গেরিলা যুদ্ধের ময়দানে প্রচলিত কথা হচ্ছে
"জলে স্থলে অন্তরিক্ষে"
শেখ মুজিবের ভাষায়
"হাতে মারবো, ভাতে মারবো, পানিতে মারবো "
অত্যাধুনিক যুদ্ধবিদ্যা তে বলা হয়
"3 D" বা থ্রি ডাইমেনসন
কূটনীতি তে
Two track policy "
বাংলা ভাষার প্রবাদে বলা হয়
"গাছের টাও খাব ;নিচের টাও কুড়াবো "
BNP কে বুঝতে হবে রাজনীতিতে জিততে হলে দুই হাত সমানে চালাতে তে হবে
সর্বভুক হতে হবে।
মদ্যাকথা চাপ প্রয়োগ করতে হবে।
চাপ প্রয়োগটা হতে হবে দৃশ্যমান। এক প্রান্তে চাপ পরলে অন্য প্রান্ত আক্রান্ত না হলে সেই চাপ মূল্যহীন।
কূটনৌতিক চাপের কথা বিএনপি বলার চেস্টা করে বিভিন্ন ভাবে ; হ্যা কিছুটা অসস্তি হয়তো Diplomatic চ্যানেলে তৌরি হচ্ছে ;কিন্তু সেটার নাম কোন ভাবেই "চাপ" নয়।
দেখেন নিজেদের গ্রুপের পোস্ট ; আমাদের কথা বাইরে যাচ্ছে না
লক্ষ করেছেন কি ইদানীং কালের নেত্রী,র অধিকাংশ বক্তব্যের ভেতর বিদেশিদের সাথে সরকারের সুসম্পর্ক বা খারাপ সম্পর্ক এই বিষয় চলে আসছেই অবধারিত ভাবে।
তাছাড়া বিদেশী চ্যানেল হ্যান্ডেলের ব্যাপারেও বিএনপি খুব বেশি পারদর্শিতা দেখাতে পারছে না।
উদাহরণ চান?
UN এ বাংলাদেশের ৪০ বছর উতজাপনে বান-কি-মুন সাহেবের বিবৃতি আমরা লিক করাতে পেরেছি?
বান-কি-মুন এর সাথে সাক্ষাৎ এর বিষয়ে যে গুমড় মানব জমিন ফাস করেছে তা প্রথমত ছিল বিএনপি,র দায়িত্ব। এই ক্ষেত্রে আমরা কি ব্যার্থ নয়?
যাই হোক কথা হচ্ছিল "চাপ" বিষয়ে
বিদেশী বা কূটনীতিক চ্যানেলের চাপ তখনই চাপ বলে মনে হবে যখন এই চাপ কে প্যারালাল সাপোর্ট দিতে পারবে ঢাকার রাজপথ।
সাথে থাকবে
অনলাইন যোদ্ধা
এবং
প্রশাসনের নিরব সমর্থন।
রাজপথের উর্ধশ্বাসে যখন পুলিস রাইফেল ফেলে দৌড়াবে,
ছাত্রলীগ যখন গন-ধোলাই খাবার ভয়ে ভীত হয়ে পরবে
সচিবালয় যখন দ্রুত ফাইল পাস করবে,
মন্ত্রী বাহাদূরগন যখন পতাকা লুকিয়ে ঘোরাঘুরি করতে বাধ্য হবে
শুধুমাত্র তখন কূটনৈতিক চাপ কে চাপ বলে প্রতিয়মান হবে।
আটলান্টিকের এপার ওপার হুলুস্থুলের আগে বুড়িগংগা নদীর এপার-ওপারে ঢেও তোলা টা অনেক বেশি সময়ের দাবি।
জলে স্থলে অন্তরিক্ষে চাপ প্রয়োগ এখন একমাত্র সমাধান।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন