বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৪

গোলাম আজমের মৃত্যুতে আগাচৌ

সরকার যদি একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও দণ্ডদান দ্রুত শেষ করত তাহলে নিজেরা দায়মুক্ত হতো এবং জামায়াতকেও অতীতের পাপের দায়মুক্ত হওয়ার কাজে সাহায্য জোগাতে পারত। কিন্তু বর্তমান সরকার কাদের বুদ্ধি-পরামর্শে চালিত হচ্ছে তা আমি জানি না। তারা দেশবাসীর এক বিরাট অংশের দাবি মেনে জামায়াতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করছে না; আবার যুদ্ধাপরাধী নেতাদের বিচার ও দণ্ডদান ঝুলিয়ে রেখে জামায়াতের তরুণ প্রজন্মের নেতা-কর্মীদের অতীতের দায়ভারমুক্ত হয়ে নতুনভাবে দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করছে না। এরপর গোলাম আজমের জানাজার ব্যাপারে সরকারের ভূমিকা দেশবাসীর জন্য রীতিমতো বিভ্রান্তিকর।

- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2014/10/28/144260#sthash.XnyuVYKX.dpuf

মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৪

গোস্ত রুটি

সাইদী সাহেবের চন্দ্র অভিযান ২ বার হলো না।

কারন  টা কি
ন্যায় বিচার?

কাদের সাহেবের ক্ষেত্রে যে আইনে শাস্তি বৃদ্ধী হল ; সেই একই আইনে সাইদী সাহেবের শাস্তি কমে গেলো।

আমি উনাদের পক্ষে বা বিপক্ষে কিচ্ছু বলছি না।  যা  খালি চোখে দেখা যাচ্ছে সেটাই বলার চেস্টা করছি।

সাইদী সাহেবের রায়
http://www.istishon.com/node/9520

অন্যদিকে কাদের মোল্যার রায়

http://m.prothom-alo.com/bangladesh/article/48100/Anti-Robot-GET-16be4a87aed49350ba87.swf

গন জাগরন মঞ্চ কতৃক সাইদি সাহেবের রায় প্রত্যাক্ষাত হবার পরে সরকার বাহাদূরের প্রতিক্রিয়া গজাম ষরযন্ত্রকারীদের তৈরি

http://www.onn24.com/details.php?id=3441/2014/09/18/গনজাগরন%20মঞ্চ%20ষড়যন্ত্রকারীদের%20সৃষ্টিঃ%20মায়া

মায়া চৌধুরী,র এই বক্তব্য,র আগে আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা,র  বক্তব্য ছিল এই রকম

"আমার মন পরে আছে শাহবাগে"

http://www.dailyjanakantha.com/news_view_all.php?nc=16&dd=2013-02-17

এই বক্তব্য লীপিবদ্ধ আছে সংসদীয় রেকর্ডে।

এই সময়ের আরো উল্লেখ যোগ্য ঘটনা
বিএনপি,র সাংগঠনিক দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে খোদ বিএনপি,র কাছেই জামাতের ১০০ সংসদীয় আসন দাবী করে বসা।

তারা আরো উদ্বুদ্ধকরণ করার চেস্টা করেছিল এই বলে যে ১০০ আসনের দাবি মেনে নেওয়া হলে তারা এক সপ্তাহের আন্দালনেই সরকার ফেলে দেবে।

লক্ষ করুন ১০০ আসনের আপাতত নিরীহ মামা বাড়ি,র দাবীর মধ্যেই তারা একটা সুক্ষ হুমকি দিচ্ছে বিএনপি কে।
যে বিএনপি তাদের জামাতী প্রস্তাবে নিমরাজি হলে সরকার পতন তাদের জন্য তেমন গুরুত্তপূর্ন নয় ; বরংচ আওয়ামীলীগ সরকারের সাথে আঁতাতবদ্ধ  হওয়াটা অধিক লাভজনক হবে কিনা তা জামাতে ইসলাম বিবেচনা,য় রাখার অধীকার রাখে।

http://24bangladeshnews.com/banglanews/?p=5166

এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়াটা  ছিল স্বভাবত একটা দূরহ কাজ।

কিন্তু BNP থিনক ট্যাংক এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে প্রমান করেছিল তারা বাংলাদেশ রাস্ট্রের জন্য রাজনীতি করেন,  শুধুমাত্র  ক্ষমতার জন্য না।

অনেকাংশে এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েই বিএনপি তার দলের চরম ক্ষমতালপ্সু অংশের বিরাগভাজন  হয়েছে এবং জামাত বুঝে গেছে বিএনপি,র কোলের মধ্যে বসবাস করে তাদের  ধর্ম কেন্দ্রিক ক্ষমতার গোস্ত রুটি খাওয়া খুব সহজ আর থাকবে না।

বর্তমান রাজনৈতিক সমীরন টা ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া করছে ঠিক এই জাইগাতেই।

শেখ হাসিনা জামাতী রাজনীতি'র অন্যতম রাজধানী আরব-আমিরাত এ বসেই জানালেন যে

"জামাত এখন আর হুমকি নয় "

অর্থাৎ শেখ হাসিনা মধ্যপ্রাচ্য কে এই মর্মে নিশ্চিত করতে চাইলেন

জামাতকে তোমরা বিএনপি,র জায়গাতে আসিন করতে পারো ; আমি শেখ হাসিনা নিজে তোমাদের অঞ্চলে এসে সাক্ষী দিচ্ছি যে

"I'll take care of Jamat-e-Islam"

"আমি নিজে জামাতের দেখভালো করবো"

নিরাপত্তার হুমকি নয় জামাত
http://mzamin.com/mobile/details.php?mzamin=NDc1NTY=&sMg==

দেখেন এই সফরে হাসিনা,র সফর সংগী খুব স্বাভাবিক ভাবেই হবার কথা ছিল প্রধান মন্ত্রীর মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত জেনারেল হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের।

অথছ তিনি অনুপ্সথিত।
ক্যান?

কারন জামাত In করলে ন্যাচারালী মর্জাদা হারাবে এরশাদের পার্টি।

So এরশাদ কোন অবস্থাতেই চাইবেন না জামাত কিছুটা সংহত অবস্থাতে আসুক।

অন্ততপক্ষে এরশাদের এই দুই দুয়ারী  সময়ে তো নয়ই।

জামাত কিভাবে তাদের দলীয় ক্ষুদ্র নেতা কর্মিদের সম্মতির বিষয় টা সরকার কে জানালো যাতে করে সরকার নিশ্চিত থে পারে যে জামাত যা করছে ; সেই ব্যপারে তার দলের সাধারন সাথীদের সম্মতী রয়েছে?

হ্যা জামাত অবশ্যই এই ব্যাপারে সরকার কে যেমন জানিয়েছে তেমনি মানসিক ভাবে প্রভাবিত করেছে নিজ দলের কর্মিদের।

প্রমান চান?

জী অধ্যাপক গোলাম আজমের লাশ কে সাক্ষীগোপাল রেখেই এই অলিখিত সমঝোতা স্মারক সাক্ষর  হয়েছে।

প্রধান মন্ত্রী  কে তার বৈধতা জানিয়েছেন সয়ং গোলাম আজম পুত্র

প্রধাম মন্ত্রী কে গোলাম আজম পুত্রের  ধন্যবাদ

http://www.kalerkantho.com/print-edition/last-page/2014/10/26/143629

শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৪

পক্ষ-আঘাত

বিচিত্র মানুষ,  বিচিত্র তাদের চরিত্র।

শীতের দেশের এক রকম মানুষ আবার গরম দেশের অন্য রকম মানুষ,  নাক বোচা মোংগলীয়ান বা চাইনিজ মানুস।আফ্রিকার কালো মানুষ আথবা বাংলাদশের অতি আশ্চর্য ব্রাউন কমপ্লেক্সনের মানুষ।


কারো শরীরের ধার বেশি তো কারো ভাড় বেশি।

কার খবর কে রাখে  !

আবহাওয়ার সাথে মিলিয়ে কত অদ্ভুত অদ্ভুত বৌচিত্র।

" আসরাফুল মাখলুকাত "

মানুষ জাতিরও ইচ্ছা হল তারা মানুষ গড়বে ; জীবন দানের ক্ষমতা নায় তো কি হয়েছে আকৃতি দানের (কু)বুদ্ধি তো আছে !


লম্বা গলাওয়ালা আদিবাসি মেয়ে দের তো দেখেছেন নিশ্চয়  National Geography চ্যানেলে। 

এই উপজাতির মানুষেরা জিনগত কারণে উচ্চতাতে ছোট হয়।

"পিগমী" বা হ্রস্য" এদের নাম।

এই ছোটত্ত থেকে বাচার জন্য চলে আপ্রান চেস্টা।

চেস্টার অংশ হিসাবে এরা এদের মেয়েদের গলাতে পরিয়ে দেয় এক ধরনের রিং। এই রিং স্প্রীং এর মত কিছুটা ; যাতে মাথা উঠানামা করতে, পথ চলতে সমস্যা না হয়।

গলার সাথে লাগানো অবস্থাতে এই রিং বাহ্যিক ভাবে কিছুটা কলস বা কলসী আকৃতি ধারন করে।

গলার বাইরে দিয়ে এই রিং এর কারনে তাদের গলা হয়ে যায় লম্বা যা তাদের তথাকতথিত খর্ব শরীরকে ক্ষেত্র বিশেষে ৮" পর্যন্ত অধিক লম্বা করতে পারে।

অন্যদিকে কনফুঁসিয়াসে,র নাক বোচা চৌনিক দের পা ছোট্ট বেলা থেকে আটকে রাখা হতো লোহা বা কাঠের জুতা দিয়ে যাতে করে পায়ের আকার বড় না হয়ে যায় ; এই লোহা/কাঠের জুতার নেগেটিভ ইতিহাস কে উজ্জ্য রাখলে নিশ্চিত বলা যায় অসুন্দর পা,কে সুন্দর সেপের ভেতর রাখার জন্যই ছিল চাইনিজ এবং জাপানিজ দের এই অন্তবিহীন প্রচেস্টা।

Now let's move to Pakistan. ডি ল্যান্ড অফ লেটেস্ট নোবেল লরিয়েট।

পাকিস্থানের গুজরাট অঞ্চলের কিছু মাজারে মাফিয়ারা মাজার সন্তানদের মাথা তে লোহার টুপি পরিয়ে দেন। এতে মাথা আর বড় হতে পারে না।

কান বড় হয়ে যায় চোখ বড় হয়ে যায় ; আটকে যায় শুধুমাত্র  মাথা,  সাথে সাথে আটকে যায় মগজ। 

ছোট স্থানের মাথাতে পর্যাপ্ত মগজের সংস্থান হয় না।
চেহারা হয়ে যায় কিছুটা ইদুরের মত। চুহা মানব এদের নাম।

ভিক্ষাবৃত্তি তে এদের জুড়ি মেলা ভাড়। মূলত মাজার কেন্দ্রিক ভিক্ষা জগতের বছররের কয়েক শত কোটি রুপি বানিজ্যের কংকাল এই "চুহা মানব" দের দল।

এবার চলে আসেন ডাইরেক্ট বাংলাদেশ ভায়া ইন্ডিয়া।

আমাদের এইখানে সার্কাসে বামুন দেখেছেন নিশ্চয়।
সার্কাস না দেখলেও " ইত্যাদি " দেখেছেন সবাই।

ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চাদের জন্মের এক দের মাস পর থেকেই রাখা শুরু হয় ছোট ছোট মাটির পাতিলের ভেতর।
বাচ্ছাদের খাওয়া,  পড়া, প্রসাব, পাইখানা সবই চলে ঐ  মাটির পাত্রের ভেতর।

আমি অবশ্য হানিফ সংকেতের "ইত্যাদি "র ঐ  শিক্ষিত বামুন ছেলেটার কথা বলছি না ; ও কিন্তু স্রস্টা,র সেচ্ছাচারিতা,য় এই উচ্চতা পেয়েছে।

এই প্রসেসে ওদের পার করা লাগে একটানা ৫ টি বসন্ত,  তার পরে  প্রতি ১৫ দিনে ২ দিনের বিরতী।

বুঝুন তাহলে মাটির হাড়ি কয়টি লাগে?

কে করে এই ইনভেস্টমেন্ট?  কেও কি করবে এর ইনভেস্টিগেশন ?

এদের কেও কিন্তু দূরের অচেনা,  অজানা মানুষের দ্বারা এমন পক্ষাঘাত গ্রস্থ জীবন পায় না।

এদের প্রায় প্রত্যেকের গল্পের পেছনে থাকে পারিবারিক নস্টামির অন্য একটা অন্ধকারের গল্প।

এমন অনুশীলন আমাদের পৃথিবী তে যেহেতু আছে তাই আছে আমাদের মহাদেশে,  আমাদের দেশেও।

ইদানিং ক্যান জানি মনে হচ্ছে আমাদের রাজনীতিতেও হয়তো এমন অনুশীলন শুরু হয়ে গিয়েছে ;

কে বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে "বাংলাদেশ জাতিয়তাবাদি দল" এই প্রক্রিয়ার বাইরেই আছে এখনো!

