শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৫

জন্মদিন

অগাস্ট ১৩, ১৯২৬
জন্ম গ্রহন করেন এমন একজন বীর যিনি আজকে অব্দি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম শক্তি কে নিজের আদর্শের আড়ালে ম্লান করে রেখেছেন।
ব্যার্থ অভ্যুত্থানের পরেও দমে যাননি তিনি। নবউদ্যমে বিপ্লব শুরু করে সফলতার দেখা পান মাত্র ৩৩ বছর বয়সে।
১৯৫৯ সাল তখন
২০০৬ থেকে ২০০৮ এর ভেতর শরীর যখন নিয়ন্ত্রনের বাইরে তখন নিজেকে গুটিয়ে নেন তিনি।
নাম তার ফিদেল ক্যাস্ট্রো।
কিউবা শুধু নয় গোটা ল্যাতিন আমেরিকা জুড়ে আমেরিকানদের ঘুম হারাম করে আজো উন্নত শির 'কিউবা'
এদিকে আরেক ক্ষনজন্মা পুরুষ প্রথম সামরিক যুদ্ধের স্বাদ পান মাত্র চার বছর বয়সেই। ১৯৪০ সালে ২য় বিশ্ব যুদ্ধের সময়।
জাপানিজ এয়ার স্ট্রাইক চলছিল তখন।
১৯৩৬ সালের ১৯শে জানুয়ারি জন্ম নেওয়া এই পুরুসত্তম বাংলাদেশের ইতিহাসে দুইদুই বার ক্রান্তিকালে তার ক্যারিসমে্টিক মেধা আর সাহসের ঝাঁপি খুলে দিয়ে ছিলেন।
মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তিনি স্বাধিনতার ডাক দিয়ে ছিলেন। তার মাত্র চার বছরের মধ্যেই এসেছিল ঐতিহাসিক ৭ ন নভেম্বর।
এই সব কথা কেন বলছি? ?
বলছি তাঁকে যার যুদ্ধে যাবার সময় এখন।
যে তার যোগ্যতা মাত্র ২০০১ সালেই দেখিয়েছেন।
প্রীয় তারেক রহমান ; আমাদের লিডার প্রয়জন। এখনই !
আমাদের জিয়া প্রয়োজন। এখনই প্রয়োজন।
কিভাবে সেই প্রয়োজন মিটবে তা আমাদের মত আমজনতার ভাববার বিষয় না।
কে মিটাবে সেটাও আমাদের কাছে গুরুত্তপূর্ন না।
আমরা জাতীয়তাবাদি।
জাতিয়তাবাদের পিপাসা মেটাটাই আমাদের গন্তব্য। আমাদের জাতিয়তাবাদের গুরু মেজর জিয়ার জীবন আর কর্ম সেই শিক্ষাই দেই।
সময় এবং স্রোত অপেক্ষা করে না ; অপেক্ষার নিয়ম নাই।
তবুও আমরা জিয়া আর খালেদা জিয়ার আত্মার আত্মিয়কেই দেখতে চাই সেই গুরুর ভাবশির্ষ রুপে।
জিয়া অপেক্ষা করেন নাই সুযোগের জন্য, মোক্ষম নিরাপদ ক্ষনের জন্য।
পালভাঙা জাহাজের হাল ধরা মাঝি ছিলেন তিনি।
তারেক রহমান বাংলার সাবেক রাজপুত্র হবেন নাকি ছিন্ন হয়ে যাওয়া মিছিলের নতুন করে জ্বালানো মশাল বাহক হবেন , দেখার জন্য নিভু নিভু মিছিলের এক মলীন কোনে পঁচে মরেও বেঁচে আছে জাতীয়তাবাদীরা।
জন্মদিনের উৎসব কতটা আলোক চিত্রিত হবে সেটা মূখ্য নয় বরং যতটা আলো সম্প্রসারনের বাতিঘর হতে পারবে জন্মদিনের উৎসব ততোধিক আলোকিত হবে।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
বিএনপি জিন্দাবাদ

সোমবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৫

কালের তন্দ্রা

এই সুদীর্ঘ কালের দীর্ঘশ্বাসের শেষ কোথায়?
দিন আসে যায় বেলা, রাত ফুরিয়ে যায়, গ্রীষ্ম  যায়, বর্ষা যায়, শরত,  বসন্ত ফিরে যায় ; তবুও হাহাকার চলে যায় না।

গোলান উপত্যাকার দখল বাড়তে থাকে, হিমালয়ের ক্ষয়ে যাওয়া দেওয়াল থেকে জলের ধারা একটু একটু করে বেড়েই চলে।
পেট্রো ডলারের তাণ্ডবনৃত্যের সাথে এক একটা করে এতিমখানার বাড়বাড়ন্ত।

ট্রাফিক সিগনালে আটকে থাকি, হলুদবাতি জ্বলে ওঠে, এই বুঝি শুরু হবে দূরন্ত অভিযানের যাত্রা! রক্তের মত লাল রঙা বাতি এসে পথ রোধ করে! খামস।

শান্তির পায়রার দর ভালো। ঝাঁকে ঝাঁকে বার্তা চলতে থাকে মহামান্য বার্তা উড়াবেন বলে।শান্তির পায়রার পায়ে বাধা দড়ি আর পালকের  অমিত সম্ভবনা জাগে, আজকের ফারাও রাজের মমী হবে সে।

সাগরের বক্ষে রুষ্ট দেবতা, ঝাঁপিয়ে পরে নিশিত সূর্যের দেশে, প্রশান্ত মহাসাগরের তটদেশ ধরে, মাঝি- মল্লার স্তবগান ভেসে আসে খরকূটোর মত ; ভগবানের অস্থির রক্ত কনা তবুও তুষ্ট  হয় না।

নাকবোঁচা  জাতি থেকে এন্টার্কটিকার বরফের নিচে টিকে থাকা শ্বেতাভ ভল্লুক অথবা আটলান্টিকের এপার ওপার জেগে ওঠা চর কোথাও নিরাশা এসে হাজিরা দেই না,  স্বপ্নবাজ মানুষের মিছিলে আলোর মশাল জ্বলে।বিদঘুটে অন্ধকারের বুক ভেদ করে সেই ক্ষীন আলোর রেখা কাছে আসতে থাকে। মরিচীকা নয় তো!

জীবনের দাবী এসে অবুঝের মত হেসে আমার দীর্ঘশ্বাসের পাল্লা ক্রমেই ভারী করে চলে। একা এ শহরে আমি ভিজি, ভেজে মাঝি মাঝ দড়িয়া, রঙ চটা পুরাতন প্রাচীরে দাঁড়িয়ে ভিজে চলে একা দ্বারকার।

বৃষ্টিজল এসে ধুয়ে দিয়ে যাবে জীবনের সব কালো দাগ।আজকাল কালো কালো আত্মার বড্ড বেশী দাপট।

শনিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৫

জিয়া ডক্ট্রিন

কর্ম মুখর দেশ গড়ার জন্য “প্রেসিডেন্ট জিয়া ডক্ট্রিন, গ্রাম সরকার পাঁচ “প”
=====================================
১)প্রশিক্ষণ
উপযুক্ত প্রশিক্ষন ব্যাতীত জ্ঞান বিস্তার বাড়ে না , পারদর্শিতা বাড়ে না। যে কোন কাজ সুস্থ ভাবে ও পারদর্শিতার সাথে সম্পন্ন করার জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষন গ্রহণ করতে হবে।প্রশিক্ষিত ব্যাক্তিদেরকে সঠিক কাজে নিয়োগ দিতে হবে।
২)পরিকল্পনা
সুষ্ঠ পরিকল্পনা ছাড়া উন্নয়ন এবং কার্য সাধন ভালোভাবে এগিয়ে নেওয়া যায় না।
(৯০ এর দশকের ইন্ডাস্ট্রিয়াল এবং কর্পোরেট জগতে যে Time and action plan চালু হয়েছে, জিয়া তা নিয়ে আরো একদশক আগেই কাজ শুরু করেছিলেন)
৩)পুজি
উন্নয়ন কে এগিয়ে নিতে হলে, পরিকল্পনা এবং প্রশিক্ষনের কাজের জন্য, পরিকল্পনা কে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন পুঁজি। প্রয়োজনীয় বড় বড় পুঁজি সংগৃহীত হবে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের মধ্য দিয়ে।
(উল্লেখ করতে চাই প্রেসিডেন্ট জিয়ার অনেক আলোচিত সমালোচিত উক্তি “Mony is no problem” উদ্যম থাকলে কি অর্থের কোন অভাব হয়? বাণিজ্য নীতির অন্যতম মদ্দা কথা হচ্ছে লাভ। প্রশিক্ষিত এবং স্বপ্নবাজ মানুষের যুক্তি সংগত উদ্যগের জন্য দেশ বিদেশের বিত্তবান মানুষেরা অপেক্ষাতে থাকেন)
৪)পরিশ্রম
পরিশ্রম ছাড়া উন্নতি অসম্ভব। উন্নয়নের জন্য চাই বুদ্ধিদীপ্ত পরিশ্রম।আসলে আমাদেরকে ১৮ ঘন্টা কাজ করতে হবে।উন্নত দেশ গুলীতে ৮ ঘন্টাতে যে কাজ হয় তা আমাদের করতে লেগে যাই ৮ দিন।তাই আমাদের কাজের সময় এবং মান বাড়াতে হবে।
(আজ যারা Human resource নিয়ে লেখাপড়া করছেন তাঁরা বুঝবেন জিয়ার এই চিন্তাভাবনার শানে নুজুল)
৫)প্রতিষ্ঠান
উপরের উল্লেখিত বিষয়াবলী কে একসাথে করার জন্য চাই প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানের অনুপস্থিতি থাকলে উন্নয়নের কাঠামো ধরে রাখা যাই না তাই টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক উন্নয়নের বিকল্প নেই। আমাদের সেই প্রতিষ্ঠান হবে “গ্রাম সরকার
গ্রাম সরকারে এই পঞ্চ “” এর সম্মিলিত প্রয়োগের মাধ্যমেই আমরা সমগ্র দেশের সমষ্ঠিক অর্থনীতি এবং সামাজিক জীবন মানকে এগিয়ে নিয়ে যাবো।
১৯ মে ১৯৮০
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান
গ্রাম সরকার বাস্তবায়নের ১৩ সদস্য বিশিস্ট কমিটি গঠনের প্রো-এ্যক্টিভ গাইড লাইন দেন।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৫

নৌকা

নৌকা
বলুন দেখি নদী মাতৃক বাংলাদেশের কয়েক প্রকার নৌকার নাম।
আমি কয়েকটির নাম দিলাম।এর সাথে আরো কিছু যোগ হলে ক্ষতি কি ?
১।বাতনাই নৌকা
পদি নামেও একে ডাকা হয়। অনেকটা বজরার মত দেখতে হয় এই পণ্যটানা নৌকা।
২।
মালবাহী বজরা
৩।
বজরা
৪।
ডিঙি নৌকা
৫।
কোষানৌকা ; এটা নৌকার ক্ষুদ্র সংস্করণ।
৬।
ডোঙা নৌকা ; নৌকার ক্ষুদ্রতম নৌকা এটাই।
৭।
ময়ূরপঙ্খী নৌকা
৮।
গয়না নৌকা।
৯।
সাম্পান নৌকা।
১০।
পাতাম নৌকা , এটা হচ্ছে নৌকার টুইন বা জমজ সংস্করণ।
১১।
বাইচ নৌকা।মটর গাড়ীর রেস ফর্মূলা ওয়ানের জন্য যেমন বিশেষ ভাবে ডিজাইন করা গাড়ি থাকে তেমনি নৌকা রেসের জন্য বিশেষায়িত এই বাইচ নৌকা।
১২।পালতোলা নৌকা
১৩।পানসি নৌকা
১৪।ছুঁইওয়ালা বা একমালাই নৌকা।
১৫।রাজাপুরী নৌকা।
১৬।
পেনিস নৌকা। চাম্বল এবং রেইনট্রি দিয়ে তৈরি করা এই নৌকা শুধুমাত্র বর্ষার মওসুমেই চলাচল করে।
১৭।
বালাম নৌকা ।
১৮।
টেডি নৌকা ।
১৯।
টড্ডলার নৌকা ।
২০।
জালিনৌকা ।
২১।
সুল্লুকনৌকা ।
বাই দা ওয়ে , নবাব সিরাজের মা এবং ষড়যন্ত্রের হোতা হোতা ঘষেটি বেগম যখন নৌকাতে করে পালিয়ে যাচ্ছিলেন তখন মাঝ দরিয়াতে এসে মিরনের গুপ্তচর মাঝিরা নৌকা ফুঁটা করে নদীতে ঝাঁপিয়ে পরে পালিয়ে যেতে থাকে , তখন ঘষেটি বেগম চীৎকার করে অভিশাপ দেন যে "মিরন তোর মৃত্যু হবে বজ্রপাতে"।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেই মিরনের মৃত্যু হয়েছিল বজ্রের আঘাতেই।
তবে ইতিহাসের পাতাতে আরো এক কুখ্যাত নৌকা আছে ।যে নৌকাতে বাংলার মানুষ সাওয়ার হলেই খুন,গুম,হত্য আর অপশাসনে ঋন পরিশোধ করতে হয়।।

প্রো-গুগল

জুতা আবিস্কারের কথা মনে আছে ?


রাজ্য জুড়ে ধূলা আর ধূলা।পায়ের নিচে কাঁটা ।দুনিয়া তো আর চামড়া দিয়ে মুড়িয়ে দেওয়া যাবে না।সারা দিন রাস্তা ঘাট ,বন জঙ্গল ঝাড়ু দেওয়াও সম্ভব না ।
তাহলে
পদ যুগলের সুরক্ষার উপাই কি ?কে দেখাবে পথ?
অবশেষে রাজা মশায়ের জন্য এক অভাগা আইডিয়া নিয়ে আসলেন ।
হুজুর গোস্তাকি মাফ করবেন , রাজা মশায়ের চরন দুখানি চামড়া দিয়ে মুড়ে দিলেই কার্য হাসিল।
অভাগা নত শিরে জানালো।
অমনি রাজা মশাই হুঙ্কার দিয়ে উঠলেন
আরে আমি তো একথাটাই ভাবছিলাম ; ওরে ও হতভাগা তুই ক্যামনে আমার মাথার বুদ্ধী চুরি করলি।
দামামা বেজে উঠলো , সিপাহশালার গর্জে উঠলো , পাজিটাকে এখন শূলে চড়ানো হোক।
আফসোস ; শুধু গুগলের আদি পিতার,র কাছে গুগল আবিস্কারের আগাম তথ্য ছিল না

কপি Cat

মাছি মারা কেরানী"
বহুল প্রচলিত একটি কথা।
কেরানী বেচারা ৭/৫ কিচ্ছু বোঝে না। বড় কর্তা যা বলেন ,যা করেন তাই তাঁর কাছে সাক্ষাৎ বাইবেল।কর্তা কাগজে যা লিখে দেন , কেরানী সেটাকেই কপি করে বিতরণ করে।
কাঠাল পাকা এক দুপুরে কর্তা যখন লিখতে বসলেন তখন চারদিকে শুধু মাছি আর মাছি।দুয়েকটা মাছি মারতে সক্ষম হলেন কর্তা ।এর ভেতরের একটা মৃত মাছির স্থান হল লেখার কাগজে।
কেরানী সেই কাগজ কপি করার সময় মরা মাছির জাইগাতে কলম দেগে গোল করে হিজিবিজি করে দিল।
হাজার হোক "কর্তার ইচ্ছাই কর্ম "
এনড্রয়েড ফোন যারা চালান তাদের খুব চেনা একটা চাইল্ড গেমের নাম টকিং ট্ম।বাচ্চা-কাচ্চাদের কাছে অত্যান্ত আকর্ষনিয় ক্যাট ট্ম কে যা বলা হবে সে তাই হুবহু বলবে।ক্যাট ট্মের কথা বলার শক্তি থাকলেও তাঁর নিজের কোন কথা নেই।
সার্কাসের বাঘ অনেক কসরত দেখাতে পারে।যাত্রার মঞ্চে আগুনের গোলকের মধ্যে দিয়ে লাফ দিতে পারে, দুই পায়ে ভড় দিয়ে হাঁটতে পারে।অথছ এই হিংস্র বাঘ তাঁর ট্রেইনারের ইশারা ব্যাতীত নির্বোধ জন্তু ছাড়া আর কিচ্ছু নয়।
আরব্য রজনীর গ্বল্পগুচ্ছের সাথে পরিচয় আছে প্রায় সবার।বিশেষত আলীবাবার ৪০ চোর গ্বল্পটার কথা মনে পরছে।
গোপন গুহার গুদাম ঘড়ের সামনে "চিচিং ফাক" বললেই গুহার দরাজ খুলে যেত।যেই লোক গুহার সামনে দাঁড়িয়ে মন্ত্রটা উচ্চারণ করতে পারবে গোপন কুঠুরির দ্বার তাঁর জন্য উন্মক্ত হয়ে যাবে, সোনাদানা,হীর জহরতের মালিকানা চলে যাবে চিচিং ফাকের হাতে।
আমাদের বাংলাদেশের কথাই ধরুন।এই যে দুজন বিদেশী সহযোগী নির্মম ভাবে খুন হল , বিদেশীরা ঢাকা ভ্রমণে সতর্কতা জারী করলো , রাজদণ্ড নড়েচড়ে উঠলো,আমেরিকার শীর্ষ সংস্থা তদন্তে সহযোগিতা করতে চাইলো।অথছ আমরা করলাম কি ? দায়সারা পুলিশি তদন্ত নামকাওয়াস্তে শেষ না করেই প্রধান মন্ত্রীকে ফুঁসলিয়ে , বিভ্রান্ত করে তাঁর মুখদিয়ে বিএনপি,র দিকে সন্দেহের তীর বিদ্ধ করালাম।
সকল কাজের কাজী বিপ্লবী আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এতক্ষনে আসামীর নাম খুঁজে পেলো।
ইতালির সিজার তাবেলা হত্যাকান্ডের জন্য নিপাট ভদ্রলোক এবং বিএনপি,র কূটনৈতিক কোরের সবচে এ্যাক্টিভ ও যোগ্য মানুষ ডঃ আব্দুল মইন খাঁনকে এবং ধর্মান্ত্রিত জাপানী নাগরিকহোসি কুনিও কে খুন করার দায়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রধান হাবিব-উন-নবী সোহেলের ভাইকে দোষী করা হল।
প্রশ্ন হচ্ছে খুনির নাম খুঁজে বার করার দ্বায়িত্ব আসলে আসলে কার ?
মামলার তদন্তে নিয়জিত ইন্সপেক্টরের নাকি সরকারের প্রধানের?
যতই মেধাবী বা সম্মানীয় হোক না কেন , যার কাজ তাকে করতে না দিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে-উচ্চপদস্থ ব্যাক্তি যখন খুনের মামলার সন্দেহজনক আসামী চিহ্নিত করার কাজে নেমে পরেন তখন উক্ত খুনের সঠিক বিচারের আশা " চিচিং ফাঁক " হয়ে যাবার সম্ভবনা প্রবল।

মুক্তিযুদ্ধের ১৬ খন্ড

অবশ্য জাতীয়তাবাদ ও মুক্তিযুদ্ধের আলোকে এবং ইতিহাস কে রক্ষা করার প্রয়োজনে এ ব্যাপারে জিয়াউর রহমান ও বেগম জিয়া অত্যান্ত বেশি সচেতন , সে কথা উদ্ধিতির মাধ্যমেই প্রমান করতে চাই।
রাজনৈতিক আদর্শ ও দর্শন গ্রন্থের মূখবন্ধঃ
"১৯৭৭ সালের জুলাই মাসে হাসান হাফিজুর রহমানকে প্রকল্প পরিচালক হিসাবে নিয়োগদান করে এবং ডঃ মফিজুল্লাহ কবীরকে সভাপতি, ডঃসালাউদ্দিন আহাম্মেদ , ডঃআনিসুজ্জামান , ডঃএনামূল হক , ডঃ সফর আলী আখন্দ ,ডঃ কে এম মহাসিন , ডঃ শামসূল হূদা ও ডঃ এম এ করীমকে সদস্য নিয়োগ করে জিয়াউর রহমান এক গুরুত্বপূর্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
প্রায় পাঁচ বছরে সংগৃহীত হয় প্রায় তিন লাখ পৃষ্ঠার দলীলপত্র।
সেই গুলী যাচাই বাছাই করে ১৬ খন্ডে এসব দলীল প্রকাশিত হ্য।জিয়াউর রহমানের এ দূরদর্শিতা ও দেশ প্রেমের তুলনা নেই।"
এই একই গ্রন্থের ভূমিকাতে বেগম খালেদা জিয়া নিজেও কিছু কথা লিখেছিলেন।
গ্রন্থ সুত্র
স্বাধীনতা যুদ্ধের আলোকে জিয়া-খালেদা-বিএনপি
অথ্যর
অধ্যাপক খোন্দকার মকবূল হোসেন।

বড় ভাই

শেখ আবু নাসেরের বড় ভাই ছিলেন জাতির জনক শেখ মুজিবর রহমান।
শেখ জামালের বড় ভায়ের নাম শেখ কামাল।
হিন্দি সিনেমার সার্কিটের ভায়ের নাম মুন্না ভাই।
জার্মানির Mr.Edmund এর বড় ভায়ের নাম এ্যডলফ হিটলার।
গায়ক লাকি আকন্দের ছোট ভাই ছিলেন হ্যাপি আকন্দ।
প্রিন্স হ্যারির বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়াম।
পাওয়ার মুঘল মন্ত্রী ফারুক খানের বড় ভাই হচ্ছেন টাকার কুমীর আজিজ খাঁন।
আমাদের বয়সী মানুষেরা ভালোমত চেনেন বাকের ভাই কে ; যার গ্রুপের ছোট ভায়ের নাম বদি।
বিমানের প্রখ্যাত আবিষ্কারক ভাই দ্বয় উইল্ভার রাইট আর অল্ভার রাইটের মধ্যে কোন জন বড় ভাই বলতে পারবেন কি ?
বিখ্যাত হুমায়ূন আহাম্মেদ ছিলেন কুখ্যাত জাফর ইকবালের বড় ভাই।
প্লে বয় জেনারেল এরশাদের ছোট ভাই হচ্ছেন সাবেক বিমান মন্ত্রী মঞ্জু।
থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধান থাক্সিন ইংলাক এর বড় ভাই হচ্ছেন আর এক সাবেক প্রধান থাক্সিন সিনেওয়ার্তা।
বিপ্লবী ফিদেল কাস্ট্রোর ছোট ভাই আরেক বিপ্লবী রাউল কাস্ট্রো এখনো সমাজতান্ত্রিক বিশ্বের বিক্রয় যোগ্য নহেন বা Not for sale এমন একজন নেতা।
অতএব আমার বড় ভায়েরা ভতস্না করিবেন না ; ছোট ভাই হিসাবে আমাকে আপনাদের যাবতীয় সুকর্ম এবং কুকর্মের উত্তরাধিকার হইতে বাধ্য করা হইতেছে।
গন- প্রজাতান্ত্রিক বাংলার কেস্ট ঠাকুরের এমনই মনোবাঞ্ছা ।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৫

নৌকা

নৌকা

বলুন দেখি নদী মাতৃক বাংলাদেশের কয়েক প্রকার নৌকার নাম।
আমি কয়েকটির নাম দিলাম।এর সাথে আরো কিছু যোগ হলে ক্ষতি কি ?


১।বাতনাই নৌকা
পদি নামেও একে ডাকা হয়। অনেকটা বজরার মত দেখতে হয় এই পণ্যটানা নৌকা।

২।
মালবাহী বজরা 

৩।
বজরা

৪।
ডিঙি নৌকা

৫।
কোষানৌকা নৌকার  ক্ষুদ্র সংস্করণ।

৬।
ডোঙা নৌকা ক্ষুদ্রতম নৌকা এটাই।

৭।
ময়ূরপঙ্খী নৌকা

৮।
গয়না নৌকা।

৯।
সাম্পান নৌকা।

১০।
পাতাম নৌকা , এটা হচ্ছে নৌকার টুইন বা জমজ সংস্করণ।

১১।
বাইচ নৌকা।মটর গাড়ীর রেস ফর্মূলা ওয়ানের জন্য যেমন বিশেষ ভাবে ডিজাইন করা গাড়ি থাকে তেমনি নৌকা রেসের জন্য বিশেষায়িত এই বাইচ নৌকা।

১২।
পালতোলা নৌকা

১৩।পানসি নৌকা

১৪।
ছুঁইওয়ালা বা একমালাই নৌকা।

১৫।
রাজাপুরী নৌকা।

১৬।
পেনিস নৌকা। চাম্বল এবং রেইনট্রি  দিয়ে তৈরি করা এই নৌকা শুধুমাত্র বর্ষার মওসুমেই চলাচল করে।

১৭।
বালাম নৌকা ।
১৮।
টেডি নৌকা ।
১৯।
টড্ডলার নৌকা ।
২০।
জালিনৌকা ।
২১।
সুল্লুকনৌকা ।

বাই দা ওয়ে নবাব সিরাজের মা এবং ঘষেটি বেগম যখন নৌকাতে করে পালিয়ে যাচ্ছিলেন তখন মাঝ দরিয়াতে এসে মিরনের গুপ্তচর মাঝিরা নৌকা ফুঁটা করে নদীতে ঝাঁপিয়ে পরে পালিয়ে যেতে থাকে তখন ঘষেটি বেগম চীৎকার করে অভিশাপ দেন যে "মিরন তোর মৃত্যু হবে বজ্রপাতে"।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেই মিরনের মৃত্যু হয়েছিল বজ্রের আঘাতেই।

তবে ইতিহাসের পাতাতে আরো এক কুখ্যাত নৌকা আছে ।যে নৌকাতে বাংলার মানুষ সাওয়ার হলেই খুন,গুম,হত্য আর  অপশাসনে ঋন পরিশোধ করতে হয়।

বুধবার, ১০ জুন, ২০১৫

হাসিলেন মুজতবা আলী

প্রথমত
রম্য লেখক মুজতবা আলী একজন দেশদ্রোহী ছিলেন।

বৃটিশ লর্ডের পোষা কুকুর একবার একটা কম পা নিয়ে লেংচে লেংচে সৈয়দ সাহেবের স্কুলে পদধুলী দিয়েছিল।

সৈয়দ সাহেব সেই বিশিষ্ঠ কুকুরের পা চাপাকলের পানি দিয়ে ধুয়ে না দিয়ে বরঞ্চ ছাত্রদের কাছে গ্বল্প দিয়েছিলেন যে কুকুরের কয় পায়ের সমান তার লাইফ স্টাইল ; সেই ব্যাখ্যা দিয়ে।

মুজতবা সাহেবের সেই গানিতিক ব্যাখ্যা সাঠিক ছিল।

অন্যদিকে
প্রচলিত আছে নবাবী আমলে ভূখা-নাংগা দেখলে শাহাজাদী বেগম সাহেবানরা নসিকা কুঞ্চন করতেন।

ভাতের অভাব থাকলে শাহি মোগলাই, কাচ্চি খাবার পরামর্শ দিতেন।

ভূখানাংগা দের ভেতর যারা বহুমুত্র  রোগে আক্রান্ত ছিলেন তাদের মোরগ পোলাও খাবার ফরমান দিতেন (!)

তৃতীয়ত
আগের ব্রাম্মন  সমাজের প্রায় সব্বাই প্রকাশ্যে ভেজিটেরিয়ান ছিলেন।

তবে কাশি, মথুরা, বৃন্দাবনের পথে যাত্রা নিলে যাত্রা কালিন সময়ে কাক মাংস ভগবানের ভোগে দিয়ে আহার করতে পারতেন।

তাতে দোষ হতো না।পূন্যী অর্জন হতো।

আবার
মসজিদ,  মাদ্রাসা,  এতিমখানা প্রভৃতি,র জন্য রাস্তাঘাটে,  বাসে দান বাক্স থাকে।

যৌনকেশ জন্মানোর আগেই দাড়ি গজিয়ে ওঠা কিশোর ছেলে থেকে শুরু করে ৭০ উর্ধ বৃদ্ধ সবাই টাকা তোলে আপনার পাপের ভারী খাতা হালকা করার জন্য।

যদি বীচিতে চিপা দিয়ে ঠিকঠাক ফাপর  দিতে পারেন তাহলে জানতে পারবেন চাঁন্দা তোলা টাকার ৫০% মাদ্রাসা মার্কেটিং এর লোকের ২০% গলির মাথার মাস্তানের, ৫% হুজুরের আর বাদবাকি ২৫% এর একশ ভাগ মাদ্রাসা বা এতিমখানার দরিদ্র ছেলে মেয়েদের জন্য।

বাংলাদেশের বড় হুজুরের বাৎসরিক আপ্যায়ন খরচ ৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা অর্থাৎ দৈনিক প্রায় ২লাখ ১৩ হাজার ৩৮০ টাকা।

আমাদের #বিবাহিতব্যাচেলর ভায়ের কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করতে আরো দরকার ১২ লাখ টাকা।

তাহলে বড় হুজুরের এক বছরের নাস্তা বিল দিয়ে #বিবাহিতব্যাচেলর ভায়ের কয়টা কিডনী ট্রানসপ্লান্ট করা যাবে?

একজন নিস্পাপ শিশু,র বাবার কোলে আশ্রয় চেয়ে নেবার নিশ্চয়তা  নিশ্চয় ৩০০ মিলিয়ন ডলার ম্যানের ১৯ দফা নিরাপত্তার চেয়ে খুব বেশী ছোট নয়।

দুই কান্ধে বসিয়া আছে কেরামুন, কাতেবীন।

এঁদের কোন একজন অনেক বেশী ক্লান্ত। হিসাবের বাঠখারা অনেক ভারী হয়ে এসেছে।

ক্ষমা  পাবেন কি আদৈ!

সৈয়দ বংশের বাত্তি

কোন বংশের ছাওয়াল তুমি?
বৃক্ষ তোমার নাম কি?

৩০০ মিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন।

মানুষ যখন নিজের নামের প্রতি ভড়সা হারিয়ে ফেলে তখন তাকে বংশ পরিচয়ের মুখাপেক্ষী হতেই হয়। ১৪ পুরুষের নাম বেঁচে টিকে থাকার লড়াই চালাতে হয়,  ১৪ পুরুষ ইতিহাসের সাক্ষী গোপাল হতে হয়।

দুনিয়া জোড়া বিখ্যাত ফ্যামিলি টাইটেল হচ্ছে  "আগা" ফ্যামেলী।
আমরা যাদের আগাখান বলে চিনি এবং জানি।

মুসলিম (শিয়া) বিশ্বের এরাই সম্ভবত একমাত্র বংশগৌরব যারা জিউস দের সাথে সমানে সামানে ফাইট দিয়ে চলেছে প্রায় সর্বক্ষেত্রে।

ব্যাবসা, বানিজ্য, দান, অনুদান, ফাঁকিবাজি,অস্ত্রবাজি,  অস্ত্র ব্যাবসা অথবা সর্বচ্চ পেইড ট্যাক্স ; এঁদের ভেতর টক্কর চলে বছরভর।

আগা"দের চেনার জন্য সহজ ঊধাহরন দেই।

ঢাকাতে অবস্থিত "আগাখান ইন্টারন্যাসনাল স্কুল" এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান IPDLC এইগুলি আগাদের প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশের বাংলাসিনেমা এখনো চৌধুরী যুগ পার করতে পারে নাই।বোম্বেতে কাপূর টাইটেল মানেই মাস্টার ব্লাস্টার নায়িকার কাপড় খোলার হট কেক টিকিট।

আরবের শেখ ফ্যামেলির নাম তো শুনেছেন সবাই।

এই আরবের কুরায়েশ বংশ যেমন মুর্তি পুজা এবং অনাচারের মূল হোতা ছিল তেমনি এখান থেকে জন্ম নেওয়া মেষের রাখাল তাবত মানবতার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।

বৃটিশ সিংহাসনে উত্তরাধিকার কক্ষনো রাজপরিবার বংশের বাইরের কেও হতে পারবে না। অন্যান্য ইউরোপিয়ান রাজ-পরিবার গুলির ক্ষেত্রেও নিয়মের কোন এধার ওধার নেই।

আবার রাষ্ট্রীয় বংশ বলেও কিছু একটা টের পাওয়া যায়।

আইএমএফ বা ইউএন  এর প্রধানের পদ কক্ষনো নির্দিষ্ট কিছু দেশের পদলোহন ছাড়া পাওয়া যায় না।

চক্রবর্তি থেকে পোদ্দার বা জোয়ার্দার এরা সবাই বংশগতিবিদ্যার উজ্জ্বল অনুশীলন।

নেপালের বিখ্যাত গূর্খা উপজাতিদের কথা অনেকেই জানেন।যুদ্ধ বিদ্যাতে এঁদের টেক্কা দেবার মত আর কেও এই দুনিয়াতে পয়দা হয় নাই।

গুর্খাদের সাহস, শৌর্যবীর্য এবং রনকৌশল অদ্বিতীয়।

দুনিয়ার বুকে আজো অনেক সুপার পাওয়ার আছে যারা তাদের সামরিক বাহীনিতে প্রবাসী গুর্খাদের নিয়ে আলাদা সামরিক রেজিমেন্ট তৈরি করেছে। গত তিন বছরে একজন মাত্র গুর্খা স্নাইপারের হাতে ২৬০ জন আল কায়েদা খতম হয়েছে।

আজ থেকে মাত্র ১০ বছর আগে বৃটিশ আর্মির গূর্খা রেজিমেন্ট কে একীভূত করে পৃথক গূর্খা রেজিমেন্ট ভেংগে দেওয়া হয়।

আরব দেশের আরেক বিখ্যাত বংশ "সৈয়দ" বংশ।

আমাদের দেশেও এই বংশের কদর অনেক। মান মর্যাতাতে উচু দেশি সৈয়দদের একটা বড় অংশ এই দেশে এসেছিন ধর্মপ্রচারের উদ্দেশ্যে, জাত-পাত আক্রান্ত ভারতীয় উপমহাদেশে সৈয়দদের শান্তির বানী মানুষদের উপকৃত করেছিল

রুট কানেকশন এবং ঐতিহ্য  অনেক শক্তিশালী  হওয়াতে একটা সময় আরবে সৈয়দ বংশের প্রাদূর্ভাব শুরু হয়।

ডানে সৈয়দ, বামে সৈয়দ, ঘড়ে সৈয়দ,  বাইরে সৈয়দ.. সৈয়দ সৈয়দ আর সৈয়দময়..

চুরি চামারী থেকে শুরু করে যৌতুক গ্রহণ, ব্যাভিচার, ডাকাতি, মহাজনী, সুদের কারবার  সব কিছুতেই দেখা গেল সৈয়দ বংশীয়রা জড়িয়ে পরছে বা সৈয়দদের নাম ব্যাবহার করা হচ্ছে।

এমন সময় সৌদি প্রশাসন শুদ্ধী অভিজান চালানোর সিদ্ধান্ত গ্রহন করে।

ঘোষনা  আসে জুম্মার দিনে বিশেষ মাঠে, সকল সৈয়দ একত্রীত হবে সব সৈয়দ বিশেষভাবে প্রস্তুত আগুনের গোলকের ভেতর দিয়ে লাফ দেবে। অনেকটা সার্কাসপার্টির ফায়ার জাম্পের মত।

সৈয়দদের ওপর আল্লার আদ্ধাত্মিক আনুকুল্য আছে তাই আগুনের গোলকে তাদের কোন ক্ষতি হবে না। এপার থেকে অন্য পারে লাফ দেবার পরেও,  আইরন করা জিব্বাতে ভাজ পড়বে না।

নির্দিষ্ট দিনে দেখা গেলো অর্ধেকের বেশী সৈয়দ মাঠে অনুপস্থীত। বেত্রাঘাতের ভয়ে, আগুনে ঝলসানোর ভয়ে পাগারপার..

যারা অগ্নি গোলক খেলতে আসে নাই তাদের আর কক্ষনোই আরবের মাটিতে দেখা যায়নি..

এভাবেই আরবে জেনেটিক্যালি শুদ্ধ সৈয়দ প্রতিষ্ঠালাভ করে।

বাদবাকি পলাতক সৈয়দদের  একজন সব্যসাচী  উত্তর পুরুষকে খুব সম্প্রতি ঢাকাতে পাওয়া গিয়েছে।

তিনি নিশিদ্ধ লোবানে দেশরত্ন উত্তপ্ত করছিলেন।

৭১ এই সৈয়দ, দ্বিতীয় বারও নাকি জান বাঁচাতে অগ্নি গোলকে ঝাপ না দিয়ে জেনারেল জামসেদের কোলে ঝাপ দিয়ে জান বাচিয়ে ছিলেন।

এবার অবশ্য এত পরীক্ষা, নীরিক্ষা, ঝাক্কি ঝামেলা নেই। পোষ্যবর্গ কিছু লালশালু ডেড বডি শহীদ মিনারে আড়াআড়ি রেখে পাক আর্মির ঘনিষ্ট, সৈয়দ হককে মুক্তিযুদ্ধে লঘিষ্ঠ কিছু উৎছিষ্ট ভোগীর দল সটান হয়ে কিরামুন কাতেবিনের নোট খাতাতে লেখা,  ভাগ্য রেখে উলটে পালটে দেবেন।

কূট নীতি

মাইক্রো কূটনীতি
কেস গুলি কি ছিল?

কেস স্টাডি ১

৫ জানুয়ারির আগে
প্রনব মূখার্জি যখন দেশে আসলো, হরতালের অজুহাতে নেত্রীর সাথে দেখা হল না।

হরতালের স্থায়িত্ব ১ ঘন্টা কমিয়ে দেওয়া সম্ভব ছিল।

আবার নেত্রী রিক্সা নিয়েও যেতে পারতেন যা রাজনৈতিক মাস্টার স্ট্রোক হতে পারতো।

নিরাপত্তার হাস্যকর যুক্তি, জামাতি সুলতানাতের প্রভাব এবং অন্দরমহলে অবস্থানরত দুএক জন শিয়াল পন্ডিতদের জন্য সেটা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।

কেস স্টাডি ২

বিল ক্লিনটন যখন সংক্ষিপ্ত সফরে ঢাকা আসলেন তখন তার সাভার স্মৃতিসৌধ ভিজিট বাতিল করা হয় নিরাপত্তা অজুহাতে।
বাংলাদেশ সরকার তা মেনে নেয় যেহেতু ঐ মূহুর্তে সফরটা বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা ছিল। পক্ষান্তরে আমারিকানদের কাছে কার্টেসি ভিজিট ছিল।

কেস স্টাডি ৩

এই ঘটনার কিছু পরেই জাপানের সরকার প্রধান বাংলাদেশ সফরে আসেন। তিনি তার ১৩ দেশ ভ্রমনের তালিকাতে ৪ নাম্বারে রাখেন বাংলাদেশ কে।
টাইট সিডিউলের সেই ট্রিপ ছিল নিরাপত্তা পরিষদে জাপানের পক্ষে  ভোট সংগ্রহের উদ্দেশ্যে।
তাই সেই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে সেইবার জাপান চিফ কে সাভার ভ্রমণ থেকে রেহাই দেওয়া হয় নাই।

মনে রাখতে হবে যে জাপানের তরফ থেকে অনুরোধ ছিল স্মৃতিসৌধ ট্রিপ ডিসমিস করার জন্য।

কূটনীতি আজকের

এবার যখন ডিল্কায়ার্ড ; যে
তিস্তা চুক্তি হচ্ছে না এবং
বর্ডার কিলিং জিরো টলারেন্সে নামছে না

ফারাক্কা নিয়ে কোন রিভিউ হচ্ছে না,

সীমান্তের মাদক কারখানা বন্ধ হচ্ছে না,

রামপাল প্লান্ট বাতিল হচ্ছে না

ভারতীয় অবৈধ অভিবাসীরা বাংলাদেশ ছাড়ছে না

Made in Bangladesh লেখা আরো পন্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে না

দেশি চ্যানেল গুলি ইন্ডিয়াতে উন্মুক্ত হচ্ছে না।

ক্ষুদ্র অস্ত্র স্মাগলিং বন্ধ হচ্ছে না
এবং আরো অনেক সেনসেটিভ ইস্যুর সুরাহা হচ্ছে না
সে ক্ষেত্রে সরকারের চাপে থাকার কথা।

অথছ আমরা দেখছি এইসব অগ্রাহ্য করে পররাস্ট্র ডিপার্টমেন্ট এর বস মাহামুদ আলী ঘোষনা দিচ্ছে যে নরেন্দ্র সাহেব ম্যাডাম জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করছেন না।

লক্ষ করেন মাত্র কয়েক দিন আগে রিয়াজ রহমানের স্ত্রী কে গুলশান অফিসে ঢুকতে দেওয়া হয় নি।

মোবাইল ট্রাকিং এ্যভোয়েড করার জন্য রিয়াজ সাহেবের কূটনৈতিক বার্তা বহন করছিলেন মিসেস রিয়াজ।

শোনা গিয়েছিল ভারত সংক্রান্ত বার্তাই তিনি নিয়ে গিয়েছিলেন।

এক সময় টু ইন ওয়ান খুব চলতো,  এখন থ্রী ইন ওয়ানের যুগ।

অংগ রাজ্য, কদর রাজ্য, গুপ্ত রাজ্য।

বাংলাদেশ  রাস্ট্র,  আওয়ামীলীগ সরকার, এবং বিএনপির চৌকিদার এরা এখন থ্রি ইন ওয়ানে লেট নাইট সো,র অডিও রিমিক্স বাজাচ্ছে.. 

আমরা পাছার পাঁচশালা চুলকিয়ে আরাম পাচ্ছি..

মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০১৫

আলু তত্ব

যদি সুদূর আলাস্কা ভ্রমনে যান সেখানে চানাচুরওয়ালা পাবার সম্ভবনা কম।

যদি রাসা যান সেখানে হাজার লিটার এবসুলিউট ভদকা পাবেন নিশ্চিত বাট লইট্যা ফিসের শুটকি পাওয়া যাবে না।

পুরাতন ঢাকাতে গেলে নান্নার বিরিয়ানি খেতেই পারেন, দু,খিলি সোনাই মুরা পান পেতেই পারেন,  বাকরখানির গুদামঘড় পর্যন্ত খুঁজে পাবেন বাট ম্যাকডোনান্ডের বার্গার পাইবেন না। আই বেট।

মন চাইলেই জাপান ঘুড়ে আসতে পারেন ; জ্যান্ত বান্দরের ফুটন্ত ঘিলু খেতে পারবেন,  মূলার তৈরি সশ চেখে দেখতে পারবেন কিন্তু  চুনোমাছের চরচরি পাওয়া যাবার কোন সম্ভবনা নাই।

জাপানের পোলাপানদের কাছে ম্যাগডোনাল্ড এতটাই আপন যে তারা লেখাপড়া করার জন্য দেশ ছাড়ার আগে বন্ধু-বান্ধব দের বলে যাই যে তারা সবচে বেশী মিস করবে ম্যাকডোনাল্ডের বার্গার :p

থাইল্যান্ডে ল্যান্ড করার সাথে সাথে ট্যাক্সি ড্রাইভার আপনাকে জিজ্ঞাস করবে "ফাক তাইম ব্যাংকক? ফাঁক তাইম?( ঘটনা সত্য)

আপনি Yes বললেই ধরা ; ট্যাক্সিওয়ালা আপনাকে সারা ব্যাংকক চক্কর কাটিয়ে হোটেলে পৌঁছে দেবে।

ততক্ষনে আপনার পকেট ওয়াহিদুজ্জামানের টাকের মত ফাঁকা।

আপনাকে বুঝিয়ে বলতে হবে ফাঁক তাইম নয়,  এবার আপনার সেকেন্ড বা থার্ড টাইম ব্যাংকক :)

যাকগে ব্যাংককের রাস্তার মোড়ে মোড়ে আপনি এসকট পাবেন,  মেয়ে পাবেন,  লেসবিয়ান বা গে পাবেন,  আমাদের দেশের চায়ের টং দোকানের মত দোকানে দোকানে পোকামাকড়ের ভাজাভুজি পাবেন কিন্তু আমাদের দেশের মানুষের মত আমড়া কাঠের ঢেঁকী পাবেন না,  আই সয়ার।

আলুতো খান সবাই তাই না? এই আলু আর মাথাতে পাগরী চাপানো সিং দের কিন্তু আপনি সমগ্র দুনিয়াময় পাবেন।

অন্য মানুষদের আলুপোরা খাওয়ানো বাংগালী সমাজের চরিত্র। দ্বিমত হয়তো পোষণ করবেন না।

আলুরদোষ আমাদের প্রায় সব এডভেঞ্চারিস্ট পুরুষের মধ্যেই বিদ্যমান ; মানেন আর নাই মানেন।

আলু প্রীতি আমাদের ভেতর কিন্তু ছোট্টবেলা থেকেই তৈরি হয়।

ক্যান কবিতা পরেন নাই?

রেল গাড়ি ঝমাঝম
পা পিছলে আলুর দম?

থুতু বাবা এরশাদের আমলে একবার টিভি রেডিও তে খুব প্রচারনা চালানো হয়ে ছিল

"আলু খেলে মোটা হয়
এই কথাটি ঠিক নয়"

সাবেক সাত ঘোড়ার কচুয়ান মইন ইউ আহাম্মেদের কাছেও আলু মুখোরচক ছিলো।

তিনি তো রীতিমতো র‍্যাডিসনে পার্টি বসিয়ে ১৬ কোটি ফরিকনি বাংগালকে পাচ তারকা আলুর স্বাদ আস্বাদন করানোর খোয়াব দেখেছিলেন।.

মনে আছে নিশ্চয়, এরশাদের মতো মইন সাহেব নিজেও কিন্তু চুটকি লিখেছিলেন

"বেশী করে আলু খান
ভাতের উপর চাপ কমান"

আমেরিকার প্রসেডেন্টদের সব কারবার রাজসিক।তারা সাধারণ খাবার পাতে নেন না।
তাদের জন্য হোয়াইট হাউজের বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শেফ নিজ হাতে হোমমেড বিয়ার তৈরি করে দেই।
বিশেষ ধরনের এটেল মাটির নিজে জন্ম নেওয়া বিশেষ আলু দিয়ে প্রস্তুত করা হয় ইউএস প্রেসিডেন্টদের মল্টেড বিয়ার।

গোল আলু তো চেনেন সবাই। অতি জনপ্রিয় এই মিস্টি গোলআলু যেকোন তরকারিতে চমৎকার মানিয়ে যাই

আলুরদোষ থাকুক আর না থাকুক আলুর ব্যাসিক জিনিস  সোডিয়াম কিন্তু যুবতী সমাজের কাছে খুব জনপ্রিয়।
সোডিয়াম শরীরের চামরা পরিস্কারের জন্য অব্যার্থ ঔষধ।

মাটি হচ্ছে সোডিয়ামের আখরা।
সেই মাটির নিচেই আলুর জন্ম হয়।

বিধাতা সয়ং দোষ যুক্ত আলুকে মিতৃকার উপরে আনার সাহস দেখান নাই।

মিতৃকার নিচে চাপা থাকার পরেও আলুরদোষ একটুও কমে না,  গুণাগুণ ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না।

ছাত্রলীগকেও আপনি যতই "চলী কা পিছা" ঢেকে রাখুন না ক্যান আলুরদোষ তাতে ঢাকা পরবে না।

সোমবার, ২৫ মে, ২০১৫

শিয়াল শাহ্‌

মিছিলে গেছিলেন কাকা।
বুঝে হোক না বুঝে হোক উনি বিশ্বাস করেছিলেন  এরাই আসল লোক।

মিছিলে ক্লান্ত কাকা ফেরার পথে বসে পরলো একটা বড়সড় বট গাছের নিচে। বট ছায়াদায়ী বৃক্ষ।

পেছনেই ঘন বাস বাগান। 
কাকা ঠিক করে ফেলল এখানে একটু ঝিম মারবেন,  তার পরে বাড়ি যাওয়া।

মাছি ভন ভন করছে।  এই একটাই সমস্যা। বছরের এই সময় টাতে মাছি খুব জ্বালাতন করে।

এখানে এত্ত মাছির কারন এক শিয়াল এখানে হেগে থুয়ে গেছে। খুব বিরক্তিকর বিষয়।
এখানে থাকুম ক্যাম্বা?

শেষমেশ পাওয়া গেল এক লোক কে। হাতে চটের বাজারের ঝোলা।

কি আছে গো বাবাজী তোমার ব্যাগে?
এই সদায় নিলাম কাহা।
চাল,  ডাল আর তরকারি!

কাকা আগন্তুকের কাছ থেকে দু তিন মুঠি চাল আর ডাল আদায় করে নিলেন খিচুড়ি খাবেন বলে।

আগুন্তুক ভাবলো বৃদ্ধ মানুস!  কিছু তরকারি দিলে ভালো হত।

কিছু লাল শাক,  কচুর লতি,  আর দুটি করে পেয়াজ আর রসুন যোগ করে দিলো আগন্তুক। 

বৃদ্ধ নির্দিধায় শিয়ালের গু'য়ের উপর ঢেলে দিল চাল, ডাল,  কচুর লতি,  লাল শাক আর পেয়াজ রসুন।

দুপুরের নামাজ পরতে যেয়ে বুড়া নিতে আসলো আগরবাতি; অরিজিনাল আগরবাতি নাকি মশা তারানোর মক্ষম যোম।

আসরের পরে হাট থেকে ফেরা মানুস দেখলো চাল,ডাল আর কচুর লতি,র সাথে আগরবাতি জ্বলছে। 
পাশেই ঘুমন্ত বৃদ্ধ,  সাদা শুভ্র দাড়ির ফাঁকেফাঁকে দু একটা আধাপাকা দাড়ি জ্বলছে।

বাজারের খলিফা এক টুকরা কাপর দিয়ে  বৃদ্ধ কে ঢেকে দিল।
সন্ধা ঘনিয়ে আসছে।

দূর পথের পথিকেরা ঘড়ে ফিরছে।

অসহায় ধরে নিয়ে কেও দিয়ে গেল আরো কিছু চাল, আটা,  শশা,গাজর, ভেন্ডি এই সব।

রাতের ভেতর শিয়ালের গু ঢাকা পরে গেল খাদ্য দ্রব্যের স্তুপে।

বৃদ্ধ বিশ্রাম শেষে বাড়ি ফিরে গেল। কিছুই সাথে নিলো না।

সকালে পৌরসভার ম্যাথর আগরবাতি আর ধুপছায়া দেখে বিচলিত হয়ে পরলো।

ম্যাথর গরিব মানুস, তার দেবার কিছু নাই।  তাই মাথার লাল রুমাল টা রেখে গেল।

এর পরে সূর্য উঠলো কড়া।  লোক জন সব ভিড় করলো।

ইহা কি!  কি  ইহা ?
মাজার?  মাজার আসলো কোথা থেকে?
কার মাজার? 
খোদার কোন নেক বান্দা,র কবর এখানে।

জগলুর বউ বাজা। এবার বাচ্চা না হলে সে গলাই দড়ি দেবে বলে ঠিক করেছে মনে মনে।
নয়া মাজারের কথা শুনে জগলুর বউ মানত করে ফেললো।

বিকাল বেলা যখন মুত্র পরিক্ষার রিপর্ট আসলো জানা গেল এবার বাচ্চা হবে।

জগলু আর তার বউ ছুটলো মাজারে।
বউ কই মাজার?
এই যে এখানে।
জগলু দেখলো তার দেওয়া সেই কচুরলতি উকি মারছে মাজার থেকে।

বুঝলে বাবা আচানক কাজ।  রাতে রাতেই মাজার।  এটা যে কার মাজার বাবা ক্যমনে বুঝি। মাতব্বর সাহেবের প্রশ্ন।

চাচা আমি কিন্তু  জানি এটা কার মাজার!

কার বাবা কার মাজার!

চাচা এটা মাওলানা শিয়াল শাহ্' মাইছভান্ডারী, র মাজার।  আমি সপ্নে দেখেছি।

এর পরে সেই মাজার জমে উঠলো।

মাজার কমিটি ভোট করলো
৮৬ সালে নির্বাচন  করলো তারপরে
আরো অনেক ভোট করলো।

একবার তারা সংসদে তিন টা আসনও পেলো।
এবার নাকি মাজারের ব্যাবসা ভালো হয়েছে ; ১০০ আসন পাওয়া যাবেই যাবে।

শুধু একটু গ্যাঁট হয়ে বসে থাকতে হবে।।