শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৫

জন্মদিন

অগাস্ট ১৩, ১৯২৬
জন্ম গ্রহন করেন এমন একজন বীর যিনি আজকে অব্দি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম শক্তি কে নিজের আদর্শের আড়ালে ম্লান করে রেখেছেন।
ব্যার্থ অভ্যুত্থানের পরেও দমে যাননি তিনি। নবউদ্যমে বিপ্লব শুরু করে সফলতার দেখা পান মাত্র ৩৩ বছর বয়সে।
১৯৫৯ সাল তখন
২০০৬ থেকে ২০০৮ এর ভেতর শরীর যখন নিয়ন্ত্রনের বাইরে তখন নিজেকে গুটিয়ে নেন তিনি।
নাম তার ফিদেল ক্যাস্ট্রো।
কিউবা শুধু নয় গোটা ল্যাতিন আমেরিকা জুড়ে আমেরিকানদের ঘুম হারাম করে আজো উন্নত শির 'কিউবা'
এদিকে আরেক ক্ষনজন্মা পুরুষ প্রথম সামরিক যুদ্ধের স্বাদ পান মাত্র চার বছর বয়সেই। ১৯৪০ সালে ২য় বিশ্ব যুদ্ধের সময়।
জাপানিজ এয়ার স্ট্রাইক চলছিল তখন।
১৯৩৬ সালের ১৯শে জানুয়ারি জন্ম নেওয়া এই পুরুসত্তম বাংলাদেশের ইতিহাসে দুইদুই বার ক্রান্তিকালে তার ক্যারিসমে্টিক মেধা আর সাহসের ঝাঁপি খুলে দিয়ে ছিলেন।
মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তিনি স্বাধিনতার ডাক দিয়ে ছিলেন। তার মাত্র চার বছরের মধ্যেই এসেছিল ঐতিহাসিক ৭ ন নভেম্বর।
এই সব কথা কেন বলছি? ?
বলছি তাঁকে যার যুদ্ধে যাবার সময় এখন।
যে তার যোগ্যতা মাত্র ২০০১ সালেই দেখিয়েছেন।
প্রীয় তারেক রহমান ; আমাদের লিডার প্রয়জন। এখনই !
আমাদের জিয়া প্রয়োজন। এখনই প্রয়োজন।
কিভাবে সেই প্রয়োজন মিটবে তা আমাদের মত আমজনতার ভাববার বিষয় না।
কে মিটাবে সেটাও আমাদের কাছে গুরুত্তপূর্ন না।
আমরা জাতীয়তাবাদি।
জাতিয়তাবাদের পিপাসা মেটাটাই আমাদের গন্তব্য। আমাদের জাতিয়তাবাদের গুরু মেজর জিয়ার জীবন আর কর্ম সেই শিক্ষাই দেই।
সময় এবং স্রোত অপেক্ষা করে না ; অপেক্ষার নিয়ম নাই।
তবুও আমরা জিয়া আর খালেদা জিয়ার আত্মার আত্মিয়কেই দেখতে চাই সেই গুরুর ভাবশির্ষ রুপে।
জিয়া অপেক্ষা করেন নাই সুযোগের জন্য, মোক্ষম নিরাপদ ক্ষনের জন্য।
পালভাঙা জাহাজের হাল ধরা মাঝি ছিলেন তিনি।
তারেক রহমান বাংলার সাবেক রাজপুত্র হবেন নাকি ছিন্ন হয়ে যাওয়া মিছিলের নতুন করে জ্বালানো মশাল বাহক হবেন , দেখার জন্য নিভু নিভু মিছিলের এক মলীন কোনে পঁচে মরেও বেঁচে আছে জাতীয়তাবাদীরা।
জন্মদিনের উৎসব কতটা আলোক চিত্রিত হবে সেটা মূখ্য নয় বরং যতটা আলো সম্প্রসারনের বাতিঘর হতে পারবে জন্মদিনের উৎসব ততোধিক আলোকিত হবে।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
বিএনপি জিন্দাবাদ

1 টি মন্তব্য: