বুধবার, ২৫ জুন, ২০১৪

BNP এবং খালেদা জিয়া

হ্যা অবশ্যই বেগম খালেদা জিয়া অফিসিয়ালি প্রাক্তন প্রধান মন্ত্রী ব্যাতিত অন্য কিছু নন ।

তিনি প্রধান মন্ত্রী নন । বিরধী দলীয় নেত্রীও নন । এমন কি  ৩য় বেঞ্চের সংসদ সদস্যও নন ।

তার দলেও এমন কেও নাই যে বর্তমান সরকারের আমলে সুবিধা জনক বা লাভ জনক কোন সরকারী পদ বহন করছেন ।

উপরন্ত তিনি আইনের মার প্যেচে বন্দী ।নিয়মিত আদালতে হাজীরা দেওয়াই তাঁর বর্তমান নীয়তি ।
তাঁর রাজনৈতিক দলেকে কোন সচল কার্জক্রম চালাতে দেওয়া হয় না , কোন দলীয় মিশন থাকলে তাঁর দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় কে উপকারাগারের মতো মর্যদা নিয়ে পুলিশ র‍্যাব দ্বারা অবরুদ্ধ থাকতে হয় ।।

দলীয় অফিসের দেওয়াল ভেঙে মধ্যরাতে তাঁর সক্রিয় নেতাদের গ্রেফতার করা হয় ।
অপেক্ষাকৃত দূর্বল চিত্তের নেতা দের ভয় ভীতি দেখিয়ে রাজনৈতিক কার্জক্রম থেকে গুটিয়ে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে বা জোড় পূর্বক সরকারী এজেন্টে পরিণত হতে  প্রশাসনিক চাপ দেওয়া হচ্ছে । 

খুব সিম্পল একটা বিষয় লক্ষ করেন কংগ্রেসের মতো বিশাল  রাজনৈতিক দলকে তারা আওয়ামীলীগ প্রভাবিতো করে নিজেদের পকেটে আনতে ব্যাবহার করেছিল দেহ বা সম্পদ  বিক্রয় নীতি , 
দেশে জামাত-ই-ইসলাম যায়া তাদের আদি মিত্র ছিল তাদের বশে আনতে ব্যাবহার করে যাচ্ছে "রক্তের বদলা" টাইপ মুক্তিপণ নীতি , হেফাজতে ইসলাম কে পোষ মানাতে তাঁর  আমদানি করেছে "মদিনা সনদ" স্কুলের পাঠ্য বইয়ের ছবি পরিবর্তন আর টাকার বিনিময় মুল্য , জাতিয় পার্টির ক্ষেত্রে এরশাদের জীবন বাজী আর দলে  ভাঙ্গন খেলা  । এবং এই ক্ষেত্র গুলিতে তারাই বিজয়ীর হাসি হেসেছে ।

অথছ তাঁর  অনুগত্য ক্রয় করতে পারেনি BNP নেতা খালেদা জিয়ার কাছ থেকে । কোন ধরনের উপটোকন বা ব্ল্যাকমেইল তাঁর ক্ষেত্রে বিন্দু মাত্র উপযোগিতা এনে দেই নাই ।

BNP নেত্রী এবং তাঁর দলের উপর যে এত্ত এত্ত অনাচার তাঁর মূল একটাই ।BNP এর দলীয় আনুগত্ত ক্রয়  করেতে না পারা ।


যায় হোক প্রথমে যা বলছিলাম যে  বিএনপি নেত্রী এবং বিএনপি এই মূহুর্তে একমাত্র সরকারী নিবন্ধন ব্যাতিত সকল সরকারী আচারের বাইরে ।

প্রশ্ন হোল তারপরেও ক্যান ভিনদেশী সরকারী ব্যাক্তিরা বেগম জিয়া কে তাদের গুনতির ভেতর ধরছেন ?

ধরছেন কারণ তারা রাজনীতি করেন পর্যাপ্ত Study করে । তারা অতীত ইতিহাস বোঝেন , বোঝেন বর্তমানের গতিবিধি , তারা বোঝেন আন্তরজাতিক স্থিতীশিলতা এবং অন্যের সম্মান বজায় রেখে নিজের সার্থ আদায় , বোঝেন গনতন্ত্র , কূট-তন্ত্র ।

প্রফেশনাল Honesty আর প্রফেশনাল দায়বব্ধতা ।

এখানেই সবচে বেশি এগিয়ে গেছেন বেগম খালেদা জিয়া । বিশ্ব রাজনীতির বিগ ফিস যারা তারা প্রথমেই লক্ষ করেন Personality class আর চিন্তা চেতনা , জ্ঞান আর বোধের একাত্ততা ।

এই জাইগাতেই বেগম জিয়া'র সাথে বিশ্ব প্রেক্ষাপটে তাদের রাজনীতি করার মুল আগ্রহ ।

ঠিক এই জাইগাটাতেই পিছিয়ে পরেছেন আমাদের বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদ ।

তাঁর ইন্ডিয়ার প্রবাসে পরজীবী জীবন ; তাঁর চিন্তা চেতনার জাইগাটাকে খুব সীমাবদ্ধ করে ফেলেছে  ; ভারতের কংগ্রেস আর জ্যতি বসুর কমিউনিস্ট পাটীর ক্ষুদ্র আর স্যাত-স্যেতে করিডোরের স্থুল চিন্তার বাইরে তিনি এখন আর চিন্তা করতে পারছেন না । ঐ সময় তাঁর শেখা রাজনীতির বাইরের রাজনীতির সাথে তাই মাননীয়া প্রধান মন্ত্রী তাল মেলাতে পারছেন না । 

বিশ্ব রাজনীতির মহা-সমুদ্রে সাতার কাটার চেস্টা করেও তিনি সঠিক সঙ্গী পাচ্ছেন না  ; যেহেতু  বিশ্ব রাজনীতি এগিয়ে গিয়েছে তাঁর নিজস্ব গতিতে  আর শেখ হাসিনা এগিয়ে গেছেন সেই আদিম কংগ্রেস আর জ্যোতি বসুর উপনিবেশিক বুদ্ধিতে ।

তবে তাঁর আজকের এই পরিণতির জন্য তিনি শত ভাগ দায়ী নন ।
দায়ী তাঁর দলের অনুসৃত নীতি ; যেখানে মাওলানা ভাসানির মতো নেতা কে বাতিল করে শেখ মুজিবরের মতো মৌলপন্থী নেতাদের নীতি কে  আর্চনা করা হয় ।




বুধবার, ২৮ মে, ২০১৪

জাতীয়তাবাদী

জাতীয়তাবাদ এর আধুনিক দর্শন এবং সার্বিক ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখতে পারবেন 

"কোন ধরণের অভ্যুথান বা সংগ্রামে দেশ আর জাতির আত্ম উপলব্ধি  হয় , অর্থনৈতিক , সামাজিক , সাংস্কৃতিক , রাজনৈতিক ভাবে নিজস্বতার উপলব্ধির মাধ্যমে" ।

জাতীয়তাবাদের মূল চরিত্র হচ্ছে একজন ব্যাক্তি বা এক টি Moto র মাঝে তার আঞ্চলিকতার সমস্ত জনসত্তার মৌলিকতার অনুভুতি কে কেন্দ্রীভুত  করা ; এবং এই কাজ টা সম্ভব হয় তখনই যখন সকল ভাষাভাষী আর ধর্মের মানুষ কে একটা Platform এর নিচে আনা সম্ভব হয় । একটা বট বৃক্ষ জাতীয়তাবাদ তার ছায়া তলে "মানুষ" ।


পেছনের দিকে একটু তাকানো যাক ।

১৮০০ সালের আগে জাতীয়তাবাদ ছিল অন্ধকারের নিচে । তখন দেশ গুলিতে জাতীয়তাবাদের ভিত্তি ছিল ধর্ম যাকে পেছন থেকে আশির্বাদ করতো শাসক শ্রেণীর বংশধারা । তাদের  অধীনের মানুষ জন বাধ্য ছিল শাসকের আনুগত্য মানতে । কার্তার ইচ্ছাই কর্ম ধরনের জীবন ব্যাবস্থা ।

দেশ , জাতি , সমাজ এর গুরুত্তপুর্ন বিষয় এবং ভবিষ্যৎ নির্নায়ক নীতি তাদের অনুশীলন এবং অধিকারের বিষয় ছিল না মোটেও ।


ঐতিহাসিক ভাবে রাষ্ট্রীয় এবং আঞ্চলিক জাতীয়তাবাদ অগ্রসর হয়েছে পর্যায়ক্রমিক ধারা তে । কারিগরিক , সাংস্কৃতিক , সামাজিক , রাজনৈতিক এবং সর্বপোরি অর্থনৈতিক অগ্ররগতির সাথে তাল মিলিয়ে ।এখনে বিশেষ ভাবে নোট থাকা দরকার যে যোগাযোগ ব্যাবস্থার উন্নয়ন মানুষ কে তার কাছে দুরের পারিপার্শিক বিসয়ে সজাগ, সচেতন করেছে ; ফলশ্রুতুতে মানুসের অদম্য আকাঙ্ক্ষা বেড়েছে । 

প্রকারান্তরে এই বোধ টা জাতীয়তাবাদী মেধা আর বোধটাকেই ক্ষুরধার করেছে ।


আরো আছে মাতৃ ভাষা  ; যা কমন শিক্ষা ব্যাবস্থা হিসাবে ধনী আর দরিদ্র দের এক কাতারে  নিয়ে এসেছে ।এই ব্যাবস্থা  দরিদ্র শ্রেণীদের সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদকে জাগিয়ে দিয়ে তাদের জাতীয়তাবাদের মূল অনিভুতির সাথে একত্যা করে দিয়েছে ।

এই সাম্য শিক্ষার ফলেই সকল মানুষ  সমান ভাবে তাদের আদি পুরুষ বিষয়ে জানতে পেরেছে ফলে বঞ্চিত মানুষ একসাথেই শিখেছে যে তাদের সামাজিক অবস্থান যতই ভিন্ন হোক না ক্যান  ;তারা আসলে এক সুত্রেই বাঁধা  ।

এই সকল বোধ গুলিই মানুসের সংগ্রাম সচেতনতা বৃদ্ধি করে এবং সমগ্র জাতির বর্তমান আর ভবিশ্যাত উন্নয়নের  আকাঙ্ক্ষা তে দৃঢ় ও আপসহীন হতে অনুপ্রাণিত করে ।

ইউরোপ যে এত উন্নত হয়েছে ; সেখানে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে তাদের প্রায় একই রকম ভাষা আর গড়ন রয়েছে  যা তাদের উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগী হয়েছিল ।



খুব সাধারণ ভাবেই একটা রাষ্ট্রের জনগণ তাদের নিজেদের জন্য জাতীয়তা বা পরিচয় তৈরি বা নির্ধারন করে । 

তবে এই জাতীয়তা নিরূপণ  রাজনৈতিক চোখ দিয়ে করাটাই উত্তম ।
একটা কান্ড জ্ঞান সম্পন্য শাসক শ্রেণী তাদের নিজশ্যতা বজায় রেখে , সকল মানুষ কে অন্তভুক্ত করা যায় এমন পরিচয় নির্ধারন করে ।

যেখানে কেও অবজ্ঞার স্বীকার হবে না  অর্থাৎ সমনের পথ চলার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা থাকবে না  ; বিপ্লবের ফসলে প্রতি বিপ্লবের বীজ  থাকবে না ।

সার্বিক স্থিতিশীলতা , বিচ্ছিন্যতাবাদি মনোভাব রোধ করে সকল কে নিয়ে একযোগে এগিয়ে যেতে প্রয়োজন সেই কান্ডজ্ঞান বোধ সম্পন্ন জাতীয়তাবাদী সরকার , জাতিয়তাবোধ সম্পন্ন জনগণ এবং একজন এ্যাম্বিসাস রাষ্ট্র প্রধান ।


প্রাচিন Greece আর Rome এর জাতীয়তা তৈরি হয়েছিল নাগরিক এবং অনাগরিক উভয়ের সমন্নয়ে । 
এমন কোন সভ্য রাষ্ট্র দেখা যায় না যারা তাদের নাগরিকদের ভেতরের কোন একটা অংশ কে তাদের জাতীয় পরিচয় থেকে মুছে দিয়ে জাতীয়তা নির্ধারন করে । 




China  তে কিন্তু অনেক ধরনের  গোত্রীয় মানুসের বাস ; তাই সকল কে একসাথে তারা চাইনিজ । 

পৃথিবীর সব দেশের মানুসের অধিকার আমেরিকাতে।তারা আমেরিকান । 

বাঙ্গালি , চাকমা , মুরাং , মগ , রিফুইজী  এদের সকলে মিলে আমরা বাংলাদেশী ।
তাদের মধ্যে আমি বাঙগালি এই পরিচয় শুধুই সাম্প্রদায়িকতা ।


পরিনতো জাতীয়তাবাদের এই যুগেই তাই অভ্যুথ্যান ঘটে যেতে পারে যে কোন অবহেলাতেই যে কোন সময়েই । সেই অভ্যুথ্যানের পুর্ন অধিকার দিয়েছে জাতীয়তাবাদী শিক্ষা ।

তবে নিরবেও ঘটতে পারে কোন কোন অভ্যুথান ।

অভ্যুথান যে ভাবেই ঘটুক না কেন হয় তা ঘটে হয় শাসন যন্ত্রের পরিবর্তনের জন্য অথবা শাসন কৌশল পরিবর্তনের জন্য ।

এই পরিবর্তন ঘটাবার সময় মানুষ থাকে ঐক্যবদ্ধ , ইস্পাতের মতই দৃঢ় ।


প্রচলিত সমাজ ব্যাবস্থা যখন ব্যার্থ হয় ; জনমানুসের সামনে যখন বিকল্প পথ থাকে না ; সে রকম সময়ে যখন পরিমার্জিত  সমাজ সংস্কারের দর্শন উপস্থিত হয় ; মানুসের স্রোত তখন সেই নতুন আশার বিবেকটাকেই গ্রহণ করতে প্রস্তুত হয় , তখন মানুষ হিসাব করে না কত রক্ত ধুলাতে মিসবে । নিজের জীবনটাকেও হাতে করে বিলি-বন্টন করে দিতে প্রস্তুত থাকে মানুষ ; যদি সে জানে আলো আসবেই , পরিবর্তন সু নিশ্চিত ।


উধাহরন চাও ? 
মনে করে দেখ ইরানের কথা অ্যামেরিকার সমর্থন পুস্ট "শাহ্‌" রাজত্য কে কিভাবে নির্বংশ করে সেখানে বিজয় এনেছিল "খোমেনি" দর্শন ।

ক্যামন করে গনতন্ত্রের সূতিকাগার ব্রিটেনে রাজ শাসন কে বিষ বিহীন করে গন মানুসের শাসন শুরু হয়েছিল ! 


আর আমার বাংলাদেশ ! সে কথা না হয় নাই বা বললাম ! 

২৬ সে মার্চের কালুর ঘাটের পরে আবারো এক দুর্যোগে কে আমাকে Light House হয়ে পথ দেখিয়েছিল ; তা ঠিক মনে নেই আমার ! 







শনিবার, ১৭ মে, ২০১৪

BNP এর কাছে প্রশ্ন ?


আওয়ামীলীগের মেরুদন্ড পরাজিত হয়েছে ।

এই মুহুর্তে যোগ্যতার সাথে কিছু পদক্ষেপ নিতে পারলে আওয়ামীলীগ ১০১৫ সালে ক্ষমতাতে থাকার আশা করতে পারবে না ।

সেই ক্ষেত্রে পথ প্রশস্থ বিএনপি 'র জন্য ।

এখন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কর্নধার বিএনপি এর কাছে দলের একজন চোদনা কর্মি হিসাবে কিছু জানার আছে ।
সেই প্রশ্ন গুলীই করছি ।

১।  মইন আহাম্মেদ আর ফকরুদ্দিন কে কোন ধরনের বিচারের আওতাতে আনবে কি না ?

২। তাদের আমলে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে ঘটিত আর্মি কু-কর্মের সঠিক বিচার করবে কি না ?

৩। শেখ মুজীব হত্যা কান্ডের জন্য তোফায়েল আহাম্মেদ কে দোষী প্রমানের জন্য আন্তরিক চেস্টা কি চালাবে ?

৪। হাসানুল হক ইনু কে কাজী আরিফ হত্যা কান্ডের জন্য ফাসি তে ঝুলাতে সাহস পাবে কি ?

৫।ফকরুদ্দিন আহাম্মেদ বিদেশি পাস্পোর্ট ধারি ; সেই ব্যাক্তি র কর্মকান্ড কে বৈধ ঘোষণার মাধ্যমে অবৈধ সরকার কে উৎসাহিত করার অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বৈধ সরকার উতখাতের আইনি অভিযোগ আনবে কি না ?

৬। ইন্ডিয়ার ৭ সিস্টার্সে আবার উলফা কে চাঙ্গা করার সাহস রাখবে কি      না ?

৭। মদিনা সনদ বাস্তবায়নের কথা বলাতে আওয়ামীলীগ এবং হাসিনার      বিরুদ্ধে ইসলাম অবমাননার অভিযোগ আনা হবে কি না ।

৮।ইন্ডিয়ার সাথে করিডোর বাতিল করে অর্থ পুর্ন ট্রানজিট চালু হবে কি      না ।
৯।DGFI এর উর্ধতন জেনারেল দের ফাসির আদেশ দীর্ঘ সুত্রিতার মধ্যে ফেলে রাখবে না কি তাদের সসম্মানে মুক্তি দেবে ?

১০। "আর্মি" দের সামরিক প্রশিক্ষণে পুনরাই শত্রু সিমান্ত হিসাবে         ভারতীয় সিমান্ত কে পুনবিন্যাস করতে পারবে কি ?

১১। যুদ্ধ অপরাধী এবং জামাত শিবির ইস্যুর চির যবনিকাপাত ঘটাতে পারবে কি না ।


১২।দুদক কে স্বাধীন করে সরকারী কর্মকত্তা দের ; রাজনৈতিক অনুমোদন ছাড়াই দুদকের তদন্তের আওতাতে আনবে কিনা ?


১৩।বর্তমানের  এজেন্ট নেতা ও অপদার্থ নেতা যেমন  খোকা , মওদুদ , টুকু দের জেলের ভাত খাওয়াবে কি না ?

১৪।প্রথম আলো বা ৭১ টিভির মতো উগ্র মিডীয়া দের বাতিল করবে কি না ?


১৫। আমাদের মতো বর্তমানে সরকারের সমালোচনাকারি যারা ভবিশ্যতে হয়তো বিএনপি সরকারের জন্য আরো উগ্র সমালোচনা বয়ে আনতে পারি তাদের ব্যাপারে কি মনোভাব দেখাবে ?

১৬।সিমান্তে ১ জন বাংলাদেশী হত্যা করা হলে তীব্র প্রতিবাদের বাইরে পৌরুষ দিপ্ত কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে ?

১৭। অপারেশন ক্লিন হার্টের জন্য ক্ষমা চাইবে কি না এবং এই ধরনের অপারেশন আবারো চালাবে কি না ?



১৮। মন্ত্রী সভা তে কাওকে স্থান দেবার আগে তার প্রফেসনাল এবং রাজনৈতিক অবস্থান কোন পদ্ধতিতে যাচায় করা হবে ?


১৯। মোসাদ্দেক আলি ফালু আর ফারুফ কামাল খান , বা আব্দুল আওয়াল মিন্টু দের কে আবারো লাইম লাইটে আনা হবে কি না ?

২০। " সঙ্গ দোষে লোহা ভাসে" অতএব  প্রধান মন্ত্রী এবং দলীয় প্রধানের ব্যাক্তিগত , রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক  কর্ম ক্ষেত্রে ব্যাক্তিগত সচিব নিয়োগ কোন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে দেওয়া হবে তা কর্মি বাহিনী কে জানাতেই হবে ।
এই পয়েন্ট টা অনেকাংশে সরকারের সাফল্য ব্যার্থতার নির্নায়ক ।




আপাতত আমার মনে এই প্রশ্ন গুলীই আসলো । এমন আরো হাজারো প্রশ্ন আছে নিশ্চয় আপনাদের কাছে যেগুলির Non technical এবং স্পস্ট উত্তর আমাদের ভবিষ্যৎ সরকার কে চরম উতকর্সের দিকে নিয়ে যেতে পারে । বাংলাদেশ কে জিয়ার সেই কর্মঠ বাংলাদেশ বানাতে পারে , ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পরের আশাবাদী জাপান বানাতে পারে , শূন্য থেকে শীর্সে পৌঁছানো মাহাতির মাহমুদের মালয়েশিয়া বানাতে পারে ।

দয়া করে বলে বসবেন না অতীত নিয়ে ত্যানা পেচাবেন না , আমরা ভবিষ্যৎ মুখি দল , ব্লা , ব্লা ব্লা , , ,  অতীত হচ্ছে ফাউন্ডেশনের মত ; সেটা ঠিক না থাকলে স্থাপনা ভেঙ্গে না পরলেও টেকশই হবে না ।








রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৪

Buffalo soldier

Buffalo soldier, dreadlock rasta: 
There was a buffalo soldier in the heart of america, 
Stolen from africa, brought to america, 
Fighting on arrival, fighting for survival. 

I mean it, when I analyze the stench - 
To me it makes a lot of sense: 
How the dreadlock rasta was the buffalo soldier, 
And he was taken from africa, brought to america, 
Fighting on arrival, fighting for survival. 

Said he was a buffalo soldier, dreadlock rasta - 
Buffalo soldier in the heart of america. 

If you know your history, 
Then you would know where you coming from, 
Then you wouldn't have to ask me, 
Who the 'eck do I think I am. 

I'm just a buffalo soldier in the heart of america, 
Stolen from africa, brought to america, 
Said he was fighting on arrival, fighting for survival; 
Said he was a buffalo soldier win the war for america. 

Dreadie, 
woy yoy yoy, woy yoy-yoy yoy, 
Woy yoy 
Buffalo soldier troddin' through the land
Said he wanna ran, then you wanna hand 
Troddin' through the land

Said he was a buffalo soldier win the war for America
Buffalo soldier, dreadlock rasta 
Fighting on arrival, fighting for survival; 
Driven from the mainland to the heart of the caribbean. 

Troddin' through san juan in the arms of america; 
Troddin' through jamaica, a buffalo soldier 
Fighting on arrival, fighting for survival: 
Buffalo soldier, dreadlock rasta. 

Woy yoy yoy
Woy yoy-yoy yoy, 

নজরুলের গান 'স


সুরে ও বাণীর মালা দিয়ে 
তুমি আমারে ছুঁইয়াছিলে।
অনুরাগ-কুমকুম দিলে দেহে মনে
বুকে প্রেম কেন নাহি দিলে?
বাঁশি বাজাইয়া লুকায়ে তুমি কোথায়?
যে ফুল ফুটালে সে ফুল শুকায়ে যায়
কি যেন হারায়ে প্রাণ করে হায় হায়
কি যে চেয়েছিলে কেন কেড়ে নাহি নিলে।
জড়ায়ে ধরিয়া কেন ফিরে গেলে
বল কোন অভিমানে?
কেন জাগে নাকো আর সে 
মাধুরী রস আনন্দ প্রাণে?
তোমারে না বুঝে বুঝেছিনু আমি ভুল
এসেছিলে তুমি ফোটাতে প্রেম-মুকুল
কেন আঘাত হানিয়া প্রিয়তম 
সেই ভুল নাহি ভাঙাইলে?           


চাঁদ হেরিছে চাঁদমুখ তার সরসীর আরশিতে
ছোটে তরঙ্গ বাসনা ভঙ্গ সে অঙ্গ পরশিতে।

হেরিছে রজনী রজনী জাগিয়া
চকোর উতলা চাঁদের লাগিয়া
কাঁহা পিউ কাঁহা ডাকিছে পাপিয়া
কুমুদীরে কাঁদাইতে।

না জানি সজনী কত সে রজনী
কেঁদেছে চকোরী পাপিয়া
হেরেছে শশীরে সরসী মুকুরে
ভীরু ছায়া তরু কাঁপিয়া।

কেঁদেছে আকাশে চাঁদের ঘরণী
চিরবিরহিণী রোহিণী ভরণী
অবশ আকাশ বিবশা ধরণী

কাঁদানীয়া চাঁদিনীতে।।

কেন আনো ফুলডোর আজি বিদায় বেলা
মোছ মোছ আঁখিলোর যদি ভাঙ্গিল মেলা।
কেন মেঘের স্বপন আনো মরুর চোখে
ভুলে দিয়ো না কুসুম, যারে দিয়েছো হেলা।
যবে শুকালো কানন এলে বিধুর পাখি
লয়ে কাঁটা ভরা প্রাণ, এ কি নিঠুর খেলা।
যদি আকাশকুসুম পেলি চকিতে কবি
চল চল মুসাফির ডাকে পারের ভেলা।
আছে বাহুর বাঁধন তব শয়ন সাথী
আমি এসেছি একা, আমি চলি একেলা।।  


লায়লী তোমার এসেছে ফিরিয়া মজনুঁ গো আঁখি খোলো।
প্রিয়তম! এতদিনে বিরহের নিশি বুঝি ভোর হলো।।
মজনুঁ! তোমার কাঁদন শুনিয়া মরু–নদী পর্বতে
বন্দিনী আজ ভেঙেছে পিঞ্জর বাহির হয়েছে পথে।
আজি দখিনা বাতাস বহে অনুকূল,

ফুটেছে গোলাপ নার্গিস ফুল,
ওগো বুলবুল, ফুটন্ত সেই গুলবাগিচায় দোলো।।
বনের হরিণ–হরিণী কাঁদিয়া পথ দেখায়েছে মোরে,
হুরী ও পরীরা ঝুরিয়া ঝুরিয়া চাঁদের প্রদীপ ধ’রে।

আমার নয়নে নয়ন রাখিয়া
কি বলিতে চাও, হে পরান–পিয়া!
নাম ধ’রে ডাকো ডাকো মোরে স্বামী

ভোলো অভিমান ভোলো।।



আশা
হয়তো তোমার পাবো দেখা,
যেখানে ঐ নত আকাশ চুমছে বনের সবুজ রেখা।
ঐ সুদূরের গাঁয়ের মাঠে
আলের পথে বিজন ঘাটে
হয়তো এসে মুচকি হেসে
ধরবে আমার হাতটি একা।

ঐ নীলের ঐ গহন-পারে ঘোম্‌টা-হারা তোমার চাওয়া
আনলে খবর গোপন দূতী দিক্‌পারের ঐ দখিন হাওয়া।

বনের ফাঁকে দুষ্টু তুমি
আস্তে যাবে নয়্ন চুমি
সেই সে কথা লিখছে হোথা
দিগন্তের অরুণ-লেখা।।



তব গানের ভাষায় সুরে বুঝেছি বুঝেছি বুঝেছি
এত দিনে পেয়েছি তারে আমি যারে খুঁজেছি।।
ছিল পাষাণ হয়ে গভীর অভিমান
সহসা, এলো সহসা আনন্দ-অশ্রুর বান।
বিরহ-সুন্দর হয়ে সেই এলো
দেবতা বলে যাঁরে পুজেছি
বুঝেছি বুঝেছি বুঝেছি।।
তোমার দেওয়া বিদায়ের মালা পুন প্রাণ পেল প্রিয়
হ’য়ে শুভদৃষ্টি মিলন-মালিকা বুকে ফিরে এলো – এলো প্রিয়।
যাহারে নিষ্ঠুর বলেছি
নিশীথে গোপনে কেঁদেছি
নয়নের বারি হাসি দিয়ে মুছেছি
বুঝেছি বুঝেছি বুঝেছি।।



আজো বলে কোয়েলিয়া
চাঁপাবনে প্রিয় তোমারি নাম গাহিয়া ।।
তব স্মৃতি ভোলেনি চৈতালি সমীরণ,
আজো দিকে দিকে খুঁজে ফেরে কাঁদিয়া ।।
নিশীথের চাঁদ আজো জাগে
ওগো চাঁদ, তব অনুরাগে ।
জল ধারা উথলে যমুনার সৈকতে
খোঁজে তরুলতা ফুল আঁখি মেলিয়া ।।



না মিটিতে সাধ মোর নিশী পোহায়
গভীর আঁধার ছেয়ে আজো হিয়ায়
আমার নয়ন ভরে এখও শিশির ঝরে
এখনও বাহুর পরে বধু ঘুমায়
এখনও কবরী মূলে কুসুম পড়েনি ঢুলে
এখনও পড়েনি খুলে মালা খোঁপায়
নিভায়ে আমার বাতি পোহালো সবার রাতি
নিশী জেগে মালা গাথি প্রাতে শুকায়

\
মেঘলা নিশি ভোরে মন যে কেমন করে
তারি তরে গো মেঘ-বরণ যার কেশ।
বুঝি তাহারি লাগি’ হয়েছে বৈরাগী
গেরুয়া রাঙা গিরিমাটির দেশ।।
মৌরি ফুলের ক্ষেতে, মৌমাছি ওঠে মেতে
এলিয়েছিল কেশ কি গো তার এই পথে সে যেতে।
তার ডাগর চোখের ঝিলিক লেগে রাত হয়েছে শেষ (গো)।।
শিরিষ পাতায় ঝিরিঝিরি, বাজে নূপুর তারি
সোনাল ডালে দোলে তাহার কামরাঙা রঙ শাড়ি।
হয়েছি মন-ভিখারি কোন্‌ শিকারি আমি
উঠি পাহাড় চূড়ায়, ঝর্না জলে নামি
কালো পাথর দেখে জাগে কার চোখের আবেশ গো।।



মধুকর মঞ্জীর বাজে বাজে গুন্‌ গুন্‌ মঞ্জুল গুঞ্জরণে
মৃদুল দোদুল নৃত্যে বন শবরী মাতে কুঞ্জবনে।
বাজায়ছে সমীর দখিনা
পল্লবে মর্মর বীণা
বনভুমি ধ্যান-আসীনা
সাজিল রাঙা কিশলয় বসনে।
ধূলি-ধূসর প্রান্তর পরেছিল গৈরিক সন্ন্যাসী সাজ
নব দূর্বাদল শ্যাম হলো আনন্দে আজ।
লতিকা বিতানে ওঠে ডাকি
মুহু মুহু ঘুমহারা পাখি
নব নীল অঞ্জন মাখি
উদাসী আকাশ হাসে চাঁদের সনে।।

চাঁদের কন্যা চাঁদ সুলতানা, চাঁদের চেয়েও জ্যোতি |
তুমি দেখাইলে মহিমান্বিতা নারী কি শক্তিমতী ||
শিখালে কাঁকন চুড়ি পরিয়াও নারী,
ধরিতে পারে যে উদ্ধত তরবারি,
না রহিত অবরোধের দুর্গ, হতো না এ দুর্গতি ||
তুমি দেখালে নারীর শক্তি স্বরূপ — চিন্ময়ী কল্যাণী,
ভারত জয়ীর দর্প নাশিয়া মুছালে নারীর গ্লানি |
তুমি গোলকুন্ডার কোহিনূর হীরা সম,
আজো ইতিহাসে জ্বলিতেছ নিরুপম ;
রণরঙ্গিণী ফিরে এস,
তুমি ফিরিয়া আসিলে ফিরিয়া আসিবে লক্ষ্ণী ও সরস্বতী ||

http://banglasonglyrics.com/11004/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8/





রুম্ ঝুম্ ঝুম্ ঝুম্ রুম্ ঝুম্ ঝুম্
খেজুর পাতার নূপুর বাজায়ে কে যায়।
ওড়না তাহার ঘূর্ণি হাওয়ায় দোলে
কুসুম ছড়ায় পথের বালুকায়।।
তার ভুরুর ধনুক বেঁকে ওঠে তনুর তলোয়ার,
সে যেতে যেতে ছড়ায় পথে পাথর-কুচির হার।
তার ডালিম ফুলের ডালি গোলাপ-গালের লালি
ঈদের-চাঁদ ও চায়।।
আরবি ঘোড়ায় সওয়ার হয়ে, বাদ্‌শাজাদা বুঝি
সাহারাতে ফেরে সেই মরীচিকা খুঁজি
কত তরুণ মুসাফির পথ হারালো, হায়!
কত বনের হরিণ মরে তারি-রূপ তৃষায়।।

মনে পড়ে আজ সে কোন্‌ জনমে
বিদায় সন্ধ্যাবেলা-
আমি দাঁড়ায়ে রহিনু এপারে
তুমি ওপারে ভাসালে ভেলা।।
সেই সে বিদায় ক্ষণে
শপথ করিলে বন্ধু আমার
রাখিবে আমারে মনে,
ফিরিয়া আসিবে খেলিবে আবার
সেই পুরাতন খেলা।।
আজো আসিলে না হায়,
মোর অশ্রুর লিপি বনের বিহগী
দিকে দিকে লয়ে যায়,
তোমায়ে খুঁজে না পায়।
মোর গানের পাপিয়া ঝুরে
গহন কাননে তব নাম লয়ে
আজো পিয়া পিয়া সুরে;
গান থেমে যায়, হায় ফিরে আসে পাখী
বুকে বিঁধে অবহেলা।।
                 জানি জানি প্রিয়
এ জীবনে মিটিবে না সাধ
সা–ধ এ জীবনে মিটিবে না সাধ ।।
আমি জলের কুমুদিনী ঝরিব জলে
তুমি দূর গগনে থাকি কাঁদিবে চাঁদ
এ জীবনে মিটিবে না সাধ
সা–ধ এ জীবনে মিটিবে না সাধ ।।
আমাদের মাঝে বধু বিরহ বাতাস
চিরদিন খেলে যাবে নীরব শ্বাস ।।
পাইনা বুকে মোরা পাইনা বুকে
তবু মুখে মুখে চাঁদ কুমুদীর নামে রটে অপবাদ
এ জীবনে মিটিবে না সাধ
সা–ধ এ জীবনে মিটিবে না সাধ ।।
তুমি কতদূরে বধু
তবু বুকে এত মধু কেন উতলায় ।।
হাতের কাছে রহ প্রাতের চাঁদ
ধরা নাহি যায়
তবু ছোয়া নাহি যায়
মরু তৃষা লয়ে কাঁদে শূন্য হিয়া
তবু সকলে বলে আমি তোমারই প্রিয়া
বলে তোমারই প্রিয়া ।।
সেই কলংক গৌরব সৌরভ দিল গো ।।
মধুর হলো তাই বিরহ বিষাদ
এ জীবনে মিটিবে না সাধ ।।
সা–ধ এ জীবনে মিটিবে না সাধ
জানি জানি প্রিয়
এ জীবনে মিটিবে না সাধ ।।
সা–ধ এ জীবনে মিটিবে না সাধ

মোর ঘুম ঘোরে এলে মনোহর
নম নম নম নম নম নম
শ্রাবণ মেঘে নাচে নটবর
রম ঝম ঢম ঢম ডম ঢম

শিয়রে বসে চুপি চুপি চুমিলে নয়ন
মোর বিকশিল আবেশে তনু
নিপসম নিরুপম মনোরম
মোর ঘুম ঘোরে

মোর ফুলবনে ছিল যত ফুল
ভরি ডালি দিনু ঢালি দেবতা মোর
হায় নিলে না সে ফুল
ছি ছি বে ভুল
নিলে তুলে খোঁপা খুলে কুসুম ডোর
স্বপনে কিযে কয়েছি তাই
গিয়াছ চলে
জাগিয়া কেঁদে ডাকি দেবতায়
প্রিয়তম প্রিয়তম প্রিয়তম ।


আধো আধো বোল লাজে বাধো বাধো বোল
বলো কানে কানে
যে কথাটি আধো রাতে মনে লাগায় দোল
বলো কানে কানে
যে কথার কলি সখি আজো ফুটিল না
সরমে মরম পাতে দুলে আনমনা
যে কথাটি ঢেকে রাখে বুকের আঁচল ।।
বলো কানে কানে
আধো আধো বোল লাজে বাধো বাধো বোল
বলো কানে কানে
আধো আধো বোল
যে কথা লুকানো থাকে লাজ নত চোখে
না বলিতে যে কথাটি জানাজানি লোকে
যে কথাটি ধরে রাখে অধরের কোল ।।
বলো কানে কানে
আধো আধো বোল লাজে বাধো বাধো বোল
বলো কানে কানে
আধো আধো বোল
যে কথা কহিতে চাহ বেশ ভুষার ছলে
যে কথা প্রকাশ তব দেহে পলে পলে
যে কথাটি বলিতে সই গালে পড়ে টোল
বলো কানে কানে
আধো আধো বোল লাজে বাধো বাধো বোল
বলো কানে কান
আধো আধো বোল
ফুলের জলসায় নীরব কেন কবি
ভোরের হাওয়ায় কান্না পাওয়ায় তব ম্লান ছবি
নীরব কেন কবি।।
যে বীণা তোমার পায়ের কাছে
বুক ভরা সুর লয়ে জাগিয়া আছে
তোমার পরশে ছড়াক হরষে
আকাশে বাতাসে তার সুরের সুরভি
নীরব কেন কবি।।
তোমার যে প্রিয়া
গেল বিদায় নিয়া
অভিমানে রাতে
গোলাপ হয়ে ফুটুক তাহারই কামনা
উদাস প্রাতে
ফিরে যে আসবে না ভুলো তাহারে
চাহ তাহার পানে দাঁড়ায় যে দ্বারে
অস্ত চাঁদের বাসনা ভুলাতে
অরুণ অনুরাগে উদলি রবি
নীরব কেন কবি।।

খেলিছে জলদেবী সুনীল সাগর জলে
তরঙ্গ লহর তোলে লীলায়িত কুন্তলে।।
জল ছল ঊর্মী নূপুর শ্রোতনীরে বাজে সুমধুর
জল চঞ্চল ছল কাঁকন কেউর
ঝিনুকের মেখলা কটিতে দোলে।।
আনমনে খেলে চলে বালিকা
খুলে পড়ে মুকুতা মালিকা
হরষিত পারাবারে ঊর্মী জাগে
লাজে চাঁদ লুকালো গগন তলে।।
                                            নহে নহে প্রিয় এ নয় আখিঁজল।
মলিন হয়েছে ঘুমে চোখের কাজল।।
হেরিয়া নিশি প্রভাতে শিশির কোমল পাতে।
ভাগ্য বুঝি বেদনাতে কেঁদেছে কমল।।
মরুতে চরণ খেলে কেন বল মৃগ এলে।
সলিল চাহিতে প্রেমে মরীচিকা ছায়।।
এ শুধু শীতের মেঘে ক ফুটো কুয়াশা লেগে।
ছলনা উঠেছে জেগে এ নহে বাধন।।



D জাস্টার মেনেজনেন্ট

ডি                                                                                                  জাস্টার মেনেজনেন্ট নামে একটা ধারণা আছে ম্যানেজমেন্টে ।

কোন প্রতিষ্ঠান যখন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পরে ; চলমান সাধারণ ব্যবস্থাপনা সেই সময় কার্যকর ভুমিকা নিতে ব্যর্থ হতে পারে ।

বা 
চলমান ব্যবস্থাপনা যদি রুটিন কাজ করতে কোন কারণে ব্যর্থ হয়ে  যদি  প্রতিষ্ঠান কে বিপদের ভেতর ফেলার উপক্রম করে ; এই সকল ক্ষেত্রেই ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট  ডিজাস্টার্ড সময়ে বা ডীজাস্টার্ড হবার স্মভবনার সময়ে দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেই ।


এর ক্ষেত্র  প্রতিষ্ঠান হতে পারে , এন জিও  হতে পারে , শিল্প বা কারখানা হতে পারে , সামাজিক সংগঠন হতে পারে , রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান অথবা স্যং রাজনীতিও হতে পারে ।
এমন কি ব্যক্তি জীবনের প্রবাহ এর আওতাতে পরতে পারে ।


তাজা উধাহরন দেই আমাদের ক্রিকেট টিম ইদানিং হেজার্ডাস অবস্থা তে আছে । কোন প্লেনিং কাজ করছে না । এর মুল ব্যর্থতা এসে পরে তাদের ম্যানেজমেন্টের উপর ।



আমরা জানি রাজনৈতিক কারনে ক্রিকেট বোর্ড ঠিক নিজের মত করে কথা বলতে পারছে না ; যার প্রভাবে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে এবং এই অস্থিরতা তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণাধীন সব জায়গাতেই ছড়িয়ে যাচ্ছে ।
বোর্ডের কর্তা রা মানছেন আমাদের ২য় স্তরে নেমে যাওয়া উচিৎ ; এই ধারনাটা নিঃসন্দেহে দলের মানসিকতা তে প্রভাব ফেলছে । একই সাথে যখন খেলোয়াড় দের ব্রিফ করা হচ্ছে পাকিস্থানের সাথে জিততেই হবে ; সেটাও আরো এই ভয়ানক চাপ তৈরি করছে


So তাদের প্রডাক্ট এবং প্রডাকশন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে । খেলা এবং খেলোয়ার এ ক্ষেত্রে তাদের প্রডাক্ট আর প্রডাকশন ।।

এখন পাপন সাহেব এবং  সহকারী দের যদি সরিয়ে দেওয়া হয় সেক্ষেত্রে ঐ অহেতুক চাপ গুলিকে যে সরকার সমর্থন করছে না তা খেলোয়াড় দের মাথাতে ঢুকে যাবে ; খেলয়ার রা সেক্ষেত্রে নিউট্রাল মানসিকতা তে চলে আসবে ; যা তাদের ন্যাচারাল খেলাতে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে ।।

৭১ এ আসুন ।।
দেশ উত্তাল । কোন কিছুর উপর নিয়ন্ত্রণ নায় পাকিস্থানিদের । দেশ চলছে শেখ মুজিবের কথা মত। বাঙ্গালি বিশ্বাস করেছে মুজিব কে । 
এই পরিস্থিতিতে সবচে বিপদে পাকিস্থান সরকার ।। 
পাকিস্থান সরকার তখন চালাচ্ছে সামরিক বাহিনী । কিন্তু তাদের প্র্যয়জন হলো  ভুট্ট কে । শেখ সাহেবের সাথে আপস রফা তে ভুট্ট একজন ফেক্ট । 
ভুট্ট এবং ইয়াহিয়া মানতে চাই না মুজিব কে ; কিন্তু মুজিবকে না মেনে উপায় নায় ।তাই নাটুকে আলোচনা চলল মুজিবের সাথে ।। 

শ্যাম রাখি না কূল রাখি  পরিস্থিতি পাকিস্থানিদের একাধারে মুজিবের। 
এই সময় ক্রাইসিস মযনেজমেন্টের  প্র্যয়জন । পাকিস্থানিরা এই ক্রাইসিস কে ভুল ভাবে পড়লো । They completely failed to read Bangali phycology .

তারা সামনে আনলো সামরিক শক্তি কে । ফলাফল যা হবার তাই হলো ।।

পাকিস্থানি অপারেশনে প্রথমেই দিক ভ্রান্ত হলেন সয় ং  শেখ মুজিব , তিনি ঘাবড়ে গেলেন । 
"চাচা আপন প্রাণ বাচা "  স্বাধীনতা পুর্ব বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচে কাপুরুষচিত  ২ টা কাজ তিনি পরপর  করলেন ।

১। তাজউদ্দীনের আহ্বানের পরেও তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন না ।।
২। পাকিস্থানের বিভক্তি চান না এটা প্রমানে তিনি  স্বেচ্ছা কারা বরন করলেন ।।  

পরিস্থিতি ঘুরে গেল বাঙ্গালীদের বিপক্ষে ।।
বাঙ্গালীদের জন্য তখন ক্রাইসিস টাইম ।।

এই সময় সময়ের প্র্যয়জনেই সামনে চলে আসলো মেজর জিয়া ; পাকিস্থান সেনা বাহিনীর অন্যতম চৌকস অফিসার ।
মেজর জিয়া বুঝতে পারলো সময়ের প্র্যজন এবং পড়তে পারলো বাঙ্গালীদের মনের ভাষা ।।
 সে দখন করে নিল কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র ।
 ঘোষণা দিয়ে দিলেন স্বাধীনতার ঘোষণা ড্রাফট করে ।।
আসলে ইতিহাস সাহসীদের পক্ষে যেমন থাকে তেমনি ভাবেই পক্ষে থাকে তাদের যারা সময়ের দবি পূরণ করতে পারে ।।



এর পরে এক লাফে চলে যায় ৭৫ এ । 
আবারো জয়গান  সেই ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের ।

ফারুক , ডালিম রা মেরে দিল মুজিব কে ।। এক্কেবারে সমূলে বিনাস ।।
জনপ্রিয়তার হিমালয় থেকে তত দিনে তিনি মহা সাগরের ভুগর্ভে ।। আশ্চর্য হতে হয় একটা মানুষ এর জন্য অশ্রুপাত করলো না ।  যারা হিউম্যান সাইকোলজি আর রাজনীতি নিয়ে ভাবেন তারা বলে

"দুঃখজনক কিন্তু অবসম্ভাব্য  হত্যা কান্ড "  
 দ্যাখা গেল মুজিবের সবচে কাছের আওয়ামীলীগের লোকরাই  মুজিবের সাথে ছিল না । মুজিবের মন্ত্রী সভার প্রায় ৭০% যোগ দিল এন্টি মুজিব সরকারের সাথে ।।

এই সরকার টিকলো না । 



শনিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৪

আহা জীবন





ইদানীংকাল শরীর টা ঠিক পোষ মানেনা। এত্ত তারাতারি তার বিকল হবার কথা না, 
তবুও হচ্ছে।

সেই ২০ বছর যখন জীবনের পারাপার শুরু হয়েছে তখনি প্রথম শুরু।।

লাইট'স অন, লাইটস অফ, ক্যামেরা রেডি, উহু না হচ্ছে না, এক্সপ্রেসন নাই কেন, ব্রাদার ফ্রেম টা জমেছে না, 
রাত জাগার পেষা, রাত জাগাই নেশা।

আজ ব্লাক ডগ না কি গ্রিন ফিল্ড?
সে এক রাজসিক অনুভব।

নেসার বিপরীত বিহারকারী হয়েছি কখনো কখনো । 

কখনোবা সেই নেশাই ভালোবেসেছে আমায়। দমে দমে, শুদ্ধ হবার বাসনা গাঞ্জার কল্কি হাতে।রাতের পরে রাত, রাত পেরিয়ে োড়। 

বিলাসী পুলকসঞ্চারিত হয়েছে ফেন্সিডাইলের মিস্টি সুধায়। সে এক অপার ভাবাবেগ।
ঝিম ঝিম কম্পনে বসে বসে তারা গোনাও যে এত মত্ত করেছে সে বলার না ।লিখে বোঝাবার সাধ্যি আমার নাই।
 
রাত জাগা দুটি চোখে কাক ডাকা ভোর।
তবুও এ মন চাইযে মোর!!

হায়রে তারুণ্য ;
কি হেলায় হারিয়েছি তোমাকে!! 

সে এক অখন্ড পৌরাণিক মহা-ভারতের পাঠ। 
যেন আমিই "ওয়ার এন্ড পিস এর চারশত বছরের ইতিহাস। আমিই সেখানে আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেট আমিই মহাকবি কালিদাস, আমি পথের ধারে পায়ে পেষা রঙ্গন।










র্তমানে চলে আসি। 
মাঝে মাঝে বর্তমান এমন শক্তিশালি ; বেমালুম সব ভুলিয়ে দেয়, সকল অতীত স্মৃতি!! 

দের বছর প্রায় পার হতে চললো ; কারখানা বন্ধ। 
এই সময়ে যা ধকল গেছে তাতে এই কারখানা কে জীবণ দেওয়া আমার পকেটের পক্ষে সম্ভবপর না। 

আমি শ্রম দিতে পারি, মেধা দিতে পারি, ভোররাত থেকে হাজিরা দিতে পারি, শিপমেন্টের খাতিরে রাতের পর রাত প্রডাকশন ফ্লোরে কাটাতে পারি অতীতের মত, মাসের অর্ধেককাল বিদেশ বিভূঁই কাটাতে পারি কাজ সংগ্রহের ধান্দাতে কিন্তু গ্যেটের পয়সাকড়ি খরচ করার মত পয়সাওয়ালা আমি না। 

এই সময়ে ১পয়সা রোজগার করি নাই, সংসার চলে কিভাবে আমার বউ শুধু জানে ; আমি নিজেই জানি না। ছোট্ট দের বছরের বাচ্চাটার টিকার পয়সা পর্যন্ত আমি দিতে পারি না।

ঘড় ছেরে কোথাও যাই না ; যাব কি করে সেই সংগতি এই মুহুর্তে নাই।

আথছ খুব বেশি আগের কথা না যখনকার পরিস্থিতি ছিল উল্টা। 

ইচ্ছা হলেই রেস্টুরেন্টে তখনো যেতে পারতাম না কারন কাজের চাপে বাড়ি ফিরতে বাজতো ১২ টা।

উতসবের দিন গুলিতে সে গোমড়া মুখেই থাকতো কারন আমাকে উতসব করতে হতো ফ্যাকট্রির শ্রমিক ছেলে মেয়েদের সাথে।

সত্য কথা বলতে কি কারখানা আর কারখানার ছেলে মেয়ে গুলি হয়ে উঠেছিল জীবণের অংশ। 

কত্ত শ্রমিকের বস্তিবাড়ি তে যে দাওয়াত খেয়েছি ইয়ত্যা নেই।।
হায়রে সেই দিন। বড্ড আনন্দের সেই দিন, কত্ত মায়াময় সেই সব দিন !