শনিবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৬
FRENCH GUY HIJACKING AEROPLANE DEMANDING AID FOR BANGLADESH 1971
শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৫
জন্মদিন
ব্যার্থ অভ্যুত্থানের পরেও দমে যাননি তিনি। নবউদ্যমে বিপ্লব শুরু করে সফলতার দেখা পান মাত্র ৩৩ বছর বয়সে।
২০০৬ থেকে ২০০৮ এর ভেতর শরীর যখন নিয়ন্ত্রনের বাইরে তখন নিজেকে গুটিয়ে নেন তিনি।
নাম তার ফিদেল ক্যাস্ট্রো।
কিউবা শুধু নয় গোটা ল্যাতিন আমেরিকা জুড়ে আমেরিকানদের ঘুম হারাম করে আজো উন্নত শির 'কিউবা'
জাপানিজ এয়ার স্ট্রাইক চলছিল তখন।
১৯৩৬ সালের ১৯শে জানুয়ারি জন্ম নেওয়া এই পুরুসত্তম বাংলাদেশের ইতিহাসে দুইদুই বার ক্রান্তিকালে তার ক্যারিসমে্টিক মেধা আর সাহসের ঝাঁপি খুলে দিয়ে ছিলেন।
মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তিনি স্বাধিনতার ডাক দিয়ে ছিলেন। তার মাত্র চার বছরের মধ্যেই এসেছিল ঐতিহাসিক ৭ ন নভেম্বর।
যে তার যোগ্যতা মাত্র ২০০১ সালেই দেখিয়েছেন।
প্রীয় তারেক রহমান ; আমাদের লিডার প্রয়জন। এখনই !
আমাদের জিয়া প্রয়োজন। এখনই প্রয়োজন।
কে মিটাবে সেটাও আমাদের কাছে গুরুত্তপূর্ন না।
জাতিয়তাবাদের পিপাসা মেটাটাই আমাদের গন্তব্য। আমাদের জাতিয়তাবাদের গুরু মেজর জিয়ার জীবন আর কর্ম সেই শিক্ষাই দেই।
পালভাঙা জাহাজের হাল ধরা মাঝি ছিলেন তিনি।
বিএনপি জিন্দাবাদ
সোমবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৫
কালের তন্দ্রা
এই সুদীর্ঘ কালের দীর্ঘশ্বাসের শেষ কোথায়?
দিন আসে যায় বেলা, রাত ফুরিয়ে যায়, গ্রীষ্ম যায়, বর্ষা যায়, শরত, বসন্ত ফিরে যায় ; তবুও হাহাকার চলে যায় না।
গোলান উপত্যাকার দখল বাড়তে থাকে, হিমালয়ের ক্ষয়ে যাওয়া দেওয়াল থেকে জলের ধারা একটু একটু করে বেড়েই চলে।
পেট্রো ডলারের তাণ্ডবনৃত্যের সাথে এক একটা করে এতিমখানার বাড়বাড়ন্ত।
ট্রাফিক সিগনালে আটকে থাকি, হলুদবাতি জ্বলে ওঠে, এই বুঝি শুরু হবে দূরন্ত অভিযানের যাত্রা! রক্তের মত লাল রঙা বাতি এসে পথ রোধ করে! খামস।
শান্তির পায়রার দর ভালো। ঝাঁকে ঝাঁকে বার্তা চলতে থাকে মহামান্য বার্তা উড়াবেন বলে।শান্তির পায়রার পায়ে বাধা দড়ি আর পালকের অমিত সম্ভবনা জাগে, আজকের ফারাও রাজের মমী হবে সে।
সাগরের বক্ষে রুষ্ট দেবতা, ঝাঁপিয়ে পরে নিশিত সূর্যের দেশে, প্রশান্ত মহাসাগরের তটদেশ ধরে, মাঝি- মল্লার স্তবগান ভেসে আসে খরকূটোর মত ; ভগবানের অস্থির রক্ত কনা তবুও তুষ্ট হয় না।
নাকবোঁচা জাতি থেকে এন্টার্কটিকার বরফের নিচে টিকে থাকা শ্বেতাভ ভল্লুক অথবা আটলান্টিকের এপার ওপার জেগে ওঠা চর কোথাও নিরাশা এসে হাজিরা দেই না, স্বপ্নবাজ মানুষের মিছিলে আলোর মশাল জ্বলে।বিদঘুটে অন্ধকারের বুক ভেদ করে সেই ক্ষীন আলোর রেখা কাছে আসতে থাকে। মরিচীকা নয় তো!
জীবনের দাবী এসে অবুঝের মত হেসে আমার দীর্ঘশ্বাসের পাল্লা ক্রমেই ভারী করে চলে। একা এ শহরে আমি ভিজি, ভেজে মাঝি মাঝ দড়িয়া, রঙ চটা পুরাতন প্রাচীরে দাঁড়িয়ে ভিজে চলে একা দ্বারকার।
বৃষ্টিজল এসে ধুয়ে দিয়ে যাবে জীবনের সব কালো দাগ।আজকাল কালো কালো আত্মার বড্ড বেশী দাপট।
শনিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৫
জিয়া ডক্ট্রিন
=====================================
১)প্রশিক্ষণ
উপযুক্ত প্রশিক্ষন ব্যাতীত জ্ঞান বিস্তার বাড়ে না , পারদর্শিতা বাড়ে না। যে কোন কাজ সুস্থ ভাবে ও পারদর্শিতার সাথে সম্পন্ন করার জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষন গ্রহণ করতে হবে।প্রশিক্ষিত ব্যাক্তিদেরকে সঠিক কাজে নিয়োগ দিতে হবে।
সুষ্ঠ পরিকল্পনা ছাড়া উন্নয়ন এবং কার্য সাধন ভালোভাবে এগিয়ে নেওয়া যায় না।
(৯০ এর দশকের ইন্ডাস্ট্রিয়াল এবং কর্পোরেট জগতে যে Time and action plan চালু হয়েছে, জিয়া তা নিয়ে আরো একদশক আগেই কাজ শুরু করেছিলেন)
উন্নয়ন কে এগিয়ে নিতে হলে, পরিকল্পনা এবং প্রশিক্ষনের কাজের জন্য, পরিকল্পনা কে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন পুঁজি। প্রয়োজনীয় বড় বড় পুঁজি সংগৃহীত হবে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের মধ্য দিয়ে।
পরিশ্রম ছাড়া উন্নতি অসম্ভব। উন্নয়নের জন্য চাই বুদ্ধিদীপ্ত পরিশ্রম।আসলে আমাদেরকে ১৮ ঘন্টা কাজ করতে হবে।উন্নত দেশ গুলীতে ৮ ঘন্টাতে যে কাজ হয় তা আমাদের করতে লেগে যাই ৮ দিন।তাই আমাদের কাজের সময় এবং মান বাড়াতে হবে।
উপরের উল্লেখিত বিষয়াবলী কে একসাথে করার জন্য চাই প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানের অনুপস্থিতি থাকলে উন্নয়নের কাঠামো ধরে রাখা যাই না তাই টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক উন্নয়নের বিকল্প নেই। আমাদের সেই প্রতিষ্ঠান হবে “গ্রাম সরকার”
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান
গ্রাম সরকার বাস্তবায়নের ১৩ সদস্য বিশিস্ট কমিটি গঠনের প্রো-এ্যক্টিভ গাইড লাইন দেন।
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৫
নৌকা
আমি কয়েকটির নাম দিলাম।এর সাথে আরো কিছু যোগ হলে ক্ষতি কি ?
পদি নামেও একে ডাকা হয়। অনেকটা বজরার মত দেখতে হয় এই পণ্যটানা নৌকা।
মালবাহী বজরা
বজরা
ডিঙি নৌকা
কোষানৌকা ; এটা নৌকার ক্ষুদ্র সংস্করণ।
ডোঙা নৌকা ; নৌকার ক্ষুদ্রতম নৌকা এটাই।
ময়ূরপঙ্খী নৌকা
গয়না নৌকা।
সাম্পান নৌকা।
পাতাম নৌকা , এটা হচ্ছে নৌকার টুইন বা জমজ সংস্করণ।
বাইচ নৌকা।মটর গাড়ীর রেস ফর্মূলা ওয়ানের জন্য যেমন বিশেষ ভাবে ডিজাইন করা গাড়ি থাকে তেমনি নৌকা রেসের জন্য বিশেষায়িত এই বাইচ নৌকা।
পেনিস নৌকা। চাম্বল এবং রেইনট্রি দিয়ে তৈরি করা এই নৌকা শুধুমাত্র বর্ষার মওসুমেই চলাচল করে।
বালাম নৌকা ।
টেডি নৌকা ।
টড্ডলার নৌকা ।
জালিনৌকা ।
সুল্লুকনৌকা ।
প্রো-গুগল
রাজ্য জুড়ে ধূলা আর ধূলা।পায়ের নিচে কাঁটা ।দুনিয়া তো আর চামড়া দিয়ে মুড়িয়ে দেওয়া যাবে না।সারা দিন রাস্তা ঘাট ,বন জঙ্গল ঝাড়ু দেওয়াও সম্ভব না ।
পদ যুগলের সুরক্ষার উপাই কি ?কে দেখাবে পথ?
অভাগা নত শিরে জানালো।
আরে আমি তো একথাটাই ভাবছিলাম ; ওরে ও হতভাগা তুই ক্যামনে আমার মাথার বুদ্ধী চুরি করলি।
কপি Cat
বহুল প্রচলিত একটি কথা।
কেরানী বেচারা ৭/৫ কিচ্ছু বোঝে না। বড় কর্তা যা বলেন ,যা করেন তাই তাঁর কাছে সাক্ষাৎ বাইবেল।কর্তা কাগজে যা লিখে দেন , কেরানী সেটাকেই কপি করে বিতরণ করে।
হাজার হোক "কর্তার ইচ্ছাই কর্ম "
গোপন গুহার গুদাম ঘড়ের সামনে "চিচিং ফাক" বললেই গুহার দরাজ খুলে যেত।যেই লোক গুহার সামনে দাঁড়িয়ে মন্ত্রটা উচ্চারণ করতে পারবে গোপন কুঠুরির দ্বার তাঁর জন্য উন্মক্ত হয়ে যাবে, সোনাদানা,হীর জহরতের মালিকানা চলে যাবে চিচিং ফাকের হাতে।
মামলার তদন্তে নিয়জিত ইন্সপেক্টরের নাকি সরকারের প্রধানের?
মুক্তিযুদ্ধের ১৬ খন্ড
সেই গুলী যাচাই বাছাই করে ১৬ খন্ডে এসব দলীল প্রকাশিত হ্য।জিয়াউর রহমানের এ দূরদর্শিতা ও দেশ প্রেমের তুলনা নেই।"
গ্রন্থ সুত্র
স্বাধীনতা যুদ্ধের আলোকে জিয়া-খালেদা-বিএনপি
অথ্যর
অধ্যাপক খোন্দকার মকবূল হোসেন।
বড় ভাই
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৫
নৌকা
বলুন দেখি নদী মাতৃক বাংলাদেশের কয়েক প্রকার নৌকার নাম।
আমি কয়েকটির নাম দিলাম।এর সাথে আরো কিছু যোগ হলে ক্ষতি কি ?
১।বাতনাই নৌকা
পদি নামেও একে ডাকা হয়। অনেকটা বজরার মত দেখতে হয় এই পণ্যটানা নৌকা।
২।
মালবাহী বজরা
৩।
বজরা
৪।
ডিঙি নৌকা
৫।
কোষানৌকা নৌকার ক্ষুদ্র সংস্করণ।
৬।
ডোঙা নৌকা ক্ষুদ্রতম নৌকা এটাই।
৭।
ময়ূরপঙ্খী নৌকা
৮।
গয়না নৌকা।
৯।
সাম্পান নৌকা।
১০।
পাতাম নৌকা , এটা হচ্ছে নৌকার টুইন বা জমজ সংস্করণ।
১১।
বাইচ নৌকা।মটর গাড়ীর রেস ফর্মূলা ওয়ানের জন্য যেমন বিশেষ ভাবে ডিজাইন করা গাড়ি থাকে তেমনি নৌকা রেসের জন্য বিশেষায়িত এই বাইচ নৌকা।
১২।
পালতোলা নৌকা
১৩।পানসি নৌকা
১৪।
ছুঁইওয়ালা বা একমালাই নৌকা।
১৫।
রাজাপুরী নৌকা।
১৬।
পেনিস নৌকা। চাম্বল এবং রেইনট্রি দিয়ে তৈরি করা এই নৌকা শুধুমাত্র বর্ষার মওসুমেই চলাচল করে।
১৭।
বালাম নৌকা ।
১৮।
টেডি নৌকা ।
১৯।
টড্ডলার নৌকা ।
২০।
জালিনৌকা ।
২১।
সুল্লুকনৌকা ।
বাই দা ওয়ে নবাব সিরাজের মা এবং ঘষেটি বেগম যখন নৌকাতে করে পালিয়ে যাচ্ছিলেন তখন মাঝ দরিয়াতে এসে মিরনের গুপ্তচর মাঝিরা নৌকা ফুঁটা করে নদীতে ঝাঁপিয়ে পরে পালিয়ে যেতে থাকে তখন ঘষেটি বেগম চীৎকার করে অভিশাপ দেন যে "মিরন তোর মৃত্যু হবে বজ্রপাতে"।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেই মিরনের মৃত্যু হয়েছিল বজ্রের আঘাতেই।
তবে ইতিহাসের পাতাতে আরো এক কুখ্যাত নৌকা আছে ।যে নৌকাতে বাংলার মানুষ সাওয়ার হলেই খুন,গুম,হত্য আর অপশাসনে ঋন পরিশোধ করতে হয়।