সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৪

দামি বার্গার

রেস্টুরেন্ট এর নাম
Honky tonk
স্থান : চেলসি
বার্গার খেতে চান কে কে? 
বিল দেবে নিমো আর নানা
উপকরন
১.সোনার পাত
২.গলদা চিংড়ি
৩.ক্যাভিয়ার
৪.গরু,র মাংস
৫.হররিনের মাংস
৬.হাসের ডিম
৭.জাফরান
খেতে হলে প্রি-বুকিং দিতে হবে তিন সপ্তাহ অর্থাৎ ২১ দিন আগে
প্রায় চর্বি বিহীন ২২০ গ্রাম গরুর মাংস আর নিউজিল্যান্ড থেকে আমদানি করা হরিনের মাংস।
গলদা চিংড়ী টা আনা হয় কানাডা থেকে,
সম্পূর্ন  বার্গারের ছিটানো থাকে পারস্য অর্থাৎ  ইরান থেকে কিনে আনা সবচে ভালো জাফরান।
Japan থেকে আনা  গ্রিন টি গুড়া করে অনেকটা গোল মরিচের মত করে দেওয়া হয় রুটি বা বা এর উপর।
আর হ্যা বান টাও কিন্তু  বিমানে করে ইমপোর্ট করে Honky Tonk রেস্টুরেন্ট লি:
আর লবন আসে কোথা থেকে জানেন ; One and only হিমালয়ান লবন।
সথে থাকে বয়েল করা হাসের ডিম।
ক্যালরি ইউনিট  " ২৬১৮ "
একজন পূর্ন বয়স্ক মানুষের দৈনিক প্রয়োজনের চেয়ে এই ক্যালরি কতটুকু বেশি  সেটা আমাদের ডাক্তাররাই ভালো বলতে পারবে।
দাম? 
মাত্র  £1,100

রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৪

খাও দাও

Institute কবলিতো এই দুনিয়াতে মরিচের জন্য আছে ইন্সটিটিউট।
International Chilli Institute এর মতে
Trinidad Moruga Scorpion হচ্ছে বিশ্ব মরিচের সবচে বড় মাতুব্বর।
লে চিপস যারা খেয়েছেন বা ইন্ডিয়ান সিরিয়াল যারা দেখেন তারা জ্বালাপিনো নাম টা অনেক শুনেছেন।
চিন্তা করেন তো এমন একটা মরিচ আপনি চিবিয়ে খাচ্ছেন !
ওয়েট ওয়েট এ সেকেন্ড !
এর চেয়ে ৪০০ গুন বেশি ঝাল ওয়ালা মরিচ এই "ত্রিনীদাদ মরুগা বিছা" মরিচ !
সাইজ জানতে চান?
আস্ত একটা গলফ বলের সমান এর সাইজ। 

বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৪

গোলাম আজমের মৃত্যুতে আগাচৌ

সরকার যদি একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও দণ্ডদান দ্রুত শেষ করত তাহলে নিজেরা দায়মুক্ত হতো এবং জামায়াতকেও অতীতের পাপের দায়মুক্ত হওয়ার কাজে সাহায্য জোগাতে পারত। কিন্তু বর্তমান সরকার কাদের বুদ্ধি-পরামর্শে চালিত হচ্ছে তা আমি জানি না। তারা দেশবাসীর এক বিরাট অংশের দাবি মেনে জামায়াতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করছে না; আবার যুদ্ধাপরাধী নেতাদের বিচার ও দণ্ডদান ঝুলিয়ে রেখে জামায়াতের তরুণ প্রজন্মের নেতা-কর্মীদের অতীতের দায়ভারমুক্ত হয়ে নতুনভাবে দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করছে না। এরপর গোলাম আজমের জানাজার ব্যাপারে সরকারের ভূমিকা দেশবাসীর জন্য রীতিমতো বিভ্রান্তিকর।

- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2014/10/28/144260#sthash.XnyuVYKX.dpuf

মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৪

গোস্ত রুটি

সাইদী সাহেবের চন্দ্র অভিযান ২ বার হলো না।

কারন  টা কি
ন্যায় বিচার?

কাদের সাহেবের ক্ষেত্রে যে আইনে শাস্তি বৃদ্ধী হল ; সেই একই আইনে সাইদী সাহেবের শাস্তি কমে গেলো।

আমি উনাদের পক্ষে বা বিপক্ষে কিচ্ছু বলছি না।  যা  খালি চোখে দেখা যাচ্ছে সেটাই বলার চেস্টা করছি।

সাইদী সাহেবের রায়
http://www.istishon.com/node/9520

অন্যদিকে কাদের মোল্যার রায়

http://m.prothom-alo.com/bangladesh/article/48100/Anti-Robot-GET-16be4a87aed49350ba87.swf

গন জাগরন মঞ্চ কতৃক সাইদি সাহেবের রায় প্রত্যাক্ষাত হবার পরে সরকার বাহাদূরের প্রতিক্রিয়া গজাম ষরযন্ত্রকারীদের তৈরি

http://www.onn24.com/details.php?id=3441/2014/09/18/গনজাগরন%20মঞ্চ%20ষড়যন্ত্রকারীদের%20সৃষ্টিঃ%20মায়া

মায়া চৌধুরী,র এই বক্তব্য,র আগে আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা,র  বক্তব্য ছিল এই রকম

"আমার মন পরে আছে শাহবাগে"

http://www.dailyjanakantha.com/news_view_all.php?nc=16&dd=2013-02-17

এই বক্তব্য লীপিবদ্ধ আছে সংসদীয় রেকর্ডে।

এই সময়ের আরো উল্লেখ যোগ্য ঘটনা
বিএনপি,র সাংগঠনিক দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে খোদ বিএনপি,র কাছেই জামাতের ১০০ সংসদীয় আসন দাবী করে বসা।

তারা আরো উদ্বুদ্ধকরণ করার চেস্টা করেছিল এই বলে যে ১০০ আসনের দাবি মেনে নেওয়া হলে তারা এক সপ্তাহের আন্দালনেই সরকার ফেলে দেবে।

লক্ষ করুন ১০০ আসনের আপাতত নিরীহ মামা বাড়ি,র দাবীর মধ্যেই তারা একটা সুক্ষ হুমকি দিচ্ছে বিএনপি কে।
যে বিএনপি তাদের জামাতী প্রস্তাবে নিমরাজি হলে সরকার পতন তাদের জন্য তেমন গুরুত্তপূর্ন নয় ; বরংচ আওয়ামীলীগ সরকারের সাথে আঁতাতবদ্ধ  হওয়াটা অধিক লাভজনক হবে কিনা তা জামাতে ইসলাম বিবেচনা,য় রাখার অধীকার রাখে।

http://24bangladeshnews.com/banglanews/?p=5166

এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়াটা  ছিল স্বভাবত একটা দূরহ কাজ।

কিন্তু BNP থিনক ট্যাংক এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে প্রমান করেছিল তারা বাংলাদেশ রাস্ট্রের জন্য রাজনীতি করেন,  শুধুমাত্র  ক্ষমতার জন্য না।

অনেকাংশে এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েই বিএনপি তার দলের চরম ক্ষমতালপ্সু অংশের বিরাগভাজন  হয়েছে এবং জামাত বুঝে গেছে বিএনপি,র কোলের মধ্যে বসবাস করে তাদের  ধর্ম কেন্দ্রিক ক্ষমতার গোস্ত রুটি খাওয়া খুব সহজ আর থাকবে না।

বর্তমান রাজনৈতিক সমীরন টা ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া করছে ঠিক এই জাইগাতেই।

শেখ হাসিনা জামাতী রাজনীতি'র অন্যতম রাজধানী আরব-আমিরাত এ বসেই জানালেন যে

"জামাত এখন আর হুমকি নয় "

অর্থাৎ শেখ হাসিনা মধ্যপ্রাচ্য কে এই মর্মে নিশ্চিত করতে চাইলেন

জামাতকে তোমরা বিএনপি,র জায়গাতে আসিন করতে পারো ; আমি শেখ হাসিনা নিজে তোমাদের অঞ্চলে এসে সাক্ষী দিচ্ছি যে

"I'll take care of Jamat-e-Islam"

"আমি নিজে জামাতের দেখভালো করবো"

নিরাপত্তার হুমকি নয় জামাত
http://mzamin.com/mobile/details.php?mzamin=NDc1NTY=&sMg==

দেখেন এই সফরে হাসিনা,র সফর সংগী খুব স্বাভাবিক ভাবেই হবার কথা ছিল প্রধান মন্ত্রীর মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত জেনারেল হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের।

অথছ তিনি অনুপ্সথিত।
ক্যান?

কারন জামাত In করলে ন্যাচারালী মর্জাদা হারাবে এরশাদের পার্টি।

So এরশাদ কোন অবস্থাতেই চাইবেন না জামাত কিছুটা সংহত অবস্থাতে আসুক।

অন্ততপক্ষে এরশাদের এই দুই দুয়ারী  সময়ে তো নয়ই।

জামাত কিভাবে তাদের দলীয় ক্ষুদ্র নেতা কর্মিদের সম্মতির বিষয় টা সরকার কে জানালো যাতে করে সরকার নিশ্চিত থে পারে যে জামাত যা করছে ; সেই ব্যপারে তার দলের সাধারন সাথীদের সম্মতী রয়েছে?

হ্যা জামাত অবশ্যই এই ব্যাপারে সরকার কে যেমন জানিয়েছে তেমনি মানসিক ভাবে প্রভাবিত করেছে নিজ দলের কর্মিদের।

প্রমান চান?

জী অধ্যাপক গোলাম আজমের লাশ কে সাক্ষীগোপাল রেখেই এই অলিখিত সমঝোতা স্মারক সাক্ষর  হয়েছে।

প্রধান মন্ত্রী  কে তার বৈধতা জানিয়েছেন সয়ং গোলাম আজম পুত্র

প্রধাম মন্ত্রী কে গোলাম আজম পুত্রের  ধন্যবাদ

http://www.kalerkantho.com/print-edition/last-page/2014/10/26/143629

শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৪

পক্ষ-আঘাত

বিচিত্র মানুষ,  বিচিত্র তাদের চরিত্র।

শীতের দেশের এক রকম মানুষ আবার গরম দেশের অন্য রকম মানুষ,  নাক বোচা মোংগলীয়ান বা চাইনিজ মানুস।আফ্রিকার কালো মানুষ আথবা বাংলাদশের অতি আশ্চর্য ব্রাউন কমপ্লেক্সনের মানুষ।


কারো শরীরের ধার বেশি তো কারো ভাড় বেশি।

কার খবর কে রাখে  !

আবহাওয়ার সাথে মিলিয়ে কত অদ্ভুত অদ্ভুত বৌচিত্র।

" আসরাফুল মাখলুকাত "

মানুষ জাতিরও ইচ্ছা হল তারা মানুষ গড়বে ; জীবন দানের ক্ষমতা নায় তো কি হয়েছে আকৃতি দানের (কু)বুদ্ধি তো আছে !


লম্বা গলাওয়ালা আদিবাসি মেয়ে দের তো দেখেছেন নিশ্চয়  National Geography চ্যানেলে। 

এই উপজাতির মানুষেরা জিনগত কারণে উচ্চতাতে ছোট হয়।

"পিগমী" বা হ্রস্য" এদের নাম।

এই ছোটত্ত থেকে বাচার জন্য চলে আপ্রান চেস্টা।

চেস্টার অংশ হিসাবে এরা এদের মেয়েদের গলাতে পরিয়ে দেয় এক ধরনের রিং। এই রিং স্প্রীং এর মত কিছুটা ; যাতে মাথা উঠানামা করতে, পথ চলতে সমস্যা না হয়।

গলার সাথে লাগানো অবস্থাতে এই রিং বাহ্যিক ভাবে কিছুটা কলস বা কলসী আকৃতি ধারন করে।

গলার বাইরে দিয়ে এই রিং এর কারনে তাদের গলা হয়ে যায় লম্বা যা তাদের তথাকতথিত খর্ব শরীরকে ক্ষেত্র বিশেষে ৮" পর্যন্ত অধিক লম্বা করতে পারে।

অন্যদিকে কনফুঁসিয়াসে,র নাক বোচা চৌনিক দের পা ছোট্ট বেলা থেকে আটকে রাখা হতো লোহা বা কাঠের জুতা দিয়ে যাতে করে পায়ের আকার বড় না হয়ে যায় ; এই লোহা/কাঠের জুতার নেগেটিভ ইতিহাস কে উজ্জ্য রাখলে নিশ্চিত বলা যায় অসুন্দর পা,কে সুন্দর সেপের ভেতর রাখার জন্যই ছিল চাইনিজ এবং জাপানিজ দের এই অন্তবিহীন প্রচেস্টা।

Now let's move to Pakistan. ডি ল্যান্ড অফ লেটেস্ট নোবেল লরিয়েট।

পাকিস্থানের গুজরাট অঞ্চলের কিছু মাজারে মাফিয়ারা মাজার সন্তানদের মাথা তে লোহার টুপি পরিয়ে দেন। এতে মাথা আর বড় হতে পারে না।

কান বড় হয়ে যায় চোখ বড় হয়ে যায় ; আটকে যায় শুধুমাত্র  মাথা,  সাথে সাথে আটকে যায় মগজ। 

ছোট স্থানের মাথাতে পর্যাপ্ত মগজের সংস্থান হয় না।
চেহারা হয়ে যায় কিছুটা ইদুরের মত। চুহা মানব এদের নাম।

ভিক্ষাবৃত্তি তে এদের জুড়ি মেলা ভাড়। মূলত মাজার কেন্দ্রিক ভিক্ষা জগতের বছররের কয়েক শত কোটি রুপি বানিজ্যের কংকাল এই "চুহা মানব" দের দল।

এবার চলে আসেন ডাইরেক্ট বাংলাদেশ ভায়া ইন্ডিয়া।

আমাদের এইখানে সার্কাসে বামুন দেখেছেন নিশ্চয়।
সার্কাস না দেখলেও " ইত্যাদি " দেখেছেন সবাই।

ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চাদের জন্মের এক দের মাস পর থেকেই রাখা শুরু হয় ছোট ছোট মাটির পাতিলের ভেতর।
বাচ্ছাদের খাওয়া,  পড়া, প্রসাব, পাইখানা সবই চলে ঐ  মাটির পাত্রের ভেতর।

আমি অবশ্য হানিফ সংকেতের "ইত্যাদি "র ঐ  শিক্ষিত বামুন ছেলেটার কথা বলছি না ; ও কিন্তু স্রস্টা,র সেচ্ছাচারিতা,য় এই উচ্চতা পেয়েছে।

এই প্রসেসে ওদের পার করা লাগে একটানা ৫ টি বসন্ত,  তার পরে  প্রতি ১৫ দিনে ২ দিনের বিরতী।

বুঝুন তাহলে মাটির হাড়ি কয়টি লাগে?

কে করে এই ইনভেস্টমেন্ট?  কেও কি করবে এর ইনভেস্টিগেশন ?

এদের কেও কিন্তু দূরের অচেনা,  অজানা মানুষের দ্বারা এমন পক্ষাঘাত গ্রস্থ জীবন পায় না।

এদের প্রায় প্রত্যেকের গল্পের পেছনে থাকে পারিবারিক নস্টামির অন্য একটা অন্ধকারের গল্প।

এমন অনুশীলন আমাদের পৃথিবী তে যেহেতু আছে তাই আছে আমাদের মহাদেশে,  আমাদের দেশেও।

ইদানিং ক্যান জানি মনে হচ্ছে আমাদের রাজনীতিতেও হয়তো এমন অনুশীলন শুরু হয়ে গিয়েছে ;

কে বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে "বাংলাদেশ জাতিয়তাবাদি দল" এই প্রক্রিয়ার বাইরেই আছে এখনো!

বন্ধুরা

"আর বলিতে পারি না
বড় বিষ জ্বালা এই বুকে "

শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৪

বেতন ভাতা

দেখে নিন আউটলুক এর তথ্য অনুযায়ী ফাইনান্সিয়াল এডভাইজার দের সর্বনিম্ন ও সর্বচ্চ বেতন।

এই বেতনভুক্তরা আমেরিকার বেস্ট অর্থনিতিবিদ।

http://money.usnews.com/careers/best-jobs/financial-adviser/salary

Indian মন্ত্রী দের বেতন

http://www.answers.com/Q/Salary_of_cabinet_ministers_inj_India

UN এর বেতন

https://careers.un.org/lbW/home.aspx?viewtype=SAL

Politics

২৩/১২/১৯৬৯

শেখ মুজিবুর রহমান
With
Deputy chief of mission
Mr.Sydny Sobar

মুজিব তার বিরুদ্ধে হত্যা ষরযন্ত্র প্রকাশ করে।

29/12/1969
মার্কিন কনস্যুলেট ঢাকা থেকে
এই তথ্য US Foreign minister
কে সরবরাহ করা হয়।

Document confidential Dhaka 3165

"মুজিব মনে করেন,ষরযন্ত্রকারীরা যদি মনে করে থাকেন যে পাকিস্থানের অখন্ডতা রক্ষায় তাকে সরিয়ে দেওয়াই সব থেকে শ্রেষ্ঠ উপায়, তবে পাগল ছাড়া তারা আর কিছু নয়।

তার  দৃর প্রত্যয় রয়েছে যে পশ্চিম পাকিস্থানীদের উস্কানিতে যদি তাকে হত্যা করা হয়,  অখন্ড পাকিস্থান রক্ষার শেষ সুযোগ হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে "

দেখুন শেখ মূজীব কিন্তু নিজ মুখেই বলছেন যে তিনি অবিভক্ত পাকিস্থান ধরে রাখার ক্ষেত্রে উপযোগি এবং প:পাকিস্থানীরা তাকে ভূল বোঝার মতো ভূল যেন না করে।

এই 3165 নং ডকুমেন্টটি মার্কিন সরকার প্রকাশ্যে আনে
৩০/০৬/২০০৫

শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৪

রক্ষীবাহিনী এবং বাঘা সিদ্দিকী

কাটা তোলার জন্য কন্টক ব্যাবহার উত্তম।

আনোয়ার উল আলম
রক্ষীবাহিনী 'র সেকেন্ড-ইন-কমান্ড
বলছেন

আমি প্রধান মন্ত্রী,র অফিস কক্ষে প্রবেশ করে দেখতে পাই; বংগবন্ধু  শেখ মুজিব রহমান ও সাবেক রাস্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী সোফায় বসে আছেন।

বংগবন্ধুর চেহারা দেখে মনে হল তিনি রাগান্বিত।  এতে আমি একটু আশ্চর্য হয়ে গেলাম। 

ভাবললাম আমি কি কোন ভূল করে ফেলেছি?

আমি বংগবন্ধুর সামনে  যেতেই তিনি আমাকে বললেন

'শোন, চৌধুরী সাহেবের পৈতৃক বাড়ি লতিফ দখল করেছে। ওই বাড়ী আজ রাতের মধ্যেই খালি করতে হবে'

সংগে সংগে ব্যাপারটা বুঝে গেলাম।

এ লতিফ টাংগাইল জেলার কালিহাতি থানা থেকে নির্বাচিত সাংসদ আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী।

তথ্য সুত্র
রক্ষীবাহিনীর সত্য-মিথ্যা
১০৬ পাতা

৫২ ধারা

৫২ তে বাংগালী বলেছিল
"ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চাই "

আফসোস্
২০১৪ তে এসে  আবারো বলতে হচ্ছে

"মা গো ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায় "

"বদলে গেছে রাজা ; রয়ে গেছে ছায়া"

সেই তো একই লোনা স্বাদ পরাধীনতার।

বলতে পারি না কথা ; আদালত অবমাননার ঠুনকো ছিদ্র যদি ফস্কে না যায়?

লিখতে পারি না আর মায়ের কথা ; অশুরের রক্ত চক্ষু আমাদের থামিয়ে দিতে চায়।

ভিন দেশী লম্বা জীহব্বা ঝোলা কুকুরের মত খাবলে খেতে চাই আমার লেখার অধিকার।

মা গো ওরা আমার লেখার ভাষা কাইরা নিতে চাই।

একই শেকল, একই কারাগার, সেই একই গাড়দ খানা ; পিশাচের খাকি রঙটা  বদলে গেছে।

বদলে গেছে আদর্শের বায়বীয় ত্যাগ।

মা গো শকুনের দল আমার
"মুখের ভাষা কাইয়া নিতে চাই
মা গো নব্য ক্ষমতা লোভীরর দল

ওরা আমার লেখার ভাষা কাইরা নিবার চাই "

৫২ ধারা বাতিল কর
মুখের ভাষা মুক্ত কর
লেখার অধিকার আদায় কর
বাক স্বাধীনতা মুক্তি পাক।

3D চাপ

গেরিলা যুদ্ধের ময়দানে প্রচলিত কথা হচ্ছে
"জলে স্থলে অন্তরিক্ষে"

শেখ মুজিবের ভাষায়
"হাতে মারবো,  ভাতে মারবো, পানিতে মারবো "

অত্যাধুনিক যুদ্ধবিদ্যা তে বলা হয়
"3 D" বা থ্রি ডাইমেনসন

কূটনীতি তে
Two track policy "

বাংলা ভাষার প্রবাদে বলা হয়
"গাছের টাও খাব ;নিচের টাও  কুড়াবো "

BNP কে বুঝতে হবে রাজনীতিতে জিততে হলে দুই হাত সমানে চালাতে তে হবে

সর্বভুক হতে হবে।

মদ্যাকথা চাপ প্রয়োগ  করতে হবে।
চাপ প্রয়োগটা হতে হবে দৃশ্যমান। এক প্রান্তে চাপ পরলে অন্য প্রান্ত আক্রান্ত না হলে সেই চাপ মূল্যহীন।

কূটনৌতিক চাপের কথা বিএনপি বলার চেস্টা করে বিভিন্ন ভাবে ; হ্যা কিছুটা অসস্তি হয়তো Diplomatic চ্যানেলে তৌরি হচ্ছে ;কিন্তু সেটার নাম কোন ভাবেই "চাপ" নয়।

দেখেন নিজেদের গ্রুপের পোস্ট ; আমাদের কথা বাইরে যাচ্ছে না

লক্ষ করেছেন কি ইদানীং কালের নেত্রী,র অধিকাংশ বক্তব্যের ভেতর বিদেশিদের সাথে সরকারের সুসম্পর্ক বা খারাপ সম্পর্ক এই বিষয়  চলে আসছেই অবধারিত ভাবে।

তাছাড়া বিদেশী চ্যানেল হ্যান্ডেলের ব্যাপারেও বিএনপি খুব বেশি পারদর্শিতা দেখাতে পারছে না।

উদাহরণ  চান?

UN এ বাংলাদেশের ৪০ বছর উতজাপনে বান-কি-মুন সাহেবের বিবৃতি আমরা লিক করাতে পেরেছি?

বান-কি-মুন  এর সাথে সাক্ষাৎ এর বিষয়ে যে গুমড় মানব জমিন ফাস করেছে তা প্রথমত ছিল বিএনপি,র দায়িত্ব। এই ক্ষেত্রে আমরা কি ব্যার্থ নয়?

যাই হোক কথা হচ্ছিল "চাপ" বিষয়ে

বিদেশী বা কূটনীতিক চ্যানেলের চাপ তখনই চাপ বলে মনে হবে যখন এই চাপ কে প্যারালাল সাপোর্ট দিতে পারবে ঢাকার রাজপথ।
সাথে থাকবে
অনলাইন যোদ্ধা
এবং
প্রশাসনের নিরব সমর্থন।

রাজপথের উর্ধশ্বাসে যখন পুলিস  রাইফেল ফেলে দৌড়াবে,

ছাত্রলীগ যখন গন-ধোলাই খাবার ভয়ে ভীত হয়ে পরবে

সচিবালয় যখন দ্রুত ফাইল পাস করবে,

মন্ত্রী বাহাদূরগন যখন পতাকা লুকিয়ে ঘোরাঘুরি করতে বাধ্য হবে

শুধুমাত্র তখন কূটনৈতিক চাপ কে চাপ  বলে প্রতিয়মান হবে।

আটলান্টিকের এপার ওপার হুলুস্থুলের আগে বুড়িগংগা নদীর এপার-ওপারে ঢেও তোলা টা অনেক বেশি  সময়ের দাবি।

জলে স্থলে অন্তরিক্ষে চাপ প্রয়োগ এখন একমাত্র সমাধান।

শনিবার, ৫ জুলাই, ২০১৪

Nœne 1

নাম্বার ওয়ান'রা সাধারণত বিনয়ী হয়।


এই বিনয় তাদের অবস্থান কে আরো গতিময় করে।  যেনম মেসি বা শচিন,  মোহাম্মদ আলি বা নিয়াজ মোর্সেদ।


বিপরিত ছবিও আছে যেমন শের্ন ওয়ার্ন, সাকিব।

রিকি পন্টিং এর এক সময়ের বেয়ারাপনা তো সকল সীমা অতিক্রম করেছিল।

আবার বিতর্কিত ভাবে ক্যাপ্টেন হবার পরে তিনি নিজেকে বদলে ফেলেছিলেন প্রায় ১৮০ ডিগ্রি ।।


কালো দের প্রতি অবিচারের প্রতিবাদে নিজের অর্জিত মহা মূল্যবান পদক পানি তে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন মোহাম্মদ আলী ।


আরো এক বক্সার বক্সিং রিং এ বিখ্যাত আথছ বিছানা তে কুখ্যাত । 
মাইক টাইসন তার নাম । যার নামের পাসে রেপ কেস আছে প্রায় পাচ টা ।
আর স্বেচ্ছায় বিছানাতে যাওয়া অনেক নারীর অভিযোগ সেক্সের শেষ মুহুর্তে এসে নাকি তিনি নারীদের কানের লতি তে কামড়ে দেন । 


ইতালির এক বিখ্যাত ফুটবলার পাওলো রসি "1982 সালের বিশ্বকাপ বিজয়ের নায়ক" আটক ছিলেন জেলে মাদক গ্রহণ মামলা তে । অভিযোগ ছিল তিনি নাকি মাফিয়া দের সাথেও প্রকাশ্যে খাতির রাখতেন ।


রিভার্স সুইঙ্গের দাদা ওয়াসিম আকরাম ছিলেন ম্যাচ পাতানোর জন্য সন্দেহের তালিকা তে ।


আর ডিয়াগো ম্যারাডোনা ! স্কেন্ডেল ছাড়া তার জীবনের কোন কদম পরতো না এক সময় ।
কোকেন , মারিজুয়ানা , আর গোপন সন্তানের মা" দের হুমকি তে ব্যাতিব্যাস্ত থাকতে হতো ক দিন আগেও ।
আজও তিনি ইতালি ঢুকতে অসস্তি বোধ করেন ট্যাক্স অফিসার দের কাছে হয়রানি হবার ভয়ে ।


নেয়াজ মোর্সেদের পরে সাকিব আল হাসান বাংলাদেশের স্পোর্টস আঈকন । 

বাংলাদেসের সব চে বড় আইকন যার থেকে ২য় আইকনের দূরত্য যোযন মাইল ;  সে সাকিব ।


অস্ট্রেলিয়ার প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ বিসয়ে কিছু বলতে চাইলে কথা শুরু করেন সাকিব আল হাসানের নাম দিয়ে ।
কান্ট্রি ব্র্যান্ড বলে যে টা আছে বাংলাদেশের তা একমাত্র সাকিব আল হাসান ।


অথছ বাস্তবতা হচ্ছে সাকিবের ইতরপনা  আর পরিমিতি বোধের ঘাটতি ।


কিন্তু ভূলে গেলে চলবে না তার বয়স অনেক কম এবং তার পরিচালকরা সারাক্ষণ মেতে থাকে অসভ্য রাজনীতি এবং টাকা কামানোর ধান্দা তে ।।
আর যারা তাকে প্রশ্ন গুলি করে ; তারা তাকে কিভাবে কোন টোনে প্রশ্ন করে সেই টাও এক বড় প্রশ্ন ।


রাজনৈতিক বেহাল্যা পানা দেখে আপনি নিশ্চয় বুঝতে পারেন আমাদের সাংবাদিকতা আর সাংবাদিক সমাজ কতটা সার্থপর আর চাটুকার ; 
তবে বক্সার মোহাম্মদ  আলি যখন ঢাকা সফর করেছিলেন তখন ঢাকা এয়ার পোর্টে আলি কে করা সাংবাদিকদের প্রশ্ন শুনলে সেই সাংবাদিক দের যোগ্যতা নিয়ে আপনি অবশ্যায় সন্দিহান হয়ে পরবেন ।

প্রশ্ন টা ছিল হুবুহ এই টা 

Sir how many cow's and goat's you eat today ?  



সেই আমলেই আমাদের সাংবাদিকরা সেলিব্রেটিদের স্পিকার বানাতে সিদ্ধহস্ত ।

তাই আমি নিশ্চিত বেয়ারা সাকিবের মুখ দিয়ে বাহির হয়ে আসা বেয়াদব মার্কা কথা টা শুধুই তার বেয়াদবি ; বাকিটা সাংবাদিকদের সাহায্যে বোর্ড পরিচালকদের কারিগরি  ।।


হয়তো কান্ট্রি লিজেন্ড আসরাফুলের মতো সাকিবের হারিয়ে যাবার পরেই আমরা জানতে পারবো  The inside story .









বুধবার, ২৫ জুন, ২০১৪

BNP এবং খালেদা জিয়া

হ্যা অবশ্যই বেগম খালেদা জিয়া অফিসিয়ালি প্রাক্তন প্রধান মন্ত্রী ব্যাতিত অন্য কিছু নন ।

তিনি প্রধান মন্ত্রী নন । বিরধী দলীয় নেত্রীও নন । এমন কি  ৩য় বেঞ্চের সংসদ সদস্যও নন ।

তার দলেও এমন কেও নাই যে বর্তমান সরকারের আমলে সুবিধা জনক বা লাভ জনক কোন সরকারী পদ বহন করছেন ।

উপরন্ত তিনি আইনের মার প্যেচে বন্দী ।নিয়মিত আদালতে হাজীরা দেওয়াই তাঁর বর্তমান নীয়তি ।
তাঁর রাজনৈতিক দলেকে কোন সচল কার্জক্রম চালাতে দেওয়া হয় না , কোন দলীয় মিশন থাকলে তাঁর দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় কে উপকারাগারের মতো মর্যদা নিয়ে পুলিশ র‍্যাব দ্বারা অবরুদ্ধ থাকতে হয় ।।

দলীয় অফিসের দেওয়াল ভেঙে মধ্যরাতে তাঁর সক্রিয় নেতাদের গ্রেফতার করা হয় ।
অপেক্ষাকৃত দূর্বল চিত্তের নেতা দের ভয় ভীতি দেখিয়ে রাজনৈতিক কার্জক্রম থেকে গুটিয়ে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে বা জোড় পূর্বক সরকারী এজেন্টে পরিণত হতে  প্রশাসনিক চাপ দেওয়া হচ্ছে । 

খুব সিম্পল একটা বিষয় লক্ষ করেন কংগ্রেসের মতো বিশাল  রাজনৈতিক দলকে তারা আওয়ামীলীগ প্রভাবিতো করে নিজেদের পকেটে আনতে ব্যাবহার করেছিল দেহ বা সম্পদ  বিক্রয় নীতি , 
দেশে জামাত-ই-ইসলাম যায়া তাদের আদি মিত্র ছিল তাদের বশে আনতে ব্যাবহার করে যাচ্ছে "রক্তের বদলা" টাইপ মুক্তিপণ নীতি , হেফাজতে ইসলাম কে পোষ মানাতে তাঁর  আমদানি করেছে "মদিনা সনদ" স্কুলের পাঠ্য বইয়ের ছবি পরিবর্তন আর টাকার বিনিময় মুল্য , জাতিয় পার্টির ক্ষেত্রে এরশাদের জীবন বাজী আর দলে  ভাঙ্গন খেলা  । এবং এই ক্ষেত্র গুলিতে তারাই বিজয়ীর হাসি হেসেছে ।

অথছ তাঁর  অনুগত্য ক্রয় করতে পারেনি BNP নেতা খালেদা জিয়ার কাছ থেকে । কোন ধরনের উপটোকন বা ব্ল্যাকমেইল তাঁর ক্ষেত্রে বিন্দু মাত্র উপযোগিতা এনে দেই নাই ।

BNP নেত্রী এবং তাঁর দলের উপর যে এত্ত এত্ত অনাচার তাঁর মূল একটাই ।BNP এর দলীয় আনুগত্ত ক্রয়  করেতে না পারা ।


যায় হোক প্রথমে যা বলছিলাম যে  বিএনপি নেত্রী এবং বিএনপি এই মূহুর্তে একমাত্র সরকারী নিবন্ধন ব্যাতিত সকল সরকারী আচারের বাইরে ।

প্রশ্ন হোল তারপরেও ক্যান ভিনদেশী সরকারী ব্যাক্তিরা বেগম জিয়া কে তাদের গুনতির ভেতর ধরছেন ?

ধরছেন কারণ তারা রাজনীতি করেন পর্যাপ্ত Study করে । তারা অতীত ইতিহাস বোঝেন , বোঝেন বর্তমানের গতিবিধি , তারা বোঝেন আন্তরজাতিক স্থিতীশিলতা এবং অন্যের সম্মান বজায় রেখে নিজের সার্থ আদায় , বোঝেন গনতন্ত্র , কূট-তন্ত্র ।

প্রফেশনাল Honesty আর প্রফেশনাল দায়বব্ধতা ।

এখানেই সবচে বেশি এগিয়ে গেছেন বেগম খালেদা জিয়া । বিশ্ব রাজনীতির বিগ ফিস যারা তারা প্রথমেই লক্ষ করেন Personality class আর চিন্তা চেতনা , জ্ঞান আর বোধের একাত্ততা ।

এই জাইগাতেই বেগম জিয়া'র সাথে বিশ্ব প্রেক্ষাপটে তাদের রাজনীতি করার মুল আগ্রহ ।

ঠিক এই জাইগাটাতেই পিছিয়ে পরেছেন আমাদের বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদ ।

তাঁর ইন্ডিয়ার প্রবাসে পরজীবী জীবন ; তাঁর চিন্তা চেতনার জাইগাটাকে খুব সীমাবদ্ধ করে ফেলেছে  ; ভারতের কংগ্রেস আর জ্যতি বসুর কমিউনিস্ট পাটীর ক্ষুদ্র আর স্যাত-স্যেতে করিডোরের স্থুল চিন্তার বাইরে তিনি এখন আর চিন্তা করতে পারছেন না । ঐ সময় তাঁর শেখা রাজনীতির বাইরের রাজনীতির সাথে তাই মাননীয়া প্রধান মন্ত্রী তাল মেলাতে পারছেন না । 

বিশ্ব রাজনীতির মহা-সমুদ্রে সাতার কাটার চেস্টা করেও তিনি সঠিক সঙ্গী পাচ্ছেন না  ; যেহেতু  বিশ্ব রাজনীতি এগিয়ে গিয়েছে তাঁর নিজস্ব গতিতে  আর শেখ হাসিনা এগিয়ে গেছেন সেই আদিম কংগ্রেস আর জ্যোতি বসুর উপনিবেশিক বুদ্ধিতে ।

তবে তাঁর আজকের এই পরিণতির জন্য তিনি শত ভাগ দায়ী নন ।
দায়ী তাঁর দলের অনুসৃত নীতি ; যেখানে মাওলানা ভাসানির মতো নেতা কে বাতিল করে শেখ মুজিবরের মতো মৌলপন্থী নেতাদের নীতি কে  আর্চনা করা হয় ।




বুধবার, ২৮ মে, ২০১৪

জাতীয়তাবাদী

জাতীয়তাবাদ এর আধুনিক দর্শন এবং সার্বিক ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখতে পারবেন 

"কোন ধরণের অভ্যুথান বা সংগ্রামে দেশ আর জাতির আত্ম উপলব্ধি  হয় , অর্থনৈতিক , সামাজিক , সাংস্কৃতিক , রাজনৈতিক ভাবে নিজস্বতার উপলব্ধির মাধ্যমে" ।

জাতীয়তাবাদের মূল চরিত্র হচ্ছে একজন ব্যাক্তি বা এক টি Moto র মাঝে তার আঞ্চলিকতার সমস্ত জনসত্তার মৌলিকতার অনুভুতি কে কেন্দ্রীভুত  করা ; এবং এই কাজ টা সম্ভব হয় তখনই যখন সকল ভাষাভাষী আর ধর্মের মানুষ কে একটা Platform এর নিচে আনা সম্ভব হয় । একটা বট বৃক্ষ জাতীয়তাবাদ তার ছায়া তলে "মানুষ" ।


পেছনের দিকে একটু তাকানো যাক ।

১৮০০ সালের আগে জাতীয়তাবাদ ছিল অন্ধকারের নিচে । তখন দেশ গুলিতে জাতীয়তাবাদের ভিত্তি ছিল ধর্ম যাকে পেছন থেকে আশির্বাদ করতো শাসক শ্রেণীর বংশধারা । তাদের  অধীনের মানুষ জন বাধ্য ছিল শাসকের আনুগত্য মানতে । কার্তার ইচ্ছাই কর্ম ধরনের জীবন ব্যাবস্থা ।

দেশ , জাতি , সমাজ এর গুরুত্তপুর্ন বিষয় এবং ভবিষ্যৎ নির্নায়ক নীতি তাদের অনুশীলন এবং অধিকারের বিষয় ছিল না মোটেও ।


ঐতিহাসিক ভাবে রাষ্ট্রীয় এবং আঞ্চলিক জাতীয়তাবাদ অগ্রসর হয়েছে পর্যায়ক্রমিক ধারা তে । কারিগরিক , সাংস্কৃতিক , সামাজিক , রাজনৈতিক এবং সর্বপোরি অর্থনৈতিক অগ্ররগতির সাথে তাল মিলিয়ে ।এখনে বিশেষ ভাবে নোট থাকা দরকার যে যোগাযোগ ব্যাবস্থার উন্নয়ন মানুষ কে তার কাছে দুরের পারিপার্শিক বিসয়ে সজাগ, সচেতন করেছে ; ফলশ্রুতুতে মানুসের অদম্য আকাঙ্ক্ষা বেড়েছে । 

প্রকারান্তরে এই বোধ টা জাতীয়তাবাদী মেধা আর বোধটাকেই ক্ষুরধার করেছে ।


আরো আছে মাতৃ ভাষা  ; যা কমন শিক্ষা ব্যাবস্থা হিসাবে ধনী আর দরিদ্র দের এক কাতারে  নিয়ে এসেছে ।এই ব্যাবস্থা  দরিদ্র শ্রেণীদের সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদকে জাগিয়ে দিয়ে তাদের জাতীয়তাবাদের মূল অনিভুতির সাথে একত্যা করে দিয়েছে ।

এই সাম্য শিক্ষার ফলেই সকল মানুষ  সমান ভাবে তাদের আদি পুরুষ বিষয়ে জানতে পেরেছে ফলে বঞ্চিত মানুষ একসাথেই শিখেছে যে তাদের সামাজিক অবস্থান যতই ভিন্ন হোক না ক্যান  ;তারা আসলে এক সুত্রেই বাঁধা  ।

এই সকল বোধ গুলিই মানুসের সংগ্রাম সচেতনতা বৃদ্ধি করে এবং সমগ্র জাতির বর্তমান আর ভবিশ্যাত উন্নয়নের  আকাঙ্ক্ষা তে দৃঢ় ও আপসহীন হতে অনুপ্রাণিত করে ।

ইউরোপ যে এত উন্নত হয়েছে ; সেখানে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে তাদের প্রায় একই রকম ভাষা আর গড়ন রয়েছে  যা তাদের উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগী হয়েছিল ।



খুব সাধারণ ভাবেই একটা রাষ্ট্রের জনগণ তাদের নিজেদের জন্য জাতীয়তা বা পরিচয় তৈরি বা নির্ধারন করে । 

তবে এই জাতীয়তা নিরূপণ  রাজনৈতিক চোখ দিয়ে করাটাই উত্তম ।
একটা কান্ড জ্ঞান সম্পন্য শাসক শ্রেণী তাদের নিজশ্যতা বজায় রেখে , সকল মানুষ কে অন্তভুক্ত করা যায় এমন পরিচয় নির্ধারন করে ।

যেখানে কেও অবজ্ঞার স্বীকার হবে না  অর্থাৎ সমনের পথ চলার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা থাকবে না  ; বিপ্লবের ফসলে প্রতি বিপ্লবের বীজ  থাকবে না ।

সার্বিক স্থিতিশীলতা , বিচ্ছিন্যতাবাদি মনোভাব রোধ করে সকল কে নিয়ে একযোগে এগিয়ে যেতে প্রয়োজন সেই কান্ডজ্ঞান বোধ সম্পন্ন জাতীয়তাবাদী সরকার , জাতিয়তাবোধ সম্পন্ন জনগণ এবং একজন এ্যাম্বিসাস রাষ্ট্র প্রধান ।


প্রাচিন Greece আর Rome এর জাতীয়তা তৈরি হয়েছিল নাগরিক এবং অনাগরিক উভয়ের সমন্নয়ে । 
এমন কোন সভ্য রাষ্ট্র দেখা যায় না যারা তাদের নাগরিকদের ভেতরের কোন একটা অংশ কে তাদের জাতীয় পরিচয় থেকে মুছে দিয়ে জাতীয়তা নির্ধারন করে । 




China  তে কিন্তু অনেক ধরনের  গোত্রীয় মানুসের বাস ; তাই সকল কে একসাথে তারা চাইনিজ । 

পৃথিবীর সব দেশের মানুসের অধিকার আমেরিকাতে।তারা আমেরিকান । 

বাঙ্গালি , চাকমা , মুরাং , মগ , রিফুইজী  এদের সকলে মিলে আমরা বাংলাদেশী ।
তাদের মধ্যে আমি বাঙগালি এই পরিচয় শুধুই সাম্প্রদায়িকতা ।


পরিনতো জাতীয়তাবাদের এই যুগেই তাই অভ্যুথ্যান ঘটে যেতে পারে যে কোন অবহেলাতেই যে কোন সময়েই । সেই অভ্যুথ্যানের পুর্ন অধিকার দিয়েছে জাতীয়তাবাদী শিক্ষা ।

তবে নিরবেও ঘটতে পারে কোন কোন অভ্যুথান ।

অভ্যুথান যে ভাবেই ঘটুক না কেন হয় তা ঘটে হয় শাসন যন্ত্রের পরিবর্তনের জন্য অথবা শাসন কৌশল পরিবর্তনের জন্য ।

এই পরিবর্তন ঘটাবার সময় মানুষ থাকে ঐক্যবদ্ধ , ইস্পাতের মতই দৃঢ় ।


প্রচলিত সমাজ ব্যাবস্থা যখন ব্যার্থ হয় ; জনমানুসের সামনে যখন বিকল্প পথ থাকে না ; সে রকম সময়ে যখন পরিমার্জিত  সমাজ সংস্কারের দর্শন উপস্থিত হয় ; মানুসের স্রোত তখন সেই নতুন আশার বিবেকটাকেই গ্রহণ করতে প্রস্তুত হয় , তখন মানুষ হিসাব করে না কত রক্ত ধুলাতে মিসবে । নিজের জীবনটাকেও হাতে করে বিলি-বন্টন করে দিতে প্রস্তুত থাকে মানুষ ; যদি সে জানে আলো আসবেই , পরিবর্তন সু নিশ্চিত ।


উধাহরন চাও ? 
মনে করে দেখ ইরানের কথা অ্যামেরিকার সমর্থন পুস্ট "শাহ্‌" রাজত্য কে কিভাবে নির্বংশ করে সেখানে বিজয় এনেছিল "খোমেনি" দর্শন ।

ক্যামন করে গনতন্ত্রের সূতিকাগার ব্রিটেনে রাজ শাসন কে বিষ বিহীন করে গন মানুসের শাসন শুরু হয়েছিল ! 


আর আমার বাংলাদেশ ! সে কথা না হয় নাই বা বললাম ! 

২৬ সে মার্চের কালুর ঘাটের পরে আবারো এক দুর্যোগে কে আমাকে Light House হয়ে পথ দেখিয়েছিল ; তা ঠিক মনে নেই আমার ! 







শনিবার, ১৭ মে, ২০১৪

BNP এর কাছে প্রশ্ন ?


আওয়ামীলীগের মেরুদন্ড পরাজিত হয়েছে ।

এই মুহুর্তে যোগ্যতার সাথে কিছু পদক্ষেপ নিতে পারলে আওয়ামীলীগ ১০১৫ সালে ক্ষমতাতে থাকার আশা করতে পারবে না ।

সেই ক্ষেত্রে পথ প্রশস্থ বিএনপি 'র জন্য ।

এখন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কর্নধার বিএনপি এর কাছে দলের একজন চোদনা কর্মি হিসাবে কিছু জানার আছে ।
সেই প্রশ্ন গুলীই করছি ।

১।  মইন আহাম্মেদ আর ফকরুদ্দিন কে কোন ধরনের বিচারের আওতাতে আনবে কি না ?

২। তাদের আমলে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে ঘটিত আর্মি কু-কর্মের সঠিক বিচার করবে কি না ?

৩। শেখ মুজীব হত্যা কান্ডের জন্য তোফায়েল আহাম্মেদ কে দোষী প্রমানের জন্য আন্তরিক চেস্টা কি চালাবে ?

৪। হাসানুল হক ইনু কে কাজী আরিফ হত্যা কান্ডের জন্য ফাসি তে ঝুলাতে সাহস পাবে কি ?

৫।ফকরুদ্দিন আহাম্মেদ বিদেশি পাস্পোর্ট ধারি ; সেই ব্যাক্তি র কর্মকান্ড কে বৈধ ঘোষণার মাধ্যমে অবৈধ সরকার কে উৎসাহিত করার অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বৈধ সরকার উতখাতের আইনি অভিযোগ আনবে কি না ?

৬। ইন্ডিয়ার ৭ সিস্টার্সে আবার উলফা কে চাঙ্গা করার সাহস রাখবে কি      না ?

৭। মদিনা সনদ বাস্তবায়নের কথা বলাতে আওয়ামীলীগ এবং হাসিনার      বিরুদ্ধে ইসলাম অবমাননার অভিযোগ আনা হবে কি না ।

৮।ইন্ডিয়ার সাথে করিডোর বাতিল করে অর্থ পুর্ন ট্রানজিট চালু হবে কি      না ।
৯।DGFI এর উর্ধতন জেনারেল দের ফাসির আদেশ দীর্ঘ সুত্রিতার মধ্যে ফেলে রাখবে না কি তাদের সসম্মানে মুক্তি দেবে ?

১০। "আর্মি" দের সামরিক প্রশিক্ষণে পুনরাই শত্রু সিমান্ত হিসাবে         ভারতীয় সিমান্ত কে পুনবিন্যাস করতে পারবে কি ?

১১। যুদ্ধ অপরাধী এবং জামাত শিবির ইস্যুর চির যবনিকাপাত ঘটাতে পারবে কি না ।


১২।দুদক কে স্বাধীন করে সরকারী কর্মকত্তা দের ; রাজনৈতিক অনুমোদন ছাড়াই দুদকের তদন্তের আওতাতে আনবে কিনা ?


১৩।বর্তমানের  এজেন্ট নেতা ও অপদার্থ নেতা যেমন  খোকা , মওদুদ , টুকু দের জেলের ভাত খাওয়াবে কি না ?

১৪।প্রথম আলো বা ৭১ টিভির মতো উগ্র মিডীয়া দের বাতিল করবে কি না ?


১৫। আমাদের মতো বর্তমানে সরকারের সমালোচনাকারি যারা ভবিশ্যতে হয়তো বিএনপি সরকারের জন্য আরো উগ্র সমালোচনা বয়ে আনতে পারি তাদের ব্যাপারে কি মনোভাব দেখাবে ?

১৬।সিমান্তে ১ জন বাংলাদেশী হত্যা করা হলে তীব্র প্রতিবাদের বাইরে পৌরুষ দিপ্ত কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে ?

১৭। অপারেশন ক্লিন হার্টের জন্য ক্ষমা চাইবে কি না এবং এই ধরনের অপারেশন আবারো চালাবে কি না ?



১৮। মন্ত্রী সভা তে কাওকে স্থান দেবার আগে তার প্রফেসনাল এবং রাজনৈতিক অবস্থান কোন পদ্ধতিতে যাচায় করা হবে ?


১৯। মোসাদ্দেক আলি ফালু আর ফারুফ কামাল খান , বা আব্দুল আওয়াল মিন্টু দের কে আবারো লাইম লাইটে আনা হবে কি না ?

২০। " সঙ্গ দোষে লোহা ভাসে" অতএব  প্রধান মন্ত্রী এবং দলীয় প্রধানের ব্যাক্তিগত , রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক  কর্ম ক্ষেত্রে ব্যাক্তিগত সচিব নিয়োগ কোন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে দেওয়া হবে তা কর্মি বাহিনী কে জানাতেই হবে ।
এই পয়েন্ট টা অনেকাংশে সরকারের সাফল্য ব্যার্থতার নির্নায়ক ।




আপাতত আমার মনে এই প্রশ্ন গুলীই আসলো । এমন আরো হাজারো প্রশ্ন আছে নিশ্চয় আপনাদের কাছে যেগুলির Non technical এবং স্পস্ট উত্তর আমাদের ভবিষ্যৎ সরকার কে চরম উতকর্সের দিকে নিয়ে যেতে পারে । বাংলাদেশ কে জিয়ার সেই কর্মঠ বাংলাদেশ বানাতে পারে , ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পরের আশাবাদী জাপান বানাতে পারে , শূন্য থেকে শীর্সে পৌঁছানো মাহাতির মাহমুদের মালয়েশিয়া বানাতে পারে ।

দয়া করে বলে বসবেন না অতীত নিয়ে ত্যানা পেচাবেন না , আমরা ভবিষ্যৎ মুখি দল , ব্লা , ব্লা ব্লা , , ,  অতীত হচ্ছে ফাউন্ডেশনের মত ; সেটা ঠিক না থাকলে স্থাপনা ভেঙ্গে না পরলেও টেকশই হবে না ।








রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৪

Buffalo soldier

Buffalo soldier, dreadlock rasta: 
There was a buffalo soldier in the heart of america, 
Stolen from africa, brought to america, 
Fighting on arrival, fighting for survival. 

I mean it, when I analyze the stench - 
To me it makes a lot of sense: 
How the dreadlock rasta was the buffalo soldier, 
And he was taken from africa, brought to america, 
Fighting on arrival, fighting for survival. 

Said he was a buffalo soldier, dreadlock rasta - 
Buffalo soldier in the heart of america. 

If you know your history, 
Then you would know where you coming from, 
Then you wouldn't have to ask me, 
Who the 'eck do I think I am. 

