অবশ্য জাতীয়তাবাদ ও মুক্তিযুদ্ধের আলোকে এবং ইতিহাস কে রক্ষা করার প্রয়োজনে এ ব্যাপারে জিয়াউর রহমান ও বেগম জিয়া অত্যান্ত বেশি সচেতন , সে কথা উদ্ধিতির মাধ্যমেই প্রমান করতে চাই।
রাজনৈতিক আদর্শ ও দর্শন গ্রন্থের মূখবন্ধঃ
"১৯৭৭ সালের জুলাই মাসে হাসান হাফিজুর রহমানকে প্রকল্প পরিচালক হিসাবে নিয়োগদান করে এবং ডঃ মফিজুল্লাহ কবীরকে সভাপতি, ডঃসালাউদ্দিন আহাম্মেদ , ডঃআনিসুজ্জামান , ডঃএনামূল হক , ডঃ সফর আলী আখন্দ ,ডঃ কে এম মহাসিন , ডঃ শামসূল হূদা ও ডঃ এম এ করীমকে সদস্য নিয়োগ করে জিয়াউর রহমান এক গুরুত্বপূর্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
প্রায় পাঁচ বছরে সংগৃহীত হয় প্রায় তিন লাখ পৃষ্ঠার দলীলপত্র।
সেই গুলী যাচাই বাছাই করে ১৬ খন্ডে এসব দলীল প্রকাশিত হ্য।জিয়াউর রহমানের এ দূরদর্শিতা ও দেশ প্রেমের তুলনা নেই।"
সেই গুলী যাচাই বাছাই করে ১৬ খন্ডে এসব দলীল প্রকাশিত হ্য।জিয়াউর রহমানের এ দূরদর্শিতা ও দেশ প্রেমের তুলনা নেই।"
এই একই গ্রন্থের ভূমিকাতে বেগম খালেদা জিয়া নিজেও কিছু কথা লিখেছিলেন।
গ্রন্থ সুত্র
স্বাধীনতা যুদ্ধের আলোকে জিয়া-খালেদা-বিএনপি
অথ্যর
অধ্যাপক খোন্দকার মকবূল হোসেন।
গ্রন্থ সুত্র
স্বাধীনতা যুদ্ধের আলোকে জিয়া-খালেদা-বিএনপি
অথ্যর
অধ্যাপক খোন্দকার মকবূল হোসেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন