শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৫

নৌকা

নৌকা
বলুন দেখি নদী মাতৃক বাংলাদেশের কয়েক প্রকার নৌকার নাম।
আমি কয়েকটির নাম দিলাম।এর সাথে আরো কিছু যোগ হলে ক্ষতি কি ?
১।বাতনাই নৌকা
পদি নামেও একে ডাকা হয়। অনেকটা বজরার মত দেখতে হয় এই পণ্যটানা নৌকা।
২।
মালবাহী বজরা
৩।
বজরা
৪।
ডিঙি নৌকা
৫।
কোষানৌকা ; এটা নৌকার ক্ষুদ্র সংস্করণ।
৬।
ডোঙা নৌকা ; নৌকার ক্ষুদ্রতম নৌকা এটাই।
৭।
ময়ূরপঙ্খী নৌকা
৮।
গয়না নৌকা।
৯।
সাম্পান নৌকা।
১০।
পাতাম নৌকা , এটা হচ্ছে নৌকার টুইন বা জমজ সংস্করণ।
১১।
বাইচ নৌকা।মটর গাড়ীর রেস ফর্মূলা ওয়ানের জন্য যেমন বিশেষ ভাবে ডিজাইন করা গাড়ি থাকে তেমনি নৌকা রেসের জন্য বিশেষায়িত এই বাইচ নৌকা।
১২।পালতোলা নৌকা
১৩।পানসি নৌকা
১৪।ছুঁইওয়ালা বা একমালাই নৌকা।
১৫।রাজাপুরী নৌকা।
১৬।
পেনিস নৌকা। চাম্বল এবং রেইনট্রি দিয়ে তৈরি করা এই নৌকা শুধুমাত্র বর্ষার মওসুমেই চলাচল করে।
১৭।
বালাম নৌকা ।
১৮।
টেডি নৌকা ।
১৯।
টড্ডলার নৌকা ।
২০।
জালিনৌকা ।
২১।
সুল্লুকনৌকা ।
বাই দা ওয়ে , নবাব সিরাজের মা এবং ষড়যন্ত্রের হোতা হোতা ঘষেটি বেগম যখন নৌকাতে করে পালিয়ে যাচ্ছিলেন তখন মাঝ দরিয়াতে এসে মিরনের গুপ্তচর মাঝিরা নৌকা ফুঁটা করে নদীতে ঝাঁপিয়ে পরে পালিয়ে যেতে থাকে , তখন ঘষেটি বেগম চীৎকার করে অভিশাপ দেন যে "মিরন তোর মৃত্যু হবে বজ্রপাতে"।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেই মিরনের মৃত্যু হয়েছিল বজ্রের আঘাতেই।
তবে ইতিহাসের পাতাতে আরো এক কুখ্যাত নৌকা আছে ।যে নৌকাতে বাংলার মানুষ সাওয়ার হলেই খুন,গুম,হত্য আর অপশাসনে ঋন পরিশোধ করতে হয়।।

প্রো-গুগল

জুতা আবিস্কারের কথা মনে আছে ?


রাজ্য জুড়ে ধূলা আর ধূলা।পায়ের নিচে কাঁটা ।দুনিয়া তো আর চামড়া দিয়ে মুড়িয়ে দেওয়া যাবে না।সারা দিন রাস্তা ঘাট ,বন জঙ্গল ঝাড়ু দেওয়াও সম্ভব না ।
তাহলে
পদ যুগলের সুরক্ষার উপাই কি ?কে দেখাবে পথ?
অবশেষে রাজা মশায়ের জন্য এক অভাগা আইডিয়া নিয়ে আসলেন ।
হুজুর গোস্তাকি মাফ করবেন , রাজা মশায়ের চরন দুখানি চামড়া দিয়ে মুড়ে দিলেই কার্য হাসিল।
অভাগা নত শিরে জানালো।
অমনি রাজা মশাই হুঙ্কার দিয়ে উঠলেন
আরে আমি তো একথাটাই ভাবছিলাম ; ওরে ও হতভাগা তুই ক্যামনে আমার মাথার বুদ্ধী চুরি করলি।
দামামা বেজে উঠলো , সিপাহশালার গর্জে উঠলো , পাজিটাকে এখন শূলে চড়ানো হোক।
আফসোস ; শুধু গুগলের আদি পিতার,র কাছে গুগল আবিস্কারের আগাম তথ্য ছিল না

কপি Cat

মাছি মারা কেরানী"
বহুল প্রচলিত একটি কথা।
কেরানী বেচারা ৭/৫ কিচ্ছু বোঝে না। বড় কর্তা যা বলেন ,যা করেন তাই তাঁর কাছে সাক্ষাৎ বাইবেল।কর্তা কাগজে যা লিখে দেন , কেরানী সেটাকেই কপি করে বিতরণ করে।
কাঠাল পাকা এক দুপুরে কর্তা যখন লিখতে বসলেন তখন চারদিকে শুধু মাছি আর মাছি।দুয়েকটা মাছি মারতে সক্ষম হলেন কর্তা ।এর ভেতরের একটা মৃত মাছির স্থান হল লেখার কাগজে।
কেরানী সেই কাগজ কপি করার সময় মরা মাছির জাইগাতে কলম দেগে গোল করে হিজিবিজি করে দিল।
হাজার হোক "কর্তার ইচ্ছাই কর্ম "
এনড্রয়েড ফোন যারা চালান তাদের খুব চেনা একটা চাইল্ড গেমের নাম টকিং ট্ম।বাচ্চা-কাচ্চাদের কাছে অত্যান্ত আকর্ষনিয় ক্যাট ট্ম কে যা বলা হবে সে তাই হুবহু বলবে।ক্যাট ট্মের কথা বলার শক্তি থাকলেও তাঁর নিজের কোন কথা নেই।
সার্কাসের বাঘ অনেক কসরত দেখাতে পারে।যাত্রার মঞ্চে আগুনের গোলকের মধ্যে দিয়ে লাফ দিতে পারে, দুই পায়ে ভড় দিয়ে হাঁটতে পারে।অথছ এই হিংস্র বাঘ তাঁর ট্রেইনারের ইশারা ব্যাতীত নির্বোধ জন্তু ছাড়া আর কিচ্ছু নয়।
আরব্য রজনীর গ্বল্পগুচ্ছের সাথে পরিচয় আছে প্রায় সবার।বিশেষত আলীবাবার ৪০ চোর গ্বল্পটার কথা মনে পরছে।
গোপন গুহার গুদাম ঘড়ের সামনে "চিচিং ফাক" বললেই গুহার দরাজ খুলে যেত।যেই লোক গুহার সামনে দাঁড়িয়ে মন্ত্রটা উচ্চারণ করতে পারবে গোপন কুঠুরির দ্বার তাঁর জন্য উন্মক্ত হয়ে যাবে, সোনাদানা,হীর জহরতের মালিকানা চলে যাবে চিচিং ফাকের হাতে।
আমাদের বাংলাদেশের কথাই ধরুন।এই যে দুজন বিদেশী সহযোগী নির্মম ভাবে খুন হল , বিদেশীরা ঢাকা ভ্রমণে সতর্কতা জারী করলো , রাজদণ্ড নড়েচড়ে উঠলো,আমেরিকার শীর্ষ সংস্থা তদন্তে সহযোগিতা করতে চাইলো।অথছ আমরা করলাম কি ? দায়সারা পুলিশি তদন্ত নামকাওয়াস্তে শেষ না করেই প্রধান মন্ত্রীকে ফুঁসলিয়ে , বিভ্রান্ত করে তাঁর মুখদিয়ে বিএনপি,র দিকে সন্দেহের তীর বিদ্ধ করালাম।
সকল কাজের কাজী বিপ্লবী আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এতক্ষনে আসামীর নাম খুঁজে পেলো।
ইতালির সিজার তাবেলা হত্যাকান্ডের জন্য নিপাট ভদ্রলোক এবং বিএনপি,র কূটনৈতিক কোরের সবচে এ্যাক্টিভ ও যোগ্য মানুষ ডঃ আব্দুল মইন খাঁনকে এবং ধর্মান্ত্রিত জাপানী নাগরিকহোসি কুনিও কে খুন করার দায়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রধান হাবিব-উন-নবী সোহেলের ভাইকে দোষী করা হল।
প্রশ্ন হচ্ছে খুনির নাম খুঁজে বার করার দ্বায়িত্ব আসলে আসলে কার ?
মামলার তদন্তে নিয়জিত ইন্সপেক্টরের নাকি সরকারের প্রধানের?
যতই মেধাবী বা সম্মানীয় হোক না কেন , যার কাজ তাকে করতে না দিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে-উচ্চপদস্থ ব্যাক্তি যখন খুনের মামলার সন্দেহজনক আসামী চিহ্নিত করার কাজে নেমে পরেন তখন উক্ত খুনের সঠিক বিচারের আশা " চিচিং ফাঁক " হয়ে যাবার সম্ভবনা প্রবল।

মুক্তিযুদ্ধের ১৬ খন্ড

অবশ্য জাতীয়তাবাদ ও মুক্তিযুদ্ধের আলোকে এবং ইতিহাস কে রক্ষা করার প্রয়োজনে এ ব্যাপারে জিয়াউর রহমান ও বেগম জিয়া অত্যান্ত বেশি সচেতন , সে কথা উদ্ধিতির মাধ্যমেই প্রমান করতে চাই।
রাজনৈতিক আদর্শ ও দর্শন গ্রন্থের মূখবন্ধঃ
"১৯৭৭ সালের জুলাই মাসে হাসান হাফিজুর রহমানকে প্রকল্প পরিচালক হিসাবে নিয়োগদান করে এবং ডঃ মফিজুল্লাহ কবীরকে সভাপতি, ডঃসালাউদ্দিন আহাম্মেদ , ডঃআনিসুজ্জামান , ডঃএনামূল হক , ডঃ সফর আলী আখন্দ ,ডঃ কে এম মহাসিন , ডঃ শামসূল হূদা ও ডঃ এম এ করীমকে সদস্য নিয়োগ করে জিয়াউর রহমান এক গুরুত্বপূর্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
প্রায় পাঁচ বছরে সংগৃহীত হয় প্রায় তিন লাখ পৃষ্ঠার দলীলপত্র।
সেই গুলী যাচাই বাছাই করে ১৬ খন্ডে এসব দলীল প্রকাশিত হ্য।জিয়াউর রহমানের এ দূরদর্শিতা ও দেশ প্রেমের তুলনা নেই।"
এই একই গ্রন্থের ভূমিকাতে বেগম খালেদা জিয়া নিজেও কিছু কথা লিখেছিলেন।
গ্রন্থ সুত্র
স্বাধীনতা যুদ্ধের আলোকে জিয়া-খালেদা-বিএনপি
অথ্যর
অধ্যাপক খোন্দকার মকবূল হোসেন।

বড় ভাই

শেখ আবু নাসেরের বড় ভাই ছিলেন জাতির জনক শেখ মুজিবর রহমান।
শেখ জামালের বড় ভায়ের নাম শেখ কামাল।
হিন্দি সিনেমার সার্কিটের ভায়ের নাম মুন্না ভাই।
জার্মানির Mr.Edmund এর বড় ভায়ের নাম এ্যডলফ হিটলার।
গায়ক লাকি আকন্দের ছোট ভাই ছিলেন হ্যাপি আকন্দ।
প্রিন্স হ্যারির বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়াম।
পাওয়ার মুঘল মন্ত্রী ফারুক খানের বড় ভাই হচ্ছেন টাকার কুমীর আজিজ খাঁন।
আমাদের বয়সী মানুষেরা ভালোমত চেনেন বাকের ভাই কে ; যার গ্রুপের ছোট ভায়ের নাম বদি।
বিমানের প্রখ্যাত আবিষ্কারক ভাই দ্বয় উইল্ভার রাইট আর অল্ভার রাইটের মধ্যে কোন জন বড় ভাই বলতে পারবেন কি ?
বিখ্যাত হুমায়ূন আহাম্মেদ ছিলেন কুখ্যাত জাফর ইকবালের বড় ভাই।
প্লে বয় জেনারেল এরশাদের ছোট ভাই হচ্ছেন সাবেক বিমান মন্ত্রী মঞ্জু।
থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধান থাক্সিন ইংলাক এর বড় ভাই হচ্ছেন আর এক সাবেক প্রধান থাক্সিন সিনেওয়ার্তা।
বিপ্লবী ফিদেল কাস্ট্রোর ছোট ভাই আরেক বিপ্লবী রাউল কাস্ট্রো এখনো সমাজতান্ত্রিক বিশ্বের বিক্রয় যোগ্য নহেন বা Not for sale এমন একজন নেতা।
অতএব আমার বড় ভায়েরা ভতস্না করিবেন না ; ছোট ভাই হিসাবে আমাকে আপনাদের যাবতীয় সুকর্ম এবং কুকর্মের উত্তরাধিকার হইতে বাধ্য করা হইতেছে।
গন- প্রজাতান্ত্রিক বাংলার কেস্ট ঠাকুরের এমনই মনোবাঞ্ছা ।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৫

নৌকা

নৌকা

বলুন দেখি নদী মাতৃক বাংলাদেশের কয়েক প্রকার নৌকার নাম।
আমি কয়েকটির নাম দিলাম।এর সাথে আরো কিছু যোগ হলে ক্ষতি কি ?


১।বাতনাই নৌকা
পদি নামেও একে ডাকা হয়। অনেকটা বজরার মত দেখতে হয় এই পণ্যটানা নৌকা।

২।
মালবাহী বজরা 

৩।
বজরা

৪।
ডিঙি নৌকা

৫।
কোষানৌকা নৌকার  ক্ষুদ্র সংস্করণ।

৬।
ডোঙা নৌকা ক্ষুদ্রতম নৌকা এটাই।

৭।
ময়ূরপঙ্খী নৌকা

৮।
গয়না নৌকা।

৯।
সাম্পান নৌকা।

১০।
পাতাম নৌকা , এটা হচ্ছে নৌকার টুইন বা জমজ সংস্করণ।

১১।
বাইচ নৌকা।মটর গাড়ীর রেস ফর্মূলা ওয়ানের জন্য যেমন বিশেষ ভাবে ডিজাইন করা গাড়ি থাকে তেমনি নৌকা রেসের জন্য বিশেষায়িত এই বাইচ নৌকা।

১২।
পালতোলা নৌকা

১৩।পানসি নৌকা

১৪।
ছুঁইওয়ালা বা একমালাই নৌকা।

১৫।
রাজাপুরী নৌকা।

১৬।
পেনিস নৌকা। চাম্বল এবং রেইনট্রি  দিয়ে তৈরি করা এই নৌকা শুধুমাত্র বর্ষার মওসুমেই চলাচল করে।

১৭।
বালাম নৌকা ।
১৮।
টেডি নৌকা ।
১৯।
টড্ডলার নৌকা ।
২০।
জালিনৌকা ।
২১।
সুল্লুকনৌকা ।

বাই দা ওয়ে নবাব সিরাজের মা এবং ঘষেটি বেগম যখন নৌকাতে করে পালিয়ে যাচ্ছিলেন তখন মাঝ দরিয়াতে এসে মিরনের গুপ্তচর মাঝিরা নৌকা ফুঁটা করে নদীতে ঝাঁপিয়ে পরে পালিয়ে যেতে থাকে তখন ঘষেটি বেগম চীৎকার করে অভিশাপ দেন যে "মিরন তোর মৃত্যু হবে বজ্রপাতে"।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেই মিরনের মৃত্যু হয়েছিল বজ্রের আঘাতেই।

তবে ইতিহাসের পাতাতে আরো এক কুখ্যাত নৌকা আছে ।যে নৌকাতে বাংলার মানুষ সাওয়ার হলেই খুন,গুম,হত্য আর  অপশাসনে ঋন পরিশোধ করতে হয়।