বন্ধুরা

"আর বলিতে পারি না
বড় বিষ জ্বালা এই বুকে "

শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৪

বেতন ভাতা

দেখে নিন আউটলুক এর তথ্য অনুযায়ী ফাইনান্সিয়াল এডভাইজার দের সর্বনিম্ন ও সর্বচ্চ বেতন।

এই বেতনভুক্তরা আমেরিকার বেস্ট অর্থনিতিবিদ।

http://money.usnews.com/careers/best-jobs/financial-adviser/salary

Indian মন্ত্রী দের বেতন

http://www.answers.com/Q/Salary_of_cabinet_ministers_inj_India

UN এর বেতন

https://careers.un.org/lbW/home.aspx?viewtype=SAL

Politics

২৩/১২/১৯৬৯

শেখ মুজিবুর রহমান
With
Deputy chief of mission
Mr.Sydny Sobar

মুজিব তার বিরুদ্ধে হত্যা ষরযন্ত্র প্রকাশ করে।

29/12/1969
মার্কিন কনস্যুলেট ঢাকা থেকে
এই তথ্য US Foreign minister
কে সরবরাহ করা হয়।

Document confidential Dhaka 3165

"মুজিব মনে করেন,ষরযন্ত্রকারীরা যদি মনে করে থাকেন যে পাকিস্থানের অখন্ডতা রক্ষায় তাকে সরিয়ে দেওয়াই সব থেকে শ্রেষ্ঠ উপায়, তবে পাগল ছাড়া তারা আর কিছু নয়।

তার  দৃর প্রত্যয় রয়েছে যে পশ্চিম পাকিস্থানীদের উস্কানিতে যদি তাকে হত্যা করা হয়,  অখন্ড পাকিস্থান রক্ষার শেষ সুযোগ হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে "

দেখুন শেখ মূজীব কিন্তু নিজ মুখেই বলছেন যে তিনি অবিভক্ত পাকিস্থান ধরে রাখার ক্ষেত্রে উপযোগি এবং প:পাকিস্থানীরা তাকে ভূল বোঝার মতো ভূল যেন না করে।

এই 3165 নং ডকুমেন্টটি মার্কিন সরকার প্রকাশ্যে আনে
৩০/০৬/২০০৫

শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৪

রক্ষীবাহিনী এবং বাঘা সিদ্দিকী

কাটা তোলার জন্য কন্টক ব্যাবহার উত্তম।

আনোয়ার উল আলম
রক্ষীবাহিনী 'র সেকেন্ড-ইন-কমান্ড
বলছেন

আমি প্রধান মন্ত্রী,র অফিস কক্ষে প্রবেশ করে দেখতে পাই; বংগবন্ধু  শেখ মুজিব রহমান ও সাবেক রাস্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী সোফায় বসে আছেন।

বংগবন্ধুর চেহারা দেখে মনে হল তিনি রাগান্বিত।  এতে আমি একটু আশ্চর্য হয়ে গেলাম। 

ভাবললাম আমি কি কোন ভূল করে ফেলেছি?

আমি বংগবন্ধুর সামনে  যেতেই তিনি আমাকে বললেন

'শোন, চৌধুরী সাহেবের পৈতৃক বাড়ি লতিফ দখল করেছে। ওই বাড়ী আজ রাতের মধ্যেই খালি করতে হবে'

সংগে সংগে ব্যাপারটা বুঝে গেলাম।

এ লতিফ টাংগাইল জেলার কালিহাতি থানা থেকে নির্বাচিত সাংসদ আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী।

তথ্য সুত্র
রক্ষীবাহিনীর সত্য-মিথ্যা
১০৬ পাতা

৫২ ধারা

৫২ তে বাংগালী বলেছিল
"ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চাই "

আফসোস্
২০১৪ তে এসে  আবারো বলতে হচ্ছে

"মা গো ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায় "

"বদলে গেছে রাজা ; রয়ে গেছে ছায়া"

সেই তো একই লোনা স্বাদ পরাধীনতার।

বলতে পারি না কথা ; আদালত অবমাননার ঠুনকো ছিদ্র যদি ফস্কে না যায়?

