রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৪

D জাস্টার মেনেজনেন্ট

ডি                                                                                                  জাস্টার মেনেজনেন্ট নামে একটা ধারণা আছে ম্যানেজমেন্টে ।

কোন প্রতিষ্ঠান যখন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পরে ; চলমান সাধারণ ব্যবস্থাপনা সেই সময় কার্যকর ভুমিকা নিতে ব্যর্থ হতে পারে ।

বা 
চলমান ব্যবস্থাপনা যদি রুটিন কাজ করতে কোন কারণে ব্যর্থ হয়ে  যদি  প্রতিষ্ঠান কে বিপদের ভেতর ফেলার উপক্রম করে ; এই সকল ক্ষেত্রেই ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট  ডিজাস্টার্ড সময়ে বা ডীজাস্টার্ড হবার স্মভবনার সময়ে দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেই ।


এর ক্ষেত্র  প্রতিষ্ঠান হতে পারে , এন জিও  হতে পারে , শিল্প বা কারখানা হতে পারে , সামাজিক সংগঠন হতে পারে , রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান অথবা স্যং রাজনীতিও হতে পারে ।
এমন কি ব্যক্তি জীবনের প্রবাহ এর আওতাতে পরতে পারে ।


তাজা উধাহরন দেই আমাদের ক্রিকেট টিম ইদানিং হেজার্ডাস অবস্থা তে আছে । কোন প্লেনিং কাজ করছে না । এর মুল ব্যর্থতা এসে পরে তাদের ম্যানেজমেন্টের উপর ।



আমরা জানি রাজনৈতিক কারনে ক্রিকেট বোর্ড ঠিক নিজের মত করে কথা বলতে পারছে না ; যার প্রভাবে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে এবং এই অস্থিরতা তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণাধীন সব জায়গাতেই ছড়িয়ে যাচ্ছে ।
বোর্ডের কর্তা রা মানছেন আমাদের ২য় স্তরে নেমে যাওয়া উচিৎ ; এই ধারনাটা নিঃসন্দেহে দলের মানসিকতা তে প্রভাব ফেলছে । একই সাথে যখন খেলোয়াড় দের ব্রিফ করা হচ্ছে পাকিস্থানের সাথে জিততেই হবে ; সেটাও আরো এই ভয়ানক চাপ তৈরি করছে


So তাদের প্রডাক্ট এবং প্রডাকশন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে । খেলা এবং খেলোয়ার এ ক্ষেত্রে তাদের প্রডাক্ট আর প্রডাকশন ।।

এখন পাপন সাহেব এবং  সহকারী দের যদি সরিয়ে দেওয়া হয় সেক্ষেত্রে ঐ অহেতুক চাপ গুলিকে যে সরকার সমর্থন করছে না তা খেলোয়াড় দের মাথাতে ঢুকে যাবে ; খেলয়ার রা সেক্ষেত্রে নিউট্রাল মানসিকতা তে চলে আসবে ; যা তাদের ন্যাচারাল খেলাতে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে ।।

৭১ এ আসুন ।।
দেশ উত্তাল । কোন কিছুর উপর নিয়ন্ত্রণ নায় পাকিস্থানিদের । দেশ চলছে শেখ মুজিবের কথা মত। বাঙ্গালি বিশ্বাস করেছে মুজিব কে । 
এই পরিস্থিতিতে সবচে বিপদে পাকিস্থান সরকার ।। 
পাকিস্থান সরকার তখন চালাচ্ছে সামরিক বাহিনী । কিন্তু তাদের প্র্যয়জন হলো  ভুট্ট কে । শেখ সাহেবের সাথে আপস রফা তে ভুট্ট একজন ফেক্ট । 
ভুট্ট এবং ইয়াহিয়া মানতে চাই না মুজিব কে ; কিন্তু মুজিবকে না মেনে উপায় নায় ।তাই নাটুকে আলোচনা চলল মুজিবের সাথে ।। 

শ্যাম রাখি না কূল রাখি  পরিস্থিতি পাকিস্থানিদের একাধারে মুজিবের। 
এই সময় ক্রাইসিস মযনেজমেন্টের  প্র্যয়জন । পাকিস্থানিরা এই ক্রাইসিস কে ভুল ভাবে পড়লো । They completely failed to read Bangali phycology .

তারা সামনে আনলো সামরিক শক্তি কে । ফলাফল যা হবার তাই হলো ।।

পাকিস্থানি অপারেশনে প্রথমেই দিক ভ্রান্ত হলেন সয় ং  শেখ মুজিব , তিনি ঘাবড়ে গেলেন । 
"চাচা আপন প্রাণ বাচা "  স্বাধীনতা পুর্ব বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচে কাপুরুষচিত  ২ টা কাজ তিনি পরপর  করলেন ।

১। তাজউদ্দীনের আহ্বানের পরেও তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন না ।।
২। পাকিস্থানের বিভক্তি চান না এটা প্রমানে তিনি  স্বেচ্ছা কারা বরন করলেন ।।  

পরিস্থিতি ঘুরে গেল বাঙ্গালীদের বিপক্ষে ।।
বাঙ্গালীদের জন্য তখন ক্রাইসিস টাইম ।।

এই সময় সময়ের প্র্যয়জনেই সামনে চলে আসলো মেজর জিয়া ; পাকিস্থান সেনা বাহিনীর অন্যতম চৌকস অফিসার ।
মেজর জিয়া বুঝতে পারলো সময়ের প্র্যজন এবং পড়তে পারলো বাঙ্গালীদের মনের ভাষা ।।
 সে দখন করে নিল কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র ।
 ঘোষণা দিয়ে দিলেন স্বাধীনতার ঘোষণা ড্রাফট করে ।।
আসলে ইতিহাস সাহসীদের পক্ষে যেমন থাকে তেমনি ভাবেই পক্ষে থাকে তাদের যারা সময়ের দবি পূরণ করতে পারে ।।



এর পরে এক লাফে চলে যায় ৭৫ এ । 
আবারো জয়গান  সেই ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের ।

ফারুক , ডালিম রা মেরে দিল মুজিব কে ।। এক্কেবারে সমূলে বিনাস ।।
জনপ্রিয়তার হিমালয় থেকে তত দিনে তিনি মহা সাগরের ভুগর্ভে ।। আশ্চর্য হতে হয় একটা মানুষ এর জন্য অশ্রুপাত করলো না ।  যারা হিউম্যান সাইকোলজি আর রাজনীতি নিয়ে ভাবেন তারা বলে

"দুঃখজনক কিন্তু অবসম্ভাব্য  হত্যা কান্ড "  
 দ্যাখা গেল মুজিবের সবচে কাছের আওয়ামীলীগের লোকরাই  মুজিবের সাথে ছিল না । মুজিবের মন্ত্রী সভার প্রায় ৭০% যোগ দিল এন্টি মুজিব সরকারের সাথে ।।

এই সরকার টিকলো না । 



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন