প্রথমত
রম্য লেখক মুজতবা আলী একজন দেশদ্রোহী ছিলেন।
বৃটিশ লর্ডের পোষা কুকুর একবার একটা কম পা নিয়ে লেংচে লেংচে সৈয়দ সাহেবের স্কুলে পদধুলী দিয়েছিল।
সৈয়দ সাহেব সেই বিশিষ্ঠ কুকুরের পা চাপাকলের পানি দিয়ে ধুয়ে না দিয়ে বরঞ্চ ছাত্রদের কাছে গ্বল্প দিয়েছিলেন যে কুকুরের কয় পায়ের সমান তার লাইফ স্টাইল ; সেই ব্যাখ্যা দিয়ে।
মুজতবা সাহেবের সেই গানিতিক ব্যাখ্যা সাঠিক ছিল।
অন্যদিকে
প্রচলিত আছে নবাবী আমলে ভূখা-নাংগা দেখলে শাহাজাদী বেগম সাহেবানরা নসিকা কুঞ্চন করতেন।
ভাতের অভাব থাকলে শাহি মোগলাই, কাচ্চি খাবার পরামর্শ দিতেন।
ভূখানাংগা দের ভেতর যারা বহুমুত্র রোগে আক্রান্ত ছিলেন তাদের মোরগ পোলাও খাবার ফরমান দিতেন (!)
তৃতীয়ত
আগের ব্রাম্মন সমাজের প্রায় সব্বাই প্রকাশ্যে ভেজিটেরিয়ান ছিলেন।
তবে কাশি, মথুরা, বৃন্দাবনের পথে যাত্রা নিলে যাত্রা কালিন সময়ে কাক মাংস ভগবানের ভোগে দিয়ে আহার করতে পারতেন।
তাতে দোষ হতো না।পূন্যী অর্জন হতো।
আবার
মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা প্রভৃতি,র জন্য রাস্তাঘাটে, বাসে দান বাক্স থাকে।
যৌনকেশ জন্মানোর আগেই দাড়ি গজিয়ে ওঠা কিশোর ছেলে থেকে শুরু করে ৭০ উর্ধ বৃদ্ধ সবাই টাকা তোলে আপনার পাপের ভারী খাতা হালকা করার জন্য।
যদি বীচিতে চিপা দিয়ে ঠিকঠাক ফাপর দিতে পারেন তাহলে জানতে পারবেন চাঁন্দা তোলা টাকার ৫০% মাদ্রাসা মার্কেটিং এর লোকের ২০% গলির মাথার মাস্তানের, ৫% হুজুরের আর বাদবাকি ২৫% এর একশ ভাগ মাদ্রাসা বা এতিমখানার দরিদ্র ছেলে মেয়েদের জন্য।
বাংলাদেশের বড় হুজুরের বাৎসরিক আপ্যায়ন খরচ ৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা অর্থাৎ দৈনিক প্রায় ২লাখ ১৩ হাজার ৩৮০ টাকা।
আমাদের #বিবাহিতব্যাচেলর ভায়ের কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করতে আরো দরকার ১২ লাখ টাকা।
তাহলে বড় হুজুরের এক বছরের নাস্তা বিল দিয়ে #বিবাহিতব্যাচেলর ভায়ের কয়টা কিডনী ট্রানসপ্লান্ট করা যাবে?
একজন নিস্পাপ শিশু,র বাবার কোলে আশ্রয় চেয়ে নেবার নিশ্চয়তা নিশ্চয় ৩০০ মিলিয়ন ডলার ম্যানের ১৯ দফা নিরাপত্তার চেয়ে খুব বেশী ছোট নয়।
দুই কান্ধে বসিয়া আছে কেরামুন, কাতেবীন।
এঁদের কোন একজন অনেক বেশী ক্লান্ত। হিসাবের বাঠখারা অনেক ভারী হয়ে এসেছে।
ক্ষমা পাবেন কি আদৈ!