এই সুদীর্ঘ কালের দীর্ঘশ্বাসের শেষ কোথায়?
দিন আসে যায় বেলা, রাত ফুরিয়ে যায়, গ্রীষ্ম যায়, বর্ষা যায়, শরত, বসন্ত ফিরে যায় ; তবুও হাহাকার চলে যায় না।
গোলান উপত্যাকার দখল বাড়তে থাকে, হিমালয়ের ক্ষয়ে যাওয়া দেওয়াল থেকে জলের ধারা একটু একটু করে বেড়েই চলে।
পেট্রো ডলারের তাণ্ডবনৃত্যের সাথে এক একটা করে এতিমখানার বাড়বাড়ন্ত।
ট্রাফিক সিগনালে আটকে থাকি, হলুদবাতি জ্বলে ওঠে, এই বুঝি শুরু হবে দূরন্ত অভিযানের যাত্রা! রক্তের মত লাল রঙা বাতি এসে পথ রোধ করে! খামস।
শান্তির পায়রার দর ভালো। ঝাঁকে ঝাঁকে বার্তা চলতে থাকে মহামান্য বার্তা উড়াবেন বলে।শান্তির পায়রার পায়ে বাধা দড়ি আর পালকের অমিত সম্ভবনা জাগে, আজকের ফারাও রাজের মমী হবে সে।
সাগরের বক্ষে রুষ্ট দেবতা, ঝাঁপিয়ে পরে নিশিত সূর্যের দেশে, প্রশান্ত মহাসাগরের তটদেশ ধরে, মাঝি- মল্লার স্তবগান ভেসে আসে খরকূটোর মত ; ভগবানের অস্থির রক্ত কনা তবুও তুষ্ট হয় না।
নাকবোঁচা জাতি থেকে এন্টার্কটিকার বরফের নিচে টিকে থাকা শ্বেতাভ ভল্লুক অথবা আটলান্টিকের এপার ওপার জেগে ওঠা চর কোথাও নিরাশা এসে হাজিরা দেই না, স্বপ্নবাজ মানুষের মিছিলে আলোর মশাল জ্বলে।বিদঘুটে অন্ধকারের বুক ভেদ করে সেই ক্ষীন আলোর রেখা কাছে আসতে থাকে। মরিচীকা নয় তো!
জীবনের দাবী এসে অবুঝের মত হেসে আমার দীর্ঘশ্বাসের পাল্লা ক্রমেই ভারী করে চলে। একা এ শহরে আমি ভিজি, ভেজে মাঝি মাঝ দড়িয়া, রঙ চটা পুরাতন প্রাচীরে দাঁড়িয়ে ভিজে চলে একা দ্বারকার।
বৃষ্টিজল এসে ধুয়ে দিয়ে যাবে জীবনের সব কালো দাগ।আজকাল কালো কালো আত্মার বড্ড বেশী দাপট।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন