ভারত সংক্রান্ত বার্তাই তিনি নিয়ে গিয়েছিলেন।

এক সময় টু ইন ওয়ান খুব চলতো,  এখন থ্রী ইন ওয়ানের যুগ।

অংগ রাজ্য, কদর রাজ্য, গুপ্ত রাজ্য।

বাংলাদেশ  রাস্ট্র,  আওয়ামীলীগ সরকার, এবং বিএনপির চৌকিদার এরা এখন থ্রি ইন ওয়ানে লেট নাইট সো,র অডিও রিমিক্স বাজাচ্ছে.. 

আমরা পাছার পাঁচশালা চুলকিয়ে আরাম পাচ্ছি..

মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০১৫

আলু তত্ব

যদি সুদূর আলাস্কা ভ্রমনে যান সেখানে চানাচুরওয়ালা পাবার সম্ভবনা কম।

যদি রাসা যান সেখানে হাজার লিটার এবসুলিউট ভদকা পাবেন নিশ্চিত বাট লইট্যা ফিসের শুটকি পাওয়া যাবে না।

পুরাতন ঢাকাতে গেলে নান্নার বিরিয়ানি খেতেই পারেন, দু,খিলি সোনাই মুরা পান পেতেই পারেন,  বাকরখানির গুদামঘড় পর্যন্ত খুঁজে পাবেন বাট ম্যাকডোনান্ডের বার্গার পাইবেন না। আই বেট।

মন চাইলেই জাপান ঘুড়ে আসতে পারেন ; জ্যান্ত বান্দরের ফুটন্ত ঘিলু খেতে পারবেন,  মূলার তৈরি সশ চেখে দেখতে পারবেন কিন্তু  চুনোমাছের চরচরি পাওয়া যাবার কোন সম্ভবনা নাই।

জাপানের পোলাপানদের কাছে ম্যাগডোনাল্ড এতটাই আপন যে তারা লেখাপড়া করার জন্য দেশ ছাড়ার আগে বন্ধু-বান্ধব দের বলে যাই যে তারা সবচে বেশী মিস করবে ম্যাকডোনাল্ডের বার্গার :p

থাইল্যান্ডে ল্যান্ড করার সাথে সাথে ট্যাক্সি ড্রাইভার আপনাকে জিজ্ঞাস করবে "ফাক তাইম ব্যাংকক? ফাঁক তাইম?( ঘটনা সত্য)

আপনি Yes বললেই ধরা ; ট্যাক্সিওয়ালা আপনাকে সারা ব্যাংকক চক্কর কাটিয়ে হোটেলে পৌঁছে দেবে।

ততক্ষনে আপনার পকেট ওয়াহিদুজ্জামানের টাকের মত ফাঁকা।

আপনাকে বুঝিয়ে বলতে হবে ফাঁক তাইম নয়,  এবার আপনার সেকেন্ড বা থার্ড টাইম ব্যাংকক :)

যাকগে ব্যাংককের রাস্তার মোড়ে মোড়ে আপনি এসকট পাবেন,  মেয়ে পাবেন,  লেসবিয়ান বা গে পাবেন,  আমাদের দেশের চায়ের টং দোকানের মত দোকানে দোকানে পোকামাকড়ের ভাজাভুজি পাবেন কিন্তু আমাদের দেশের মানুষের মত আমড়া কাঠের ঢেঁকী পাবেন না,  আই সয়ার।

আলুতো খান সবাই তাই না? এই আলু আর মাথাতে পাগরী চাপানো সিং দের কিন্তু আপনি সমগ্র দুনিয়াময় পাবেন।

অন্য মানুষদের আলুপোরা খাওয়ানো বাংগালী সমাজের চরিত্র। দ্বিমত হয়তো পোষণ করবেন না।

আলুরদোষ আমাদের প্রায় সব এডভেঞ্চারিস্ট পুরুষের মধ্যেই বিদ্যমান ; মানেন আর নাই মানেন।

আলু প্রীতি আমাদের ভেতর কিন্তু ছোট্টবেলা থেকেই তৈরি হয়।

ক্যান কবিতা পরেন নাই?

রেল গাড়ি ঝমাঝম
পা পিছলে আলুর দম?

থুতু বাবা এরশাদের আমলে একবার টিভি রেডিও তে খুব প্রচারনা চালানো হয়ে ছিল

"আলু খেলে মোটা হয়
এই কথাটি ঠিক নয়"

সাবেক সাত ঘোড়ার কচুয়ান মইন ইউ আহাম্মেদের কাছেও আলু মুখোরচক ছিলো।

তিনি তো রীতিমতো র‍্যাডিসনে পার্টি বসিয়ে ১৬ কোটি ফরিকনি বাংগালকে পাচ তারকা আলুর স্বাদ আস্বাদন করানোর খোয়াব দেখেছিলেন।.

মনে আছে নিশ্চয়, এরশাদের মতো মইন সাহেব নিজেও কিন্তু চুটকি লিখেছিলেন

"বেশী করে আলু খান
ভাতের উপর চাপ কমান"

আমেরিকার প্রসেডেন্টদের সব কারবার রাজসিক।তারা সাধারণ খাবার পাতে নেন না।
তাদের জন্য হোয়াইট হাউজের বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শেফ নিজ হাতে হোমমেড বিয়ার তৈরি করে দেই।
বিশেষ ধরনের এটেল মাটির নিজে জন্ম নেওয়া বিশেষ আলু দিয়ে প্রস্তুত করা হয় ইউএস প্রেসিডেন্টদের মল্টেড বিয়ার।

গোল আলু তো চেনেন সবাই। অতি জনপ্রিয় এই মিস্টি গোলআলু যেকোন তরকারিতে চমৎকার মানিয়ে যাই

আলুরদোষ থাকুক আর না থাকুক আলুর ব্যাসিক জিনিস  সোডিয়াম কিন্তু যুবতী সমাজের কাছে খুব জনপ্রিয়।
সোডিয়াম শরীরের চামরা পরিস্কারের জন্য অব্যার্থ ঔষধ।

মাটি হচ্ছে সোডিয়ামের আখরা।
সেই মাটির নিচেই আলুর জন্ম হয়।

বিধাতা সয়ং দোষ যুক্ত আলুকে মিতৃকার উপরে আনার সাহস দেখান নাই।

মিতৃকার নিচে চাপা থাকার পরেও আলুরদোষ একটুও কমে না,  গুণাগুণ ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না।

ছাত্রলীগকেও আপনি যতই "চলী কা পিছা" ঢেকে রাখুন না ক্যান আলুরদোষ তাতে ঢাকা পরবে না।

সোমবার, ২৫ মে, ২০১৫

শিয়াল শাহ্‌

মিছিলে গেছিলেন কাকা।
বুঝে হোক না বুঝে হোক উনি বিশ্বাস করেছিলেন  এরাই আসল লোক।

মিছিলে ক্লান্ত কাকা ফেরার পথে বসে পরলো একটা বড়সড় বট গাছের নিচে। বট ছায়াদায়ী বৃক্ষ।

পেছনেই ঘন বাস বাগান। 
কাকা ঠিক করে ফেলল এখানে একটু ঝিম মারবেন,  তার পরে বাড়ি যাওয়া।

মাছি ভন ভন করছে।  এই একটাই সমস্যা। বছরের এই সময় টাতে মাছি খুব জ্বালাতন করে।

এখানে এত্ত মাছির কারন এক শিয়াল এখানে হেগে থুয়ে গেছে। খুব বিরক্তিকর বিষয়।
এখানে থাকুম ক্যাম্বা?

শেষমেশ পাওয়া গেল এক লোক কে। হাতে চটের বাজারের ঝোলা।

কি আছে গো বাবাজী তোমার ব্যাগে?
এই সদায় নিলাম কাহা।
চাল,  ডাল আর তরকারি!

কাকা আগন্তুকের কাছ থেকে দু তিন মুঠি চাল আর ডাল আদায় করে নিলেন খিচুড়ি খাবেন বলে।

আগুন্তুক ভাবলো বৃদ্ধ মানুস!  কিছু তরকারি দিলে ভালো হত।

কিছু লাল শাক,  কচুর লতি,  আর দুটি করে পেয়াজ আর রসুন যোগ করে দিলো আগন্তুক। 

বৃদ্ধ নির্দিধায় শিয়ালের গু'য়ের উপর ঢেলে দিল চাল, ডাল,  কচুর লতি,  লাল শাক আর পেয়াজ রসুন।

দুপুরের নামাজ পরতে যেয়ে বুড়া নিতে আসলো আগরবাতি; অরিজিনাল আগরবাতি নাকি মশা তারানোর মক্ষম যোম।

আসরের পরে হাট থেকে ফেরা মানুস দেখলো চাল,ডাল আর কচুর লতি,র সাথে আগরবাতি জ্বলছে। 
পাশেই ঘুমন্ত বৃদ্ধ,  সাদা শুভ্র দাড়ির ফাঁকেফাঁকে দু একটা আধাপাকা দাড়ি জ্বলছে।

বাজারের খলিফা এক টুকরা কাপর দিয়ে  বৃদ্ধ কে ঢেকে দিল।
সন্ধা ঘনিয়ে আসছে।

দূর পথের পথিকেরা ঘড়ে ফিরছে।

অসহায় ধরে নিয়ে কেও দিয়ে গেল আরো কিছু চাল, আটা,  শশা,গাজর, ভেন্ডি এই সব।

রাতের ভেতর শিয়ালের গু ঢাকা পরে গেল খাদ্য দ্রব্যের স্তুপে।

বৃদ্ধ বিশ্রাম শেষে বাড়ি ফিরে গেল। কিছুই সাথে নিলো না।

সকালে পৌরসভার ম্যাথর আগরবাতি আর ধুপছায়া দেখে বিচলিত হয়ে পরলো।

ম্যাথর গরিব মানুস, তার দেবার কিছু নাই।  তাই মাথার লাল রুমাল টা রেখে গেল।

এর পরে সূর্য উঠলো কড়া।  লোক জন সব ভিড় করলো।

ইহা কি!  কি  ইহা ?
মাজার?  মাজার আসলো কোথা থেকে?
কার মাজার? 
খোদার কোন নেক বান্দা,র কবর এখানে।

জগলুর বউ বাজা। এবার বাচ্চা না হলে সে গলাই দড়ি দেবে বলে ঠিক করেছে মনে মনে।
নয়া মাজারের কথা শুনে জগলুর বউ মানত করে ফেললো।

বিকাল বেলা যখন মুত্র পরিক্ষার রিপর্ট আসলো জানা গেল এবার বাচ্চা হবে।

জগলু আর তার বউ ছুটলো মাজারে।
বউ কই মাজার?
এই যে এখানে।
জগলু দেখলো তার দেওয়া সেই কচুরলতি উকি মারছে মাজার থেকে।

বুঝলে বাবা আচানক কাজ।  রাতে রাতেই মাজার।  এটা যে কার মাজার বাবা ক্যমনে বুঝি। মাতব্বর সাহেবের প্রশ্ন।

চাচা আমি কিন্তু  জানি এটা কার মাজার!

কার বাবা কার মাজার!

চাচা এটা মাওলানা শিয়াল শাহ্' মাইছভান্ডারী, র মাজার।  আমি সপ্নে দেখেছি।

এর পরে সেই মাজার জমে উঠলো।

মাজার কমিটি ভোট করলো
৮৬ সালে নির্বাচন  করলো তারপরে
আরো অনেক ভোট করলো।

একবার তারা সংসদে তিন টা আসনও পেলো।
এবার নাকি মাজারের ব্যাবসা ভালো হয়েছে ; ১০০ আসন পাওয়া যাবেই যাবে।

শুধু একটু গ্যাঁট হয়ে বসে থাকতে হবে।।

শুক্রবার, ২২ মে, ২০১৫

ঠাকুর'দাঁ



মানুষ যখন জাতে ওঠে তখন তার নাম ধাম জাত পরিবর্তনের প্রয়োজন পরে ।
নতুন জাতের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য এই নাম পরিবর্তন একটি মৌলিক পিলার ।
যেমন
রহিমা যখন ক্লাবে যায় তখন সে মিস রাহি হয়ে যায় ।
শামসু হয়ে যায় শামস্‌ ।
আদম আলি হয়ে যায় এ্যডাম ।
রুখশানা হয়ে রুক্সি !

