শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৪

বেতন ভাতা

দেখে নিন আউটলুক এর তথ্য অনুযায়ী ফাইনান্সিয়াল এডভাইজার দের সর্বনিম্ন ও সর্বচ্চ বেতন।

এই বেতনভুক্তরা আমেরিকার বেস্ট অর্থনিতিবিদ।

http://money.usnews.com/careers/best-jobs/financial-adviser/salary

Indian মন্ত্রী দের বেতন

http://www.answers.com/Q/Salary_of_cabinet_ministers_inj_India

UN এর বেতন

https://careers.un.org/lbW/home.aspx?viewtype=SAL

Politics

২৩/১২/১৯৬৯

শেখ মুজিবুর রহমান
With
Deputy chief of mission
Mr.Sydny Sobar

মুজিব তার বিরুদ্ধে হত্যা ষরযন্ত্র প্রকাশ করে।

29/12/1969
মার্কিন কনস্যুলেট ঢাকা থেকে
এই তথ্য US Foreign minister
কে সরবরাহ করা হয়।

Document confidential Dhaka 3165

"মুজিব মনে করেন,ষরযন্ত্রকারীরা যদি মনে করে থাকেন যে পাকিস্থানের অখন্ডতা রক্ষায় তাকে সরিয়ে দেওয়াই সব থেকে শ্রেষ্ঠ উপায়, তবে পাগল ছাড়া তারা আর কিছু নয়।

তার  দৃর প্রত্যয় রয়েছে যে পশ্চিম পাকিস্থানীদের উস্কানিতে যদি তাকে হত্যা করা হয়,  অখন্ড পাকিস্থান রক্ষার শেষ সুযোগ হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে "

দেখুন শেখ মূজীব কিন্তু নিজ মুখেই বলছেন যে তিনি অবিভক্ত পাকিস্থান ধরে রাখার ক্ষেত্রে উপযোগি এবং প:পাকিস্থানীরা তাকে ভূল বোঝার মতো ভূল যেন না করে।

এই 3165 নং ডকুমেন্টটি মার্কিন সরকার প্রকাশ্যে আনে
৩০/০৬/২০০৫

শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৪

রক্ষীবাহিনী এবং বাঘা সিদ্দিকী

কাটা তোলার জন্য কন্টক ব্যাবহার উত্তম।

আনোয়ার উল আলম
রক্ষীবাহিনী 'র সেকেন্ড-ইন-কমান্ড
বলছেন

আমি প্রধান মন্ত্রী,র অফিস কক্ষে প্রবেশ করে দেখতে পাই; বংগবন্ধু  শেখ মুজিব রহমান ও সাবেক রাস্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী সোফায় বসে আছেন।

বংগবন্ধুর চেহারা দেখে মনে হল তিনি রাগান্বিত।  এতে আমি একটু আশ্চর্য হয়ে গেলাম। 

ভাবললাম আমি কি কোন ভূল করে ফেলেছি?

আমি বংগবন্ধুর সামনে  যেতেই তিনি আমাকে বললেন

'শোন, চৌধুরী সাহেবের পৈতৃক বাড়ি লতিফ দখল করেছে। ওই বাড়ী আজ রাতের মধ্যেই খালি করতে হবে'

সংগে সংগে ব্যাপারটা বুঝে গেলাম।

এ লতিফ টাংগাইল জেলার কালিহাতি থানা থেকে নির্বাচিত সাংসদ আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী।

তথ্য সুত্র
রক্ষীবাহিনীর সত্য-মিথ্যা
১০৬ পাতা

৫২ ধারা

৫২ তে বাংগালী বলেছিল
"ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চাই "

আফসোস্
২০১৪ তে এসে  আবারো বলতে হচ্ছে

"মা গো ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায় "

"বদলে গেছে রাজা ; রয়ে গেছে ছায়া"

সেই তো একই লোনা স্বাদ পরাধীনতার।

বলতে পারি না কথা ; আদালত অবমাননার ঠুনকো ছিদ্র যদি ফস্কে না যায়?

লিখতে পারি না আর মায়ের কথা ; অশুরের রক্ত চক্ষু আমাদের থামিয়ে দিতে চায়।

ভিন দেশী লম্বা জীহব্বা ঝোলা কুকুরের মত খাবলে খেতে চাই আমার লেখার অধিকার।

মা গো ওরা আমার লেখার ভাষা কাইরা নিতে চাই।

একই শেকল, একই কারাগার, সেই একই গাড়দ খানা ; পিশাচের খাকি রঙটা  বদলে গেছে।

বদলে গেছে আদর্শের বায়বীয় ত্যাগ।

মা গো শকুনের দল আমার
"মুখের ভাষা কাইয়া নিতে চাই
মা গো নব্য ক্ষমতা লোভীরর দল

ওরা আমার লেখার ভাষা কাইরা নিবার চাই "

৫২ ধারা বাতিল কর
মুখের ভাষা মুক্ত কর
লেখার অধিকার আদায় কর
বাক স্বাধীনতা মুক্তি পাক।

3D চাপ

গেরিলা যুদ্ধের ময়দানে প্রচলিত কথা হচ্ছে
"জলে স্থলে অন্তরিক্ষে"

শেখ মুজিবের ভাষায়
"হাতে মারবো,  ভাতে মারবো, পানিতে মারবো "

অত্যাধুনিক যুদ্ধবিদ্যা তে বলা হয়
"3 D" বা থ্রি ডাইমেনসন

কূটনীতি তে
Two track policy "

বাংলা ভাষার প্রবাদে বলা হয়
"গাছের টাও খাব ;নিচের টাও  কুড়াবো "

BNP কে বুঝতে হবে রাজনীতিতে জিততে হলে দুই হাত সমানে চালাতে তে হবে

সর্বভুক হতে হবে।

মদ্যাকথা চাপ প্রয়োগ  করতে হবে।
চাপ প্রয়োগটা হতে হবে দৃশ্যমান। এক প্রান্তে চাপ পরলে অন্য প্রান্ত আক্রান্ত না হলে সেই চাপ মূল্যহীন।

কূটনৌতিক চাপের কথা বিএনপি বলার চেস্টা করে বিভিন্ন ভাবে ; হ্যা কিছুটা অসস্তি হয়তো Diplomatic চ্যানেলে তৌরি হচ্ছে ;কিন্তু সেটার নাম কোন ভাবেই "চাপ" নয়।

দেখেন নিজেদের গ্রুপের পোস্ট ; আমাদের কথা বাইরে যাচ্ছে না

লক্ষ করেছেন কি ইদানীং কালের নেত্রী,র অধিকাংশ বক্তব্যের ভেতর বিদেশিদের সাথে সরকারের সুসম্পর্ক বা খারাপ সম্পর্ক এই বিষয়  চলে আসছেই অবধারিত ভাবে।

তাছাড়া বিদেশী চ্যানেল হ্যান্ডেলের ব্যাপারেও বিএনপি খুব বেশি পারদর্শিতা দেখাতে পারছে না।

উদাহরণ  চান?

UN এ বাংলাদেশের ৪০ বছর উতজাপনে বান-কি-মুন সাহেবের বিবৃতি আমরা লিক করাতে পেরেছি?

বান-কি-মুন  এর সাথে সাক্ষাৎ এর বিষয়ে যে গুমড় মানব জমিন ফাস করেছে তা প্রথমত ছিল বিএনপি,র দায়িত্ব। এই ক্ষেত্রে আমরা কি ব্যার্থ নয়?

যাই হোক কথা হচ্ছিল "চাপ" বিষয়ে

বিদেশী বা কূটনীতিক চ্যানেলের চাপ তখনই চাপ বলে মনে হবে যখন এই চাপ কে প্যারালাল সাপোর্ট দিতে পারবে ঢাকার রাজপথ।
সাথে থাকবে
অনলাইন যোদ্ধা
এবং
প্রশাসনের নিরব সমর্থন।

রাজপথের উর্ধশ্বাসে যখন পুলিস  রাইফেল ফেলে দৌড়াবে,

ছাত্রলীগ যখন গন-ধোলাই খাবার ভয়ে ভীত হয়ে পরবে

সচিবালয় যখন দ্রুত ফাইল পাস করবে,

মন্ত্রী বাহাদূরগন যখন পতাকা লুকিয়ে ঘোরাঘুরি করতে বাধ্য হবে

শুধুমাত্র তখন কূটনৈতিক চাপ কে চাপ  বলে প্রতিয়মান হবে।

আটলান্টিকের এপার ওপার হুলুস্থুলের আগে বুড়িগংগা নদীর এপার-ওপারে ঢেও তোলা টা অনেক বেশি  সময়ের দাবি।

জলে স্থলে অন্তরিক্ষে চাপ প্রয়োগ এখন একমাত্র সমাধান।

শনিবার, ৫ জুলাই, ২০১৪

Nœne 1

নাম্বার ওয়ান'রা সাধারণত বিনয়ী হয়।


এই বিনয় তাদের অবস্থান কে আরো গতিময় করে।  যেনম মেসি বা শচিন,  মোহাম্মদ আলি বা নিয়াজ মোর্সেদ।


বিপরিত ছবিও আছে যেমন শের্ন ওয়ার্ন, সাকিব।

রিকি পন্টিং এর এক সময়ের বেয়ারাপনা তো সকল সীমা অতিক্রম করেছিল।

আবার বিতর্কিত ভাবে ক্যাপ্টেন হবার পরে তিনি নিজেকে বদলে ফেলেছিলেন প্রায় ১৮০ ডিগ্রি ।।


কালো দের প্রতি অবিচারের প্রতিবাদে নিজের অর্জিত মহা মূল্যবান পদক পানি তে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন মোহাম্মদ আলী ।


আরো এক বক্সার বক্সিং রিং এ বিখ্যাত আথছ বিছানা তে কুখ্যাত । 
মাইক টাইসন তার নাম । যার নামের পাসে রেপ কেস আছে প্রায় পাচ টা ।
আর স্বেচ্ছায় বিছানাতে যাওয়া অনেক নারীর অভিযোগ সেক্সের শেষ মুহুর্তে এসে নাকি তিনি নারীদের কানের লতি তে কামড়ে দেন । 


ইতালির এক বিখ্যাত ফুটবলার পাওলো রসি "1982 সালের বিশ্বকাপ বিজয়ের নায়ক" আটক ছিলেন জেলে মাদক গ্রহণ মামলা তে । অভিযোগ ছিল তিনি নাকি মাফিয়া দের সাথেও প্রকাশ্যে খাতির রাখতেন ।


রিভার্স সুইঙ্গের দাদা ওয়াসিম আকরাম ছিলেন ম্যাচ পাতানোর জন্য সন্দেহের তালিকা তে ।


আর ডিয়াগো ম্যারাডোনা ! স্কেন্ডেল ছাড়া তার জীবনের কোন কদম পরতো না এক সময় ।
কোকেন , মারিজুয়ানা , আর গোপন সন্তানের মা" দের হুমকি তে ব্যাতিব্যাস্ত থাকতে হতো ক দিন আগেও ।
আজও তিনি ইতালি ঢুকতে অসস্তি বোধ করেন ট্যাক্স অফিসার দের কাছে হয়রানি হবার ভয়ে ।


নেয়াজ মোর্সেদের পরে সাকিব আল হাসান বাংলাদেশের স্পোর্টস আঈকন । 

বাংলাদেসের সব চে বড় আইকন যার থেকে ২য় আইকনের দূরত্য যোযন মাইল ;  সে সাকিব ।


অস্ট্রেলিয়ার প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ বিসয়ে কিছু বলতে চাইলে কথা শুরু করেন সাকিব আল হাসানের নাম দিয়ে ।
কান্ট্রি ব্র্যান্ড বলে যে টা আছে বাংলাদেশের তা একমাত্র সাকিব আল হাসান ।


অথছ বাস্তবতা হচ্ছে সাকিবের ইতরপনা  আর পরিমিতি বোধের ঘাটতি ।


কিন্তু ভূলে গেলে চলবে না তার বয়স অনেক কম এবং তার পরিচালকরা সারাক্ষণ মেতে থাকে অসভ্য রাজনীতি এবং টাকা কামানোর ধান্দা তে ।।
আর যারা তাকে প্রশ্ন গুলি করে ; তারা তাকে কিভাবে কোন টোনে প্রশ্ন করে সেই টাও এক বড় প্রশ্ন ।


রাজনৈতিক বেহাল্যা পানা দেখে আপনি নিশ্চয় বুঝতে পারেন আমাদের সাংবাদিকতা আর সাংবাদিক সমাজ কতটা সার্থপর আর চাটুকার ; 
তবে বক্সার মোহাম্মদ  আলি যখন ঢাকা সফর করেছিলেন তখন ঢাকা এয়ার পোর্টে আলি কে করা সাংবাদিকদের প্রশ্ন শুনলে সেই সাংবাদিক দের যোগ্যতা নিয়ে আপনি অবশ্যায় সন্দিহান হয়ে পরবেন ।

প্রশ্ন টা ছিল হুবুহ এই টা 

Sir how many cow's and goat's you eat today ?  



