বিচিত্র মানুষ, বিচিত্র তাদের চরিত্র।
শীতের দেশের এক রকম মানুষ আবার গরম দেশের অন্য রকম মানুষ, নাক বোচা মোংগলীয়ান বা চাইনিজ মানুস।আফ্রিকার কালো মানুষ আথবা বাংলাদশের অতি আশ্চর্য ব্রাউন কমপ্লেক্সনের মানুষ।
কারো শরীরের ধার বেশি তো কারো ভাড় বেশি।
কার খবর কে রাখে !
আবহাওয়ার সাথে মিলিয়ে কত অদ্ভুত অদ্ভুত বৌচিত্র।
" আসরাফুল মাখলুকাত "
মানুষ জাতিরও ইচ্ছা হল তারা মানুষ গড়বে ; জীবন দানের ক্ষমতা নায় তো কি হয়েছে আকৃতি দানের (কু)বুদ্ধি তো আছে !
লম্বা গলাওয়ালা আদিবাসি মেয়ে দের তো দেখেছেন নিশ্চয় National Geography চ্যানেলে।
এই উপজাতির মানুষেরা জিনগত কারণে উচ্চতাতে ছোট হয়।
"পিগমী" বা হ্রস্য" এদের নাম।
এই ছোটত্ত থেকে বাচার জন্য চলে আপ্রান চেস্টা।
চেস্টার অংশ হিসাবে এরা এদের মেয়েদের গলাতে পরিয়ে দেয় এক ধরনের রিং। এই রিং স্প্রীং এর মত কিছুটা ; যাতে মাথা উঠানামা করতে, পথ চলতে সমস্যা না হয়।
গলার সাথে লাগানো অবস্থাতে এই রিং বাহ্যিক ভাবে কিছুটা কলস বা কলসী আকৃতি ধারন করে।
গলার বাইরে দিয়ে এই রিং এর কারনে তাদের গলা হয়ে যায় লম্বা যা তাদের তথাকতথিত খর্ব শরীরকে ক্ষেত্র বিশেষে ৮" পর্যন্ত অধিক লম্বা করতে পারে।
অন্যদিকে কনফুঁসিয়াসে,র নাক বোচা চৌনিক দের পা ছোট্ট বেলা থেকে আটকে রাখা হতো লোহা বা কাঠের জুতা দিয়ে যাতে করে পায়ের আকার বড় না হয়ে যায় ; এই লোহা/কাঠের জুতার নেগেটিভ ইতিহাস কে উজ্জ্য রাখলে নিশ্চিত বলা যায় অসুন্দর পা,কে সুন্দর সেপের ভেতর রাখার জন্যই ছিল চাইনিজ এবং জাপানিজ দের এই অন্তবিহীন প্রচেস্টা।
Now let's move to Pakistan. ডি ল্যান্ড অফ লেটেস্ট নোবেল লরিয়েট।
পাকিস্থানের গুজরাট অঞ্চলের কিছু মাজারে মাফিয়ারা মাজার সন্তানদের মাথা তে লোহার টুপি পরিয়ে দেন। এতে মাথা আর বড় হতে পারে না।
কান বড় হয়ে যায় চোখ বড় হয়ে যায় ; আটকে যায় শুধুমাত্র মাথা, সাথে সাথে আটকে যায় মগজ।
ছোট স্থানের মাথাতে পর্যাপ্ত মগজের সংস্থান হয় না।
চেহারা হয়ে যায় কিছুটা ইদুরের মত। চুহা মানব এদের নাম।
ভিক্ষাবৃত্তি তে এদের জুড়ি মেলা ভাড়। মূলত মাজার কেন্দ্রিক ভিক্ষা জগতের বছররের কয়েক শত কোটি রুপি বানিজ্যের কংকাল এই "চুহা মানব" দের দল।
এবার চলে আসেন ডাইরেক্ট বাংলাদেশ ভায়া ইন্ডিয়া।
আমাদের এইখানে সার্কাসে বামুন দেখেছেন নিশ্চয়।
সার্কাস না দেখলেও " ইত্যাদি " দেখেছেন সবাই।
ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চাদের জন্মের এক দের মাস পর থেকেই রাখা শুরু হয় ছোট ছোট মাটির পাতিলের ভেতর।
বাচ্ছাদের খাওয়া, পড়া, প্রসাব, পাইখানা সবই চলে ঐ মাটির পাত্রের ভেতর।
আমি অবশ্য হানিফ সংকেতের "ইত্যাদি "র ঐ শিক্ষিত বামুন ছেলেটার কথা বলছি না ; ও কিন্তু স্রস্টা,র সেচ্ছাচারিতা,য় এই উচ্চতা পেয়েছে।
এই প্রসেসে ওদের পার করা লাগে একটানা ৫ টি বসন্ত, তার পরে প্রতি ১৫ দিনে ২ দিনের বিরতী।
বুঝুন তাহলে মাটির হাড়ি কয়টি লাগে?
কে করে এই ইনভেস্টমেন্ট? কেও কি করবে এর ইনভেস্টিগেশন ?
এদের কেও কিন্তু দূরের অচেনা, অজানা মানুষের দ্বারা এমন পক্ষাঘাত গ্রস্থ জীবন পায় না।
এদের প্রায় প্রত্যেকের গল্পের পেছনে থাকে পারিবারিক নস্টামির অন্য একটা অন্ধকারের গল্প।
এমন অনুশীলন আমাদের পৃথিবী তে যেহেতু আছে তাই আছে আমাদের মহাদেশে, আমাদের দেশেও।
ইদানিং ক্যান জানি মনে হচ্ছে আমাদের রাজনীতিতেও হয়তো এমন অনুশীলন শুরু হয়ে গিয়েছে ;
কে বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে "বাংলাদেশ জাতিয়তাবাদি দল" এই প্রক্রিয়ার বাইরেই আছে এখনো!
বন্ধুরা
"আর বলিতে পারি না
বড় বিষ জ্বালা এই বুকে "
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন