ছাত্রদলের ছিদ্র অন্বেষন করতে যারা পছন্দ করে আমি ব্যক্তিগত ভাবে তাদের একজন।
হতে পারে এক সময় ছাত্রদল করেছি সেটা একটা প্রভাবক।
হতে পারে পরন্ত যৌবনের শেষ আলো মাখা সময়ে ছাত্রদলের কোন কোনে লুকিয়ে ছিলাম বলে গত এক যুগের ম্রিয়মাণ এবং চরম বাণিজ্যিক ছাত্রদলটা বড় বেশি অসহ্য লাগে।
সম্ভবত সোহেল-পিন্টু ভায়ের ছাত্রদল ছিল ছাত্রদলের শেষ ম্যাজিকাল লিডারশীপ।
এর পর থেকেই ক্ষয়ের পথে একটু একটু করে এগিয়ে যাওয়া।
এই ক্ষয় যাত্রা,র মূল দায় যাদের তাদের দশাসই একটা অংশ ছাত্র নামের ওল্ড হ্যাগার্ডরা হলেও সবচে বড় দায়টা এড়াতে পারবে না দলের বটবৃক্ষসম নেতারাও। ক্ষমাহীন মূল দলের বড়দাদা সূলভ আচারনিষ্ঠ
ক্ষমতার মসনদে থাকাকালীন সময়ে সীমাহীন টেন্ডারন্ডারবাজীর সুযোগ দেওয়া, সুপারিশ বানিজ্যের এজেন্ট বানানো এবং কমিটি প্রনয়নে চূড়ান্ত অবহেলাজনিত ব্যার্থতা আজকের এই উত্থান-পতনে উন্মুখ সাংগঠনিক কার্যক্রমের জন্য দায়ী।
ইভেন ভূল বা অযোগ্য কমিটি প্রনয়নকেও মন্দের ভালো বলতে বাধ্য অন্তত কমিটি দিতে না পারার চেয়ে।
ভালো হোক মন্দ হোক কমিটি প্রদান, চলমান থাকলে অন্তত সম্ভবনা থাকে যে দুই বছর যোগ্যতা প্রমান দিতে পারলে,কার্যক্রমে সচল থাকলে আগামীর কমিটিতে স্থান হবে।
যেখানে দুইটার্ম বা তিন টার্ম কমিটি না হলে ; নতুন কমিটিতে মধ্যখানের কোন প্রজন্ম কে বাদ দেওয়া ছাড়া বিকল্প থাকে না।
আশা করতে চায় প্রতি দুই বছরের মাথাতে নতুন কমিটি (প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারি সহ) আসলে অসন্তস খুব বেশি জমা হবে না। কারন নতুন সুযোগ শিঘ্রি আসবে সেটা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এখনো হয়তো ছাত্র আন্দালন করতে চাইলে অবশম্ভাবি জনতা পুশ ইন লাগবে, তারুণ্যসুলভ ছেলেদের দেখে বলা যায়, অল্প সময়ের বুস্ট-আপে ছাত্রদল আবারো ভ্যানগার্ড হতে পারুক আর না পারুক, চেষ্টার কোন কমতি থাকবে না। আন্তরিক চেষ্টা থাকলে অসম্ভব কিচ্ছুই না।
আবারো বাংলাদেশের রাজনীতির মূল কারিগর হবে ছাত্রদল।
ছাত্রদলের বদনাম করার জন্য ছাত্রদল তাদের পার্ফমেন্স দিয়ে আবার আমাদের মুখ বন্ধ করে দেবে ; সেই প্রত্যাশাতে একটু একটু আশার প্রদীপ জ্বলতে চাই। কি বলো তোমরা?
ছাত্রদল জিন্দাবাদ
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন