আমাদের মুক্তি যুদ্ধ শেষ হয়নি আজো।
আপেক্ষাতে আছি পাক-ভারতের যৌথ মিত্রপক্ষ বাংলাদেশের মুক্তি ফৌজের সামনে অবনত মস্তকে হাটু গেড়ে অস্ত্র সমর্পণের প্রতিকী অর্থে আত্ম সমর্পণ করবে।
মানিক মিয়া এভিনিউ হয়ে যাবে ইতিহাসের সাক্ষী। জাতিয় সংসদ ভাবন উকি দিয়ে অত্মসমর্পণের দদীল দেখে গর্বিত রণ সংগীত গায়তে চাইবে।।
আজ ৪২ টা বছেরের যুদ্ধবিরতি শেসের আকাংখা। আবার যুদ্ধ শুরু হোক : শুরু হোক ভালবাসা।
রকেটলঞ্চার আর ডিনামাইটের রোমান্স আমার বাংলাদেশের মানুসের দেহে মাতাল সরাবের পাগলা ঢেউ তুলে সৃজন ছন্দে বাউলা বাতাসের শীবরণ তুলে যাবে এই মুক্তি যুদ্ধে।
I just watched their check post is already destroyed.
Don't you listen the wind of change.?
শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০১৪
এরসাদ
চ ম ক
ন তুন মেসিনের উপরে পুরাতনী মেসিনের কল-কব্জা যদি সম্পুরক ভাবে বরাবর বসিয়ে দেওয়া হয় তবে পুরানো Liver অকেজো মেসিনও প্রবল বিক্রমে দন্ডায়মান হয়ে Mike Tison এর মত, ভারতিয় পুরুসের মত মাদুরাম দোলাতে শেখে।
সুত্র : এরসাদের দন্ড হাসিনা মাফ করেছে কিন্তু অস্টাদশী তরুনী সাথী সেই দন্দ কে আবারও দন্ডায়মান করে ছেরেছে।
আওয়ামী গল্প ১
আমার জেলা চুয়াডাংগা তে আওয়ামীলীগ তাদের নিজেদের ২গ্রুপের সংঘর্সএ BNP এর তিনটি অফিস আগুনে পুড়িয়েছে।
খন্দকার আব্দুর জাব্বার সোনা ভায়ের অফিস /
কামরুজ্জামান আজাদের অফিস এবং চির হিজরা শামসুজ্জামান দুদু ভায়ের অফিস।
তবে জেলা প্রেসক্লাব সংলগ্ন কদম তলার সাবেক ছাত্রদল নেতাদের সবচে গুরুত্তপুর্ন ঘাটি তে কোন আঘাত আনার দুসসাহস দেখাতে পারেনি। আমাদের ছেলেদের পুর্ন প্রস্তুটি ছিল কমান্ডো হামলা দিয়ে প্রতি উত্তর দেবার।
তবে ত্রিধারা তে বিভক্ত মুল দল আমাদের সহায়তা পায়নি; আমরা তাদের স্পস্ট জানিয়ে দিয়েছি একতাবদ্ধ না হলে আমরা সহযোগিতা করতে যাব না।
At least আওয়ামীলীগের কাছে ধোলাই খেয়ে যদি আমাদের দল একতাবদ্ধ হয়... এরাই আসা।
Test cricket
সেই ভাল ক্রিকেট টেস্ট বাদ দিয়ে দাদারা আমাদের নার্ভ টেস্ট করুক।
"Marry me Afridi" ফেস্টুন দেখেন যারা আমাদের তরুনী দের মুন্ডুপাত করতে করতে নাকে আংগুলী চালাতো তাদের যারা আজকে বিড়ালের মিউ মিউ ডাক দিতেও কুন্ঠা বা উতকন্ঠা বোধ করছেন চলুন তাদের রাজ হাসের সিদ্ধ ডিম উপহার দেই।।
।
বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৪
আওয়ামীলীগ গল্প ২
আওয়ামীলীগ মুখে যা ই বলুক না ক্যান ; জামাতের হারিয়ে যাওয়া তাঁরা বসে বসে
দেখবে না । কারণ জামাত আওয়ামীলীগের বন্ধু ; শত্রু নয়। BNP আওয়ামীলীগের
শত্রু। দেসদ্রহি জামাতের হারিয়ে যাওয়া BNP এর জন্য লাভজনক ।.
আওয়ামীলীগ নিজেদের গোপন ও হীন বিসাক্ত স্বার্থেই জামাত ই ইসলাম কে টিকিয়ে রাখবে । যার নমুনা গোলাম এর রজ্জু রহিতকরনের মাধ্যমে আমরা দেখতে পাই।.
আওয়ামীলীগ নিজেদের গোপন ও হীন বিসাক্ত স্বার্থেই জামাত ই ইসলাম কে টিকিয়ে রাখবে । যার নমুনা গোলাম এর রজ্জু রহিতকরনের মাধ্যমে আমরা দেখতে পাই।.
দেখা হবে বিজয়ে
২৫
মার্চ কালো রাতের কথা মনে আছে ? হানাদারদের বীভৎস আক্রমণ। আওয়ামী লীগ এই ২৫
October সে হানাদারের ভুমিকাতেই নামতে যাচ্ছে কি না তা তারাই জানে ।তবে
তার প্রতিক্রিয়া বর্তমান ; যেমন বিরধী নেত্রীর গাড়ী বহরে আক্রমণ , সাবেক
মন্ত্রী নাসিমের বক্তব্য, মঊদুদ আহাম্মেদ কে নিয়ে পুতুল খেলা ,DMP এর
মাদ্ধমে ১৪৪ ধারার মতো করে সভা- সমাবেশ বন্ধ করা , পথে পথে পুলিশের গাড়ীর
বাড়তি টহল । সাই সাই করে কালো পোশাকের গারিগুলির রাস্তা পারাপার । নিস্তব্ধ রাতের বুক চিরে সশব্দ হুইসেল ; এসবই তো দেশী হানাদারদের প্রস্তুতি মাত্র ।
আপর দিকে সাধারণ মানুসের নিসচুপ আতংক । অচল জীবনের ভয় , অসহায় হয়ে মার খাবার অপেক্ষা ।
একমাত্র আসার আলো BNP এর আন্দালন এবং শেষ থেকে আবারও ঘুরে দড়িয়ে সামনের দিকে আগিয়ে যাবার প্রবল আকাঙ্ক্ষা । যেমন দেখাগিয়েছিল ৭১ এ বাংলাদেশর সাধারণ মানুষকে জাগতে ।
যেমনি ভাবে ৯০ এ মহা বিপ্লবে মার খাওয়া BNP আর মার খাওয়া গণতন্ত্র পুনরায় দখল নিয়েছিল পিচ ঢালা "ঢাকার রাজপথের ; সেই "২৫ " আবারও জেগে উঠছে " ঢাকার রাজপথে" ।।
অজুত মিছিল , লক্ষ তরুণের স্লগান প্রকম্পিত "ঢাকা" শহরের হারিয়ে যাওয়া কণ্ঠ স্বর । এ শহরের শেষ বিকেলের লাল সূর্য অথবা কাকডাকা ভোরের কৃষ্ণচুড়া ..সব টুকু লাল হলে হোক ফিনকি দিয়ে ছিটকে পরা তরতাজা রক্তের তাজা খরস্রোত । পরোয়া করি না ভাত্রি ঘাতি বলদর্পীর অ সহিষ্ণু বুলেট অথবা রাইফেলের কালো কালো নল ।
দেখা হবে "রাজপথে" মশাল হাতে মুখো-মুখী ।
দেখা হবে "রাজপথে" রাইফেল কাঁধে অসহিষ্ণু অত্যাচারী বল্লম ধারির মুখো-মুখী । ।
দেখা হবে বিজয়ে ।। ।।
আপর দিকে সাধারণ মানুসের নিসচুপ আতংক । অচল জীবনের ভয় , অসহায় হয়ে মার খাবার অপেক্ষা ।
একমাত্র আসার আলো BNP এর আন্দালন এবং শেষ থেকে আবারও ঘুরে দড়িয়ে সামনের দিকে আগিয়ে যাবার প্রবল আকাঙ্ক্ষা । যেমন দেখাগিয়েছিল ৭১ এ বাংলাদেশর সাধারণ মানুষকে জাগতে ।
যেমনি ভাবে ৯০ এ মহা বিপ্লবে মার খাওয়া BNP আর মার খাওয়া গণতন্ত্র পুনরায় দখল নিয়েছিল পিচ ঢালা "ঢাকার রাজপথের ; সেই "২৫ " আবারও জেগে উঠছে " ঢাকার রাজপথে" ।।
অজুত মিছিল , লক্ষ তরুণের স্লগান প্রকম্পিত "ঢাকা" শহরের হারিয়ে যাওয়া কণ্ঠ স্বর । এ শহরের শেষ বিকেলের লাল সূর্য অথবা কাকডাকা ভোরের কৃষ্ণচুড়া ..সব টুকু লাল হলে হোক ফিনকি দিয়ে ছিটকে পরা তরতাজা রক্তের তাজা খরস্রোত । পরোয়া করি না ভাত্রি ঘাতি বলদর্পীর অ সহিষ্ণু বুলেট অথবা রাইফেলের কালো কালো নল ।
দেখা হবে "রাজপথে" মশাল হাতে মুখো-মুখী ।
দেখা হবে "রাজপথে" রাইফেল কাঁধে অসহিষ্ণু অত্যাচারী বল্লম ধারির মুখো-মুখী । ।
দেখা হবে বিজয়ে ।। ।।
ঢাকা অবরোধ
BNP
কর্মীরা কোন অবস্থাতেই ঘাবড়ে যাবেন না । রাজপথে BDR নেমেছে ।তাঁদের দেখে ভয়
পাবার মত কিছু নাই । কর্মীরা সাহস ধরে রাখলে BDR উল্টা ঘাবরে যাবে । BDR ,
POLICE ,সরকার কিন্তু আসলেই অনেক ভঁয়ে আছে । তবে আগ বাড়িয়ে তাঁদের ক্ষতি
করবেন না।
সম্ভব হলে গুলতি রাখুন আর তারসাথে মরীচের গুরা । আক্রমণের শিকার হলেও আপনি গ্রেফতার এরাতে গুলতি দিয়ে মরীচের গুরা ছুরুন অথবা সম্ভব হলে চুকতা পাতা সাথে রাখুন । দা বা কুড়াল নিলে প্রশাসন সন্দেহ করে তাই "সিলাই রেঞ্জ" ১" বা ২" মোটা ২-৩ ফুট লম্বা তার রাখুন বা বড় সাইজের স্ক্রু ড্রাইভার । ছোট ছোট চায়ের টং দোকানে থাকাকালীন সময়ে আক্রমণের শিকার হলে চায়ের দোকানে সর্বদা গরম পানি থাকে ; এই গরম পানি দিয়েও আক্রমণ প্রতিহত করা যাই। আমি নিজে একবার চায়ের দোকানের গরম পানি সন্ত্রাসীদের গায়ে ছুরে ফেলে পাড় খাওয়ার হাত থেকে বেচেছিলাম । আক্রান্ত হলে ভয় না পেয়ে প্রতি আক্রমণ করুন তারা ঘাবড়ে যাবে ; এ ক্ষেত্রে হাতে কিছু না থাকলে আক্রমণ কারি তলপেট , নাক বা অণ্ডকোষে সজরে একটা আঘাত ই যথেষ্ট । বেশি বিরত্ত না দেখিয়ে প্রতি আঘাত করেই সরে পড়ুন। গ্রেফতার এড়িয়ে পালিয়ে থাকলে চলবে না । গ্রেফতার এরাতে হবে এবং প্রতিয়াঘাত করে সরে পরতে হবে । সাধারণ মানুষের গাড়ি ভাঙলে দলের সুনাম ভীষণ ভাবে ক্ষতি হয়। প্র্যজনে শুধু আক্রমণ কারিদের সাজসরঞ্জাম কে অচল করে দিন। গেঙ্গি না পরে শার্ট পড়ুন । পেছন থেকে পুলিস ধরলে শার্টের বোতাম খুলে দেন দৌর । মনে রাখবেন অপনি দুর্বল নন। বরং আক্রমণ কারি রাই অনেক অনেক ভয় এবং আতংকে আছে ।
সম্ভব হলে গুলতি রাখুন আর তারসাথে মরীচের গুরা । আক্রমণের শিকার হলেও আপনি গ্রেফতার এরাতে গুলতি দিয়ে মরীচের গুরা ছুরুন অথবা সম্ভব হলে চুকতা পাতা সাথে রাখুন । দা বা কুড়াল নিলে প্রশাসন সন্দেহ করে তাই "সিলাই রেঞ্জ" ১" বা ২" মোটা ২-৩ ফুট লম্বা তার রাখুন বা বড় সাইজের স্ক্রু ড্রাইভার । ছোট ছোট চায়ের টং দোকানে থাকাকালীন সময়ে আক্রমণের শিকার হলে চায়ের দোকানে সর্বদা গরম পানি থাকে ; এই গরম পানি দিয়েও আক্রমণ প্রতিহত করা যাই। আমি নিজে একবার চায়ের দোকানের গরম পানি সন্ত্রাসীদের গায়ে ছুরে ফেলে পাড় খাওয়ার হাত থেকে বেচেছিলাম । আক্রান্ত হলে ভয় না পেয়ে প্রতি আক্রমণ করুন তারা ঘাবড়ে যাবে ; এ ক্ষেত্রে হাতে কিছু না থাকলে আক্রমণ কারি তলপেট , নাক বা অণ্ডকোষে সজরে একটা আঘাত ই যথেষ্ট । বেশি বিরত্ত না দেখিয়ে প্রতি আঘাত করেই সরে পড়ুন। গ্রেফতার এড়িয়ে পালিয়ে থাকলে চলবে না । গ্রেফতার এরাতে হবে এবং প্রতিয়াঘাত করে সরে পরতে হবে । সাধারণ মানুষের গাড়ি ভাঙলে দলের সুনাম ভীষণ ভাবে ক্ষতি হয়। প্র্যজনে শুধু আক্রমণ কারিদের সাজসরঞ্জাম কে অচল করে দিন। গেঙ্গি না পরে শার্ট পড়ুন । পেছন থেকে পুলিস ধরলে শার্টের বোতাম খুলে দেন দৌর । মনে রাখবেন অপনি দুর্বল নন। বরং আক্রমণ কারি রাই অনেক অনেক ভয় এবং আতংকে আছে ।
হরতাল effective হবে
আবার
হরতাল effective হবে না।আমাদের image লীগের মত হবে জনগনেরে কাছে। শক্তি
ক্ষয় হবে অযথা অযথার্থ। মুল কথা result আসবেনা। কস্ট করে 3 তিন দিন all
around attack করুন। অবরোধ করেন ঢাকা, সচিবালয়ের সামনে স্থায়ী কমিটি নিয়ে
স্থায়িভাবে বসে পরেন, লক্ষ লক্ষ fax email প্রসাসনের কাছে ও প্ত্রিকা টিভি
অফিসে পাঠিয়ে অফিস অচল করুন, farm gate এ নিজেদের গারি গুলি এনে নিজেরা নিজ
হাতে জ্বালিয়ে দেন। সারাদেশ কে ঢাকা ও চত্তগ্রাম
থেকে বিচ্ছিন্ন করুন,, বেসি না একটানা ৭ দিনও যদি তা ধরে রাখার সাহস ও
শক্তি এবং দেশের প্রতি ভক্তি দেখাতে পারবেন তো হাসিনার সরকার মাফ ও দোয়া
দুইই চাইবে ও পালাবে।
প্রশাসন যে অত্যাচার করবে টা কিন্তু নিশ্চিত । অত্যাচার মেনে নিয়েই আন্দালন করতে হয়। আমাদের মানসিক শক্তি যথেষ্ট থাকলেই কেবল প্রতিরোধ সম্ভব ।
বিজয়ী হওয়া সম্ভব।
৯০ এর আগে BNP প্রমাণ করেছে আন্দালনে তারা অপ্রতিরদ্ধ। তখনকার Team work , সততা , সৎ ও সাংগঠনিক শক্তি আমাদের যদি এখনও অর্ধেকও অবশিষ্ট থাকে তবে এমন অবরোধ দিয়ে সরকার কে বিদায় দেওয়া অসম্ভব নয় ।
পার্টী অফিসে অবরুদ্ধ থাকতে বাধ্য হয়ে মানুষের করুণা পাওয়া যায় ঠিকিই কিন্তু আস্থা অর্জন করা যায় না । আমরা চায় না আওয়ামীলীগ বিরধীতার কারনে BNP এর অগ্রযাত্রা বরং নিজ গুনে BNP এর অগ্রযাত্রা অনেক অনেক বেশি টেকসয় হবে।।
Challenge গ্রহণ করার স-ক্ষমতা যুৎসয় না হলে শুশুই Anti আওয়ামীলীগ Imagination ই আমাদের ক্ষমতার উৎস হবে ।তাতে করে কি জাতীয়তাবাদী রা দীর্ঘ মেয়াদে বিজয়ী হবে ?
মানুষ কিন্তু শক্তের ভক্ত । আর তারা জানে Fortune favors the brave.
এখন দেখাতে বিসয় দলের Top to bottom আসালেই কত টা desperately dedicated and devoted to BNP and Bangladesh as well as genuine fair election n democracy.
প্রশাসন যে অত্যাচার করবে টা কিন্তু নিশ্চিত । অত্যাচার মেনে নিয়েই আন্দালন করতে হয়। আমাদের মানসিক শক্তি যথেষ্ট থাকলেই কেবল প্রতিরোধ সম্ভব ।
বিজয়ী হওয়া সম্ভব।
৯০ এর আগে BNP প্রমাণ করেছে আন্দালনে তারা অপ্রতিরদ্ধ। তখনকার Team work , সততা , সৎ ও সাংগঠনিক শক্তি আমাদের যদি এখনও অর্ধেকও অবশিষ্ট থাকে তবে এমন অবরোধ দিয়ে সরকার কে বিদায় দেওয়া অসম্ভব নয় ।
পার্টী অফিসে অবরুদ্ধ থাকতে বাধ্য হয়ে মানুষের করুণা পাওয়া যায় ঠিকিই কিন্তু আস্থা অর্জন করা যায় না । আমরা চায় না আওয়ামীলীগ বিরধীতার কারনে BNP এর অগ্রযাত্রা বরং নিজ গুনে BNP এর অগ্রযাত্রা অনেক অনেক বেশি টেকসয় হবে।।
Challenge গ্রহণ করার স-ক্ষমতা যুৎসয় না হলে শুশুই Anti আওয়ামীলীগ Imagination ই আমাদের ক্ষমতার উৎস হবে ।তাতে করে কি জাতীয়তাবাদী রা দীর্ঘ মেয়াদে বিজয়ী হবে ?
মানুষ কিন্তু শক্তের ভক্ত । আর তারা জানে Fortune favors the brave.
এখন দেখাতে বিসয় দলের Top to bottom আসালেই কত টা desperately dedicated and devoted to BNP and Bangladesh as well as genuine fair election n democracy.