লিখতে পারি না আর মায়ের কথা ; অশুরের রক্ত চক্ষু আমাদের থামিয়ে দিতে চায়।

ভিন দেশী লম্বা জীহব্বা ঝোলা কুকুরের মত খাবলে খেতে চাই আমার লেখার অধিকার।

মা গো ওরা আমার লেখার ভাষা কাইরা নিতে চাই।

একই শেকল, একই কারাগার, সেই একই গাড়দ খানা ; পিশাচের খাকি রঙটা  বদলে গেছে।

বদলে গেছে আদর্শের বায়বীয় ত্যাগ।

মা গো শকুনের দল আমার
"মুখের ভাষা কাইয়া নিতে চাই
মা গো নব্য ক্ষমতা লোভীরর দল

ওরা আমার লেখার ভাষা কাইরা নিবার চাই "

৫২ ধারা বাতিল কর
মুখের ভাষা মুক্ত কর
লেখার অধিকার আদায় কর
বাক স্বাধীনতা মুক্তি পাক।

3D চাপ

গেরিলা যুদ্ধের ময়দানে প্রচলিত কথা হচ্ছে
"জলে স্থলে অন্তরিক্ষে"

শেখ মুজিবের ভাষায়
"হাতে মারবো,  ভাতে মারবো, পানিতে মারবো "

অত্যাধুনিক যুদ্ধবিদ্যা তে বলা হয়
"3 D" বা থ্রি ডাইমেনসন

কূটনীতি তে
Two track policy "

বাংলা ভাষার প্রবাদে বলা হয়
"গাছের টাও খাব ;নিচের টাও  কুড়াবো "

BNP কে বুঝতে হবে রাজনীতিতে জিততে হলে দুই হাত সমানে চালাতে তে হবে

সর্বভুক হতে হবে।

মদ্যাকথা চাপ প্রয়োগ  করতে হবে।
চাপ প্রয়োগটা হতে হবে দৃশ্যমান। এক প্রান্তে চাপ পরলে অন্য প্রান্ত আক্রান্ত না হলে সেই চাপ মূল্যহীন।

কূটনৌতিক চাপের কথা বিএনপি বলার চেস্টা করে বিভিন্ন ভাবে ; হ্যা কিছুটা অসস্তি হয়তো Diplomatic চ্যানেলে তৌরি হচ্ছে ;কিন্তু সেটার নাম কোন ভাবেই "চাপ" নয়।

দেখেন নিজেদের গ্রুপের পোস্ট ; আমাদের কথা বাইরে যাচ্ছে না

লক্ষ করেছেন কি ইদানীং কালের নেত্রী,র অধিকাংশ বক্তব্যের ভেতর বিদেশিদের সাথে সরকারের সুসম্পর্ক বা খারাপ সম্পর্ক এই বিষয়  চলে আসছেই অবধারিত ভাবে।

তাছাড়া বিদেশী চ্যানেল হ্যান্ডেলের ব্যাপারেও বিএনপি খুব বেশি পারদর্শিতা দেখাতে পারছে না।

উদাহরণ  চান?

UN এ বাংলাদেশের ৪০ বছর উতজাপনে বান-কি-মুন সাহেবের বিবৃতি আমরা লিক করাতে পেরেছি?

বান-কি-মুন  এর সাথে সাক্ষাৎ এর বিষয়ে যে গুমড় মানব জমিন ফাস করেছে তা প্রথমত ছিল বিএনপি,র দায়িত্ব। এই ক্ষেত্রে আমরা কি ব্যার্থ নয়?

যাই হোক কথা হচ্ছিল "চাপ" বিষয়ে

বিদেশী বা কূটনীতিক চ্যানেলের চাপ তখনই চাপ বলে মনে হবে যখন এই চাপ কে প্যারালাল সাপোর্ট দিতে পারবে ঢাকার রাজপথ।
সাথে থাকবে
অনলাইন যোদ্ধা
এবং
প্রশাসনের নিরব সমর্থন।

রাজপথের উর্ধশ্বাসে যখন পুলিস  রাইফেল ফেলে দৌড়াবে,

ছাত্রলীগ যখন গন-ধোলাই খাবার ভয়ে ভীত হয়ে পরবে

সচিবালয় যখন দ্রুত ফাইল পাস করবে,

মন্ত্রী বাহাদূরগন যখন পতাকা লুকিয়ে ঘোরাঘুরি করতে বাধ্য হবে

শুধুমাত্র তখন কূটনৈতিক চাপ কে চাপ  বলে প্রতিয়মান হবে।

আটলান্টিকের এপার ওপার হুলুস্থুলের আগে বুড়িগংগা নদীর এপার-ওপারে ঢেও তোলা টা অনেক বেশি  সময়ের দাবি।

জলে স্থলে অন্তরিক্ষে চাপ প্রয়োগ এখন একমাত্র সমাধান।