বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৪

দেবতা ও ভগবান

হিন্দুরা যে গ্রন্থটি সবচেয়ে বেশি পড়ে তা হলো গীতা। তবে তাদের সবচেয়ে পবিত্র ধর্ম গ্রন্থ হচ্ছে বেদ। কোন বিষয় নিয়ে যাদি কোন মতভেদ তৈরি হয় তবে হিন্দুরা বেদ কে প্রাধান্য দেয়।

হিন্দুদের মধ্যে ঈশ্বর কত জন তা নিয়ে মত ভেদ আছে। কেউ বলে ৩, কেউ বলে ৩০ আবার কেউ বলে ৩৩ কোটি। আসুন দেখি হিন্দু ধর্মগুলো ঈশ্বরের সংখ্যা নিয়ে কি বলে

<b>ভগবত গীতাঃ</b>

<i>"সে তত্ত্বদর্শী মহাত্মা বা পরমাত্মাই সব কিছু" - এরূপ লোকে জানতে পারে না। কারন ভোগের কামনা দ্বারা তাদের মন অভিভূত হয়েছে। সেজন্য তারা স্বীয় প্রকৃতি অর্থাৎ জন্ম জন্মান্তরের অর্জিত সংস্কারের স্বভাবের দ্বারা প্রেরিত হয়ে "আমি পরমাত্মা" থেকে ভিন্ন অন্য দেবতাগনের এবং তাদের প্রচলিত নিয়ামের আশ্রয় নেয়। [Bhagavad Gita 7:20]
"</i>
Those whose intelligence has been stolen by material desires surrender unto demigods and follow the particular rules and regulations of worship according to their own natures." [Bhagavad Gita 7:20]

<b>ঊপনিষাদঃ</b>

<i>1. "Ekam evadvitiyam"
"He is One only without a second."
"ঈশ্বর এক এবং অদ্বিতীয়।"
[Chandogya Upanishad 6:2:1]</i>

২. "Na tasya pratima asti"
"There is no likeness of Him."
" <i>তার (গড) কোন প্রতিমা বা ছবি নেই</i>"
[Svetasvatara Upanishad 4:19]

<b>বেদঃ
</b>
1. "na tasya pratima asti"
"There is no image of Him."
" তার (গড) কোন ছবি না প্রতিমা নেই"
[Yajurveda 32:3]

২. "Andhatama pravishanti ye asambhuti mupaste"
"They enter darkness, those who worship the natural
elements" (Air, Water, Fire, etc.). "They sink deeper
in darkness, those who worship sambhuti."
>>"যারা প্রাকৃতিক বস্তুর (Asambhûti's বাতাস, পানি, আগুন ইত্যাদি) পূজা করে তারা অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছে"
[Yajurveda 40:9]

The Brahma Sutra of Hinduism is:
"Ekam Brahm, dvitiya naste neh na naste kinchan"
"There is only one God, not the second; not at all, not at all, not in the least bit."
>> ঈশ্বর এক এবং একজন, দ্বিতীয় কেউ নেই, আদৌ নেই, নূন্যতমও কেউ নেই"

<b>পরিষ্কার বুঝাই যাচ্ছে হিন্দু ধর্মগ্রন্থ মতে ঈশ্বর এক। তাহলে এখন প্রশ্ন হচ্ছে বেশির ভাগ হিন্দু কেন প্রতিমা পূজা করে?? যা কিনা তাদের গ্রন্থ অনুসারে মহাপাপ।

আরও একটু clear হতে চায়লে ঃ
http://islamicv.tk/index.php?sid=a4fdd229d19de4cc365fb6b96fed28a3

নতুন জেনারেসনের vote




২০০৮ এর নির্রবাচনে নতুন জেনারেসনের যে ছেলে মেয়ে গুলি আওয়ামীলীগ কে আলো ভেবে ভোট দিয়েছিল ; তাদের ও তাদের অনাগত পরিবারের ভোট ইহ জীবনে আর আওয়ামীলীগ বা আওয়ামীপন্থীরা কেও পাবে বলে আমার মনে হয় না।
আর এইটাই আওয়ামীলীগের সবচে গভীরতম ক্ষত।
এরাই BNP এর জন্য সবচে গুরুত্তবাহি
"ঈশকাপণের টেক্কা "
দেখার বিসয় এই সোনার ডিম পারা হাসগুলী সঠিক জত্নে লালন করছে না কি একবারে পাবার লোভে কল্লা কাটছে।।

সংসদ তো বাতিল

আগের সংসদ তো বাতিল করা হয় নি !! অর্থাৎ BNP এর ৩০ জন সাংসদ এখনো বহাল । তো তারা যদি অধিবেশনে যোগ দেবার জন্য সংসদে হাজির হয় বা সংসদ সদস্য হিসাবে প্রধান বিচারপতির কাছে Schedule চান ; তো নির্ঘাত ভ্যারা ছ্যারা বাধবে ; ফলাফল আইনের কাছে নালিশ জানাবেন হয়ত ডঃতুহিন মালিক ।। জমবে কিন্তূ ব্রো...

Hamty Damty





Hamty Damty sat on a wall ;
Hamty Damty had a great fall

তেনারা যেহেতু বুঝতে চাচ্ছেন না, তাই শিশুতোস ছড়া টা মনে পড়ল।

তেলতেলে বাশ বেয়ে দেওয়ালে উঠে আস্তানা গেরে বসলে ধপাস করেই পড়তে হয়।
রাজার সৈন্য সামন্ত দের কিচ্ছু করার থাকে না। থাকবে কি করে? রুগী মড়িবার পর ডাক্ত্রারের একমাত্র কাজ Death Certificate ইশু করা আর মুল কাজটা ডোমই করে।

ভৃত সন্তান প্রসব




বুবুর সরকার বাহাদুরের ক্রিতদাসী ভৃত সন্তান প্রসব করেছে । এনিয়ে রাজ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে । কারন দাস পুত্র সম্পত্তির ভাগ দাবী করছে ।বিশ্বস্ত সুত্র এ খবর নিশ্চিত করেছে ।
নিউজঃ X ফাস্ট লেডে রওশন এরশাদ তার অনুগত পুত্র কইন্যা দের জন্য মন্ত্রিত্ত দাবী করেছে ।

প্রতিবন্ধী




দেশটা কে যদি প্রতিবন্ধী বানাতে না চাও তো ঝাঁপিয়ে পর নতুন উদ্যমে। চলো সবাই একসাথে বসি , কথা বলি , সিধান্ত নেই । আবার কখনো দেখা হবেনা ধরে নিয়েই কথা বলি ; আর যদি কথা না হয় তো আমরা নিজ জায়গাতে দড়িয়ে কোন লক্ষ্য নিয়ে আগাবো সেটাই সুনির্দিষ্ট করি । টীম সিকিমের বেয়নেটের খোঁচা খাবো না কি খুচিয়ে খুচিয়ে শত্রুকে পারাস্ত করব সেই সিধান্ত নিই আজ এবং এখনই । এক্ষণই নয় তো কক্ষনো হবে না । যা পরিস্থিতি দাবী করলে কাল থেকে করতে হত তা যেন আমরা দূরদৃষ্টি দিয়ে আজই দেখে নেই ।আগামী কালের কাজটা এক্ষণই শুরু করি ; যে কাজটা আসলে আমাদের গতকাল করার কথা ছিল । আজ তবু সময় আছে ; কাল হয়ত স্যং আজরাইলও জান কবজ করার সময় পাবে না ।

রোগ নির্ণয়



আমাদের পেজ আর গ্রুপ গুলী সবসময়ই দলের জন্য প্রেরনা হিসাবে কাজ করেছে । চরম খারাপ সময়েও চূড়ান্ত সাহস দেখিয়েছে ।
এখন ইদানীং দেখছি প্রায় সবাই বিশেষত রথী মহা রথীরা খালি আন্তর্জাতিক বুলী কপচাচ্ছেন । আন্তর্জাতিক আলাপ করেন ঠিক আছে , ভাল কথা খুব ভাল ক্কথা ; কিন্তু মাঠের আন্দালন কে Pause দিয়ে না ।
ইদানীং আমাদের দলের ছেলে মেয়েরা নেট এ ঢুকেই প্রথমেই আমেরিকা , ভারত আমাদের কি নসিহত দিচ্ছে সেটা নিয়ে বেতিবেস্ত হয়ে যাচ্ছে ।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গুরুত্ত মেনে নিয়েই বলছি লোকাল পলিটিক্স কে বেশি গুরুত্ত দিন ; লোকাল রাজনীতির শক্তিই মুলত আন্তর্জাতিক রাজনোইতিক সমর্থন আদায়ের সবচে কার্যকর অস্ত্র। ।
উপড়ে ফিট ফাট ভীতরে সদর ঘাট ; লাভ নায় ভাই লাভ নায় । লাভের গুঁড় পিপীলিকা হজম করে ফেলবে ।
ঘড়ের ভিতর টা আগে পরিস্কার হোক , বুকের ভেতরের যন্ত্রটা আরো একটু দক্ষ হয়ে উঠে আরো পরিশ্রমী হাতে রক্ত পাম্প করুক ; দেখবেন মগজে তৈরি হওয়া ব্লকেজ গুলী আস্তে আস্তে কেটে যাচ্ছে । হাত পা গুলীকে একটু চলাফেরা করান ; সেখানে রক্ত চলাচল আরেকটু সাবলীল হোক ; দেখবেন অমাবরসার রাতে বাতের ব্যেথা থেকে পরিত্রাণ পাচ্ছেন ।
লিভার বলেন বা কলিজা বলেন হজম শক্তি ফিরে আসুক দেখবেন রাজনৈতিক আন্দালনের কাঠিন্য থেকে মুক্তি আসবে । ভাল ভাবেই মল ত্যাগ হবে ।
ডাক্তার সাহেব তো আপনার রোগ নির্ণয়ের জন্য স্টুল পরীক্ষা করেন । তাই না ।
তো ঐ আপাত আরামদায়ক মল লেব্রটারিতে নিয়ে পরীক্ষা করুন নিরীক্ষা করুন ; দেখবেন রোগ নির্ণয় হয়ে যাবে ।
একবার যদি রোগ নির্ণয় হয়ে যায় তো আমাদের ঠেকায় কোন হাওয়্যার পুত ।

হালুয়া রুটি দল

হালুয়া রুটি দল হালুয়া রুটি দল
 জাতিয়তাবাদী হালুয়া রুটি দল গঠনের দাবি জানাচ্ছি। সেই সাথে আমাকে বিপ্লবী হালুয়া রুটি দলের সভাপতি পদ বিক্রয় কারজক্রমের ডিলার হিসাবে নিয়গের দাবিতে আনসনে যাচ্ছি।

সম্রাট হুমায়নের দুর্ধর্ষ মোঘল বাহিনী



সম্রাট হুমায়নের দুর্ধর্ষ মোঘল বাহিনীকে বার বার অতিস্ট করে তুলেছিল শের শাহ্‌ বাহিনী ; যেখনে বড় বড় শক্তি গুলী রীতিমত কাপড় ভিজিয়ে ফেলত মুঘল সাম্রাজ্যের ব্যইরাম বেগ [ব্যইরাম খান হিসাবে পরিচিত] এর বাহিনির বিরুদ্ধে যুদ্ধের কথা জানলে ।
এই মুঘল দের সেই সময়ের সবচে শক্তিবান গোলন্দাজ বাহিনী ছিল বড় বড় কামানে ভরপুর ।

অথছ শের শাহ্‌ এই কামান বাহী গোলন্দাজ বাহিনীকেই বলেছিলেন সম্রাট হুমায়নের তথা মুঘলদের সবচেয়ে দুর্বল দিক হিসাবে । এবং তার এই হিসাব ছিল সাংঘাতিক সফল । কারন শের শাহ্‌ র মতে কামান দিয়ে সহজে আক্রমণ করা যায় কিন্তু ধীর গতির জন্য প্রতি আক্রমণে ব্যের্থ হতে হয় ; বিশেষত দুর্বল ও গেরিলা বাহিনীর বিরুদ্ধে ।

শের শাহ্‌ র মতে মুঘল বাহিনীর সবচেয়ে শক্তিশালী দিক ছিল সম্রাট হুমায়নের খেয়ালি আচারন কারন এই খেয়ালী আচারনের জন্য শের শাহ্‌ র পক্ষে কোন ভাবেই সম্ভব হতো না হুমায়নের যুদ্ধ পূর্ব এবং যুদ্ধকালীন কৌশল সম্পর্কে বিন্দু মাত্র ধারনা করা ।
ইন্ডিয়ান আগ্রাসন ও টীম সিকিম এর ক্ষেত্রে কি একই কথা প্রযজ্য নয় ?

এর সমাধান একটাই

বীর যোদ্ধারা বরং চলেন নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে আওয়ামিলিগ কে কিভাবে ক্ষমতাতে আনা যায় সেই হিসাব করি । ওদের বিজয়ের ফরমুলা দিতে পারলে নিশ্চয় দল নিরপেক্ষ সরকার তারা নিরবাচনের প্রয়জনে বেবস্থা করবে ।
তো কি হতে পারে সেই ফ্রমুলা ?
সিম্পেথী ভোট ; one any only way left for B.A.L is sympathy vote .
এখন কি ঘটলে মানুস তাদের প্রতি করুনার বসবরতি হয়ে আওয়ামিলিগকে ভোট দেবে ???

এর সমাধান একটাই ।
বলুন তো সেটা কি হতে পারে ???