অবশেষে পাব্লিকের ট্যাক্সের টাকাতে সংসদে দাঁড়িয়ে বারোয়ারি বণিক শাড়ি'র আড়তদার কাবুলিওয়ালা এবং পুঁজিবাদী পিশাচযোনি Shonargoan Hotel Pan Pacific এর বিজ্ঞাপন!
মাননীয়া আপনি জানেন কি! যে শাড়ি'র কথা আপনি বললেন, যেখান থেকে ক্রয় করা হয়েছে বলে উল্লেখ করলেন, তারা কত শত দরিদ্র জামদানী শ্রমিকের রক্ত চুষে খাই?
মাননীয়ার জন্য অনেক শোভন ও উপযুক্ত হতে পারতো, মাননীয়া যদি বুর্জোয়া দূর্গে আঘাত করতে ঐ সব শাড়ির বারোয়ারী প্রসারে হাওয়া না দিয়ে ঐ সব শাড়ি'র দরিদ্র কারিগরদের কাছ থেকে সরাসরি কিনতেন এবং সেই সংবাদ সংসদে দাঁড়িয়ে বলতেন! তবে আপনার জন্য থাকতো এই অধমের হাজার কুর্ণিশ।
যদি তৃণমূলের দরিদ্র, ক্ষুদ্র উৎপাদকদের কল্যানে সংসদে উক্ত এক মিনিটে যে ১ লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছে, তা মোটেও প্রশ্নের সম্মুখীন হত না। বাংলাদেশী, বাঙালী নির্বিশেষে আপনাকে বাহবা দিতো, বলতো তৃণমূলের দরিদ্র ক্ষুদ্র উৎপাদকদের কল্যানে এক মিনিট কেন, হাজার লক্ষ মিনিট আপনি সংসদে কথা বলুন, স্ব-নির্বাচিত হবার স্বত্তেও কথা বলুন, ১৫০ অধিক আসনে নির্বাচিত না হবার পরেও কথা বলুন!
হায় খোদা, পর্তুগীজ চলে গিয়েছে, ইংরেজ চলে গিয়েছে, পাকিস্তান গত হয়েছে। ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদ আমাদের কূড়ে কূড়ে খাচ্ছে, তবু ইস্টইন্ডিয়ার কোম্পানি কুঠিতে জন্ম নেওয়া বারোয়ারী বাজারের মারোয়াড়ী ভূত "বাণিজ্য বসতি লক্ষী"র সেবাদানে আজো ব্রত নষ্ঠ হয়নি!
মাননীয়া,
আর বলিতে পারিনা
বড় বিষ জ্বালা এই বুকে...
আর বলিতে পারিনা
বড় বিষ জ্বালা এই বুকে...

