ইদানিং শ্রম বাজারের হালহকিকত নিয়ে অনেক কথাবার্তা শোনা যাচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে এই শ্রমবাজারের বন্ধ দরজা প্রথম উন্মুক্ত করে ছিল যে তিনি নিশ্চয় ছিলেন একজন অসাধারণ প্রজ্ঞাবান ব্যাক্তি। তার নাম না হয় নাই নিলাম।
যায় হোক প্রথম চালু হওয়া শ্রম বাজারে মূলত শ্রমিক হিসাবে কাজ করবার জন্য যেতো বাংলাদেশ থেকে। ধীরে ধীরে তা উন্নিত হয় Office boy, মালী ইত্যাদি তে।
লক্ষটা পরিস্কার ছিল।
কায়িক শ্রমের শ্রম বাজারের সাথে সাথে আমরা মেধা ভিত্তিক শ্রম বাজারে ঢুকবো।
আমার জানামতে প্রথম যাত্রা,র পরপরেই বেশ উল্লেখযোগ্য সং্খ্যা তে ডাক্তার, ডিপ্লোমা এবং ওর্ডিনারি মার্কেটিং এর জন্য প্রচুর বাংলাদেশি নিয়োজিত হয় মিডল ইস্টে।
ইউরোপ আমেরিকা ঘুরে ; মালোয়েসিয়া আমাদের উল্লেখ যোগ্য শ্রম মার্কেটে পরিনত হয়।
যেই মালয়েসিয়া অনেক দিন আমাদের কাতারের অর্থনৈতিক অঞ্চল ছিল।
মূলত মধ্যপ্রাচ্য তে আমাদের শ্রম মার্কেট যখন সংকুচিত হতে শুরু করে তখন থেকেই এশিয়ার অন্য প্রান্তরে কর্মস্থল খোজা শুরু করে বাংলাদেশের সরকার গুলী।
এক পর্যায়ে লূলায়িত প্রেম বিক্রয়ের দেশ থায়ল্যান্ডেও আমাদের শ্রমিকদের পায়ের ছাপ পরে।
ইভেন দক্ষিণ এশিয়ার মালদ্বীপ কেও আমরা আমাদের সোর্স থেকে বাদ দেই নায়।
ইদানিং ল্যাটিন আমেরিকা অঞ্চলেও বীর বাংগালীর পায়ের ছাপ পরছে এখন।
বাংগালীদের কাছে ল্যাটিন অঞ্চলের সবচে জনপ্রিয় দেশ ব্রাজিলের কোন দুতাবাস নেই দেশে।
আধুনালুপ্ত কনকোর্ড আর অত্যাধুনিক বোইং এর যুগেও পথের মারপ্যাঁচে ব্রাজিল পৌঁছাতে লেগে যায় তিন (৩) - থেকে চার(৪)দিন।
মোটামোটি সারা পৃথিবী তে চষে বেড়ানো হলেও পরবর্তিতে ভ্যালু এডেড সার্ভিসের দিকে যথার্ত মনোযোগী হয় নায় আর কেও।
আমাদের মনযোগ মূলত জুতার দিকেই থাকে।
Up side down এ জুরি মেলা ভাড় আমাদের।
আমরা এখন নেমে এসেছি মেইড সার্ভিসে।
যেখানেই আমাদের রাজ সিংহাসনধারীরা রাজ হস্তীবাহিনী নিয়ে ব্রজে যাচ্ছে সেখানেই সাদা হাতির দেখা, অশ্বডিম্বের প্রসব।
সিংগাপুরের সাথে বাংলাদেশ সহ ইন্দোনেসিয়া, ভিয়েতনাম, ইন্ডিয়া,র যে চুক্তি আছে তাতে একজন গৃহকর্মি,র বেতন নূন্যতম ৪০,০০০ টাকা, সাথে থাকা খাওয়া।
যাত্রা,র আগেই বুঝিয়ে দেওয়া হয় কাজের নমুনা, ছবি তুলে পাঠিয়ে দেওয়া হয় তার ঘড়ের, সেই বাড়ির, কি কি কাজ থাকবে তার লিস্ট, বাড়িতে মেম্বার্স ক,জন তার বিস্তারিত।
সিংগাপুরের প্রতিটি সরকারি ছুটি তারা উপভোগ করতে পারে চাইলেই। না করলে ওভার টাইম।
যাবার বিমানের ভাড়া টা তারাই দিয়ে দেই যদিও প্রতি মাসের বেতন থেকে কেটে রাখা হয়।
শ্রম রফতানি কারি দেশে তাদের সিংগাপুরি ট্রেইনারের অধিনে ট্রেনিং দেওয়া হয় ; ওদের লাইফ স্টাইল শেখানো হয়।
রিসেন্টলি কূমমুন্ডুক সরকার সৌদি সরকারের সাথে মেইড সার্ভেন্ট পাঠাবার চুক্তি করলো।
যারের বেতন ১৬,০০০ টাকা অর্থাৎ সিংগাপুরের সাথে বাংলাদেশের বর্তমান চুক্তির চেয়ে ২৪,০০০ টাকা কম।
কি কাজ তার কোন নির্দেশনা নায়, কোন সৌদি নারী,র নিয়ন্ত্রনে কোন ট্রেনিং নায়।
সে বাসাতে যাচ্ছে সেই বাসার সদস্য সং্খ্যা তো দুরের কথা গৃহ মালিকের স্ত্রী কয়টা তাও জানতে পারবে না হতভাগা বাংগালী নারী।
সিংগাপুরে যেখানে একজন মেইড সেখানকার লোকাল আইন দ্বারা সুরক্ষিত ঠিক তার বিপরিতে সৌদিতে কোন বিদেশী নারী সৌদি লোকাল আইনের আওতাতে অরক্ষিত।
দুসচরিত্র সৌদী পুরুষেরা সেক্সুয়াল কোর্সের সময় সবচে ভয়ংকরী। অর্থাৎ যৌন সংসর্গের সময় তারা কাউন্টার পার্টকে শাররিক ভাবে ব্যাথা দিয়ে উত্তেজিত বোধ করেন।
স্ত্রী লিংগ যত নির্যাতিত বোধ করবে ;আরব পুরুষ ততটাই পুলকবোধ করবে।
আর আল্লাহ্র দুনিয়ারে এই সৌদি আরবের পুরুষেরাই সবচে লালায়িত থাকে পশ্চাৎ বিহারের জন্য।
এর সত্যতা বিভিন্ন সার্ভেতে যেমন পাবেন তেমনি জানতে পারবেন পৃথিবী,র বিখ্যাত সব টুরিস্ট এট্রাকসন অঞ্চলের Girl power ব্যাবসার প্রোডাক্টদের সাথে কথা বললে।
যারা আমাদের বোনদের হাতে সাদা ছড়ি ধরিয়ে দিয়ে শেখদের ভগবান ভোগে পাঠানোর ব্যাবস্থাপত্র দিচ্ছেন তাদের কে কি নামে ডাকবো?
সর্দারনী, মক্ষিরানী নাকি থাইল্যান্ডের মত মামা-মাসী!