আমাদের পুলিশ BGB দের অবস্থা মন দিয়ে লক্ষ্য করুন । তারা যেন এই আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের মধ্যেও হতাশ, ক্লান্ত।
তারা যখন check post এ তল্লাশির নামে হয়রানী করে তখন কোথায় যেন এক অপরাধবোধ কাজ করছে তাঁদের ভিতরে। হয়ত চাকরি হারাবার ভয়ে বা কঠিন Chain of command এর ছত্র ছায়াতে তাঁদের প্রাথিব দেহ আটকা পরে আছে কিন্তু তাঁদের মন বলছে অন্য কথা।
নিজের বিবেকের কাছে প্রতিনিয়ত প্রতারিত
হতে হতে বিদ্ধস্ত হয়ে পরছে তারা ।
তারা জানে এই মানুষ যাদের তারা
নির্যাতন করতে বাধ্য হচ্ছে তারাই তাঁদের আসল শক্তি, আসল শেকড়।
এই মানুষের মাঝেই এইদিন ফিরে যাবে তাঁর।যখন তাঁদের শরীরে আর বল থাকবে না তখন তথাকথিত সরকার বা সিস্টেমের চোখে তারই বোঝা হয়ে যাবে।পেনসনের ফাইল লাল ফিতাতে বন্দী হবে।
আজ যে
পুলিশ গুলী করে মানুষ কে রক্তারত করছে , যে BGB জনপদের পর জনপদকে আতঙ্কিত
করে মানুষের অভিশাপ কুরাচ্ছে ; সেই মানুষের কাছেই তাঁকে আবার সাহায্যের
জন্য আসতে হবে যখন বিপ্লবের প্রবল স্রোতে আবর্জনার মত করেই ভেসে যেতে হবে এই সর্বনাশী সৈরাচার সিস্টেম নেতা কে।
মানুস, মানুষ এবং একমাত্র এই জনমানুষই সবার নিরাপদ আশ্রয়।
বিধাতার কাছে যাবার আগে তো মানুষই শেষ ভরসা !!!
মনে পরে ? ইরাক যুদ্ধের পরে আমেরিকান সৈনিকরা এক ধরনের চরম মানসিক
ভারসম্ম হীনতায় ভুগছিল।
অনেক খাটা খাটনির পরেও মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞরা এর
কোন সমাধান দিতে পারে নায় ; তবে ঐ আসুখের একটা জুতসয় নাম দিয়েছিল "GOLF WAR
Syndrome" ছিল সেই মানবিক যন্ত্রণা যুক্ত রোগের নাম ।
Basically
উপরের আদেশে এবং যুদ্ধের আবেগে তারা সাধারণ ইরাকি মানুষের উপর যে প্রচণ্ড
অনৈতিক ও সীমাহীন অত্যাচার করেছে এবং একটি সুখী সুন্দর দেশ কে যে নোংরা
মিথ্যা ওজুহাতে মরুভূমির ধুলাতে মিশিয়ে দিয়েছে ; সেই ভয়ংকর অপরাধবোধ থেকেই
এই চির জীবনের অশান্তি বয়ে বেরানোর রোগ তাঁদের পেয়ে বসেছিলো।
আমেরিকার কোন প্রেসিডেন্ট বা জেনারেল বা CIA এজেন্ট কিন্তু এই অসুখে
আক্রান্ত হয় নায় ।
এই অসুখ তাঁদের মধ্যেকার শুধু মাত্র তাঁদেরই আক্রমণ
করেছে যাদের অন্তরের ভেতরে কিছুটা মানবিক আবেগ ছিল এবং মনুস্ততের প্রতি শ্রদ্ধা
দেখানোর শিক্ষা ছিল ।
আমরা জানি আমাদের বাংলাদেশের মানুষের আবেগের কথা , ভালবাসার কথা , বন্ধনের কথা ।
আমাদের এই অপাত পিসাচ পুলিশ ও BGB এর বন্ধু বা ভায়েরাও এই ভালবাসার
বন্ধনের বাইরের কেও না।
তাদেরও আচলে হাত মোছার মা আছে , বাবা আছে ,
লুকিয়ে থাকা প্রেমিকা আছে , দেরি করে ঘড়ে ফিরলে রাগ করার মত অভিমানী বৌ
আছে ।
নিশ্চয় তারাও মানুষ হবে একদিন।
একদিন না একদিন তারা ফিরে
আসবেই তাঁদের হারিয়ে যাওয়া বিবেক নিয়ে , তাঁদের কঠিন চোখের কোনে দ্যু ফোঁটা
অশ্রু আসবে মানুষের হারানো ভালবাসা ফিরে পাবার আশাতে । ।
বন্ধু বাংলাদেশের সৈনিকেরা আসুন আমরা আমরা
তাঁদের জন্য প্রাথনা করি , আবারও আমাদের মাঝে গ্রহণ করি , তাঁদের সান্তনা
দেই , তাঁদের মনে করিয়ে দেয় তারা আমাদেরই ভাই , তাদের ভেতরের লুকানো
বিবেকের ভালবাসা কে আমরাও ভালবাসব যদি তারাও আমাদের সাথে এসে দেশকে
ভালবেসে গেয়ে ওঠে আমাদের সাথেই আরও একজন খাঁটি " যুগান্তরের যাত্রী" র মত
করে বেসুরো গলাতে " We shall over come some day ; oh o deep in my heart I
do believe ,we shall over come some day "
নতুনা আস্তাবলে নিক্ষিপ্ত হবে একদিন।মানুষের ক্রোধের আগুন থেকে রক্ষা পাবেন না।
বাংলাদেশের জনগন তিলে তিলে শেষ করে দেবে আপনাদের পোষাকধারী পেশাদার খুনি ষান্ডা দের।
অতএব সিধান্ত নিন
Which side are you on boy,s
which side are you on?
আমাদের এই বিপ্লব আলোর মিছিলে ভরে উঠবে তখন ।
বাংলাদের জিন্দাবাদ
বিএনপি জিন্দাবাদ
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন