বৃহস্পতিবার, ৩১ মে, ২০১৮

জাঁদরেলতম ঝানু এম্বাসেডরের ডাইরিতে লেখা '#জিয়া



অস্ট্রেলিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার নিযুক্ত সাবেক মার্কিন দূত মিস্টার মার্শাল গ্রীন বাংলাদেশ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের গতিশীল নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেছেন যে তার সহযোগীদের সন্দেহ সত্বেও তিনি বহু বহু পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচি নির্ধারিত সময়ের আগে সম্পাদন করেছেন। 

সম্প্রতি The Christian Science Monitor পত্রিকার সম্পাদকের কাছে পাঠানো চিঠিতে মি গ্রীণ একথা জানান। চিঠিতে লেখেন প্রেসিডেন্ট জিয়া বুঝেছিলেন যে সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে নিজস্ব সম্পদ সংগঠন করে আত্ম নির্ভরশীলতার মনোভাব নিয়ে কাজ করলে জনগণ নিজেদের জন্য বিস্ময়কর কল্যাণ সাধন এবং সকল বাধাবিপত্তি অতিক্রম করতে পারবেন।
চিঠিতে বলা হয়েছে বাংলাদেশে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ওপর লেখা পত্রিকায় একটি চমৎকার সম্পাদকীয় পড়ে ১৯৮১ সালের ২০ এপ্রিল তিনি তার ডাইরিতে লিখেছিলেনঃ
রাষ্ট্রদূত ডেবিট স্নাইডার, ডঃ ফ্রেড পিংকহাম এবং আমি প্রেসিডেন্ট জিয়ার সঙ্গে এক ঘণ্টার একটি প্রয়োজনীয় আলাপ আলোচনায় মিলিত হয়েছিলাম। তাতে তিনি এই অভিমত ব্যাক্ত করেছিলেনঃ

প্রেসিডেন্ট উন্নততর ভবিষ্যতের জন্য উন্নয়ন কর্মসূচিতে যুবসমাজ এবং মহিলাদের অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছিলেন। শিক্ষার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেছিলেন মেয়েদের মর্যাদা সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশীদার করতে হবে। তিনি পরিবার পরিকল্পনা ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ওপর অধিকতর গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন। আমরা তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে খুব বেশি বাধা আসবে কিনা জবাবে তিনি বলেছেন হ্যা বিরোধিতা কিছু আছে বইকি কিন্তু যখন দেখবেন বিরোধিতা হচ্ছে তখন বুঝবেন আপনার সঠিক কিছু করছেন। তিনি সত্যি সত্যি সঠিক কিছু করেছিলেন।

জন এইচ সুলিভান :
ওয়াশিংটন পোস্টে সম্পাদকের কাছে পাঠানো আর এক চিঠিতে আন্তর্জাতিক সংস্থার এশিয়া ব্যুরোর সাবেক প্রধান জন এইচ সুলিভান লিখেছেন "২ রা জুন পোষ্টের শিরোনামের বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হত্যাকান্ডের ঘটনার অনভিপ্রেত ও খবর পাই।
তিনি লিখেছেন প্রেসিডেন্ট জিয়া ছিলেন একজন সুবিদিত নেতা তিনি নিরলস প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে দেশের এক কোটি মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করতে চেয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন দেশকে স্বনির্ভর করতে, চেয়েছিলেন জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধ করতে। তিনি লিখেছেন কার্টার প্রশাসনের আমলে ১৯৭৭ সালে আইডিএর এশিয়ার প্রধান হিসেবে আমার তার সাথে দেখা করার সুযোগ হয়েছিল। আমি তাকে বলেছিলাম আগামী মওসুমে রোপণের জন্য আপনার কর্মকর্তারা এখনো গম বীজ সংগ্রহ করেননি। সেদিনই রাতে এক সামাজিক অনুষ্ঠানে কৃষি বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা বলেছিলেন তারা অবিলম্বে বীজ সংগ্রহ করছেন।




রবিবার, ১৩ মে, ২০১৮

স্যাটেলাইট & জামিলের চিঠি

শুরুতেই "বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ শুভেচ্ছা ও অভিন্দন। বিষয় এই যে গত কয়েকদিন যাবত অনেক ঢাকঢোল পিটিয়ে মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপনের ব্রেকিং নিউজ প্রচার হচ্ছে। অর্থনীতিতে অতটা সক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও মোটা অংকের বৈদেশিক ঋণের সহায়তায় এই ব্যয়বহুল স্যাটেলাইট উৎক্ষেপনে উদ্দেশ্য বিদেশি ট্রান্সপন্ডার ব্যবহারের কারণে কোটি কোটি বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় বন্ধ করা। উত্তম উদ্যোগ,  চলুন ঋন করে ঘি খাওয়া যাক।

যদিও Made in Bangladesh সীল ব্যতীত অর্জনের কোন ইনার ভ্যলুজ নাই।

খরচের প্রাপ্ত সামারিঃ
১.০) মোট খরচঃ ২ হাজার ৯০২ কোটি
১.১) সরকারি ফান্ড ১ হাজার ৫৪৪
১.২) HSBC ১ হাজার ৩৫৮
বা 157million euro.loan.
১.৩) ইন্টারেষ্ট রেটঃ 1.51%
১.৪) প্রিপ্রডাকশন বাজেটঃ https://goo.gl/LPvFZS

প্রথম আলো & The Daily Star
https://goo.gl/R7q4Rc
https://goo.gl/CzrnJU

কিন্তু দূর্ভাগ্য আমাদের অবস্থান ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখাতে হলেও স্যাটেলাইট বসানো হয়েছে ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্বে।

তাই ঢাকঢোল পিটানো বাদ দিয়ে  মাথার উপর ভাসমান বিদেশি স্যাটেলাইট ব্যবহার বন্ধ করে "বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট
ব্যবহার করে ব্রেকিং নিউজ প্রচার কর।

কি সাহস আছে? যত্তোসব!!!

ইতি
Jamil Sikder Sazzad

মা দিবস

Emotion Corporation Ltd

মা দিবসে ফেলানি ও তনুকে অভিন্দন, মা হবার স্বপ্ন যাদের খতম হয়েছে। মা দিবসে মেঘ কে শুভেচ্ছা, যে তার মা রুনিকে আর উইস জানাবে না। মা দিবসে সোফিয়াকে শুভেচ্ছা, যে মাতৃত্বের প্রগ্রাম লোড সাপেক্ষ যে কারো মা হতে পারে।

তবে সুমাইয়ার কথা টানবেন না। মায়ের পেটে গুলি করার কারনে যদি গর্ভের শিশু গুলি বিদ্ধ হয়, সে দায় মোটেও বন্দুক বাজের নয়। এবার পরিচিত হই এক মহান মাতৃপ্রেমি ছাত্রলীগের সাথেঃ
http://bit.ly/sum0n-Sen
চিনছেন এই মহান সেন কে?

যে মা গর্ভ ধারণ করেছিল, শিশু গুলিবিদ্ধ হবার দায়দায়িত্ব সেই মাকেই নিতে হবে।

১৮ অগাষ্ট' ২০১৫
https://bbc.in/2Gb0QD2
২০ জুন ১৬
http://bit.ly/2ICrVEo
মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধঃ ছাত্রলীগ নেতা জামিনে মুক্ত

ক্ষুধার্ত শুয়োরের সামনে যা আসবে সে তাই খাবে, এটা কে বলা হয় শুয়োরাধীকার।

ধরুন জংগল ভ্রমনে গিয়েছেন আপনি,  জংগলে কোন গন্ডার আপনাকে আহত বা নিহত করলো।

তবে কি গন্ডারের নামে মামলা হবে, গন্ডার নিয়ে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে নামবে মণিরুল্লাহ বাংলা টিম? গন্ডারকে রিমান্ডে নেবেন, গন্ডারকে ফাঁসির দঁড়িতে ঝুলাইবেন?

না, তা হবে না, কারন জংগল, জানোয়ারদের দুনিয়া। সেখানে জানোয়ারের আইন-ই আইন। বরং জানোয়ার টেরিটরিতে অবৈধ প্রবেশের দায়ে উল্টো আপনাকে জরিমানা করা যেতে পারে।

গুলি বিদ্ধ মায়ের, শিশুর শরীরে যে গুলি বিদ্ধ হয়েছে, তা ক্ষুধার্ত জানোয়ারের বুভুক্ষু নিশানা মাত্র।

জানোয়ার রাজ্যে, জানোয়ার আইনে জানোয়ারদের জামিন না হবার কোন কারন নেই। জানোয়ার অভয়ারণ্যে চলাফেরা করা সকল জানোয়ারের আজন্ম অধীকার।

জানোয়ারাধীকার রক্ষিত হোক।।