২৬ অগাস্ট
নিউইয়র্ক
জাতিসংঘ সাধারন পরিষদের অধিবেশনে ৩য় বিশ্বের দেশ সমূহের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিশেষ "নয়া উন্নয়ন কাঠামো" গঠনের লক্ষে দশ দফা প্রস্তাবনা আনেন।
আজ ২১ ফেব্রুয়ারি, গর্ব করেই বলতে চাই এই ভাষণটা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলা ভাষাতে দিয়েছিলেন।
সেদিনের ১০ দফা আজকে উপস্থাপন করছি জিয়াউর রহমানের অজস্র ভক্তদের উদ্দেশ্য।
১।এক নতুন বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যাবস্থা প্রতিষ্ঠায় উত্তরের জনমত সংগঠনের ব্যাপারে, দক্ষিণ সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার ব্যাবস্থা করবে।
২।পরিকল্পিত অর্থনীতিভিত্তিক দেশগুলো সহ শিল্পোন্নত দেশ, সবচেয়ে অনুন্নত দেশগুলির প্রতি তাদের সবরকম উন্নয়ন সহায়তার পরিমান অবিলম্বে দ্বিগুণ করবে এবং এই সকল সহায়তা শর্তমুক্ত হবে।
৩।ওপেক দেশ সমূহ সবচেয়ে অনুন্নত দেশ সমূহের জন্য তেলের মূল্য ৫০% হ্রাস করবে।
৪।একটি আন্তর্জতিক কনসর্টিয়াম গঠনের মাধ্যমে অতি অনুন্নত দেশগুলোর জন্য জ্বালানী শক্তি সম্পদ উন্নয়নের ব্যাবস্থা নেবে।
৫।তেল সমৃদ্ধ ওপেক দেশগুলো তাদের সম্পদের নির্দিষ্ট একটা অংশ উন্নয়নকাকামী দেশগুলোতে বিনিয়োগের ব্যাবস্থা নেবে।
৬।আন্তর্জাতিক বানিজ্য ও অস্ত্র ব্যায়ের ওপর কর আরোপের মাধ্যমে উত্তম ও দক্ষিনের মধ্যে সম্পদের ব্যাপক হস্তান্তরের ব্যাবস্থা নেবে।
৭।উত্তরের অর্থনীতিতে দক্ষিনের জনশক্তি বর্তমানে যে বাস্তব অবদান রাখছে, সেজন্য উত্তরের ব্যাপারে দক্ষিণকে যথাযথ প্রতিদানের ব্যাবস্থা করতে হবে।
৮)দক্ষিনের দরিদ্র দেশগুলোর জন্য বহুজাতিক সংস্থা সমূহ ও অতি ধনীদেশ গুলোর উপর বিশেষ ট্যাক্স ধার্য করা।
৯)উন্নয়নকামী দেশগুলোর স্বার্থে জাতিসংঘ ও অধীনস্ত বিভিন্ন সংস্থা, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্ব ব্যাংককে পূনর্বিনস্ত করতে হবে। একই সাথে সবচেয়ে অনুন্নত দেশগুলোর জন্য গৃহীত কর্মপন্থা কার্যক্রমের বাস্তবায়নের
উদ্দেশ্যে উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান গঠনের ব্যাবস্থা নিতে হবে।
১০)সার্বজনীন সদস্যপদের ব্যাবস্থাসহ একটি বিশ্ব উন্নয়ন তহবিল প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বিশ্বব্যাপী কর আরোপের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ এই তহবিলে জমা হবে এবং এই অর্থের যথাযথ বরাদ্দ ও ব্যাবহার নিশ্চিত করবে এই সংস্থা নিজেই।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন