হয়তো উনার জন্য ভিন্ন ফাঁদ আছে। যে ফাঁদের কারনে আওয়ামীলীগ ভাবছে ওয়াহাব স্যারকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে।
তবে আজ সময় খুব চ্যালেঞ্জিং। আওয়ামীলীগ ক্ষমতাতে থেকেও পচা, দুর্গন্ধ যুক্ত। নৈতিক ভরাডুবির পর কাঠামোগত পরাজয়ের মুখোমুখি হলে এদের অবস্থা ডিসেম্বর’ ১৬তে দেশের মুখোমুখি হওয়া দেশদ্রোহী-দের মত হতে পারে।
তাই যে কোন শক্ত স্নায়ু ও নূন্যতম বিবেকের মানুষ লীগের ফাঁদে পা দেবে না।
আওয়ামীলীগের পক্ষে-বিপক্ষে যাই হোক ওয়াহাব মিয়া’র নিয়োগ বিষয়ে কিছু অক্সিলারি ভার্ব কাজ করছে হয়তো। প্রশ্ন হচ্ছে ওয়াহাব মিয়ার পদাঙ্ক কাকে অনুসরণ করবে!
সুরেন্দ্র’বাবুকে নাকি খাইরুল কে?
সুরেন্দ্র’বাবুকে নাকি খাইরুল কে?
প্রফেসনাল ইন্ট্রিগিটির কথা আসলে, উনার পদক্ষেপ আওয়ামীলীগ সরকারের বিরুদ্ধে যাবে। কারণ কোন বিচারক বিচার বিভাগ ও রাষ্ট্র কে রক্ষা করার মত ঐতিহাসিক সুযোগ হারাতে চাইবে না। প্রফেশনাল চোখে সঠিক দায়িত্ব পালন করে বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহাম্মেদের নামের পাশে নিজেকে স্থাপন করার সুযোগ বারবার আসে না। সিনহা সাহেব হয়তো রেকর্ডের পথ খুঁজে নেবার প্রায়শ্চিত্তে আজ ক্যান্সারে আক্রান্ত হলেন!!
দ্বিতীয়ত যদি ধরে নেওয়া হয় উনি ব্যাক্তি স্বার্থে অন্ধ, তাতেও আওয়ামীলীগের আশার গুড়ে বালি।
কারণ আজকের ঘৃণিত আওয়ামীলীগ আজ বা কাল পরাজয়ের মুখে পরবেই। সেক্ষেত্রে এক্সপায়ার্ড মালের চেয়ে ওভেন ফ্রেস উত্তম।
তাই দীর্ঘ মেয়াদী ব্যক্তি স্বার্থ দেখতে হলে ব্যক্তিকে আওয়ামী বিরোধী হতে হবে এমন নয়। বরং নূন্যতম হুশ জ্ঞান থাকা যথেষ্ট।
কারণ আজকের ঘৃণিত আওয়ামীলীগ আজ বা কাল পরাজয়ের মুখে পরবেই। সেক্ষেত্রে এক্সপায়ার্ড মালের চেয়ে ওভেন ফ্রেস উত্তম।
তাই দীর্ঘ মেয়াদী ব্যক্তি স্বার্থ দেখতে হলে ব্যক্তিকে আওয়ামী বিরোধী হতে হবে এমন নয়। বরং নূন্যতম হুশ জ্ঞান থাকা যথেষ্ট।
আমরা বাংলাদেশের মানুষেরা আলগা/অন্যায় সমর্থন নিয়ে কার্য হাসিল চাই না। আমরা খুব সিম্পল ন্যায্যতা চাই। নিরপেক্ষ ন্যায্যতার ভেতর ভোটাধিকার টুকু ফেরত পেলেই চির কৃতজ্ঞ হব।
এক্ষেত্রে নতুন জন, খাইরুল বা মানিকের প্রেতাত্মা না হলেই বেঁচে যাবে প্রিয় মাতৃভূমি।
ইফতেখার
১০ অক্টোবর ২০১৭
বসুন্ধারা

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন