১৯ মার্চ, ২০১৬
অর্থমন্ত্রী,
প্রথম আলোকে বলেন
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জড়িত। লিংক
১৮ মার্চ,
দৈনিক জনকন্ঠতে প্রকাশিত সংবাদে, অর্থমন্ত্রী, তার নিজের দেওয়া বক্তব্যকে অগ্রহণ যোগ্য বলে, বেফাঁস সত্য ধামা চাপা দেবার চেষ্টা করেন।
জনকন্ঠের ভাষ্যমতে
‘তার যে বক্তব্য প্রথম আলোতে প্রকাশিত হয়েছে, সেই বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য। প্রথম আলোর প্রতিবেদকের সঙ্গে সাক্ষাতকারের বাইরেও নানা বিষয়ে কথা হয়েছে, যা পত্রিকাটি ছাপিয়ে দিয়েছে’।
শর্ট লিংক দেখুন:
https://is.gd/v1z9Hk
আজ ১০ মে ২০১৬
প্রখ্যাত The Wall Street Journal
লিখেছে FBI তাদের তদন্তে জনগনের গচ্ছিত টাকা চুরির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের দিকেই সন্দেহের আঙুল তুলছে।
লিংক দেখুন:
http://www.wsj.com/articles/fbi-suspects-insider-involvement-in-81-million-bangladesh-bank-heist-1462861549
আশ্চর্য জনক ভাবে অর্থমন্ত্রীর দেওয়া প্রথম বক্তব্য এবং FBI ইনকোয়ারি’র টার্গেট এক এবং অভিন্ন। সেই সাথে বাংলাদেশে পাব্লিক পারসেপসনের পক্ষে মতামত মিলে যাচ্ছে উভয়ের জন্য।
প্রশ্ন হচ্ছে কেন কি কারনে অর্থমন্ত্রী তার নিজের দেওয়া যুক্তিসংগত ইন্টার্ভিউকে মাত্র ১ দিনের ব্যাবধানে অগ্রহণ যোগ্য বললেন।
এ কাজে তার উপর কোন চাপ ছিলা না, এমন কথা অবশ্য অর্থমন্ত্রী বলেন নি।
উল্লেখ যোগ্য যে কথা টি অর্থমন্ত্রী তার ২য় দফাতে কারেকসনে বলেছেন তা হচ্ছে :
কোট
- ‘প্রথম আলোর প্রতিবেদকের সঙ্গে সাক্ষাতকারের বাইরেও নানা বিষয়ে কথা হয়েছে, যা পত্রিকাটি ছাপিয়ে দিয়েছে’-- জনকন্ঠ
অর্থাৎ অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তাদের দোষারপে তার বক্তব্যটিকে ভূল বা মিথ্য বলেন নি। বরং তিনি প্রকারান্তরে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে মূল ইন্টার্ভিউ এর বাইরে তিনি তার অনঅফিসিয়াল আলাপচারীতাতে যা বলেছিলেন তা প্রথম আলো হাটে হাড়ি ভাঙার মত প্রকাশ করে দিয়েছে।
মিথ্যার হাইব্রিড উৎপাদনের যুগে অর্থমন্ত্রী বক্তব্যকে, সত্য প্রকাশের কৌশলী পদ্ধতি বলেই ধরে নিচ্ছি।
Big hands for অর্থমন্ত্রী।