সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৬

অগাস্ট ধারা বিবরণ

সাপ্তাহিক বিচিত্রা

১৫ অগাস্ট :

সামরিক অভ্যুত্থানে শেখ মুজিবর রহমান নিহত। খন্দকার  মুস্তাকের ক্ষমতা গ্রহন।
মন্ত্রী সভা গঠন ও শপথ গ্রহন।

 ১৬ অগাস্ট

সৌদিআরব,  সুদানের স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি।
ভারতীয় মুখপাত্র বলেন : বাংলাদেশের ঘটনা আভ্যন্তরিন ব্যাপার।
মাওলানা ভাষানি কতৃক সমরর্থন অভিনন্দন।

১৭ অগাস্ট
রাষ্ট্রপতির সাথে সাবেক প্রধান মন্ত্রী এম মনসুর আলীর সাক্ষাত।

১৮ অগাস্ট
বৃটেন, জর্দান, বার্মা, জাপান কতৃক স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি।
সচিবালয়ে ব্যাপক পরিবর্তন।

১৯ অগাস্ট

স্বাধীন বাংলাদেশকে ইরান,  কাতার কতৃক স্বীকৃতি প্রদান।
মার্কিনমুলুক থেকে ব্যাপক সাহায্য প্রদানের প্রতিশ্রুতি।
বিমান বন্দর উন্মুক্ত।

২০ অগাস্ট
মার্কিন রাষ্ট্রদূত,  ইন্ডিয়ান হাইকমিসনার, সোভিয়েত চার্চ দ্যা এ্যফেয়ার্স দেখা করে নয়া রাষ্ট্রপতির সাথে।

ইন্দোনেশিয়া,  মালোয়েসিয়া,  নেপাল, কানাডা, UAE, সুইজারল্যান্ড ও ব্রাজিল স্বাধীন বাংলাদেশ কে স্বীকৃতি প্রদান করে।

২১ অগাস্ট
ইউনিয়ন পরিষদ চালু রাখার সিদ্ধান্ত।
যুগাস্লাভিয়া,  অস্ট্রেলিয়া,  মরোক্ক, বেলজিয়াম,  ইতালি,  অর্জেন্টিনা,  লিবিয়া ও দক্ষিন কোরিয়া কতৃক স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি।

২২ অগাস্ট
যুক্তরাস্ট্র কতৃক স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃত।
দৈনিক ইত্তেফাক ও সংবাদ মূল প্রকাশকের কাছে ফেরৎ।

২৩ অগাস্ট
লেবানন ও সিংগাপুর কতৃক স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি।


২৪ অগাস্ট
রাষ্ট্রপতির প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা পদে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানিকে নিয়োগ।

বংগবন্ধুর বার্তা পাবার পরেও তাঁকে রক্ষা করতে ব্যার্থ হওয়া জে: শফিউল্লারকে অপসারন করে মুক্তিযুদ্ধে  Z Force কমান্ডার জিয়াউর রহমানকে সেনা প্রধান নিয়োগ।।











সাপ্তাহিক বিচিত্রা রিসোর্স ঃ




শনিবার, ৬ আগস্ট, ২০১৬

মাইলস আতঙ্ক








প্রকৃত প্রতিবাদ ভিন্নমাত্রার কিছু হয়ে থাকে। প্রকৃত প্রতিবাদকে সদা সর্বদা প্রতিরোধের মুখে পরতে হয়। প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠির প্রতিরোধ।
নতজানু যে শিল্প, শিল্পের আবরনে সুবিধাবাদের প্রসার, তা কোন দিনই শিল্প নয়, কোন দিনই আর্ট নয়। স্রেফ আপোষ।





প্রকৃত বাংলার ছোঁয়া যেখানে আছে সেখানেই আমাদের অবাধ টান। অন্তরের আকুপাকু ছুটে চলা। কবি সুকান্ত, নেতাজী সুভাস চন্দ্র, হেমন্ত, শ্যামলদের থেকে শুরু করে আরো অনেক অনেক গুনি মানুষের পদচ্ছাপ সীমান্তের কাটাতাঁর মানেনা ; পাখির মত, প্রজাপতির মত, আকাসের মত, জোছনার আলোর মত, ফেলানীর গুলি বিদ্ধ লাশের মত।
আমার, আমাদের ভেদ, হিংসা, জ্বালা যন্ত্রনা কোনটাই মানুষের সাথে নয়। বরং মানুষের প্রভু সেজে জাপ্টে ধরা প্রশাসন, সরকার অন্যায় নীতি জুলুমের বিরুদ্ধে।


আপোষে আপোষে মেধাহীন ঘিলুধারী যন্ত্র, এপারেই হোক বা ওপারে... অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে। মানুষের বিরুদ্ধে নয়।



স্যালুট গোজ টু মাইলস ''ইন্ডিয়াতে প্রোগ্রাম করার তোষামোদি যোগ্যতা হারাবার জন্য "
বাংলা গানের ইতিহাসকে নতুন করে গর্বিত করার জন্য।
এই ব্যান হওয়া মোটেও একটি সুযোগ হারানো নয়।



এই ব্যান হওয়া কোন হারাবার বেদনা নয় বরং খুন হয়ে যাওয়া বোন বা কন্যা বা প্রেমিকা ফেলানীর লাশের জন্য এক ফোটা আনন্দ অশ্রু।
স্যালুট ফেলানি, দেখ অত্যাচারীরা উত্তেজিত হয়ে পরেছে, অতএব বিজয় সন্নিকটস্থ!
Never give up ‪#‎Miles‬...


ইন্ডিয়ান দের মাইলস বিরোধীতা

পাক ভারতের দালালেরা হুঁশিয়ার , সাবধান

আর কেও নয় ,শুধু আমরাই পারি
আমিই বাংলাদেশ , আমরাই বাংলাদেশ । আমি, আমরা বাঙালি বাংলাদেশের , আদিবাসী, উপজাতি বাংলাদেশের । আমারা সবাই মিলেই বাংলাদেশি।



কোন রাজ শক্তির পোষ্য নয় বাংলাদেশ, কোন উপনিবেশবাদের ধামাধরা নয় বাংলাদেশ। কোন উগ্রবাদী তালেবানি রাষ্ট্র ব্যাবস্থা , কোন আধিপত্যবাদী প্রতিবেশী আমাদের প্রভু নয়। আমরা লড়তে শিখেছি , মড়তে শিখেছি , প্রয়োজনে দাঁতে দাঁত চেপে মাটি কামড়ে পরে থাকতে শিখেছি।



মার খেয়েছি , রক্ত গঙ্গা বয়ে গেছে আমার শরীরের দুয়ারে , তবুও অধিকার ছাড়িনি , দাবী আদায়ের লড়ায়ে আমরাই নেতৃত্ব দিয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশে। ৭১ এ পলায়নপর , পশ্চাৎপদ রাজনৈতিক নেতৃত্ব শূন্যতাতে আমরাই জিয়া হয়েছি , হত্যা করেছি , রণাঙ্গনে জানবাজ যোদ্ধা হয়েছি। আমাদের হ্যেল্মেটে শ্যাওলা জমেছে , ক্লান্তি জমা কপালে বাঙ্কার নিমেষেই ফুলশয্যার মত জেগে উঠেছে ।




আমরাই রাজপথে নেমেছি স্বৈরাচার পতনের দৃঢ় স্লোগান, চোয়াল বদ্ধ শ্লোগানে ফুঁসে উঠেছে বাংলা, অপারাজেয় বাংলা, কলা ভবন ,ডাচ অথবা মধুর ক্যান্টিন অথবা গুলিস্থানের কামান... আমরাই মেরেছি মরেছি , বুকের তরতাজা রক্ত লালের সাথে বেঈমানি করিনি কোনদিন।




কোন অনুকম্পা নয় , কোন বিশ্বাস ঘাতকতা নয় গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্পন্দিত বুকে। আপোষহীন রাজমুকুটের খেতাব ছিনিয়ে এনেছি আমি আমরাই।



বিদ্রহ বিপ্লবের স্ফুলিঙ্গ কাজী নজরুলের বিষের বাঁশি যেন বেঁজে চলেছে অবিরাম অবিশ্রান্ত আমাদের জন্য।



প্রতিটি আঘাত , প্রতিটি অপঘাতের সমুচিত জবাবের ভাণ্ডার আমরা হারিয়ে ফেলিনি আজো। আমরা মুষ্টি বদ্ধ , শক্ত চোয়ালে আরো কঠিন , ইস্পাতসম মাটির ভালোবাসা নিয়ে অপেক্ষাতে আছি , জয় আসবেই , বিজয় অনিবার্য ...
আমার বাংলাদেশের দালালী করতে পথে নেমেছি ...পাক ভারত আর পিশাচের পদ লোহন আমাদের জন্য নয়। আমরা সত্য সুন্দরের প্রতিপক্ষ হয়ে স্বদেশ ভূমির ধূলিকণা বেঁচে দিতে শিখিনি । কোন অশুর শক্তির হাতে এই অভাগা ভূভাগের ইজ্জৎ আব্রু সম্মান নস্যাৎ হতে দেবো না ।


পাক ভারতের দালালেরা
হুঁশিয়ার , সাবধান


গগন বিদারী চিৎকারে সারা বাংলাদেশের অলিতে গলিতে রাজপথে , স্বর্গ ম্বর্ত করতলে রটিয়ে দাও স্লোগান ---পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান




পাক ভারতের দালালেরা
হুঁশিয়ার , সাবধান
পাক ভারতের দালালেরা
হুঁশিয়ার , সাবধান
পাক ভারতের দালালেরা
হুঁশিয়ার , সাবধান 


পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান,পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান

মঙ্গলবার, ২ আগস্ট, ২০১৬

এরশাদ নামা ৪

জিয়া হত্যা এবং কিছু প্রশ্ন
----------------------------------------



আগের পর্বে আমরা দেখেছি যে সেনা প্রধান এরশাদ জেঃ মঞ্জুরের বিচার করার ব্যাবস্থা তিরহিত করতে যে ফন্দী আঁটেন তা মঞ্জুরের মৃত্যু নিশ্চত করার জন্য যথেষ্ট ছিল । জেঃ মীর শওকত আলী , সে আশঙ্কার কথা সেনা প্রধান এরশাদকে জানিয়েছিলেন।


জিয়া হত্যার ব্লু-প্রিন্ট প্রস্তুতের জন্য যেসব কারণে এরশাদকে দায়ী বলে মনে করা হয় ,তাঁর পেছনে কিছু প্রশ্ন আসে। প্রশ্ন গুলো প্রাসঙ্গিক ও যৌক্তিক। জিয়া হত্যা রহস্য নিয়ে সমীকরণ মিলাতে চাইলে প্রথমেই যে কৌতূহল তৈরি হবে তা হচ্ছে জেঃ মঞ্জুর কে কেন হত্যা করা হল?


ঘটনা ক্রম বিবেচনাতে জেঃ মীর শওকত আলীর সতর্ক বার্তা ও ইন্টার্ভিউ যা দৈনিক সকালের খবরে প্রকাশ হয়, সেখানে স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে জেঃ এরশাদ চাচ্ছিলেন না , মঞ্জুর আর কোন কথা বলার সুযোগ পাক, বিশেষত টেলিফোনে যখন জেঃ মঞ্জুর কিছু অতি ডানপন্থী অফিসারদের বরখাস্ত দাবী করে বসেন ।


জিয়া হত্যার দিন সকালে ৮ ম বেঙ্গল রেজিমেন্ট ভিজিট করে কেন এরশাদ বললেন যে জেঃ মঞ্জুরের সাথে তাঁর কথা হয়েছে এবং মঞ্জুর অভ্যুত্থানে জড়িত নন?


জিয়া হত্যার চার দিন আগে অনির্ধারিত চট্টগ্রাম পৌঁছে এরশাদ সারাদিন জেঃ মঞ্জুরের অফিসে কি কি বিষয়ে আলাপ করেছিলেন?


জেঃ মঞ্জুরের সাথে মিটিং এর লাঞ্চ ব্রেকে লেঃ কর্নেল মতির সাথে একান্ত আলোচনার বিষয় কি ছিল?
বাংলাদেশ মিলিটারি এ্যকাডেমি পরিদর্শনের শিডিউল থাকার পরেও কেন তিনি কোন কারণ দর্শানো ব্যাতীত ভিজিট বাতিল করলেন?


অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের পোস্টং কি উদ্দেশ্যে চট্টগ্রামে করেছিল এরশাদ।
মুক্তিযোদ্ধা অফিসার দের চট্টগ্রামে পোস্টিং দেওয়া হলেও ইন্টেলিজেন্স কোরে মুক্তিযোদ্ধা অফিসার এত কম ছিল না কেন?


প্রেসিডেন্ট জিয়ার সাথে এরশাদের চট্টগ্রাম পৌঁছানর কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের সফর সঙ্গী না হবার কারণ কি ?


জিয়ার চট্টগ্রাম সফরের দিন জেঃ মঞ্জুরকে তুলনামূলক অমর্যাদাকর যে পোস্টে অবনমন করানো হয় ,সেই চিঠিতে জিয়াউর রহমানের স্বাক্ষর করার কথা থাকলেও ঐ চিঠিতে স্বাক্ষর দিয়েছিল তাঁর সামরিক সচিব , কিন্তু কেন ? জিয়ার মত করিৎকর্মা ও তৎপর ব্যাক্তির চরিত্রের সাথে বেমানান ।


DGFI অফিসার মহব্বত জান চৌধুরী , জিয়ার চট্টগ্রাম অবস্থানকে ঝুকিপূর্ন চিহ্নিত করেছিলেন। সেক্ষেত্রে সেনা প্রধান এরশাদ প্রেসিডেন্টকে রক্ষা ও নিরাপত্যার জন্য কোন ব্যাবস্থা কেন নেননি ?


হত্যাকান্ডের ২ ঘন্টা আগে থেকে এতগুলো অফিসার মুভ করলো , বিশাল কনভয় নিয়ে, তিন মাইল পথ পারি দিয়ে সার্কিট হাউজ পৌছলো , অথছ আর্মি ইন্টেলিজেন্স কিছুই জানলো না কেন?

বিষয় টি চরম অযৌক্তিক। সে সময় আর্মি ইন্টেলিজেন্সের প্রধান ছিলেন লেঃ কর্নেল ইলিয়াস , যাকে পরবর্তিতে এরশাদ তাঁর সামরিক সচিব নিয়োগ দিয়ে সন্দেহের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দেয়। কোন যুক্তিতে একজন ব্যার্থ গোয়েন্দা প্রধানকে এরশাদ তাঁর নিজের সামরিক সচিব হিসাবে নিয়োগ দিলো?



সার্কিট হাউজ নিরাপত্যাতে সার্কিট হাউজের ছাদে সেন্ট্রি ও অফিসার ডিউটি থাকলেও বাস্তবে সেখানে কেও ডিউটিতে ছিল না কেন?


“প্রেসিডেন্ট জিয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে মঞ্জুর যেন না আসেন” -এরশাদ কেন এই ধরনের একটি বোগাস, প্রেসিডেন্টের নামকরে জেঃ মঞ্জুরকে জানানোর মাধ্যমে বিভ্রান্ত ও উত্তেজিত করলো?



প্রেসিডেন্ট জিয়াকে যেই অফিসারটি সরাসরি ব্রাশ ফায়ার করে হত্যা করে ,সে হচ্ছে লেঃ কর্নেল মতি ও সঙ্গী লেঃ কর্নেল মেহবুব। ইন্টারেস্টিং হচ্ছে কথিত হত্যাকান্ড মিসনে মতি কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সার্কিট হাউজের নিচে, অভ্যুত্থানকারীরা পাল্টা আঘাতপ্রাপ্ত হলে তা প্রতিহত করা ।


অথছ লেঃ মোসলেম উদ্দিন যখন রাষ্ট্রপতিকে ভয় পেতে নিষেধ করছেন এই বলে যে “ স্যার আপনি ভয় পাবেন না , আপনি আমাদের সাথে যাবেন মাত্র” ঠিক তখন নিচ থেকে উপড়ে ছুটে এসে লেঃ কর্নেল মতি প্রেসিডেন্ট জিয়াকে খুব কাছ থেকে গুলি করে। কিন্তু কেন মতি নির্দেশের বাইরে যেয়ে জিয়াকে হত্যা করলো?


কে এই মতি ?
এই মতি হচ্ছে সেই মতি , জেঃ এরশাদ চট্টগ্রামে মিলিটারি এ্যকাডেমি পরিদর্শনের অজুহাতে এসে মঞ্জুরের সাথে মিটিং এর ফাঁকে হিলটপ মেসে , এক ঘন্টা যার সাথে একলা কাটিয়েছিল ?

এই মতি হচ্ছে সেই মতি যে বিদেশে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য ইন্টার্ভিউ দিতে ঢাকাতে এসে এরশাদের সঙ্গে বিশেষ মিটিং করেছিলেন?

অনেক প্রশ্নের উত্তর আজ অজানা। হয়তো উত্তর গুলো অজানা রাখতেই জেঃ মঞ্জুরকে বিচারের আওতাতে না এনে হত্যা করা ছিল অধিক নিরাপদ ।

আরো নিরাপদ থাকার জন্য , তথ্য গুম নিশ্চিত করার জন্য শিকল থেকে দুইটা সন্ধি উপড়ে ফেলা হয় , একজন লেঃ কর্নেল মতি, অন্য জন লেঃ কর্নেল মেহবুব।

বিচারের রায়ে ফাঁসির দড়িতে ঝুলা অথবা এরশাদের সেনাবাহিনীতে লোভনীয় উত্থানের বদলে এরশাদের ইশারাতে, বিনা বিচারে অপঘাতে মৃত্যু ছিল তাদের নিয়তি।


চ ল বে .........

আগের তিন পর্ব যারা মিস করেছেন তাঁরা জিয়া হত্যার ক্ষেত্র কিভাবে তৈরি হল , কিভাবে অবিশ্বাসের বুনিয়াদ, মুক্তযোদ্ধা অফিসারদের ভেতর সংক্রমিত হলো ,সেই রাজকূট কিছুটা পরিষ্কার হবে।









 লিঙ্ক সমূহঃ


 এরশাদ নামা ১

এরশাদ নামা ২

এরশাদ নামা ৩