I'm just a buffalo soldier in the heart of america, 
Stolen from africa, brought to america, 
Said he was fighting on arrival, fighting for survival; 
Said he was a buffalo soldier win the war for america. 

Dreadie, 
woy yoy yoy, woy yoy-yoy yoy, 
Woy yoy 
Buffalo soldier troddin' through the land
Said he wanna ran, then you wanna hand 
Troddin' through the land

Said he was a buffalo soldier win the war for America
Buffalo soldier, dreadlock rasta 
Fighting on arrival, fighting for survival; 
Driven from the mainland to the heart of the caribbean. 

Troddin' through san juan in the arms of america; 
Troddin' through jamaica, a buffalo soldier 
Fighting on arrival, fighting for survival: 
Buffalo soldier, dreadlock rasta. 

Woy yoy yoy
Woy yoy-yoy yoy, 

নজরুলের গান 'স


সুরে ও বাণীর মালা দিয়ে 
তুমি আমারে ছুঁইয়াছিলে।
অনুরাগ-কুমকুম দিলে দেহে মনে
বুকে প্রেম কেন নাহি দিলে?
বাঁশি বাজাইয়া লুকায়ে তুমি কোথায়?
যে ফুল ফুটালে সে ফুল শুকায়ে যায়
কি যেন হারায়ে প্রাণ করে হায় হায়
কি যে চেয়েছিলে কেন কেড়ে নাহি নিলে।
জড়ায়ে ধরিয়া কেন ফিরে গেলে
বল কোন অভিমানে?
কেন জাগে নাকো আর সে 
মাধুরী রস আনন্দ প্রাণে?
তোমারে না বুঝে বুঝেছিনু আমি ভুল
এসেছিলে তুমি ফোটাতে প্রেম-মুকুল
কেন আঘাত হানিয়া প্রিয়তম 
সেই ভুল নাহি ভাঙাইলে?           


চাঁদ হেরিছে চাঁদমুখ তার সরসীর আরশিতে
ছোটে তরঙ্গ বাসনা ভঙ্গ সে অঙ্গ পরশিতে।

হেরিছে রজনী রজনী জাগিয়া
চকোর উতলা চাঁদের লাগিয়া
কাঁহা পিউ কাঁহা ডাকিছে পাপিয়া
কুমুদীরে কাঁদাইতে।

না জানি সজনী কত সে রজনী
কেঁদেছে চকোরী পাপিয়া
হেরেছে শশীরে সরসী মুকুরে
ভীরু ছায়া তরু কাঁপিয়া।

কেঁদেছে আকাশে চাঁদের ঘরণী
চিরবিরহিণী রোহিণী ভরণী
অবশ আকাশ বিবশা ধরণী

কাঁদানীয়া চাঁদিনীতে।।

কেন আনো ফুলডোর আজি বিদায় বেলা
মোছ মোছ আঁখিলোর যদি ভাঙ্গিল মেলা।
কেন মেঘের স্বপন আনো মরুর চোখে
ভুলে দিয়ো না কুসুম, যারে দিয়েছো হেলা।
যবে শুকালো কানন এলে বিধুর পাখি
লয়ে কাঁটা ভরা প্রাণ, এ কি নিঠুর খেলা।
যদি আকাশকুসুম পেলি চকিতে কবি
চল চল মুসাফির ডাকে পারের ভেলা।
আছে বাহুর বাঁধন তব শয়ন সাথী
আমি এসেছি একা, আমি চলি একেলা।।  


লায়লী তোমার এসেছে ফিরিয়া মজনুঁ গো আঁখি খোলো।
প্রিয়তম! এতদিনে বিরহের নিশি বুঝি ভোর হলো।।
মজনুঁ! তোমার কাঁদন শুনিয়া মরু–নদী পর্বতে
বন্দিনী আজ ভেঙেছে পিঞ্জর বাহির হয়েছে পথে।
আজি দখিনা বাতাস বহে অনুকূল,

ফুটেছে গোলাপ নার্গিস ফুল,
ওগো বুলবুল, ফুটন্ত সেই গুলবাগিচায় দোলো।।
বনের হরিণ–হরিণী কাঁদিয়া পথ দেখায়েছে মোরে,
হুরী ও পরীরা ঝুরিয়া ঝুরিয়া চাঁদের প্রদীপ ধ’রে।

আমার নয়নে নয়ন রাখিয়া
কি বলিতে চাও, হে পরান–পিয়া!
নাম ধ’রে ডাকো ডাকো মোরে স্বামী

ভোলো অভিমান ভোলো।।



আশা
হয়তো তোমার পাবো দেখা,
যেখানে ঐ নত আকাশ চুমছে বনের সবুজ রেখা।
ঐ সুদূরের গাঁয়ের মাঠে
আলের পথে বিজন ঘাটে
হয়তো এসে মুচকি হেসে
ধরবে আমার হাতটি একা।

ঐ নীলের ঐ গহন-পারে ঘোম্‌টা-হারা তোমার চাওয়া
আনলে খবর গোপন দূতী দিক্‌পারের ঐ দখিন হাওয়া।

বনের ফাঁকে দুষ্টু তুমি
আস্তে যাবে নয়্ন চুমি
সেই সে কথা লিখছে হোথা
দিগন্তের অরুণ-লেখা।।



তব গানের ভাষায় সুরে বুঝেছি বুঝেছি বুঝেছি
এত দিনে পেয়েছি তারে আমি যারে খুঁজেছি।।
ছিল পাষাণ হয়ে গভীর অভিমান
সহসা, এলো সহসা আনন্দ-অশ্রুর বান।
বিরহ-সুন্দর হয়ে সেই এলো
দেবতা বলে যাঁরে পুজেছি
বুঝেছি বুঝেছি বুঝেছি।।
তোমার দেওয়া বিদায়ের মালা পুন প্রাণ পেল প্রিয়
হ’য়ে শুভদৃষ্টি মিলন-মালিকা বুকে ফিরে এলো – এলো প্রিয়।
যাহারে নিষ্ঠুর বলেছি
নিশীথে গোপনে কেঁদেছি
নয়নের বারি হাসি দিয়ে মুছেছি
বুঝেছি বুঝেছি বুঝেছি।।



আজো বলে কোয়েলিয়া
চাঁপাবনে প্রিয় তোমারি নাম গাহিয়া ।।
তব স্মৃতি ভোলেনি চৈতালি সমীরণ,
আজো দিকে দিকে খুঁজে ফেরে কাঁদিয়া ।।
নিশীথের চাঁদ আজো জাগে
ওগো চাঁদ, তব অনুরাগে ।
জল ধারা উথলে যমুনার সৈকতে
খোঁজে তরুলতা ফুল আঁখি মেলিয়া ।।



না মিটিতে সাধ মোর নিশী পোহায়
গভীর আঁধার ছেয়ে আজো হিয়ায়
আমার নয়ন ভরে এখও শিশির ঝরে
এখনও বাহুর পরে বধু ঘুমায়
এখনও কবরী মূলে কুসুম পড়েনি ঢুলে
এখনও পড়েনি খুলে মালা খোঁপায়
নিভায়ে আমার বাতি পোহালো সবার রাতি
নিশী জেগে মালা গাথি প্রাতে শুকায়

\
মেঘলা নিশি ভোরে মন যে কেমন করে
তারি তরে গো মেঘ-বরণ যার কেশ।
বুঝি তাহারি লাগি’ হয়েছে বৈরাগী
গেরুয়া রাঙা গিরিমাটির দেশ।।
মৌরি ফুলের ক্ষেতে, মৌমাছি ওঠে মেতে
এলিয়েছিল কেশ কি গো তার এই পথে সে যেতে।
তার ডাগর চোখের ঝিলিক লেগে রাত হয়েছে শেষ (গো)।।
শিরিষ পাতায় ঝিরিঝিরি, বাজে নূপুর তারি
সোনাল ডালে দোলে তাহার কামরাঙা রঙ শাড়ি।
হয়েছি মন-ভিখারি কোন্‌ শিকারি আমি
উঠি পাহাড় চূড়ায়, ঝর্না জলে নামি
কালো পাথর দেখে জাগে কার চোখের আবেশ গো।।



মধুকর মঞ্জীর বাজে বাজে গুন্‌ গুন্‌ মঞ্জুল গুঞ্জরণে
মৃদুল দোদুল নৃত্যে বন শবরী মাতে কুঞ্জবনে।
বাজায়ছে সমীর দখিনা
পল্লবে মর্মর বীণা
বনভুমি ধ্যান-আসীনা
সাজিল রাঙা কিশলয় বসনে।
ধূলি-ধূসর প্রান্তর পরেছিল গৈরিক সন্ন্যাসী সাজ
নব দূর্বাদল শ্যাম হলো আনন্দে আজ।
লতিকা বিতানে ওঠে ডাকি
মুহু মুহু ঘুমহারা পাখি
নব নীল অঞ্জন মাখি
উদাসী আকাশ হাসে চাঁদের সনে।।

চাঁদের কন্যা চাঁদ সুলতানা, চাঁদের চেয়েও জ্যোতি |
তুমি দেখাইলে মহিমান্বিতা নারী কি শক্তিমতী ||
শিখালে কাঁকন চুড়ি পরিয়াও নারী,
ধরিতে পারে যে উদ্ধত তরবারি,
না রহিত অবরোধের দুর্গ, হতো না এ দুর্গতি ||
তুমি দেখালে নারীর শক্তি স্বরূপ — চিন্ময়ী কল্যাণী,
ভারত জয়ীর দর্প নাশিয়া মুছালে নারীর গ্লানি |
তুমি গোলকুন্ডার কোহিনূর হীরা সম,
আজো ইতিহাসে জ্বলিতেছ নিরুপম ;
রণরঙ্গিণী ফিরে এস,
তুমি ফিরিয়া আসিলে ফিরিয়া আসিবে লক্ষ্ণী ও সরস্বতী ||

http://banglasonglyrics.com/11004/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8/





রুম্ ঝুম্ ঝুম্ ঝুম্ রুম্ ঝুম্ ঝুম্
খেজুর পাতার নূপুর বাজায়ে কে যায়।
ওড়না তাহার ঘূর্ণি হাওয়ায় দোলে
কুসুম ছড়ায় পথের বালুকায়।।
তার ভুরুর ধনুক বেঁকে ওঠে তনুর তলোয়ার,
সে যেতে যেতে ছড়ায় পথে পাথর-কুচির হার।
তার ডালিম ফুলের ডালি গোলাপ-গালের লালি
ঈদের-চাঁদ ও চায়।।
আরবি ঘোড়ায় সওয়ার হয়ে, বাদ্‌শাজাদা বুঝি
সাহারাতে ফেরে সেই মরীচিকা খুঁজি
কত তরুণ মুসাফির পথ হারালো, হায়!
কত বনের হরিণ মরে তারি-রূপ তৃষায়।।

মনে পড়ে আজ সে কোন্‌ জনমে
বিদায় সন্ধ্যাবেলা-
আমি দাঁড়ায়ে রহিনু এপারে
তুমি ওপারে ভাসালে ভেলা।।
সেই সে বিদায় ক্ষণে
শপথ করিলে বন্ধু আমার
রাখিবে আমারে মনে,
ফিরিয়া আসিবে খেলিবে আবার
সেই পুরাতন খেলা।।
আজো আসিলে না হায়,
মোর অশ্রুর লিপি বনের বিহগী
দিকে দিকে লয়ে যায়,
তোমায়ে খুঁজে না পায়।
মোর গানের পাপিয়া ঝুরে
গহন কাননে তব নাম লয়ে
আজো পিয়া পিয়া সুরে;
গান থেমে যায়, হায় ফিরে আসে পাখী
বুকে বিঁধে অবহেলা।।
                 জানি জানি প্রিয়
এ জীবনে মিটিবে না সাধ
সা–ধ এ জীবনে মিটিবে না সাধ ।।
আমি জলের কুমুদিনী ঝরিব জলে
তুমি দূর গগনে থাকি কাঁদিবে চাঁদ
এ জীবনে মিটিবে না সাধ
সা–ধ এ জীবনে মিটিবে না সাধ ।।
আমাদের মাঝে বধু বিরহ বাতাস
চিরদিন খেলে যাবে নীরব শ্বাস ।।
পাইনা বুকে মোরা পাইনা বুকে
তবু মুখে মুখে চাঁদ কুমুদীর নামে রটে অপবাদ
এ জীবনে মিটিবে না সাধ
সা–ধ এ জীবনে মিটিবে না সাধ ।।
তুমি কতদূরে বধু
তবু বুকে এত মধু কেন উতলায় ।।
হাতের কাছে রহ প্রাতের চাঁদ
ধরা নাহি যায়
তবু ছোয়া নাহি যায়
মরু তৃষা লয়ে কাঁদে শূন্য হিয়া
তবু সকলে বলে আমি তোমারই প্রিয়া
বলে তোমারই প্রিয়া ।।
সেই কলংক গৌরব সৌরভ দিল গো ।।
মধুর হলো তাই বিরহ বিষাদ
এ জীবনে মিটিবে না সাধ ।।
সা–ধ এ জীবনে মিটিবে না সাধ
জানি জানি প্রিয়
এ জীবনে মিটিবে না সাধ ।।
সা–ধ এ জীবনে মিটিবে না সাধ

মোর ঘুম ঘোরে এলে মনোহর
নম নম নম নম নম নম
শ্রাবণ মেঘে নাচে নটবর
রম ঝম ঢম ঢম ডম ঢম

শিয়রে বসে চুপি চুপি চুমিলে নয়ন
মোর বিকশিল আবেশে তনু
নিপসম নিরুপম মনোরম
মোর ঘুম ঘোরে

মোর ফুলবনে ছিল যত ফুল
ভরি ডালি দিনু ঢালি দেবতা মোর
হায় নিলে না সে ফুল
ছি ছি বে ভুল
নিলে তুলে খোঁপা খুলে কুসুম ডোর
স্বপনে কিযে কয়েছি তাই
গিয়াছ চলে
জাগিয়া কেঁদে ডাকি দেবতায়
প্রিয়তম প্রিয়তম প্রিয়তম ।


আধো আধো বোল লাজে বাধো বাধো বোল
বলো কানে কানে
যে কথাটি আধো রাতে মনে লাগায় দোল
বলো কানে কানে
যে কথার কলি সখি আজো ফুটিল না
সরমে মরম পাতে দুলে আনমনা
যে কথাটি ঢেকে রাখে বুকের আঁচল ।।
বলো কানে কানে
আধো আধো বোল লাজে বাধো বাধো বোল
বলো কানে কানে
আধো আধো বোল
যে কথা লুকানো থাকে লাজ নত চোখে
না বলিতে যে কথাটি জানাজানি লোকে
যে কথাটি ধরে রাখে অধরের কোল ।।
বলো কানে কানে
আধো আধো বোল লাজে বাধো বাধো বোল
বলো কানে কানে
আধো আধো বোল
যে কথা কহিতে চাহ বেশ ভুষার ছলে
যে কথা প্রকাশ তব দেহে পলে পলে
যে কথাটি বলিতে সই গালে পড়ে টোল
বলো কানে কানে
আধো আধো বোল লাজে বাধো বাধো বোল
বলো কানে কান
আধো আধো বোল
ফুলের জলসায় নীরব কেন কবি
ভোরের হাওয়ায় কান্না পাওয়ায় তব ম্লান ছবি
নীরব কেন কবি।।
যে বীণা তোমার পায়ের কাছে
বুক ভরা সুর লয়ে জাগিয়া আছে
তোমার পরশে ছড়াক হরষে
আকাশে বাতাসে তার সুরের সুরভি
নীরব কেন কবি।।
তোমার যে প্রিয়া
গেল বিদায় নিয়া
অভিমানে রাতে
গোলাপ হয়ে ফুটুক তাহারই কামনা
উদাস প্রাতে
ফিরে যে আসবে না ভুলো তাহারে
চাহ তাহার পানে দাঁড়ায় যে দ্বারে
অস্ত চাঁদের বাসনা ভুলাতে
অরুণ অনুরাগে উদলি রবি
নীরব কেন কবি।।

খেলিছে জলদেবী সুনীল সাগর জলে
তরঙ্গ লহর তোলে লীলায়িত কুন্তলে।।
জল ছল ঊর্মী নূপুর শ্রোতনীরে বাজে সুমধুর
জল চঞ্চল ছল কাঁকন কেউর
ঝিনুকের মেখলা কটিতে দোলে।।
আনমনে খেলে চলে বালিকা
খুলে পড়ে মুকুতা মালিকা
হরষিত পারাবারে ঊর্মী জাগে
লাজে চাঁদ লুকালো গগন তলে।।
                                            নহে নহে প্রিয় এ নয় আখিঁজল।
মলিন হয়েছে ঘুমে চোখের কাজল।।
হেরিয়া নিশি প্রভাতে শিশির কোমল পাতে।
ভাগ্য বুঝি বেদনাতে কেঁদেছে কমল।।
মরুতে চরণ খেলে কেন বল মৃগ এলে।
সলিল চাহিতে প্রেমে মরীচিকা ছায়।।
এ শুধু শীতের মেঘে ক ফুটো কুয়াশা লেগে।
ছলনা উঠেছে জেগে এ নহে বাধন।।