সেই আমলেই আমাদের সাংবাদিকরা সেলিব্রেটিদের স্পিকার বানাতে সিদ্ধহস্ত ।

তাই আমি নিশ্চিত বেয়ারা সাকিবের মুখ দিয়ে বাহির হয়ে আসা বেয়াদব মার্কা কথা টা শুধুই তার বেয়াদবি ; বাকিটা সাংবাদিকদের সাহায্যে বোর্ড পরিচালকদের কারিগরি  ।।


হয়তো কান্ট্রি লিজেন্ড আসরাফুলের মতো সাকিবের হারিয়ে যাবার পরেই আমরা জানতে পারবো  The inside story .









বুধবার, ২৫ জুন, ২০১৪

BNP এবং খালেদা জিয়া

হ্যা অবশ্যই বেগম খালেদা জিয়া অফিসিয়ালি প্রাক্তন প্রধান মন্ত্রী ব্যাতিত অন্য কিছু নন ।

তিনি প্রধান মন্ত্রী নন । বিরধী দলীয় নেত্রীও নন । এমন কি  ৩য় বেঞ্চের সংসদ সদস্যও নন ।

তার দলেও এমন কেও নাই যে বর্তমান সরকারের আমলে সুবিধা জনক বা লাভ জনক কোন সরকারী পদ বহন করছেন ।

উপরন্ত তিনি আইনের মার প্যেচে বন্দী ।নিয়মিত আদালতে হাজীরা দেওয়াই তাঁর বর্তমান নীয়তি ।
তাঁর রাজনৈতিক দলেকে কোন সচল কার্জক্রম চালাতে দেওয়া হয় না , কোন দলীয় মিশন থাকলে তাঁর দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় কে উপকারাগারের মতো মর্যদা নিয়ে পুলিশ র‍্যাব দ্বারা অবরুদ্ধ থাকতে হয় ।।

দলীয় অফিসের দেওয়াল ভেঙে মধ্যরাতে তাঁর সক্রিয় নেতাদের গ্রেফতার করা হয় ।
অপেক্ষাকৃত দূর্বল চিত্তের নেতা দের ভয় ভীতি দেখিয়ে রাজনৈতিক কার্জক্রম থেকে গুটিয়ে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে বা জোড় পূর্বক সরকারী এজেন্টে পরিণত হতে  প্রশাসনিক চাপ দেওয়া হচ্ছে । 

খুব সিম্পল একটা বিষয় লক্ষ করেন কংগ্রেসের মতো বিশাল  রাজনৈতিক দলকে তারা আওয়ামীলীগ প্রভাবিতো করে নিজেদের পকেটে আনতে ব্যাবহার করেছিল দেহ বা সম্পদ  বিক্রয় নীতি , 
দেশে জামাত-ই-ইসলাম যায়া তাদের আদি মিত্র ছিল তাদের বশে আনতে ব্যাবহার করে যাচ্ছে "রক্তের বদলা" টাইপ মুক্তিপণ নীতি , হেফাজতে ইসলাম কে পোষ মানাতে তাঁর  আমদানি করেছে "মদিনা সনদ" স্কুলের পাঠ্য বইয়ের ছবি পরিবর্তন আর টাকার বিনিময় মুল্য , জাতিয় পার্টির ক্ষেত্রে এরশাদের জীবন বাজী আর দলে  ভাঙ্গন খেলা  । এবং এই ক্ষেত্র গুলিতে তারাই বিজয়ীর হাসি হেসেছে ।

অথছ তাঁর  অনুগত্য ক্রয় করতে পারেনি BNP নেতা খালেদা জিয়ার কাছ থেকে । কোন ধরনের উপটোকন বা ব্ল্যাকমেইল তাঁর ক্ষেত্রে বিন্দু মাত্র উপযোগিতা এনে দেই নাই ।

BNP নেত্রী এবং তাঁর দলের উপর যে এত্ত এত্ত অনাচার তাঁর মূল একটাই ।BNP এর দলীয় আনুগত্ত ক্রয়  করেতে না পারা ।


যায় হোক প্রথমে যা বলছিলাম যে  বিএনপি নেত্রী এবং বিএনপি এই মূহুর্তে একমাত্র সরকারী নিবন্ধন ব্যাতিত সকল সরকারী আচারের বাইরে ।

প্রশ্ন হোল তারপরেও ক্যান ভিনদেশী সরকারী ব্যাক্তিরা বেগম জিয়া কে তাদের গুনতির ভেতর ধরছেন ?

ধরছেন কারণ তারা রাজনীতি করেন পর্যাপ্ত Study করে । তারা অতীত ইতিহাস বোঝেন , বোঝেন বর্তমানের গতিবিধি , তারা বোঝেন আন্তরজাতিক স্থিতীশিলতা এবং অন্যের সম্মান বজায় রেখে নিজের সার্থ আদায় , বোঝেন গনতন্ত্র , কূট-তন্ত্র ।

প্রফেশনাল Honesty আর প্রফেশনাল দায়বব্ধতা ।

এখানেই সবচে বেশি এগিয়ে গেছেন বেগম খালেদা জিয়া । বিশ্ব রাজনীতির বিগ ফিস যারা তারা প্রথমেই লক্ষ করেন Personality class আর চিন্তা চেতনা , জ্ঞান আর বোধের একাত্ততা ।

এই জাইগাতেই বেগম জিয়া'র সাথে বিশ্ব প্রেক্ষাপটে তাদের রাজনীতি করার মুল আগ্রহ ।

ঠিক এই জাইগাটাতেই পিছিয়ে পরেছেন আমাদের বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদ ।

তাঁর ইন্ডিয়ার প্রবাসে পরজীবী জীবন ; তাঁর চিন্তা চেতনার জাইগাটাকে খুব সীমাবদ্ধ করে ফেলেছে  ; ভারতের কংগ্রেস আর জ্যতি বসুর কমিউনিস্ট পাটীর ক্ষুদ্র আর স্যাত-স্যেতে করিডোরের স্থুল চিন্তার বাইরে তিনি এখন আর চিন্তা করতে পারছেন না । ঐ সময় তাঁর শেখা রাজনীতির বাইরের রাজনীতির সাথে তাই মাননীয়া প্রধান মন্ত্রী তাল মেলাতে পারছেন না । 

বিশ্ব রাজনীতির মহা-সমুদ্রে সাতার কাটার চেস্টা করেও তিনি সঠিক সঙ্গী পাচ্ছেন না  ; যেহেতু  বিশ্ব রাজনীতি এগিয়ে গিয়েছে তাঁর নিজস্ব গতিতে  আর শেখ হাসিনা এগিয়ে গেছেন সেই আদিম কংগ্রেস আর জ্যোতি বসুর উপনিবেশিক বুদ্ধিতে ।

তবে তাঁর আজকের এই পরিণতির জন্য তিনি শত ভাগ দায়ী নন ।
দায়ী তাঁর দলের অনুসৃত নীতি ; যেখানে মাওলানা ভাসানির মতো নেতা কে বাতিল করে শেখ মুজিবরের মতো মৌলপন্থী নেতাদের নীতি কে  আর্চনা করা হয় ।




বুধবার, ২৮ মে, ২০১৪

জাতীয়তাবাদী

জাতীয়তাবাদ এর আধুনিক দর্শন এবং সার্বিক ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখতে পারবেন 

"কোন ধরণের অভ্যুথান বা সংগ্রামে দেশ আর জাতির আত্ম উপলব্ধি  হয় , অর্থনৈতিক , সামাজিক , সাংস্কৃতিক , রাজনৈতিক ভাবে নিজস্বতার উপলব্ধির মাধ্যমে" ।

জাতীয়তাবাদের মূল চরিত্র হচ্ছে একজন ব্যাক্তি বা এক টি Moto র মাঝে তার আঞ্চলিকতার সমস্ত জনসত্তার মৌলিকতার অনুভুতি কে কেন্দ্রীভুত  করা ; এবং এই কাজ টা সম্ভব হয় তখনই যখন সকল ভাষাভাষী আর ধর্মের মানুষ কে একটা Platform এর নিচে আনা সম্ভব হয় । একটা বট বৃক্ষ জাতীয়তাবাদ তার ছায়া তলে "মানুষ" ।


পেছনের দিকে একটু তাকানো যাক ।

১৮০০ সালের আগে জাতীয়তাবাদ ছিল অন্ধকারের নিচে । তখন দেশ গুলিতে জাতীয়তাবাদের ভিত্তি ছিল ধর্ম যাকে পেছন থেকে আশির্বাদ করতো শাসক শ্রেণীর বংশধারা । তাদের  অধীনের মানুষ জন বাধ্য ছিল শাসকের আনুগত্য মানতে । কার্তার ইচ্ছাই কর্ম ধরনের জীবন ব্যাবস্থা ।

দেশ , জাতি , সমাজ এর গুরুত্তপুর্ন বিষয় এবং ভবিষ্যৎ নির্নায়ক নীতি তাদের অনুশীলন এবং অধিকারের বিষয় ছিল না মোটেও ।


ঐতিহাসিক ভাবে রাষ্ট্রীয় এবং আঞ্চলিক জাতীয়তাবাদ অগ্রসর হয়েছে পর্যায়ক্রমিক ধারা তে । কারিগরিক , সাংস্কৃতিক , সামাজিক , রাজনৈতিক এবং সর্বপোরি অর্থনৈতিক অগ্ররগতির সাথে তাল মিলিয়ে ।এখনে বিশেষ ভাবে নোট থাকা দরকার যে যোগাযোগ ব্যাবস্থার উন্নয়ন মানুষ কে তার কাছে দুরের পারিপার্শিক বিসয়ে সজাগ, সচেতন করেছে ; ফলশ্রুতুতে মানুসের অদম্য আকাঙ্ক্ষা বেড়েছে । 

প্রকারান্তরে এই বোধ টা জাতীয়তাবাদী মেধা আর বোধটাকেই ক্ষুরধার করেছে ।


আরো আছে মাতৃ ভাষা  ; যা কমন শিক্ষা ব্যাবস্থা হিসাবে ধনী আর দরিদ্র দের এক কাতারে  নিয়ে এসেছে ।এই ব্যাবস্থা  দরিদ্র শ্রেণীদের সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদকে জাগিয়ে দিয়ে তাদের জাতীয়তাবাদের মূল অনিভুতির সাথে একত্যা করে দিয়েছে ।

এই সাম্য শিক্ষার ফলেই সকল মানুষ  সমান ভাবে তাদের আদি পুরুষ বিষয়ে জানতে পেরেছে ফলে বঞ্চিত মানুষ একসাথেই শিখেছে যে তাদের সামাজিক অবস্থান যতই ভিন্ন হোক না ক্যান  ;তারা আসলে এক সুত্রেই বাঁধা  ।

এই সকল বোধ গুলিই মানুসের সংগ্রাম সচেতনতা বৃদ্ধি করে এবং সমগ্র জাতির বর্তমান আর ভবিশ্যাত উন্নয়নের  আকাঙ্ক্ষা তে দৃঢ় ও আপসহীন হতে অনুপ্রাণিত করে ।

ইউরোপ যে এত উন্নত হয়েছে ; সেখানে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে তাদের প্রায় একই রকম ভাষা আর গড়ন রয়েছে  যা তাদের উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগী হয়েছিল ।



খুব সাধারণ ভাবেই একটা রাষ্ট্রের জনগণ তাদের নিজেদের জন্য জাতীয়তা বা পরিচয় তৈরি বা নির্ধারন করে । 

তবে এই জাতীয়তা নিরূপণ  রাজনৈতিক চোখ দিয়ে করাটাই উত্তম ।
একটা কান্ড জ্ঞান সম্পন্য শাসক শ্রেণী তাদের নিজশ্যতা বজায় রেখে , সকল মানুষ কে অন্তভুক্ত করা যায় এমন পরিচয় নির্ধারন করে ।

যেখানে কেও অবজ্ঞার স্বীকার হবে না  অর্থাৎ সমনের পথ চলার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা থাকবে না  ; বিপ্লবের ফসলে প্রতি বিপ্লবের বীজ  থাকবে না ।

সার্বিক স্থিতিশীলতা , বিচ্ছিন্যতাবাদি মনোভাব রোধ করে সকল কে নিয়ে একযোগে এগিয়ে যেতে প্রয়োজন সেই কান্ডজ্ঞান বোধ সম্পন্ন জাতীয়তাবাদী সরকার , জাতিয়তাবোধ সম্পন্ন জনগণ এবং একজন এ্যাম্বিসাস রাষ্ট্র প্রধান ।


প্রাচিন Greece আর Rome এর জাতীয়তা তৈরি হয়েছিল নাগরিক এবং অনাগরিক উভয়ের সমন্নয়ে । 
এমন কোন সভ্য রাষ্ট্র দেখা যায় না যারা তাদের নাগরিকদের ভেতরের কোন একটা অংশ কে তাদের জাতীয় পরিচয় থেকে মুছে দিয়ে জাতীয়তা নির্ধারন করে । 




China  তে কিন্তু অনেক ধরনের  গোত্রীয় মানুসের বাস ; তাই সকল কে একসাথে তারা চাইনিজ । 

পৃথিবীর সব দেশের মানুসের অধিকার আমেরিকাতে।তারা আমেরিকান । 

বাঙ্গালি , চাকমা , মুরাং , মগ , রিফুইজী  এদের সকলে মিলে আমরা বাংলাদেশী ।
তাদের মধ্যে আমি বাঙগালি এই পরিচয় শুধুই সাম্প্রদায়িকতা ।


পরিনতো জাতীয়তাবাদের এই যুগেই তাই অভ্যুথ্যান ঘটে যেতে পারে যে কোন অবহেলাতেই যে কোন সময়েই । সেই অভ্যুথ্যানের পুর্ন অধিকার দিয়েছে জাতীয়তাবাদী শিক্ষা ।

তবে নিরবেও ঘটতে পারে কোন কোন অভ্যুথান ।

অভ্যুথান যে ভাবেই ঘটুক না কেন হয় তা ঘটে হয় শাসন যন্ত্রের পরিবর্তনের জন্য অথবা শাসন কৌশল পরিবর্তনের জন্য ।

এই পরিবর্তন ঘটাবার সময় মানুষ থাকে ঐক্যবদ্ধ , ইস্পাতের মতই দৃঢ় ।


প্রচলিত সমাজ ব্যাবস্থা যখন ব্যার্থ হয় ; জনমানুসের সামনে যখন বিকল্প পথ থাকে না ; সে রকম সময়ে যখন পরিমার্জিত  সমাজ সংস্কারের দর্শন উপস্থিত হয় ; মানুসের স্রোত তখন সেই নতুন আশার বিবেকটাকেই গ্রহণ করতে প্রস্তুত হয় , তখন মানুষ হিসাব করে না কত রক্ত ধুলাতে মিসবে । নিজের জীবনটাকেও হাতে করে বিলি-বন্টন করে দিতে প্রস্তুত থাকে মানুষ ; যদি সে জানে আলো আসবেই , পরিবর্তন সু নিশ্চিত ।


উধাহরন চাও ? 
মনে করে দেখ ইরানের কথা অ্যামেরিকার সমর্থন পুস্ট "শাহ্‌" রাজত্য কে কিভাবে নির্বংশ করে সেখানে বিজয় এনেছিল "খোমেনি" দর্শন ।

ক্যামন করে গনতন্ত্রের সূতিকাগার ব্রিটেনে রাজ শাসন কে বিষ বিহীন করে গন মানুসের শাসন শুরু হয়েছিল ! 


আর আমার বাংলাদেশ ! সে কথা না হয় নাই বা বললাম ! 

২৬ সে মার্চের কালুর ঘাটের পরে আবারো এক দুর্যোগে কে আমাকে Light House হয়ে পথ দেখিয়েছিল ; তা ঠিক মনে নেই আমার ! 







শনিবার, ১৭ মে, ২০১৪

BNP এর কাছে প্রশ্ন ?


আওয়ামীলীগের মেরুদন্ড পরাজিত হয়েছে ।

এই মুহুর্তে যোগ্যতার সাথে কিছু পদক্ষেপ নিতে পারলে আওয়ামীলীগ ১০১৫ সালে ক্ষমতাতে থাকার আশা করতে পারবে না ।

সেই ক্ষেত্রে পথ প্রশস্থ বিএনপি 'র জন্য ।

এখন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কর্নধার বিএনপি এর কাছে দলের একজন চোদনা কর্মি হিসাবে কিছু জানার আছে ।
সেই প্রশ্ন গুলীই করছি ।

১।  মইন আহাম্মেদ আর ফকরুদ্দিন কে কোন ধরনের বিচারের আওতাতে আনবে কি না ?

২। তাদের আমলে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে ঘটিত আর্মি কু-কর্মের সঠিক বিচার করবে কি না ?

৩। শেখ মুজীব হত্যা কান্ডের জন্য তোফায়েল আহাম্মেদ কে দোষী প্রমানের জন্য আন্তরিক চেস্টা কি চালাবে ?

৪। হাসানুল হক ইনু কে কাজী আরিফ হত্যা কান্ডের জন্য ফাসি তে ঝুলাতে সাহস পাবে কি ?

৫।ফকরুদ্দিন আহাম্মেদ বিদেশি পাস্পোর্ট ধারি ; সেই ব্যাক্তি র কর্মকান্ড কে বৈধ ঘোষণার মাধ্যমে অবৈধ সরকার কে উৎসাহিত করার অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বৈধ সরকার উতখাতের আইনি অভিযোগ আনবে কি না ?

