শুক্রবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৬

জাতীয় প্রেসক্লাব জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া

দিবাগত রাত ২০ অক্টোবর ছিল জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৬৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীঃ


আসুন দেখে নিই প্রেস ক্লাবের সাথে তথা মুক্ত গনমাধ্যমের বিকাশের সাথে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সম্পর্ক কেমন ছিল ।




ইতিহাসের মাইনফিল্ডে নিরাপদে হাঁটার জন্য এখন প্রয়োজন মাইনগুলো নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া, সে জন্য প্রয়োজন প্যান্ডোরার বাক্সগুলো পুরোপুরি খুলে ফেলা, জানতে হলে পড়তে হবে ।





জাতীয় প্রেস ক্লাব বাংলাদেশের সাংবাদিকদের একটি মিলনসভা যা রাজধানী ঢাকা শহরের কেন্দ্রস্থলে তোপখানা রোডে অবস্থিত দেশের একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। ১৯৫৪ সালে এই ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর থেকে এই ক্লাব বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজের গর্ব ও ঐক্যের উজ্জ্বল প্রতীক হিসেবে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে আসছে। প্রগতিশীল আন্দোলন, স্বৈরাচার বিরোধী সংগ্রাম ও স্বাধীনতা যুদ্ধে ক্লাবের ভূমিকা অত্যন্ত গৌরবের।






১৯৫৪ সালে প্রায় ঢাকায় ১৮ তোপখানা রোডের ঐতিহাসিক লাল বাড়িতে প্রেস ক্লাবের জন্ম ও বেড়ে ওঠা। একসময় এ বাড়িতেই থাকতেন বিজ্ঞানী সত্যেন বোস। সেই লাল বাড়িটি এখন আর নেই। সেখানে নির্মিত হয়েছে নতুন ভবনসাংবাদিকই শুধু নন, শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতি ক্রীড়া অঙ্গনের বিশিষ্ট সব মানুষের মিলন কেন্দ্র হিসেবে উজ্জ্বল ঐতিহ্য রয়েছে এই ক্লাবের। প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, স্বৈরাচারবিরোধী সব আন্দোলনে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রেস ক্লাব ছিল অনন্য বলিষ্ঠ এক প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠান এখনো সমাজের বঞ্চিত, শোষিত মানুষের প্রতিবাদের কেন্দ্র এবং প্রত্যাশার প্রতীক। বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা, পরমত সহিষ্ণুতার লালন, গোঁড়ামিমুক্ত ঋদ্ধ, আলোকিত সমাজ বিনির্মাণ ও প্রগতির অভিযাত্রায় এই প্রতিষ্ঠান সব সময়ই থেকেছে অগ্রণী।



স্বাধীনতার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে সাংবাদিকরা এই জায়গাটি প্রেস ক্লাবের নামে বরাদ্দ চেয়েছিলেন; 

কিন্তু তিনি তখন বলেছিলেন,

 ‘সচিবালয়ের প্রয়োজনে জায়গাটি সাংবাদিকদের দেয়া যাবে না।’ 




প্রেস ক্লাবের জন্য তিনি শিল্পকলা একাডেমীর জায়গার একটি অংশ দিতে রাজি হন। কিন্তু শিল্পকলা একাডেমীর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এতে বাধা দেন। শেখ মুজিবুর রহমান প্রেস ক্লাবকে জায়গা দিতে সক্ষম হননি। অর্থাৎ ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাব নিজের স্থায়ী ঠিকানা হয়ে উঠেনি ।

পরবর্তী সময়ে ১৯৭৬ সালে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর সাংবাদিকরা বিষয়টি তাঁর নজরে আনলে তিনি প্রেস ক্লাব পরিদর্শনে আসেন। ১৯৭৮ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জাতীয় প্রেস ক্লাবের বর্তমান জায়গা (১.১২ একর) ৩০ বছরের জন্য বন্দোবস্ত দেন। ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে শিয়া ইসমাইলি মুসলমানদের ৪৯তম ইমাম এবং আগা খান উন্নয়ন নেটওয়ার্কের (একেডিএন) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রিন্স করিম আগা খান বাংলাদেশে আসেন এবং সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রেসক্লাবের ভবন নির্মাণে অর্থ সাহায্যের ঘোষনা দেন ।





কিন্তু সে কথা জানতে পেরে প্রেসিডেন্ট জিয়া প্রেস ক্লাব কর্র্তৃপক্ষকে ডেকে নিয়ে জানিয়ে দেন, প্রেস ক্লাব জাতীয় প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রের টাকায় এই জাতীয় প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মিত হবে, বিদেশীদের টাকায় নয়। ফলে প্রিন্স আগা খানের টাকা আর নেয়া হয়নি। ১৯৭৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ক্লাবের এই ভবনের ভিত্তিপ্রস্তুরও স্থাপন করেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রেস ক্লাবকে দেয়া হয় ২৫ লাখ টাকা । তখন প্রেস ক্লাবের সভাপতি ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের তৎকালীন সম্পাদক এবং বর্তমান পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু



 
জাতীয় প্রেস ক্লাব ভবনের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করছেন মুক্তিযোদ্ধা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান


  • ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর প্রেস ক্লাবের ৫০ বছর অর্থাৎ সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।  তিনি ক্লাবের বহুতল মিডিয়া কমপ্লেক্স ভবনের ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপন করেন, যা নির্মাণের অপেক্ষায়। ঐ অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়া প্রেসক্লাবের দখলে থাকা বাকি জায়গা (দশমিক ৮৯ একর) প্রেসক্লাবের নামে বরাদ্ধ দেওয়ার সাথে ক্লাবের সম্পূর্ণ দুই একরেরও বেশি জায়গাটি ৯৯ বছরের জন্য স্থায়ী লীজ করে দেয়ার ঘোষণা দেন। পরবর্তীতে পুরো জায়গাটি ৯৯ বছরের জন্য মাত্র ১ লাখ ১ টাকায় নামমাত্র মূল্যে প্রেস ক্লাবের নামে স্থায়ীভাবে দলিল করে দেন।

     

     

     

এই ভাবেই বাংলাদেশের সাংবাদিকদের মিলনসভা “জাতীয় প্রেস ক্লাব” শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরেই নিজেস্ব স্থায়ী ঠিকানা সমেতে নিজেস্ব ভবন পেয়েছে ।




আজ নিয়তির বরপুত্র অথবা কর্মের সফল পুরুষ জিয়াউর রহমানকে যে আসনে বসিয়েছে তা অনেকেরই মনব্যথার কারণ। তারা এখনও জিয়াউর রহমানকে অথবা তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শকে তাদের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি মনে করেন এবং এ কারণে লাখ লাখ মানুষের শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের পর সমাহিত এই মানুষটিকে নিয়ে মাথাব্যথার যেন অন্ত নেই। তাই এখনও তার চরিত্র হননের প্রচেষ্টায় একটি মহলে বিশেষভাবে সক্রিয়; যেমনটি তৎপর ছিল পূর্বেও। সেদিন শহীদ জিয়া যাদের চোখে ছিলেন দেবদূত তুল্য, তারাই স্বার্থের কারণে অকৃতজ্ঞ হয়ে চরিত্র হরণের চেষ্টা চালায় এই মহান নেতার।



তবুও সবার মনে রাখা উচিত, ক্ষমতার জোর দিয়ে কোন মহান ব্যক্তিত্বের চেতানাকে তাঁর ভালোবাসার মানুষগুলোর মন থেকে বিলীন করে দেয়া যায় না। জিয়াউর রহমান আদর্শ হিসেবে শুধু বাংলাদেশে নয়, দুনিয়ার নিপীড়িত জনগণের জন্য একটি প্রেরণার উৎস হয়ে তিনি বেঁচে থাকবেন কেয়ামত পর্যন্ত।

রবিবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৬

Bombing for peace is like Fucking for virginity


Tunnel Rat , মাটি খুঁড়ে, মাটির নিচ দিয়ে ছোট্ট ছোট্ট টানেল। কোনটা ২৫ মিটার, কোন টা ১০০ মিটার আবার কোন কোনটা মাইলের পর মাইল। যেখানে বাংলাদেশ থেকে নেপালের দূরত্ব মাত্র ১৮কিলোমিটার।

 

চওড়া দুই ফিট থেকে আড়াই ফিট, গড়।
কোন কোন ক্ষেত্রে ছোট একটি কামান টেনে নিয়ে যাবার মত। 

এই সব ট্যানেল দিয়ে ক্ষিপ্র গতিতে চলাচল করতো ভিয়েতনামিজ গেরিলারা। বিদঘুটে অন্ধকারেও তারা চোখে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিল। গেরিলাদের মূল অস্ত্র ছোট্ট নল কাটা পিস্তল, সালফিউরিক বোমা। কিছু ক্ষেত্রে অবশ্য মেসিনগানের ব্যাবহার হত। ভিয়েতনামিজ গেরিলাদের ট্যানেলে দাঁড়িয়ে হেটে চলার ব্যাবস্থা খুবই কম ছিল। মূলত ক্রলিং করে চলাফেরা করতে হতো ট্যানেল গুলোতে। এই জন্যই এইসব ট্যানেলের যোদ্ধাদের বলা হত Tunnel Rat.




আমেরিকান বাহিনীর কাছে সবচেয়ে ভয়ংকরী আতংকের নাম ছিল ট্যানেল র‍্যাট আমেরিকানরাও ভিয়েতনামিজ গেরিলাদের অনুকরণে নিজস্ব ট্যানেল বাহিনী তৈরি করলেও তারা সুবিধা করে উঠতে পারেনি। 





ফাইনালি ভিয়েতনামি ট্যানেল র‍্যাট দের নির্মূল করতে আমেরিকানরা ট্যানেলের মুখে আগুন ধরিয়ে দিতো।
কোন ট্যানেলে আমেরিকানরা যখন অভিযানে নামতো, গেরিলাদের ইন্দ্রজালের মত বিছানো ট্যানেলে আমেরিকান সৈন্যরা নিজেরাই কুপোকাত হয়ে যেতো।

এমন বেশ কিছুবার হয়েছে যে ৫০ জন সৈন্যের আমেরিকান ট্রুপস, গেরিলা দমনে,ট্যানালে নেমে আর কোন দিন ফিরে আসতে পারেনি। লাশ পর্যন্ত উদ্ধার হয়নি।


অথছ আমেরিকান বাহিনী ট্যানেলে নামতো পর্যাপ্ত সার্চ লাইট, হালকা ও সহজে বহন যোগ্য রাইফেল, গরম প্রতিরোধী আইস জ্যাকেট, সহ সকল ধরনের নিরাপত্যা যন্ত্রপাতি সহকারে।


এই সব, এক একটা ট্যানেলে গেরিলারা খুব সামান্যতম খাদ্য নিয়ে মাসের পর মাস কাটিয়ে দিতে পারতো।
ভিয়েতনাম যুদ্ধে, অসংখ্য যুদ্ধ ক্ষেত্র, যেখানে আমেরিকান সৈন্যদের বিজয় প্রায় সুনিশ্চিত, দেখা যেত হটাৎ ভূমি ফুঁড়ে, সেখানে শত্রু ঘাঁটির সবচেয়ে নিরাপদ স্থান দিয়ে উঠে এসে আমেরিকাদের পিছন থেকে ব্রাস ফায়ারে নির্বংশ করে দিয়ে গেছে, এক মূহুর্তে।



যুদ্ধ বিজ্ঞানের ইতিহাসে ভিয়েতনাম যুদ্ধের ট্যানেল ফাইট, একটি অবিস্মরণীয় পাঠ। মূলত ট্যানেল র‍্যাট গেরিলাদের চোয়ালবদ্ধ লড়ায়ের মানসিকতার কাছে শোচনীয়, লজ্জাজনক পলায়নপর পরাজয় মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিল পরাশক্তি আমেরিকা।




পৃথিবীর সকল সচেতন মানুষের বিবেকের দ্বার উন্মুক্ত হয়ে পরেছিল, খোদ আমেরিকান জনগণ যুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আমেরিকান সৈন্যদের জ্যান্ত ফিরিয়ে আনার জন্য উত্তেজিত হয়ে ওঠে। কিংবদন্তী বক্সার মোহাম্মদ আলী, ভিয়েতনামে যুদ্ধ করতে  যেতে অস্বীকৃতি জানিয়ে, নিজের পদক ফেলে দেন। নোয়াম চামিস্কি প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন। জন লেনেন, ডন ডেনভার , জিম ম্যারিসন , বব দিলান প্রত্যেকে নিজের স্থানে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ বিরোধী ক্ষাপাটে ভূমিকা নেন। সমগ্র বিশ্বের সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যাবস্থাকে প্রশ্নের মুখে টালমাটাল করে দেয় মানবতাবাদী মানুষের দল। 


এই সকল ট্যানেল র‍্যাটদের হ্যন্ডেল করার কাজটি ছিল অনেক বিপদজনক। কারন একবার ট্যানেলে টার্গেট নিয়ে নেমে গেলে হাই কমান্ডের আদেশ নির্দেশ সেখানে মূখ্য থাকেনা। তাছাড়া দীর্ঘ সময় অন্ধকারে মাটির নিচে যুদ্ধ করার ফলে এদের ভেতর সাইকোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার দেখা দিত, মানুষের সাথে মিসতে পারতো না, হত্যা ব্যাতীত এরা স্বাভাবিক থাকতে পারতো না।
সুসজ্জিত আমেরিকান ট্যানেল ফাইটার






তাই এদেরকে যুদ্ধ শেষে বা নিয়মিত বিরতি দিয়ে অবসর পালনে, স্বাভাবিক সমাজে পাঠানো সমস্যা হয়ে উঠেছিল। যেহেতু হত্যা বা রক্ত এদের কাছে নেশাদায়ক হয়ে উঠেছিল।



কাঠামোগত কারনেই, যুদ্ধ কৌশল প্রদর্শনের খুব বেশি সুযোগ থাকেনা ট্যানেলে। অন্ধকারে দেখতে পাওয়া, সরিসৃপের মত বুকে ভড় দিয়ে নিঃশব্দে চলাচল, প্রখর শ্রবণ শক্তি এই যুদ্ধের সবচেয়ে বড় যোগ্যতা। সাথে লাগবে শত্রু টের পাবার আগেই, নিশব্দে ফায়ার অন করার ক্ষিপ্রতা।





ভিয়েতনামিজ ট্যানেল র‍্যাট গেরিলারা প্রায়শ ট্যানেলে আক্রমণাত্মক শত্রুর রাস্তার পিছন দিক দিয়ে এসে, টানেল মুখে আগুন ধরিয়ে দিয়ে সরে পরতো পারতো।



পরিস্থিতি খুব জটিল আকার ধারণ করলে ২ ফুট ট্যানেলের মুখ দিয়ে বাহির হয়ে এসে জনতার সাথে মিশে যেত।
এখনকার মিডল ইস্ট যুদ্ধে মাঝেমধ্যে আমরা যে সুরঙ্গ খুঁজে পাওয়ার কথা শুনি তা কিন্তু এই ধরনের ট্যানেল ফাইটের একটা অংশ।

আমেরিকার হিপ্পিরা জাহাজ পর্যন্ত হাইজ্যাক করেছিল , যুদ্ধের প্রতিবাদে







আমার ক্ষুদ্র গণ্ডিতে কোনভাবেই প্রকাশ করতে পারবো না যে এই সামান্য ট্যানেল র‍্যাটরা কি বিপুল ঐশ্বর্য ঢেলে দিয়েছিল মুক্তিকামী মানুষের স্বাধিকার, স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধে। 

সমগ্র দুনিয়ার শ্রেষ্ঠতম সামরিক শক্তির সে এক অসম্ভব পরাজয়ের লজ্জা,ব্যাক উইথ ব্যাগ এন্ড ব্যাগেজেস। মান জলাঞ্জলি আগেই গিয়েছে, পৈতৃক জানটা নিয়ে কোন ক্রমে ভিয়েতনাম পার হওয়ার আনন্দই যেন আমেরিকান সৈনিকদের কাছে যুদ্ধ বিজয়ের চেয়েও  অধিকতর বিজয় হয়ে উঠেছিল।


ভিয়েতনাম জাতির শ্রেষ্ঠতম সন্তান তাঁদের ট্যানেল র‍্যাট ফাইটাররা।