বুধবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৭

আরো একটি কম্বল হারালো দেশি স্যকিউলার



বাংলাদেশের স্যেকুলার কূলের গর্বের একটা জাইগার নাম ছিল নচিকেতা। বস্তুবাদী নচিকেতার নাস্তিক্যবাদ অংশ টুকু ও ধর্মের কট্টরতা সংক্রান্ত প্রতিবাদে, বক্তব্যের কিছু কিছু নিয়ে বেশ চলছিল স্যেকুলারকুলের কূল বিহীন চিন্তাজগত।
কিন্তু এই ক্ষেত্রে মাত্র গত বছর থেকে বাঁধা হয়ে দাঁড়াই খোদ নচিকেতা চক্রবর্তী। ২৫ মার্চ প্রচারিত (১৯ মার্চ রেকর্ডকৃত) একটি সাক্ষতকারে জীবন মুখী গানের এই গায়ক বলেনঃ


“আমি একটা সময় এটা বিশ্বাস করতাম না কিন্তু ইদানীংকালে এটা খুব বিশ্বাস করি। ইদানীং মানে গত পাঁচ বছর তো হবেই। আমি ভয়ংকর নাস্তিক ছিলাম কিন্ত আমি ঠিক উল্টো ভাবে ঘুরে গিয়েছি। একটা জিনিষ বুঝে গিয়েছি ভাগ্যতে, কপালে সব লেখা থাকে। তাই আজ আমি অদৃষ্টবাদে বিশ্বাস করি, স্রষ্টাতে বিশ্বাস করি। ধর আমার প্রয়াশ মাত্র ৫ শতাংশ, কিন্তু ৯৫ শতাংশ প্রি-ফিক্স, যা ঠিক করা আছে। একটা বড় কম্পিউটারে সব প্রোগ্রাম করা আছে, আমরা সেখানে ছোট্ট ছোট্ট পার্ট মাত্র”

একটা গানের লিঙ্ক জুড়ে দিলাম
https://soundcloud.com/wasim-bonol/zo3g6ubaucbq

আয় আয়, আয় ডেকে যা, সর্বনাশের হিমেল হাওয়া
মগজের কোষে কোষে, প্রলোভনের আসা যাওয়া।
দেখে যায়, দেখতে যে হয়, সেই কারনেই দেখতে চাওয়া
দেখে যায় ভরসা করা মানুষ গুলোর, উধাও হওয়া..
জীবনের ভালো মন্দে, শেষ মেশ ময়না তদন্তেএক রাশ ছায় শুধু, করলো উদাস ঝড়কে ধাওয়াকত কি বলতে যে চাই, সব কথা কি যায় রে বলা?বলবে তো সবাই এবার, আমার শুধু শোনার পালাকত কি বলতো লোকে, এড়িয়ে বাঁচার অজুহাতেছেড়ে দেই সে হাত, যে হাত ধরা ছিল শক্ত হাতে!তবুও স্বপ্ন দেখে মন, থমকাই সময় যখনএকটা জীবন কিন্তু, মৃত্যু অনেক রূহে রাখাআজকাল চমকে উঠি, ভালোবাসার ছোঁয়া পেলে মনটা খাটছে সাজা এখন, যাবৎ জীবন জেলে।স্বপ্নের পক্ষিরাজে, শওয়ার হয়ে বেঁচে থাকা....স্বপ্নে ধরলে ভাঙন, দেখবে খুলে মুঠো ফাকাজীবনের ভালো মন্দে, শেষ মেশ ময়না তদন্তেএক রাশ ছায় শুধু, করলো উদাস ঝড়কে ধাওয়া.......




প্রধানমন্ত্রীকে মোদীর জন্মদিন উইশ

Narendra Modi টুইট করেছেন আমাদের PM কে। মোদী লিখেছেনঃ
'Birthday wishes to PM Sheikh Hasina. May she be blessed with a long life and good health' 




অর্থা অর্থাৎ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন নরেন্দ্র মোদী ।
সরাসরি টুইট টি দেখতে চাইলে হাসিনার জন্ম দিনে মোদীর শুভেচ্ছা  এ ক্লিক করে চলে যেতে পারেন নরেন্দ্র মোদীর ভ্যরিফাইট আইডি থেকে করা ২৮ সেপ্টেম্বর তারিখের টুইট টি দেখতে।

এক ই সাথে মোদীর টুইট এক্টিভিটিতে নজর রাখতে ফলো করতে পারেন 
 Tweeter ID Narendra Modi তে। 
টুইট বার্তা দেখে প্রথম ধাক্কাতে মনে হল...
Feather of the same bird. This wish also stands for 'A wish from Gujarat Riot to Pilkhana massacre/Riot'. https://t.co/CVPoqHOTbj
যার ভাবার্থঃ

'গুজরাট থেকে পিলখানা পর্যন্ত লম্বা এক শুভেচ্ছাবার্তা'

- এই কমেন্ট দিয়ে রিটুইট করে দিলাম।


সরকার প্রধান টু সরকার প্রধান শুভেচ্ছা বিনিময় স্বাভাবিক বিষয় হলেও দুই বিশেষ রাজনীতিজ্ঞ'র শুভেচ্ছা বিনিময় দেখে একটু নেটে সার্চ দিতে ইচ্ছা হল। সার্চ রেজাল্ট বাংলাদেশী সুসভ্যা নির্লিপ্ত কলাগাছ সদৃশ গলাবাজ মানুষদের জন্য পেশ করলাম।
ধন্যবাদ মোদী'দা

ধন্যবাদ ভালোই দিয়া গেলেন 

A Journey পুতুল থেকে খালেদা খনম

প্রথম পর্ব

ততদিনে সেই ভয়ংকরতম দিন দেখে ফেলেছে তাবৎ জাহান। যে সময়ের ধ্বংস যজ্ঞ দেখার জন্য মানুষের এত অপেক্ষা, এত অর্থনাশ - ছোট্ট বালক আর মোটা মানুষ দুজন মিলে বোকা বানিয়ে দিয়েছে বিক্রমশীল সূর্যদয়ের দেশটিকে। ৬ এবং ৯ অগাষ্ট লিটল বয় এবং ফ্যাটম্যান নামক পারমাণবিক বোমা দুটি ছুঁয়ে দিয়ে যায় হিরোসিমা ও নাগাসাকি শহরের মাটি। মূহুর্তের বিষ্ফোরণ বোমাদুটি তার আগামী ১০০ বছরের মুখবন্ধ লিখে ফেলে। লাখ মানব জীবনকে পংগু করে, লাখ জীবনের কোটি স্বপ্ন পায়ে পিষে ২য় বিশ্বযুদ্ধ তখন নিভু নিভু। হিরোসিমা নাগাসাকি'র নরক লীলার কদিন পর বাংকারে বসে আত্মহত্যা করলেন এডলফ হিটলার ও তার প্রেয়সী ইভা ব্রাউন। যুদ্ধ কেড়ে নিল এক দানবীয় যোদ্ধার, কোমল কুসুমের মত প্রস্ফুরিত ভালোবাসা, সেই প্রেমগাথা স্থান পেলনা রোমিও জুলিয়েট, রহিম বাদশা-রুপবাণ আর লাইলী-মজনু'র কাতারে! 



মিত্রবাহিনীর হাতে নিজেকে সমর্পণ করে দিলেন প্রবল প্রতাপশালী জেনারেল, ইতালিয়ান সমর নায়ক বেনিট মুসেলিনি। সেদিন ছিল ১০ তারিখ। এর ৫ দিন পর শেষ বাঁশির সুরে সমাপ্ত হয় দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ। গোলা বারুদের ধুয়া কুণ্ডলী সরে গিয়ে তখন বেচে থাকার বাতাস বয়ে যায় বিশ্ব ব্রম্মান্ডের এক ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পৃথিবী নামক গ্রহে।



জয়গান ও প্রশান্তির বাণীতে মুখরিত; শহরে-বন্দরে-গ্রামে-গঞ্জে, অলিতে-গলিতে প্রস্তুত হচ্ছিল হাজারে হাজারে আলোর মিছিল। সেদিন থেকে মসজিদে আজানের সুর, মন্দিরে ঘন্টাধ্বনীতে বিমান আক্রমনের বিভিষিকাময় হুশিয়ারী সাইরেন বাজে নি। ট্রেঞ্জ গুলোতে সুদীর্ঘ পাচ বছর সহবাসের পর ভয়ার্ত মানুষের বিচ্ছেদের পালা শুরু হয়ে যায়। মোয়াজ্জিনের আজান, মন্দিরে পুজারীর গীতা পাঠে সেদিন সবার সাথে আস্বস্ত হয়েছিল ভারত বর্ষ-ও।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দুপুরবেলা, এই উপমহাদেশের অবিভক্ত বাংলার জনগণও সেদিন হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। এ যুদ্ধে এই অঞ্চলে প্রায় ৫০ লাখ লোক মৃত্যুবরণ করে। শেষ বিকেলের স্বস্তির নিশ্বাসে মুসলমানরা মসজিদে মিলাদ দেয়, হিন্দুরা মন্দিরে পুজো দেয়, খৃষ্টানরা গির্জায় প্রার্থনা করে। জাতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই করুণাময় সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হুলুস্থুল বাঁধিয়ে ফেলে।

বিশ্বের সর্বত্র যখন যুদ্ধ বনাম শান্তির সুবাতাস সমীকরণে বিভোড় ঠিক এমন বিরল সময়ে, জলপাইগুড়ির মজুমদার বাড়িতে ছিল টানটান উত্তেজনা, সাস্পেন্স, অনিশ্চয়তা ও আশংকার অনুভূতি। কি হতে যাচ্ছে আগামী এক মূহুর্তে!

সেদিন জলপাইগুড়ি জেলা শহরের নয়াবস্তির এক শান্ত নীড় মুজমদার বাড়ির উঠানে চিৎকার ভেসে আসে এক নবজন্মা শিশুর। পৃথিবীর বুকে সদ্যজাত শিশুর চিৎকারকে শুভবার্তা বলা হয়। মুজমদার বাড়ির উঠানে ভেসে আসা চিৎকারটিও তেমনি ছিল। যুদ্ধ ও শান্তির মিলন স্থলে ১৫ অগাষ্ট যে শিশুর জন্ম তাঁর কাঁধে একদিন শান্তি প্রতিষ্ঠার দায় এসে পড়বে এতো ভাবানার অতীত কিছু নয়! তবে কজনেই বা শেষ অবধি লড়াই করে টিকে থেকে শান্তি ও মঙ্গলের পতাকা বয়ে নেবার শক্তি ও সুকঠিন মানসিক দৃঢ়তার টাচ লাইন স্পর্ষ করতে পারে? আজ শৈশব পেড়িয়ে পোড় খাওয়া প্রায় বার্ধক্যে এসেও সেদিনের শিশুটির যুদ্ধ শেষ হয় নি।

কেউ বলবেন প্লিজ সেদিনের সদ্যজাত দুধে আলতা গায়ের রঙে জন্ম নেওয়া শিশুটিকে আপনি প্রথম কবে দেখে ছিলেন? তার নাম পরিচয় বা কি?



সবাই যদি চাই তবে তাঁর জন্ম পরবর্তি বেড়ে ওঠা থেকে বর্তমান পর্যন্ত তথ্য নিয়ে গল্পটা বেঁচে যাবে।



ইনফোঃ
১)জলপাইগুড়ির জল হাওয়া
২) সাংবাদিক রুহুল আমিন  

৩)ব্রাম্মন বাড়ির চিঠি
৪) স্বৈরাচার বিরোধী আন্দালন ও মূল ধারার নেতৃত্ব

সিনহা থেকে ওয়াহাব মিয়া


হয়তো উনার জন্য ভিন্ন ফাঁদ আছে। যে ফাঁদের কারনে আওয়ামীলীগ ভাবছে ওয়াহাব স্যারকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে।

তবে আজ সময় খুব চ্যালেঞ্জিং। আওয়ামীলীগ ক্ষমতাতে থেকেও পচা, দুর্গন্ধ যুক্ত। নৈতিক ভরাডুবির পর কাঠামোগত পরাজয়ের মুখোমুখি হলে এদের অবস্থা ডিসেম্বর’ ১৬তে দেশের মুখোমুখি হওয়া দেশদ্রোহী-দের মত হতে পারে।
তাই যে কোন শক্ত স্নায়ু ও নূন্যতম বিবেকের মানুষ লীগের ফাঁদে পা দেবে না।
আওয়ামীলীগের পক্ষে-বিপক্ষে যাই হোক ওয়াহাব মিয়া’র নিয়োগ বিষয়ে কিছু অক্সিলারি ভার্ব কাজ করছে হয়তো। প্রশ্ন হচ্ছে ওয়াহাব মিয়ার পদাঙ্ক কাকে অনুসরণ করবে!
সুরেন্দ্র’বাবুকে নাকি খাইরুল কে?

প্রফেসনাল ইন্ট্রিগিটির কথা আসলে, উনার পদক্ষেপ আওয়ামীলীগ সরকারের বিরুদ্ধে যাবে। কারণ কোন বিচারক বিচার বিভাগ ও রাষ্ট্র কে রক্ষা করার মত ঐতিহাসিক সুযোগ হারাতে চাইবে না। প্রফেশনাল চোখে সঠিক দায়িত্ব পালন করে বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহাম্মেদের নামের পাশে নিজেকে স্থাপন করার সুযোগ বারবার আসে না। সিনহা সাহেব হয়তো রেকর্ডের পথ খুঁজে নেবার প্রায়শ্চিত্তে আজ ক্যান্সারে আক্রান্ত হলেন!!
দ্বিতীয়ত যদি ধরে নেওয়া হয় উনি ব্যাক্তি স্বার্থে অন্ধ, তাতেও আওয়ামীলীগের আশার গুড়ে বালি।
কারণ আজকের ঘৃণিত আওয়ামীলীগ আজ বা কাল পরাজয়ের মুখে পরবেই। সেক্ষেত্রে এক্সপায়ার্ড মালের চেয়ে ওভেন ফ্রেস উত্তম।
তাই দীর্ঘ মেয়াদী ব্যক্তি স্বার্থ দেখতে হলে ব্যক্তিকে আওয়ামী বিরোধী হতে হবে এমন নয়। বরং নূন্যতম হুশ জ্ঞান থাকা যথেষ্ট।

আমরা বাংলাদেশের মানুষেরা আলগা/অন্যায় সমর্থন নিয়ে কার্য হাসিল চাই না। আমরা খুব সিম্পল ন্যায্যতা চাই। নিরপেক্ষ ন্যায্যতার ভেতর ভোটাধিকার টুকু ফেরত পেলেই চির কৃতজ্ঞ হব।
এক্ষেত্রে নতুন জন, খাইরুল বা মানিকের প্রেতাত্মা না হলেই বেঁচে যাবে প্রিয় মাতৃভূমি।

ইফতেখার
১০ অক্টোবর ২০১৭
বসুন্ধারা