৬। ইন্ডিয়ার ৭ সিস্টার্সে আবার উলফা কে চাঙ্গা করার সাহস রাখবে কি      না ?

৭। মদিনা সনদ বাস্তবায়নের কথা বলাতে আওয়ামীলীগ এবং হাসিনার      বিরুদ্ধে ইসলাম অবমাননার অভিযোগ আনা হবে কি না ।

৮।ইন্ডিয়ার সাথে করিডোর বাতিল করে অর্থ পুর্ন ট্রানজিট চালু হবে কি      না ।
৯।DGFI এর উর্ধতন জেনারেল দের ফাসির আদেশ দীর্ঘ সুত্রিতার মধ্যে ফেলে রাখবে না কি তাদের সসম্মানে মুক্তি দেবে ?

১০। "আর্মি" দের সামরিক প্রশিক্ষণে পুনরাই শত্রু সিমান্ত হিসাবে         ভারতীয় সিমান্ত কে পুনবিন্যাস করতে পারবে কি ?

১১। যুদ্ধ অপরাধী এবং জামাত শিবির ইস্যুর চির যবনিকাপাত ঘটাতে পারবে কি না ।


১২।দুদক কে স্বাধীন করে সরকারী কর্মকত্তা দের ; রাজনৈতিক অনুমোদন ছাড়াই দুদকের তদন্তের আওতাতে আনবে কিনা ?


১৩।বর্তমানের  এজেন্ট নেতা ও অপদার্থ নেতা যেমন  খোকা , মওদুদ , টুকু দের জেলের ভাত খাওয়াবে কি না ?

১৪।প্রথম আলো বা ৭১ টিভির মতো উগ্র মিডীয়া দের বাতিল করবে কি না ?


১৫। আমাদের মতো বর্তমানে সরকারের সমালোচনাকারি যারা ভবিশ্যতে হয়তো বিএনপি সরকারের জন্য আরো উগ্র সমালোচনা বয়ে আনতে পারি তাদের ব্যাপারে কি মনোভাব দেখাবে ?

১৬।সিমান্তে ১ জন বাংলাদেশী হত্যা করা হলে তীব্র প্রতিবাদের বাইরে পৌরুষ দিপ্ত কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে ?

১৭। অপারেশন ক্লিন হার্টের জন্য ক্ষমা চাইবে কি না এবং এই ধরনের অপারেশন আবারো চালাবে কি না ?



১৮। মন্ত্রী সভা তে কাওকে স্থান দেবার আগে তার প্রফেসনাল এবং রাজনৈতিক অবস্থান কোন পদ্ধতিতে যাচায় করা হবে ?


১৯। মোসাদ্দেক আলি ফালু আর ফারুফ কামাল খান , বা আব্দুল আওয়াল মিন্টু দের কে আবারো লাইম লাইটে আনা হবে কি না ?

২০। " সঙ্গ দোষে লোহা ভাসে" অতএব  প্রধান মন্ত্রী এবং দলীয় প্রধানের ব্যাক্তিগত , রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক  কর্ম ক্ষেত্রে ব্যাক্তিগত সচিব নিয়োগ কোন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে দেওয়া হবে তা কর্মি বাহিনী কে জানাতেই হবে ।
এই পয়েন্ট টা অনেকাংশে সরকারের সাফল্য ব্যার্থতার নির্নায়ক ।




আপাতত আমার মনে এই প্রশ্ন গুলীই আসলো । এমন আরো হাজারো প্রশ্ন আছে নিশ্চয় আপনাদের কাছে যেগুলির Non technical এবং স্পস্ট উত্তর আমাদের ভবিষ্যৎ সরকার কে চরম উতকর্সের দিকে নিয়ে যেতে পারে । বাংলাদেশ কে জিয়ার সেই কর্মঠ বাংলাদেশ বানাতে পারে , ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পরের আশাবাদী জাপান বানাতে পারে , শূন্য থেকে শীর্সে পৌঁছানো মাহাতির মাহমুদের মালয়েশিয়া বানাতে পারে ।

দয়া করে বলে বসবেন না অতীত নিয়ে ত্যানা পেচাবেন না , আমরা ভবিষ্যৎ মুখি দল , ব্লা , ব্লা ব্লা , , ,  অতীত হচ্ছে ফাউন্ডেশনের মত ; সেটা ঠিক না থাকলে স্থাপনা ভেঙ্গে না পরলেও টেকশই হবে না ।