একটি হারানো সংবাদ
একটি হারানো সংবাদ
গণতন্ত্র নামের ২২ বছর বয়সী একটি কিশোর হারানো গিয়েছে ।
গণতন্ত্র তুমি যেখানেই থাক না ক্যান তারাতা্রি বাড়ি ফিরে এস। সকলেই তোমার অপেক্ষাতে আছে ।
কেও যদি গণতন্ত্রের কোন খোঁজ পান অনুগ্রহ করে তাঁকে তাঁর গ্রামের বাড়ি পাঠিয়ে দিন ।
তাঁর জন্ম ১৯৯০ সালে।
তাঁর পরনে ছিল সবুজ জামা লাল পেন্ট , কোন আন্ডার অয়্যার পরা ছিল না ।
তাঁর চোখ টিয়ার সেলের অক্রমনে ঈষৎ লাল ।
সাউন্ড গ্রেনেডের বিস্ফরণে তাঁর কর্ণ কোন কর্ম করে না ।
তাঁর কোন অনারারী ডিগ্রী নায় ।
গণতন্ত্র তুমি বাড়ী ফিরে এসো । তোমার মা তোমার শোকে আজ মৃত্যু পথ যাত্রী ।।
গণতন্ত্র নামের ২২ বছর বয়সী একটি কিশোর হারানো গিয়েছে ।
গণতন্ত্র তুমি যেখানেই থাক না ক্যান তারাতা্রি বাড়ি ফিরে এস। সকলেই তোমার অপেক্ষাতে আছে ।
কেও যদি গণতন্ত্রের কোন খোঁজ পান অনুগ্রহ করে তাঁকে তাঁর গ্রামের বাড়ি পাঠিয়ে দিন ।
তাঁর জন্ম ১৯৯০ সালে।
তাঁর পরনে ছিল সবুজ জামা লাল পেন্ট , কোন আন্ডার অয়্যার পরা ছিল না ।
তাঁর চোখ টিয়ার সেলের অক্রমনে ঈষৎ লাল ।
সাউন্ড গ্রেনেডের বিস্ফরণে তাঁর কর্ণ কোন কর্ম করে না ।
তাঁর কোন অনারারী ডিগ্রী নায় ।
গণতন্ত্র তুমি বাড়ী ফিরে এসো । তোমার মা তোমার শোকে আজ মৃত্যু পথ যাত্রী ।।
ইসলামের কথা
ইসলামের কথা যখন খালেদা জিয়া বলেন ; মনে হয় সংখ্যা গুরু মানুষের প্রতিনিধিত্বের কথা , বিশ্বাসী মানুষের ইসলামের কথা।
ইসলামের কথা যখন জাকিরনায়েক বলেন ; মনে হয় বিজ্ঞান যুক্ত ইসলামের কথা
ইসলামের কথা যখন হেফাযতীরা বলেন ; মনে হয় শিক্ষা বঞ্চিত কিন্তু শান্তিকামী ইসলামের কথা।
ইসলামের কথা যখন শেখ হাসীনা বলেন ; মনে হয় ভূতের মুখে রাম নাম ।
ইসলামের কথা যখন এরশাদ বলেন ; মনে হয় ভন্ড পীর সাহেবের কথা ।
ইসলামের কথা যখন জামাতশিবির বলে ; মনে হয় লালসালু উপন্যাসের মাজারের কথা ।
ইসলামের কথা যখন মাওলানা ভাসানী বলেন ; মনে হয় ইসলামী শাসনের পথই আধুনিক ,যুক্তিযুক্ত এবং সময়োপযগী এবং একই সাথে গণতান্ত্রিক , এবং শ্রেণী বৈষম্য মুক্ত।
ইসলামের কথা যখন জাকিরনায়েক বলেন ; মনে হয় বিজ্ঞান যুক্ত ইসলামের কথা
ইসলামের কথা যখন হেফাযতীরা বলেন ; মনে হয় শিক্ষা বঞ্চিত কিন্তু শান্তিকামী ইসলামের কথা।
ইসলামের কথা যখন শেখ হাসীনা বলেন ; মনে হয় ভূতের মুখে রাম নাম ।
ইসলামের কথা যখন এরশাদ বলেন ; মনে হয় ভন্ড পীর সাহেবের কথা ।
ইসলামের কথা যখন জামাতশিবির বলে ; মনে হয় লালসালু উপন্যাসের মাজারের কথা ।
ইসলামের কথা যখন মাওলানা ভাসানী বলেন ; মনে হয় ইসলামী শাসনের পথই আধুনিক ,যুক্তিযুক্ত এবং সময়োপযগী এবং একই সাথে গণতান্ত্রিক , এবং শ্রেণী বৈষম্য মুক্ত।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)