সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৩

জামাত-ই-ইসলাম কি মানুষ হয়েছে ?


এরশাদের ৮৬ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ অংশ নিয়েছিল ।আর আজ হাসিনাজীর নির্বাচনে এরশাদ অংশ নিতে যাচ্ছে ।
এই এরশাদ হাসিনা যোগাযোগে BNP দলীয় সমর্থক রা হতাশ হবেন না । আন্দালন চালানোর জন্য BNP শুধু যথেষ্টই নয় , আরও বেশী কিছু । আর একটা কথা মনে করিয়ে দিতে চায় । জামাতকে বিশ্বাস করার কারন নায় । জামাত কিন্তু ৯৫এ BNP এর বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগের পদ লহনে বেস্ত ছিল । ২০০৮ এর নির্বাচনে এই জামাত BNP কে পাতানো নির্বাচনে যেতে বাধ্য কবেছিল । আর তাঁর চেয়েও বড় কথা ৮৬ সালের সেই নির্বাচনে এই জামাত-ই-ইসলাম কিন্তু শেখ হাসিনাজীর পদাঙ্ক অনুসরণ করে এরশাদের ইতর মার্কা নির্বাচনেও অংশ নিয়েছিল এবং পুরষ্কার হিসাবে ১০ টি আসন নিয়েছিল ।
ভাল করে লক্ষ করুন , নিরপেক্ষ ও যুক্তিবাদী মগজ দিয়ে বিশ্লেষণ করে দেখেন আওয়ামীলীগ বা জাতিয় পার্টীর চেয়ে তুলনামূলক অনেক বেশী ক্ষতিকর এই জামাত শিবির । এই জামাত শিবির BNP কে শুধুই স্বার্থপরতাঁর জন্যই ব্যাবহার করেছে । তাঁর বন্ধু সেজে BNP এর পিঠে বারবার ছুরিকাঘাত করেছে ।
তাঁদের রাজাকার নেতারা ফাঁসীর দরিতে ঝোলার অপেক্ষাতে আছে । অতএব সাবধান । তারা অমানুষ থেকে মানুষ হয়েছে মনে করলে ভুল করবে BNP .

১৯৮৬ , তারপর ১৯৯৫ এবং শেষ ২০০৮ এ জামাতের ভুমিকার কথা BNP যতই মনে রেখে আন্দালনে নিজের পায়ে দাঁড়াবে ততই লাভবান হবে BNP , BNP ঠিক থাকা মানে রাষ্ট্র বাংলাদেশ ঠিক পথে থাকা ।।

BNP জিন্দাবাদ ।
নিচে wiki থেকে ১৯৮৬ সালের নির্বাচনের ফলাফল যোগ করে দিলাম ।

http://en.wikipedia.org/wiki/Bangladeshi_general_election,_1986

Party Votes % Seats NEW
Jatiya Party 12,079,259 42.3 153 New
Bangladesh Awami League 7,462,157 26.2 76
Jamaat-e-Islami Bangladesh 1,314,057 4.6 10 New
Jatiya Samajtantrik Dai (Rab) 725,303 2.5 4 New
Bangladesh Muslim League 412,765 1.4 4
National Awami Party 369,824 1.3 5
Communist Party of Bangladesh 259,728 0.9 5
Jatiya Samajtantrik Dal (Siraj) 248,705 0.9 3 New
National Awami Party (Muzaffar) 202,520 0.7 2
Bangladesh Krishak Sramik Awami League 191,107 0.7 3 New
Workers Party of Bangladesh 151,828 0.5 3 New
Independents 4,619,025 16.3 32
Invalid/blank votes 377,209 - - -
Total 28,903,859 100 300 0
Source: Nohlen et al.
Bangladeshi general election, 1986 - Wikipedia, the free encyclopedia
en.wikipedia.org
The Third National Parliamentary Elections 1986 (Bengali: তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৮৬) were held in Bangladesh on 7 May 1986. A total of 1,527 candidates contested the election.[1] The result was

ISLAM

ইসলামের কথা যখন খালেদা জিয়া বলেন ; মনে হয় সংখ্যা গুরু মানুষের প্রতিনিধিত্বের কথা , বিশ্বাসী মানুষের ইসলামের কথা।
ইসলামের কথা যখন জাকিরনায়েক বলেন ; মনে হয় বিজ্ঞান যুক্ত ইসলামের কথা

ইসলামের কথা যখন হেফাযতীরা বলেন ; মনে হয় শিক্ষা বঞ্চিত কিন্তু শান্তিকামী ইসলামের কথা।
ইসলামের কথা যখন শেখ হাসীনা বলেন ; মনে হয় ভূতের মুখে রাম নাম ।

ইসলামের কথা যখন এরশাদ বলেন ; মনে হয় ভন্ড পীর সাহেবের কথা ।
ইসলামের কথা যখন জামাতশিবির বলে ; মনে হয় লালসালু উপন্যাসের মাজারের কথা ।

ইসলামের কথা যখন মাওলানা ভাসানী বলেন ; মনে হয় ইসলামী শাসনের পথই আধুনিক ,যুক্তিযুক্ত এবং সময়োপযগী এবং একই সাথে গণতান্ত্রিক , এবং শ্রেণী বৈষম্য মুক্ত।

Yellow journal




পত্রিকার সম্পাদক গন মানুষের কাছ থেকে একটু বেশীই সম্মান পান । যদিয় তাঁদের সংবাদপত্রের সাংবাদিকগন সাংঘাতিক হিসাবেও পরিচিত ।আনেকে বলে থাকে পুলিসের পরেই তাঁদের অবস্থান । আমার তা মনে হয় না ; আমার ধারনা পুলিশের চেয়ে একধাপ উপরে তাঁদের অবস্থান ।
পুলিশরা কিন্তু সাংবাদিক দের পিটানটাকে Enjoy করে। কেন করে জানেন ? করে কারন এই ভাগ-বাটোয়ারর হিসাবে সাংবাদিকরা উড়ে এসে জুড়ে বসেন। এই গোত্র কিন্তু স্য়যং উস্তাদ পুলিশের ঘুসের পয়সাতে ভাগ বসায় । অন্য দিকে আনেক নারী পুলিশ সদস্য রয়েছে যাদের ক্ষেত্রে ঘুসের পয়সাতে ছাড় দেওয়া হয় ; বিছানাতে রাত কাটানোর বিনিময়ে ।

এদেশে শফিক রেহমানের মত সম্পাদকেরা End of d day পত্রিকাকে আর carry করতে পারে না ,মাহফুজ আনামের মত তুখড়েরা আপসনামাতে দস্তখত দিয়ে বীচি কেটে ফেলে , মাহামুদুর রহমানের মত Professonal রা আদালতের মান বাঁচাতে নিষিদ্ধ নোটিশ পান আর জনকণ্ঠ , ইত্তেফাকেরা জাতির ফাঁক খুজে ড্রিল মেসিন চালিয়ে দেন ।

এই দেশের সম্পাদকরা তাঁদের সাংবাদিকদের কোন মূল্যায়ন করে না । সাংবাদ পত্রের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে সবচাইতে বড় বাঁধা এই স্মপাদকগন ।, যারা সম্পাদকীয় ও সংবাদের পারথক্ক বোঝে না ।

তো Yellow journalism ছাড়া এই অমেরুদণ্ডী উভচর প্রাণীদের আর কিই বা করার আছে ?

When will they ever learn

আমাদের পুলিশ BGB দের অবস্থা মন দিয়ে লক্ষ্য করুন । তারা যেন এই আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের মধ্যেও হতাশ,  ক্লান্ত।

তারা যখন check post এ তল্লাশির নামে হয়রানী করে তখন কোথায় যেন এক অপরাধবোধ কাজ করছে তাঁদের ভিতরে। হয়ত চাকরি হারাবার ভয়ে বা কঠিন Chain of command এর ছত্র ছায়াতে তাঁদের প্রাথিব দেহ আটকা পরে আছে কিন্তু তাঁদের মন বলছে অন্য কথা।
নিজের বিবেকের কাছে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হতে হতে বিদ্ধস্ত হয়ে পরছে তারা ।

তারা জানে এই মানুষ যাদের তারা নির্যাতন করতে বাধ্য হচ্ছে তারাই তাঁদের আসল শক্তি, আসল শেকড়। 
এই মানুষের মাঝেই এইদিন ফিরে যাবে তাঁর।যখন তাঁদের শরীরে আর বল থাকবে না তখন তথাকথিত সরকার বা সিস্টেমের চোখে তারই বোঝা হয়ে যাবে।পেনসনের ফাইল লাল ফিতাতে বন্দী হবে।


আজ যে পুলিশ গুলী করে মানুষ কে রক্তারত করছে , যে BGB জনপদের পর জনপদকে আতঙ্কিত করে মানুষের অভিশাপ কুরাচ্ছে ; সেই মানুষের কাছেই তাঁকে আবার সাহায্যের জন্য আসতে হবে যখন বিপ্লবের প্রবল স্রোতে আবর্জনার মত করেই ভেসে যেতে হবে এই সর্বনাশী সৈরাচার সিস্টেম নেতা কে।


মানুস, মানুষ এবং একমাত্র এই জনমানুষই সবার নিরাপদ আশ্রয়।
 বিধাতার কাছে যাবার আগে তো মানুষই শেষ ভরসা !!!

মনে পরে ? ইরাক যুদ্ধের পরে আমেরিকান সৈনিকরা এক ধরনের চরম মানসিক ভারসম্ম হীনতায় ভুগছিল। 
অনেক খাটা খাটনির পরেও মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞরা এর কোন সমাধান দিতে পারে নায় ; তবে ঐ আসুখের একটা জুতসয় নাম দিয়েছিল "GOLF WAR Syndrome" ছিল সেই মানবিক যন্ত্রণা যুক্ত রোগের নাম ।

Basically উপরের আদেশে এবং যুদ্ধের আবেগে তারা সাধারণ ইরাকি মানুষের উপর যে প্রচণ্ড অনৈতিক ও সীমাহীন অত্যাচার করেছে এবং একটি সুখী সুন্দর দেশ কে যে নোংরা মিথ্যা ওজুহাতে মরুভূমির ধুলাতে মিশিয়ে দিয়েছে ; সেই ভয়ংকর অপরাধবোধ থেকেই এই চির জীবনের অশান্তি বয়ে বেরানোর রোগ তাঁদের পেয়ে বসেছিলো।


আমেরিকার কোন প্রেসিডেন্ট বা জেনারেল বা CIA এজেন্ট কিন্তু এই অসুখে আক্রান্ত হয় নায় । 
এই অসুখ তাঁদের মধ্যেকার শুধু মাত্র তাঁদেরই আক্রমণ করেছে যাদের অন্তরের ভেতরে কিছুটা মানবিক আবেগ ছিল এবং মনুস্ততের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর শিক্ষা ছিল ।

আমরা জানি আমাদের বাংলাদেশের মানুষের আবেগের কথা , ভালবাসার কথা , বন্ধনের কথা ।

আমাদের এই অপাত পিসাচ পুলিশ ও BGB এর বন্ধু বা ভায়েরাও এই ভালবাসার বন্ধনের বাইরের কেও না।
তাদেরও আচলে হাত মোছার মা আছে , বাবা আছে , লুকিয়ে থাকা প্রেমিকা আছে , দেরি করে ঘড়ে ফিরলে রাগ করার মত অভিমানী বৌ আছে ।

নিশ্চয় তারাও মানুষ হবে একদিন।
একদিন না একদিন তারা ফিরে আসবেই তাঁদের হারিয়ে যাওয়া বিবেক নিয়ে , তাঁদের কঠিন চোখের কোনে দ্যু ফোঁটা অশ্রু আসবে মানুষের হারানো ভালবাসা ফিরে পাবার আশাতে । ।

বন্ধু বাংলাদেশের সৈনিকেরা আসুন আমরা আমরা তাঁদের জন্য প্রাথনা করি , আবারও আমাদের মাঝে গ্রহণ করি , তাঁদের সান্তনা দেই , তাঁদের মনে করিয়ে দেয় তারা আমাদেরই ভাই , তাদের ভেতরের লুকানো বিবেকের ভালবাসা কে আমরাও ভালবাসব যদি তারাও আমাদের সাথে এসে দেশকে ভালবেসে গেয়ে ওঠে আমাদের সাথেই আরও একজন খাঁটি " যুগান্তরের যাত্রী" র মত করে বেসুরো গলাতে " We shall over come some day ; oh o deep in my heart I do believe ,we shall over come some day " 
নতুনা আস্তাবলে নিক্ষিপ্ত হবে একদিন।মানুষের ক্রোধের আগুন থেকে রক্ষা পাবেন না।
বাংলাদেশের জনগন তিলে তিলে শেষ করে দেবে আপনাদের পোষাকধারী পেশাদার খুনি ষান্ডা দের। 

অতএব সিধান্ত নিন
Which side are you on boy,s
which side are you on? 

আমাদের এই বিপ্লব আলোর মিছিলে ভরে উঠবে তখন ।

বাংলাদের জিন্দাবাদ
বিএনপি  জিন্দাবাদ

কোলকাতা পঙ্গু হাঁসপাতাল

কোলকাতা পঙ্গু হাসপাতালে জরুরী ভিত্তিতে একটি নতুন ৩০০ বেডের অত্যাধুনিক ইউনিট খোলা হয়েছে শুধু মাত্র বাংলাদেশী দের জন্য ।
সূত্র জানায় গণপিটুনিতে লুলা হয়ে যাওয়া বিশেষ গোত্রের বাংলাদেশী লোকদের জরুরী সেবা ও কাউন্সিলিং দেওয়াই ঐ হাসপাতালের উদ্দেশ্য । ।

মহিউদ্দিন খান আলমগির , মতিয়া চৌধুরী , টুকু , হাসানুল হক ইনু , কামরুল ইসলাম , মোজাম্মেল বাবু , শাহারিয়ার কবির , ইমরান ,সাহারা খাতুন ,শামিম ওসমান প্রমুখ শ্রীঘই বিশেষ পরিস্থিতিতে এই হাসপাতালের সেবা পাবার আশা বেক্ত করেছেন ।।
স্টাফ রিপরটার
সোনাগাছি
কলকাতা