kazi nazrul islam
শুকনো পাতার নূপুর পায়ে
নাচিছে ঘুর্ণিবায়
জল তরঙ্গে ঝিল্মিল্ ঝিল্মিল্
ঢেউ তুলে সে যায়।।
দীঘির বুকে শতদল দলি’
ঝরায়ে বকুল–চাঁপার কলি
চঞ্চল ঝরনার জল ছল ছলি
মাঠের পথে সে ধায়।।
বন–ফুল আভরণ খুলিয়া ফেলিয়া
আলুথালু এলোকেশ গগনে মেলিয়া
পাগলিনী নেচে যায় হেলিয়া দুলিয়া
ধূলি–ধূসর কায়।।
ইরানি বালিকা যেন মরু–চারিণী
পল্লীর–প্রান্তর–বনমনোহারিণী
আসে ধেয়ে সহসা গৈরিক বরণী
বালুকার উড়্নি গায়।।
গানগুলি মোর আহত পাখির সম
গানগুলি মোর আহত পাখির সম
লুটাইয়া পড়ে তব পায় প্রিয়তম।।
বাণ বেধা মোর গানের পাখিরে
তু’লে নিও প্রিয় তব বুকে ধীরে,
লভিবে মরণ চরণে তোমার
সুন্দর অনুপম।।
তারা সুখের পাখায় উড়িতেছিল গো নভে,
তব নয়ন শায়কে বিঁধিলে তাহাদের কবে।
মৃত্যু আহত কন্ঠে তাহার
একি এ গানের জাগিল জোয়ান,
মরণ বিষাদে অমৃতের স্বাদ
আনিলে বিষাদ মম।।
খেলিছে জলদেবী সুনীল সাগর জলে
খেলিছে জলদেবী সুনীল সাগর জলে
তরঙ্গ লহর তোলে লীলায়িত কুন্তলে।।
জল ছল ঊর্মী নূপুর শ্রোতনীরে বাজে সুমধুর
জল চঞ্চল ছল কাঁকন কেউর
ঝিনুকের মেখলা কটিতে দোলে।।
আনমনে খেলে চলে বালিকা
খুলে পড়ে মুকুতা মালিকা
হরষিত পারাবারে ঊর্মী জাগে
লাজে চাঁদ লুকালো গগন তলে।।
কেন আনো ফুলোডোর
কেন আনো ফুলোডোর
আজি বিদায়ও বেলা
মোছো মোছো আঁখিলোর
যোগী ভাঙ্গিলো মেলা
কেন মেঘেরো স্বপন
আনো মরূরও চোখে
ভুলে দিও না কুসুম
যারে দিয়েছো হেলা
যবে শুকালো কানন
এলে বিঁধুর পাখি
লয়ে কাঁটা ভরা প্রান
একি নিঠুরও খেলা
যদি আকাশ কুসুম
পেলি চকিতে কবি
চলো চলো মুসাফির
ডাকে পারেরও বেলা
আছে বাহুরও বাঁধন
তব শয়ন সাথি
আমি এসেছি একা
আমি চলি একেলা
কেন আনো ফুলোডোর
আজি বিদায়ও বেলা
মোছো মোছো আঁখিলোর
যোগী ভাঙ্গিলো মেলা
খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে
বিরাট শিশু আনমনে।
প্রলয় সৃষ্টি তব পুতুল খেলা
নিরজনে প্রভু নিরজনে।।
শূন্যে মহা আকাশে
তুমি মগ্ন লীলা বিলাসে
ভাঙ্গিছ গড়িছ নীতি ক্ষণে ক্ষণে
নিরজনে প্রভু নিরজনে।।
তারকা রবি শশী খেলনা তব
হে উদাসী
পড়িয়া আছে রাঙা পায়ের কাছে
রাশি রাশি।
নিত্য তুমি হে উদার
সুখে-দুখে অবিকার।
হাসিছ খেলিছ তুমি আপন সনে
নিরজনে প্রভু নিরজনে।।
চাঁদ হেরিছে চাঁদমুখ তার সরসীর আরশিতে
ছোটে তরঙ্গ বাসনা ভঙ্গ সে অঙ্গ পরশিতে।
হেরিছে রজনী রজনী জাগিয়া
চকোর উতলা চাঁদের লাগিয়া
কাঁহা পিউ কাঁহা ডাকিছে পাপিয়া
কুমুদীরে কাঁদাইতে।
না জানি সজনী কত সে রজনী
কেঁদেছে চকোরী পাপিয়া
হেরেছে শশীরে সরসী মুকুরে
ভীরু ছায়া তরু কাঁপিয়া।
কেঁদেছে আকাশে চাঁদের ঘরণী
চিরবিরহিণী রোহিণী ভরণী
অবশ আকাশ বিবশা ধরণী
কাঁদানীয়া চাঁদিনীতে।।
খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে
বিরাট শিশু আনমনে।
প্রলয় সৃষ্টি তব পুতুল খেলা
নিরজনে প্রভু নিরজনে।।
শূন্যে মহা আকাশে
তুমি মগ্ন লীলা বিলাসে
ভাঙ্গিছ গড়িছ নীতি ক্ষণে ক্ষণে
নিরজনে প্রভু নিরজনে।।
তারকা রবি শশী খেলনা তব
হে উদাসী
পড়িয়া আছে রাঙা পায়ের কাছে
রাশি রাশি।
নিত্য তুমি হে উদার
সুখে-দুখে অবিকার।
হাসিছ খেলিছ তুমি আপন সনে
নিরজনে প্রভু নিরজনে।।
খেলিছে জলদেবী সুনীল সাগর জলে
খেলিছে জলদেবী সুনীল সাগর জলে
তরঙ্গ লহর তোলে লীলায়িত কুন্তলে।।
জল ছল ঊর্মী নূপুর শ্রোতনীরে বাজে সুমধুর
জল চঞ্চল ছল কাঁকন কেউর
ঝিনুকের মেখলা কটিতে দোলে।।
আনমনে খেলে চলে বালিকা
খুলে পড়ে মুকুতা মালিকা
হরষিত পারাবারে ঊর্মী জাগে
লাজে চাঁদ লুকালো গগন তলে।।
আমার গানের মালা
আমার গানের মালা
আমি করব কারে দান।
মালার ফুলে জড়িয়ে আছে
করুণ অভিমান।
মালা করব কারে দান।।
চোখে মলিন কাজল রেখা
কন্ঠে কাঁদে কুহু কেকা।
কপোলে যার অশ্রু রেখা
একা যাহার প্রাণ।।
শাঁখায় ছিল কাঁটার বেদন
মালায় শুচির জ্বালা।
কন্ঠে দিতে সাহস না পাই
অভিশাপের মালা।
বিরহে যার প্রেমারতি
আঁধার লোকের অরুণধুতি।
নাম না জানা সেই তপোতী
তার তরে এই গান।।
বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪
মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪
কস্ট কাকে বলে
একটা বিষয় বুঝই না । আচ্ছা কষ্ট কি ভাবে প্রকাশ হয়? এটা কি আদেও প্রকাশ করার কোন বিষয়?
যন্ত্রণা , হতাশা এই নেগেটিভ বিষয় গুলী প্রকাশ করার জন্য কোন বিশেষ আইকন চেহারাতে লাগাতে পারলে ভাল হতো।
নিজের বুকের ভেতর যখন বের্থতার কানাগলি উপচানো দুর্গন্ধ , হতাশার টানেলের শেষ আলোও মনে হয় সুদূর !!!!
তখনও কি আমার ভেতরের কিছুই আমার আচারন প্রকাশ করে না ??
ক্যান তখন সক্কলের মনে হয় কিছুই যেন ছুয়ে যাচ্ছে না আমায় ???
যন্ত্রণা , হতাশা এই নেগেটিভ বিষয় গুলী প্রকাশ করার জন্য কোন বিশেষ আইকন চেহারাতে লাগাতে পারলে ভাল হতো।
নিজের বুকের ভেতর যখন বের্থতার কানাগলি উপচানো দুর্গন্ধ , হতাশার টানেলের শেষ আলোও মনে হয় সুদূর !!!!
তখনও কি আমার ভেতরের কিছুই আমার আচারন প্রকাশ করে না ??
ক্যান তখন সক্কলের মনে হয় কিছুই যেন ছুয়ে যাচ্ছে না আমায় ???
নজরুলের কবিতা মোসাহেব
সাহেব কহেন, “চমৎকার! সে চমৎকার!”
মোসাহেব বলে, “চমৎকার সে হতেই হবে যে!
হুজুরের মতে অমত কার?”
সাহেব কহেন, “কী চমৎকার,
বলতেই দাও, আহা হা!”
মোসাহেব বলে, “হুজুরের কথা শুনেই বুঝেছি,
বাহাহা বাহাহা বাহাহা!”
সাহেব কহেন, “কথাটা কি জান? সেদিন -”
মোসাহেব বলে, “জানি না আবার?
ঐ যে, কি বলে, যেদিন -”
সাহেব কহেন, “সেদিন বিকেলে
বৃষ্টিটা ছিল স্বল্প।”
মোসাহেব বলে, “আহা হা, শুনেছ?
কিবা অপরুপ গল্প!”
সাহেব কহেন, “আরে ম’লো! আগে
বলতেই দাও গোড়াটা!”
মোসাহেব বলে, “আহা-হা গোড়াটা! হুজুরের গোড়া!
এই, চুপ, চুপ ছোঁড়াটা!”
সাহেব কহেন, “কি বলছিলাম,
গোলমালে গেল গুলায়ে!”
মোসাহেব বলে, “হুজুরের মাথা! গুলাতেই হবে।
দিব কি হস্ত বুলায়ে?”
সাহেব কহেন, “শোনো না! সেদিন
সূর্য্য উঠেছে সকালে!”
মোসাহেব বলে, “সকালে সূর্য্য? আমরা কিন্তু
দেখি না কাঁদিলে কোঁকালে!”
সাহেব কহেন, “ভাবিলাম, যাই,
আসি খানিকটা বেড়ায়ে,”
মোসাহেব বলে, “অমন সকাল! যাবে কোথা বাবা,
হুজুরের চোখ এড়ায়ে!”
সাহেব কহেন, “হ’ল না বেড়ানো,
ঘরেই রহিনু বসিয়া!”
মোসাহেব বলে, “আগেই বলেছি! হুজুর কি চাষা,
বেড়াবেন হাল চষিয়া?”
সাহেব কহেন, “বসিয়া বসিয়া
পড়েছি কখন ঝিমায়ে!”
মোসাহেব বলে, “এই চুপ সব! হুজুর ঝিমান!
পাখা কর, ডাক নিমাইএ”
সাহেব কহেন, “ঝিমাইনি, কই
এই ত জেগেই রয়েছি!”
মোসাহেব বলে, “হুজুর জেগেই রয়েছেন, তা
আগেই সবারে কয়েছি!”
সাহেব কহেন, “জাগিয়া দেখিনু, জুটিয়াছে যত
হনুমান আর অপদেব!”
“হুজুরের চোখ, যাবে কোথা বাবা?”
প্রণামিয়া কয় মোসাহেব।।
মোসাহেব বলে, “চমৎকার সে হতেই হবে যে!
হুজুরের মতে অমত কার?”
সাহেব কহেন, “কী চমৎকার,
বলতেই দাও, আহা হা!”
মোসাহেব বলে, “হুজুরের কথা শুনেই বুঝেছি,
বাহাহা বাহাহা বাহাহা!”
সাহেব কহেন, “কথাটা কি জান? সেদিন -”
মোসাহেব বলে, “জানি না আবার?
ঐ যে, কি বলে, যেদিন -”
সাহেব কহেন, “সেদিন বিকেলে
বৃষ্টিটা ছিল স্বল্প।”
মোসাহেব বলে, “আহা হা, শুনেছ?
কিবা অপরুপ গল্প!”
সাহেব কহেন, “আরে ম’লো! আগে
বলতেই দাও গোড়াটা!”
মোসাহেব বলে, “আহা-হা গোড়াটা! হুজুরের গোড়া!
এই, চুপ, চুপ ছোঁড়াটা!”
সাহেব কহেন, “কি বলছিলাম,
গোলমালে গেল গুলায়ে!”
মোসাহেব বলে, “হুজুরের মাথা! গুলাতেই হবে।
দিব কি হস্ত বুলায়ে?”
সাহেব কহেন, “শোনো না! সেদিন
সূর্য্য উঠেছে সকালে!”
মোসাহেব বলে, “সকালে সূর্য্য? আমরা কিন্তু
দেখি না কাঁদিলে কোঁকালে!”
সাহেব কহেন, “ভাবিলাম, যাই,
আসি খানিকটা বেড়ায়ে,”
মোসাহেব বলে, “অমন সকাল! যাবে কোথা বাবা,
হুজুরের চোখ এড়ায়ে!”
সাহেব কহেন, “হ’ল না বেড়ানো,
ঘরেই রহিনু বসিয়া!”
মোসাহেব বলে, “আগেই বলেছি! হুজুর কি চাষা,
বেড়াবেন হাল চষিয়া?”
সাহেব কহেন, “বসিয়া বসিয়া
পড়েছি কখন ঝিমায়ে!”
মোসাহেব বলে, “এই চুপ সব! হুজুর ঝিমান!
পাখা কর, ডাক নিমাইএ”
সাহেব কহেন, “ঝিমাইনি, কই
এই ত জেগেই রয়েছি!”
মোসাহেব বলে, “হুজুর জেগেই রয়েছেন, তা
আগেই সবারে কয়েছি!”
সাহেব কহেন, “জাগিয়া দেখিনু, জুটিয়াছে যত
হনুমান আর অপদেব!”
“হুজুরের চোখ, যাবে কোথা বাবা?”
প্রণামিয়া কয় মোসাহেব।।
সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪
Main stream yellow journal
ট্রুপার্স রা জানেন আমরা মেইন স্ট্রীম মিডিয়াতে কতো দুর্বল । এক্ষেত্রে আমাদেরও দোষ আছে । ৯২ সালে প্রেস ক্লাবে আমরা কি করেছিলাম মনে আছে কারো ? সেই কুকর্মের জন্য আমরা কি কাউকে শাস্তি দিয়েছিলাম ?
যায় হোক হয় আমাদের মিডিয়াকে সাধারণ মানুষদের খাওয়াতে হবে ;অথবা নিরপেক্ষ মিডিয়া কে প্রমোট করতে হবে ।
Honestly আমি মনে করি নিজেদের মিডীয়া কে পাব্লিকলি প্রমোট করার ন্যূনতম যোগ্যতা আমাদের নায় ।
সে ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ মিডিয়া গুলিই আমাদের ভরসা । কিন্তু তারপরেও প্রচলিত মিডিয়া আমাদের প্রতিপক্ষ হয়েই থাকছে । এই ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে দলের সিনিয়র নেতাদের ; তারা মেরামত করবে মিডিয়ার যুদ্ধ কে । কিন্তু প্রশ্ন কিভাবে ?
ছলে , বলে , কৌশলে এই কাজ করতেই হবে ।
সাংবাদিক মহলে আনেক সঠিক লোক আছেন আমাদের পক্ষে কিন্তু সম্পাদকিয় পর্যায়ে কিচ্ছু নায় ।
কেন আমাদের মিডীয়া তৈরি হয় নায় সেটা বলতে চায় না , বলতে গেলে রথী-মহারথীদের জাত যাবে ; দলের দুর্নাম আরও বাড়বে।
এখন বলতে চায় ট্রুপার্সরা আপনারা আপনাদের মূল্যবান মতামত দিন যে কিভাবে মেইন স্ট্রীম মিডিয়ায়ে অন্তত কিছুটা নিরপেক্ষ করে তোলা যায় ।
খামাখা গালাগাল করে ফাইদা আসবে না । কৌশল এবং একমাত্র কৌশলই এই ক্ষেত্রে আমাদের সহায়ক শক্তি ।
সো আপনারা বলেন কি ভাবে এই ভয়ঙ্কর BNP বিদ্বেষী মিডীয়া কে আমরা নিরপেক্ষ বা মানুসের পক্ষে আনতে পারি ????
শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪
কস্ট কাকে বলে
একটা বিষয় বুঝই না । আচ্ছা কষ্ট কি ভাবে প্রকাশ হয়? এটা কি আদেও প্রকাশ করার কোন বিষয়?
যন্ত্রণা , হতাশা এই নেগেটিভ বিষয় গুলী প্রকাশ করার জন্য কোন বিশেষ আইকন চেহারাতে লাগাতে পারলে ভাল হতো।
নিজের বুকের ভেতর যখন বের্থতার কানাগলি উপচানো দুর্গন্ধ , হতাশার টানেলের শেষ আলোও মনে হয় সুদূর !!!!
তখনও কি আমার ভেতরের কিছুই আমার আচারন প্রকাশ করে না ??
ক্যান তখন সক্কলের মনে হয় কিছুই যেন ছুয়ে যাচ্ছে না আমায় ???
এডাল্ট পোস্ট
ইহা কোন এডাল্ট পোস্ট নহে তবে প্রাপ্ত বয়স্ক দের জন্য হারাম
শিঘ্রই আসিতেছে সুপার ডুপার বাম্পার হিট
ড্রামা, ট্রেজেডি সাস্পেন্স সেক্স আর ভায়লেন্স এ ভরপুর এই সময়ে সেরা পারিবারিক একসানের সুরসুরি লাগানো ছবি
" দেবদাশ কি শেবা দাস
আপনার যদি Acrobatic seX পজিশন সর্ম্পকে জানা না থাকে তো ; শিখে নিন আমাদের বম্বের ছবি থেকে!!
আপনি আধুনিকতা শেখাতে চান আপনার কচি মেয়েটা কে আর দুস্টু ছেলকে? শেখাতে পাচ্ছেন লজ্জা !!! কুচ পরোয়া নেহি।
হিন্দি ছবি আছে না !!
আপনার সদ্য রিতুমতি কন্যা কি ভাবে সেনেটারী নেপকিন পরতে হয় শিখে যাবে এই ছবি দেখে।
দুস্টু ছেলেটাও জেনে যাবে ১৩ বছর বয়সে একা একা লুকিয়ে Masterbasion করার চেয়ে শীব ঠাকুর কে গংগা জলে ডুবিয়ে আমাই সাস্থের জন্য উপকারি।
১২ বছরের মেয়েটিও আর Econo Ball পেন নিয়ে তার স্পর্স কাতর অংগে খোঁচাখুঁচি করবে না। বরং ডিস্কো থেকে গিয়ে তার মনের মত ঘন্টা বাজাবে।
আর কি চায় বলেন ভাই এই ডিজিটাল জুসের বাংলাদেশে।
ওহ বয়স বারছে, কিচ্ছুই মনে থাকে না।
বোম্বাই মুভি শুরু হবার আগে যখন "জনো গনো মনো অধিকারও" " ভারতো ভাগ্য বিধাতা " নামে জাতীয় সংগীত বাজবে তখন যেন আপনার সন্তানটি স-সম্মানে উঠে দাড়ায়ে যায় ; সে শিক্ষাটি আপনি মা বাবা হিসাবে নিজেই দিবেন। —
১৮+ শাহবাগ
কিঞ্চিত ১৮+......
ব্রেইনওয়াশড শাহবাগি ছাগুগুলোর
কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রমিনেন্ট
তিনটি ফিগার হচ্ছে শাহরিয়ার কবির,
জাফর ইকবাল এবং হুমায়ুন আজাদ। অথচ
এরা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া স্বত্বেও কেউই
কিন্তু যুদ্ধে অংশ নেয়নি। আর এদেরকেই
আমাদের পাঁঠা তরুণ সমাজ
নাকি শাহবাগে গার্ড অব অনার দেয়!!
এদের একজন এখন মুক্তিযুদ্ধের ফিল্টার
বানায়, আরেককজন একবারের
মুক্তিযোদ্ধা আজীবনের মুক্তিযোদ্ধা নয়
বলে কাউকে রাজাকার পর্যন্ত
বানিয়ে দেয়।
গত রাতে আরাফাত তার অপিনিয়ন
দিতে গিয়ে গলাধাক্কা খেল। আর আমার
অপিনিয়ন হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ এখন
শাহবাগী তরুণ সমাজের একটি যৌন উত্তেজক
আইটেম, ছেলেদের জন্য হয়তো ভায়াগ্রা আর
মেয়েদের ডিলডো। কিভাবে??
তাহলে বীর মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন আজাদের
গল্পটাই শুনি,
"উনি এডিনবরাতে পিএইচডি করার সময়
হোস্টেলের এক
পাকিস্তানী একটা ফরাসী মেয়েকে নিয়ে এসেছে সেক্স
করবে বলে। কিন্তু তিনিও সেই মেয়ের
রূপে পটে গেলেন। বিভিন্ন ফরাসী কবিদের
কথা বলে সেই
মেয়েটিকে একপর্যায়ে পটিয়েও ফেললেন।
অতঃপর পাকির হাত
থেকে মেয়েটিকে বাগিয়ে নিয়ে নিজের
কামরায় নিয়ে গেলেন রাত কাটানোর জন্য।
২৪ বছর বয়সে আসল মুক্তিযুদ্ধে অংশ
না নেওয়া এই
ব্যক্তি ঘটনাটি বইয়ে লিখেছেন, 'আমার
মুক্তিযুদ্ধ' নামে(লিঙ্ক কমেন্টে)"।
এই গল্প পড়ে যদি কারও মানসপটে বীর
মুক্তিযোদ্ধার বদলে ওই ফরাসী তরুণীর
ছবি ভেসে উঠে আর হাত মেশিনগানের
বদলে মেশিন চালায়, তাহলে কি তাকে কোন
দোষ দেওয়া যাবে!! তরুণ সমাজও এই ধরনের
লেখা পড়ে মুক্তিযুদ্ধটাকে প্লে বয় টাইপের
কিছু ছিল বলে ধারণা করে নেয়। হালের
তরুণীকেও দেখি নিজেকে তারামন
বিবি কল্পনা করে অমি পিয়ালের
বেডে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুক্তিযুদ্ধ
দিয়ে আজ ন্যাংটা সাজু তার গোপনাঙ্গ
ঢেকে রাখে(কেউ না চিনলে বলবেন)।
------------
*অই ফাকিস্থানীদের মুরগী সাপ্লাইয়ার
মুরগী কবির ডিসাইড
করবে না কে মুক্তিযোদ্ধা,
*অই সার্টিফিকেট প্রাপ্ত রাজাকার ও
বনখেকো সাজেদা ডিসাইড
করবে না কে মুক্তিযোদ্ধা,
*অই কলকাতার মেসে বসে মদ গিলা নাসিম,
তোফায়েল রা ডিসাইড
করবে না কে মুক্তিযোদ্ধা
* অই গাঞ্জাখোর ইমরান আর প্রতিবন্ধির
চামচা পেটমোটা আরাফাত ডিসাইড
করবে না কে মুক্তিযোদ্ধা
ডিসাইড করবে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করা বীর
মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল অলি আহমেদ, কাদের
সিদ্দিকী, মেজর আখতারুজ্জামান আর মেজর
জেনারেল ইব্রাহীম এর মত প্রকৃত
মুক্তিযোদ্ধারা। 'কে মুক্তিযোদ্ধা আর
কারা মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি'!
বিদ্রঃ কর্নেল তাহের তাদের খুব প্রিয়
একজন মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু তিনি কি 'জয়
বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' পক্ষের লোক ছিলেন??
তাহলে থিউরি কিভাবে খাটল??
যারে হাত দিয়ে মালা ; দিতে পার নায়
মানেন আর নাই মানেন ভালবাসার অবস্থান মাত্র ৫ বছর। হোক প্রেম বা বিয়ে ; whatever .
তাহলে ক্যামনে যুগের পর যুগ আমরা ভালবাসার মানুষটাকে নিয়ে টিকে আছি এই সংসারে ।
প্রথমের প্রচণ্ড ভালবাসা শেষ হবার পরেই শুরু হয় দায়িত্ব বোধ বা Responsibility . এরপরে থাকে পিছুটান আর সামাজিকতা ।
সাথে থাকে একটা আশ্রয় আর ঠিকানা যেখানে আপনি যতই একলা হোন না ক্যান কেও এক জন আপনার জন্য অপেক্ষাতে থাকবেই ।
আর মুলতো যে বিষয় টা আপনাকে বিদ্রহি করে তোলে না সেটা হল "মাইঙ্কা চিপা" ।।
এবার একটা ভালবাসা হারানোর কাহিনী শুনি :
আমাদের বিদ্রহি কবি কাজি নজরুল ইসলামের প্রেম হয়েছিল নার্গিস বেগমের সাথে । নার্গিস থাকতেন তার মামা'র সাথে ।
বিদ্রহি কবিতাটা লেখার ঠিক ২৩ দিন আগে নজরুলের বিয়ে হয় নার্গিসের সাথে ।
তবে বিয়ের দিন রাতেই নজরুল পায়ে হেটে চলে আসেন কমরেড মুজাফফ এর বাড়িতে ।।
কিন্তু ক্যান????
বিবাহের দস্তখৎ কবি দিয়েছিলেন কোন কিছু না পরেই ।।
বাসর রাতের আগে তিনি যখন তার বিবাহের কাগজ পুনরাই দেখেন সেখানে লেখা ছিল যা তার সারমর্ম এই রকম
" এখন থেকে নজরুলের সকল সাহিত্য কর্ম প্রাকাসিত হতে হবে নার্গিসের মামার প্রেস থেকে "
ব্যস প্রেমিক নজরুল অন্তরে প্রতারিত হবার জ্বালা টের পেলেন । তিনি নার্গিস কে তার সাথে চলে আসতে বললেন । নার্গিস রাজি হল না ।
ব্যথিত , শোকগ্রস্থ নজরুল একাই রওনা দিলেন ___
ভালবাসা কি কোন সর্তের জালে টিকতে পারে ??? আপনিই বলেন নার্গিস ?
যাই হোক এর পরে কবি আর নার্গিসের সাথে কোন যোগাযোগ রাখেন নি ।
বহু কাল পরে HMV [His Master voice] র রিহারসেল রুমে বসে কবি নার্গিসের চিঠি পেলেন ।।
চিঠি পেয়েই তার উত্তরে তখনই কবি একটা গান লিখে দিলেন ।
কোন গান টা জানেন ?
যারে হাত দিয়ে মালা ; দিতে পার নায় , ক্যানো মনে রাখো তারে ? ভুলে যাও মোরে ভুলে যাও একে বারে ..
United states of Bangladesh
আহাম্মক বললে বলতে পারেন, সন্ত্রাসীও ভাবতে পারেন। অতি উতসাহে জংগি উপাধি হয়তো দিয়ে ফেলবে হাম্বারা এবং ফিল্টারিং করা বুদ্ধিজিবীগন।
পরোয়া করি না।
জন্ম থেকেই পুরছে আর পুরাচ্ছি।
ঠিক ড়তালের ফুয়েল বক্স এর মত।
জন্ম থেকেই দৌর এবং দৌরাত্ম্য।
Born to burn & born to run.
হারাবার কি কিছু আছে এই রেল লাইনের বস্তি ধরে দৌরাতে থাকা বাংলাদেশের??
তাই আমি স্বপ্ন দেখি USB র।
United States of Bangladesh.
আসাম, ত্রিপুরা, পশ্চিম বংগ কে অংগ রাজ্য করে ঢাকা কে রাজধানী রেখে বাংলাদেশ।
এক মহান বাংলাদেশ।
ডেমোক্রেটিক বাংলাদেশ।
ধনী না হলেও সুখি বাংলাদেশ।
যারা সিমান্তের কেও "ফেলানি" হবে না।।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)