রানি যখন হিথ্রো এয়ার পোর্টে ল্যান্ড করবে ; তার বন্ধুরা তাকে ডাকবে কুইন নামে ।
হাজাম ব্যাপারি সিসিলী যাবার টিকেট কাটতে ট্রাভেল এজেন্টের অফিসে যাবার পরে তার নিক বলে হ্যাজী ।
রহমান ভাই যখন অ্যামেরিকা যাবার জন্য লটারির আবেদন করলো সেই দিন থেকেই তিনি নতুন নাম বলার প্র্যক্টিস শুরু করে দিলেন ।
হ্যালো ব্রো আইজ তো হামার ঈড ।
কেন রহমান ভাই কি হলো ?
ব্রো আমি টো আজকে আম্রেরিকার ডীভী করছি ; পীর সাব কইছে ভিসা লাগবোই ।
ভাই একখান কথা বলি মাইন্ড খাইয়েন না ; আমারে আর রহমান রহমান বইলেন না । নাম তো এফিডেফিট করে ফেলেছি ।
রহমান এখন রেহ্‌মান ।।
ময়মনসিং থেকে জুলেখা বেগম যেদিন প্রথম বেইলী রোডে আসলো নাটক দেখতে ; নাটক দেখে খালাতো ভাইয়ের সাথে বাড়ি ফেরার সময় হটাতই খালাতো ভাই তার হাত ধরে বলে উঠলো "লেখা আমি তুমারে ভালাবাসি ।
যেহেতু নাটক ফাটক দেখা হয়েছে অতএব জুলেখা'র থেকে "লেখা" ।
গোপাল গঞ্জে ছিল আরেক জুলেখা ; তার গন্তব্য ছিল ঢাকা থেকে একটু দূরে
C/o শামিম ওসমান
টান বাজার
নারায়ণ গঞ্জ
সেখনে আসার পর ওসমান কশাই আদর করে তার নাম রাখলো জুলি ।জুলেখা থেকে জুলি ।
বড় বাজারের মৎস ব্যাবসায়ি আলাউদ্দিন" যখন লুঙ্গী কাছা মেরে ঢাকা শহরে যেয়ে থিতু হল তার নাম হয়ে গেল আলা চৌধুরী ।
বাঙলার মসনদে বসেছিলেন একবার "মা কালি"
বসার পরের রাতেই তিনি হয়ে গিয়েছিলেন "পুস্প কলি " । একদিন সেই পুস্প কলি'র ছবি ছাপা হলো পত্রিকাতে । তিনি পুস্প বেষ্টিত বাগানে এক অনাথ পিতৃ পরিচয় বিহীন ছেলের সাথে মাতৃ স্নেহে ব্যাডমিন্টন খেলছেন ।
চারি দিকে রব উঠে গেল "বাহারে বাহারে বাহ " !
সুদূর স্বপ্নের দেশ আমেরিকা'র ধোলাই খালে এক ফটকা ব্যাবসায়ির দোকানের নাম ছিল DELL ;
যেই না সে বাংলাদেশের নাম শুনলো ওমনি হয়ে গেল এক ফুর ফুরে পাখির মতো "দোয়েল" ।
এই বাঙলার প্রথম খলিফা একবার যুদ্ধের জন্য এক বিশেষ লাঠিয়াল বাহিনী তৈরি করলেন । তারা ঢাক ঢোল পিটিয়ে , লাল ঘোড়া দাবড়ায়ে খাজনা আদায় করতো । সেই দলের প্রধান ছিলেন যিনি তার নাম তোফায়েল । সেই অবহেলিত তোফায়েলই ২০১৪ সালে এসে জানান দিলেন তিনি আসলেই ছিলেন স্যার টোফায়েল !!
তবে যে শুধু মাইগ্রেসন করলেই বা সময়ের সাথে সাথেই নামধাম জাত পাল্টাতে হয় তা কিন্তু না ।
প্রভু পরিবর্তন হলেও নাম টাইটেল , জাত পাত পরিবর্তন হতেই পারে । এতে দোষের কিচ্ছু নাই ।
১২ আওলিয়া দের দল যখন এই বাঙলার বুকে নামলো তখন অনেকেই বাপ, দাদা , বড়দাদা'র জাতের নিকুচি করে করে অন্য জাতে , অন্য ধর্মে মাইগ্রেসন করেছিলেন ।
ইংলিস'রা যখন কৃষ্ণ নগর , হুগলী তে আসলো অনেকেই সেই সময় নগদ নারায়ণ আর নগদ বানিজ্যের আশাতে যীশু খৃষ্টের পথ খুজে নিয়ে ছিলো ।
এই বাঙলার বিক্রম সিংহ শ্রীলংকা যেয়ে ধারণ করেছিলেন গৌতম বুদ্ধের মতো মৌনোভাব ।
তবে এই ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটিয়ে ছিলেন আমাদের এক ঋষি কবি ; তিনিও লালায়িতো ছিলেন তোফায়েল স্যারের মতো একটা স্যার উপাধির জন্য ।
সেই ঊছিলাতে পাওয়া নাইট উপাধি গ্রহণ করে তিনি বাংগালি জাতির মান বাড়িয়ে দিয়েছিলেন ।
শুনেছি তিনি উপাধি নিলেও উপাধি খচিত উপ টোকন গ্রহন করেন নি ।
তাই তো ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ঋষি কবি ঠাকুর হয়ে গিয়েছিলেন " ট্যেগর" ।।
ট্যাগর আমাদের সাম্প্রদায়িক ঠাকুর'দাঁ ।

