অস্ট্রেলিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার নিযুক্ত সাবেক মার্কিন দূত মিস্টার মার্শাল গ্রীন বাংলাদেশ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের গতিশীল নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেছেন যে তার সহযোগীদের সন্দেহ সত্বেও তিনি বহু বহু পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচি নির্ধারিত সময়ের আগে সম্পাদন করেছেন।
সম্প্রতি The Christian Science Monitor পত্রিকার সম্পাদকের কাছে পাঠানো চিঠিতে মি গ্রীণ একথা জানান। চিঠিতে লেখেন প্রেসিডেন্ট জিয়া বুঝেছিলেন যে সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে নিজস্ব সম্পদ সংগঠন করে আত্ম নির্ভরশীলতার মনোভাব নিয়ে কাজ করলে জনগণ নিজেদের জন্য বিস্ময়কর কল্যাণ সাধন এবং সকল বাধাবিপত্তি অতিক্রম করতে পারবেন।
চিঠিতে বলা হয়েছে বাংলাদেশে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ওপর লেখা পত্রিকায় একটি চমৎকার সম্পাদকীয় পড়ে ১৯৮১ সালের ২০ এপ্রিল তিনি তার ডাইরিতে লিখেছিলেনঃ
রাষ্ট্রদূত ডেবিট স্নাইডার, ডঃ ফ্রেড পিংকহাম এবং আমি প্রেসিডেন্ট জিয়ার সঙ্গে এক ঘণ্টার একটি প্রয়োজনীয় আলাপ আলোচনায় মিলিত হয়েছিলাম। তাতে তিনি এই অভিমত ব্যাক্ত করেছিলেনঃ
প্রেসিডেন্ট উন্নততর ভবিষ্যতের জন্য উন্নয়ন কর্মসূচিতে যুবসমাজ এবং মহিলাদের অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছিলেন। শিক্ষার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেছিলেন মেয়েদের মর্যাদা সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশীদার করতে হবে। তিনি পরিবার পরিকল্পনা ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ওপর অধিকতর গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন। আমরা তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে খুব বেশি বাধা আসবে কিনা জবাবে তিনি বলেছেন হ্যা বিরোধিতা কিছু আছে বইকি কিন্তু যখন দেখবেন বিরোধিতা হচ্ছে তখন বুঝবেন আপনার সঠিক কিছু করছেন। তিনি সত্যি সত্যি সঠিক কিছু করেছিলেন।
জন এইচ সুলিভান :
ওয়াশিংটন পোস্টে সম্পাদকের কাছে পাঠানো আর এক চিঠিতে আন্তর্জাতিক সংস্থার এশিয়া ব্যুরোর সাবেক প্রধান জন এইচ সুলিভান লিখেছেন "২ রা জুন পোষ্টের শিরোনামের বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হত্যাকান্ডের ঘটনার অনভিপ্রেত ও খবর পাই।
তিনি লিখেছেন প্রেসিডেন্ট জিয়া ছিলেন একজন সুবিদিত নেতা তিনি নিরলস প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে দেশের এক কোটি মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করতে চেয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন দেশকে স্বনির্ভর করতে, চেয়েছিলেন জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধ করতে। তিনি লিখেছেন কার্টার প্রশাসনের আমলে ১৯৭৭ সালে আইডিএর এশিয়ার প্রধান হিসেবে আমার তার সাথে দেখা করার সুযোগ হয়েছিল। আমি তাকে বলেছিলাম আগামী মওসুমে রোপণের জন্য আপনার কর্মকর্তারা এখনো গম বীজ সংগ্রহ করেননি। সেদিনই রাতে এক সামাজিক অনুষ্ঠানে কৃষি বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা বলেছিলেন তারা অবিলম্বে বীজ সংগ্রহ করছেন।