সালনাম রুশদী

সালমান রুশদী কে আমরা সবাই চিনি ;
সবাই ঘৃনা করি।
তার একটা দূর্দান্ত মার্কেটিং পলিসি আছে। সেল্ফ ব্যান্ডিং টাইপের।
ধরেন কোন একটা অনুষ্ঠান হবে।
বিশেষ অতিথি হিসাবে দাওয়াত পেয়েছেন রুশদী সাহেব, হিলারি ক্লিনটন, পোপ, জন পল, স্টিফেন হকিন্স বা এই জাতীয় আরো অনেকে।
রুশদী সাহেব যেটা করেন তা হচ্ছে শেষ মুহুর্তে এসে তিনি আর ঐ অনুষ্ঠানে যান না।
বরংচ উনি ঐ একই সময়ে প্রয়োজনে অনেক কম গুরুত্তপুর্ন অনুষ্ঠানে হাজীর হন।
রিডার্স ডাইজেস্ট এর কোন একটা প্রকাশনা থেকে এই তথ্যটা পেয়েছিলাম।
এই বিষয় টা তে রুশদী,র দৃস্টি আকর্সন করা হলে উনি এই গুলী কে Schedule clash বলে চালিয়ে দিতেন।
পরবর্তিতে তার একজন ব্যাক্তিগত স্টাফ প্রকাশ করে দেন হাড়ির খবর।
যে অনুষ্ঠানে উনার মত আরো বিখ্যাত ব্যাক্তি আছেন যে বা যারা উনার সমান বা উনার চেয়ে বেশি ফোকাস আদায় করে নিতে সক্ষম উনি সেই ধরনের অনুষ্ঠানে এ্যাটেইন করে উনার ফেম বা খ্যাতি শেয়ার করতে নারাজ।
তাই
*এই ধরনের অনুষ্ঠানে যোগদানের সিডিউল রেখে তিনি প্রচারের সুযোগ নেন।
*এই ধরনের অনুষ্ঠানে অনুপস্থীত থেকে তিনি তিনি সমালোচনা সহ্য করেও প্রচারের সুযোগ নেন।
* অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে তিনি এমন কোন প্রগরামে পার্টিসিপেট করেন যেখানে তিনিই প্রধান অতিথি ; তিনিই সকল ফোকাসের কেন্দ্রবিন্দু।
আজকে বেগম খালেদা জিয়ার কুমিল্লা প্রোগ্রাম এর সময় আওয়ামীলীগ নেত্রী শেখ হাসিনা,র হবিগঞ্জ প্রগ্রাম দেখে হটাত সাত (৭) বছর আগে পড়া রিডার্স ডাইজেস্ট এর কথা মনে পরে গেলো।
এতটুকু কিন্তু নিশ্চিত করেই বলা যাবে
"সালনাম রুশদী" এর চেয়ে মার্কেট ডাম্পিং এ অনেক পাকা খেলোয়াড় শেখ হাসিনা।
অবশ্য প্রধান মন্ত্রী,র পদ টা আঁচলে ভালো করে বাঁধা না থাকলে গনেশ উল্টাতে কতক্ষন সময় লাগে সেটা দেখার অপেক্ষাতে বাংলাদেশ।

রিয়ালাইজেসন জাগ্রত হোউক

২৪ ডিসেম্বর ২০১৪

অনেকেই দেখছি বুলী কপচাচ্ছেন
"পুলিশ ছাড়া আসুন Rab ছাড়া আসুন"
দু:খিতো আপনি তাহলে বিভ্রান্তি তৈরি কারি।
আপনি এই অবৈধ সরকারের কাছে আবেদন করছেন এই বলে যে
"আস্তে মাইর দে; এত্ত জোরে মারিস না "
আপনি ছাত্রদল কে ভ্রান্ত আত্মতৃপ্তি দেবার চেস্টা করছেন
ছাত্রদলের মগজে আপনি গেঁথে দেবার চেস্টা করছেন যে
"বিরধীদের আন্দালন করতে হলে সরকার কে রাস্তা থেকে পুলিশ তুলে নিতে হবে "
আপনি ক্যান বলছেন না
"যারাই গন নির্যাতক হবে তাকেই প্রতিরোধ করার ক্ষমতা আমাদের আছে এবং আমরা তা করবো"
এরশাদ বিরধী আন্দালনে কি পুলিশ ছিল না?
দুনিয়ার তাবত গনআন্দালনের মূল চ্যালেঞ্জ পুলিশ বাহিনী।
ইতিহাস টা দেখুন না ক্যান?
নির্যাতন নিপীড়ন আর অবিচারে যখন পাছা দিয়ে গ্যাস্টিক ধুয়ার মত বাহির হচ্ছে তখন লিডার নামের আহাম্মকের ঢেকিরা বলছেন
দেখ দেখ বড় রাস্তাই রান্না হচ্ছে, খানা খাদ্য হবে আমাদের বিজয় উতসবে মেজবানি হচ্ছে সেই আগুনের ধোয়া উঠেছে।
আমরা যারা আজকের ঘটনাতে পূলক অনুভব করছি, নিউজফিডের ইন্দ্রজালে যাদের দুই ইঞ্চির লিংগ ছয় ইঞ্চীতে লাম্ফ দিয়েছে তাদের বলি একটু দারান।
আজকে যে নেত্রীকে গ্রেফতারের ক্ষিন সম্ভবনা ছিল, সেই হিসাব মাথাতে রেখে বলেন তো
যা ভাবছেন তা ঠিক ভবছেন তো
নিজের সাথে প্রবঞ্চনা করছেন না তো !
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
বিএনপি জিন্দাবাদ
রিয়ালাইজেসন জাগ্রত হোউক।

Why Zia?

বিধবা বিবাহের বিরুদ্ধদের বিরুদ্ধে কথা বললেন, নিজের ছেলেকে বিধবার সাথে বিয়ে দিলে।


ঈশ্বরচন্দ্র গেঁথে গেলেন মানুষের মনে , সমাজ সংস্কারের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তিনি ।



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলিত নিয়ম ভেঙ্গে ভর্তি হলেন বিপ্লবী লীলা নাগ..
প্রথম ছাত্রী তিনিই.. তিনি প্রশাসন কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং একজন শিক্ষক তাঁর নিজের কোয়ার্টারে তাকে মেস হিসাবে ব্যবহার করতে দেন... এই সূত্র ধরেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কো-এডুকেশন শুরু হয়...



ভারতীয় উপমহাদেশে বৃটিশ বিরোধী আন্দালনের সময় মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধী,র ভেজিটেরিয়ান অহিংস সুবিধাবাদী নীতির বিরোধীতা করে ফুঁসে উঠেন নেতাজী সুভাস চন্দ্র বসু ,ভগত সিং প্রমুখ ।আজ ইতিসাসের ব্যাবচ্ছেদে গান্ধীজী অজস্র সমালোচনার মুখোমুখি হলেও মানুষের হৃদয়ে অবিনশ্বর আসন করে নিয়েছেন সুভাস বোস এবং ভগত সিং ।


জাতপাত ,ধর্মের গণ্ডি ভেঙ্গে মানবতার গান নিয়ে , মানবতার বানী নিয়ে বাংলার ধুলী উঠা প্রান্তরে মানবতার ইশতেহার নিয়ে হাজীর হন লালন সাই ।লালনের এই সংস্কার আজীবন গ্রথিত থাকবে বিশ্ব মানবতার কল্যানে ।


অর্নেস্ট চে গুয়েভা ; সাম্য ভিত্তিক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য ঘর ছেড়েছিলেন , বিপ্লবের ব্লুজ সুরে মন্ত্রিত্ব , ক্ষমতা , প্রতাপকে পায়ে পিষে বেড়িয়ে পরেছিলেন ...


কিংবদন্তী বক্সার মোহাম্মদ আলী ; ভিয়েতনাম যুদ্ধে যেতে অস্বীকার করেন যেহেতু সেই যুদ্ধ ছিল অপ্রয়জনীয় এবং মানবতা বিরোধী । আলীর এই মানবতাবাদী বোধ তাঁর বক্সার পরিচয়ের চেয়েও উজ্জ্বল ।


সমাজের ভ্রান্ত নীতি ভেঙ্গে যারা সমাজের কল্যাণের জন্য নতুন নিয়ম গড়ে তাদেরই তো বলে সমাজ সংস্কারক।

তাহলে জিয়া কেন সংস্কারক নয়?


নজরুল বলেন "
নরককুন্ড বলিয়া কে তোমা’ করে নারী হেয়-জ্ঞান?
তারে বলো, আদি পাপ নারী নহে, সে যে নর-শয়তান।
অথবা পাপ যে-শয়তান যে-নর নহে নারী নহে,
ক্লীব সে, তাই সে নর ও নারীতে সমান মিশিয়া রহে"

নিজের পুরুষ স্বত্বাকে পরোয়া না করেই মানবতার কথা বললেন কাজীদা ...


জিয়াও এই কথায় বিশ্বাস করতেন
কাঠ মোল্লাদের আপত্তি স্বত্তেও পুশিস সহ বিভিন্ন বাহিনীতে নারীর অংশ গ্রহন নিশ্চিত করেন....
পরিবার পরিকল্পনার কথা এই দেশে যেন ভাবাই যেতো না। অথচ জিয়া আগামীর সমস্যা সবাইকে বুঝিয়ে এই দেশে পরিবার পরিকল্পনা প্রকল্প হাতে নেন...


শিশুদের জন্য নতুন কুড়ি আর যুক্তিবাদী প্রজন্মের জন্য উন্মুক্ত বিতর্ক এসব জিয়ার দেখানো পথ...
Bottom less basket , সাহায্যের আশাতে হাভাতের মতো চেয়ে থাকা বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে কার্যকর শ্রম শক্তি গড়ে তোলেন এই জিয়া ।

বাংলাদেশের মুণ্ডু যখন পিন্ডি VS দিল্লীর পারস্পারিক ফুটবল খেলার রাফ ট্যাকেলে রক্তার্ত তখন এই সব অযোগ্য পররাষ্ট্র নীতি থেকে দেশ কে মাথা তুলে দাঁড়াবার পথ দেখিয়েছিলেন এই মুক্তিযোদ্ধা জিয়া ...


এই জিয়াকে মাথায় তুলে নাচবো নাকি উন্নয়নের পথ রুদ্ধ করে নিজের চুরি যাওয়া কম্বলের সন্ধানে রক্ষী বাহিনী নামানো আলাদের সন্ধান করবেন সেটা একান্তই আপনার দেশপ্রেমবোধের ব্যাপার ।
স্বনির্ভর বাংলাদেশ জিন্দাবাদ

মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০১৫

ঢাকা সিটি

আপনারা ঢাকাকে বিশ্বমানের নগরী করতে চান?
Good thinking
তাহলে আসুন ; হয়ে যাক কয়েকটা ইদুর ধরা.....
আচ্ছা আপনি জানেন কি আজ যখন ঢাকাকে বাসযোগ্য বানানোর জন্য আপনারা ভোট দেবার আশাতে অপেক্ষা করছেন ঠিক সেই সময় বসবাস অযোগ্য মহানগরের তালিকাতে ঢাকা প্রথম স্থানটা দখল করে বসে আছে।
দামেস্ক আর গাজা সিটি,র পরেই সবচেয়ে বেশি গুমের স্বিকার হয় এই শহরের বাশিন্দারা।
একটা সময়ে ঢাকা ছিল তিলত্তমা ঢাকা। তারপরে ঢাকা ছিল বিপ্লবের উন্মুক্ত দুয়ার।
সেই ঢাকা বাস অযোগ্য কেমনে হলো এই প্রশ্নের উত্তর খুজছেন কখনও?
ঢাকার বাতাস একসময় কালো ছিলো, বিষাক্ত শিসা ছিল নিশ্বাসের উপকরন।পোড়া মবিলের গন্ধে টিকে থাকা দায় ছিল।
সেই সব দম বন্ধ পরিবেশ থেকে মুক্তি মিলেছিল কিভাবে?
এখন আবার কেন বাতাস বিষ হলো?
এরজন্য দায়ী কারা?
ঢাকাতে প্রথম শব্দ সহনীয়তার মাত্রা নির্ধারন হয়েছিল কবে?
স্কুল হাসপাতাল গুলির সামনে সাউন্ড মিটার বসিয়েছিল কারা?
একটা সময় এই ঢাকার খালি যায়গার মাটিতে প্রতি বর্গ ফুটে শত পলিথিন পাওয়া যাইতো।
বুড়িগঙ্গা আর তুরাগের তলদেশে তৈরি হয়েছিল পলিথিনের পাহার।
ড্রেনেজ সিস্টেম আটকে থাকতো প্লাস্টিক ব্যারিয়ারে।
কে বন্ধ করেছিল সেই নেক্কারজনক প্লাস্টিক কালচার?
ভুমিকম্প প্রবণ এই ঢাকাকে যা আরও ঝুঁকির মাঝে ফেলে দিয়ে ছিলো, এর থেকে মুক্তির পথ কারা দেখিয়ে ছিলো?
ঢাকা শহরে বছর ১৫ আগেও ছিল ইটের ভাটা, কাঠ কয়লা দিয়ে চলতো সেই সব কার্বন খনি।
কে নিষিদ্ধ করেছিল সেই সব আবর্জনা তৈরির কারখানা?
ব্রাদার্স
wait, wait a second..
দীর্ঘ নয় (৯) বছর পরে যাচ্ছেন তো সিটি সরকারের ভোটটা দিতে। যাবার আগে একবার বলেন দেখি আপনাদের ভোটে সিটি মেয়র নির্বাচিত করবার অধিকার প্রথম কে দিয়েছিল আপনাকে?
এই প্রশ্নগুলার উত্তর খুজলেই পেয়ে যাবেন ঢাকার জন্য কোন দলের প্রার্থী যোগ্য
বিবেচনাবোধ টা আপনার। একান্তই আপনার।
নিজের ভালো নাকি পাগলেও বোঝে। অতএব সুস্থ মানুষ হিসাবে আপনার দ্বায়িত্তটা একটু বেশীই।।।