শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০১৪

অসমাপ্ত মুক্তিযুদ্ধ

আমাদের মুক্তি যুদ্ধ শেষ হয়নি আজো।
আপেক্ষাতে আছি পাক-ভারতের যৌথ মিত্রপক্ষ বাংলাদেশের মুক্তি ফৌজের সামনে অবনত মস্তকে হাটু গেড়ে অস্ত্র সমর্পণের প্রতিকী অর্থে আত্ম সমর্পণ করবে।
মানিক মিয়া এভিনিউ হয়ে যাবে ইতিহাসের সাক্ষী। জাতিয় সংসদ ভাবন উকি দিয়ে অত্মসমর্পণের দদীল দেখে গর্বিত রণ সংগীত গায়তে চাইবে।।
আজ ৪২ টা বছেরের যুদ্ধবিরতি শেসের আকাংখা। আবার যুদ্ধ শুরু হোক : শুরু হোক ভালবাসা।
রকেটলঞ্চার আর ডিনামাইটের রোমান্স আমার বাংলাদেশের মানুসের দেহে মাতাল সরাবের পাগলা ঢেউ তুলে সৃজন ছন্দে বাউলা বাতাসের শীবরণ তুলে যাবে এই মুক্তি যুদ্ধে।
I just watched their check post is already destroyed.
Don't you listen the wind of change.?

এরসাদ



চ ম ক
ন তুন মেসিনের উপরে পুরাতনী মেসিনের কল-কব্জা যদি সম্পুরক ভাবে বরাবর বসিয়ে দেওয়া হয় তবে পুরানো Liver অকেজো মেসিনও প্রবল বিক্রমে দন্ডায়মান হয়ে Mike Tison এর মত, ভারতিয় পুরুসের মত মাদুরাম দোলাতে শেখে।
সুত্র : এরসাদের দন্ড হাসিনা মাফ করেছে কিন্তু অস্টাদশী তরুনী সাথী সেই দন্দ কে আবারও দন্ডায়মান করে ছেরেছে।

আওয়ামী গল্প ১




আমার জেলা চুয়াডাংগা তে আওয়ামীলীগ তাদের নিজেদের ২গ্রুপের সংঘর্সএ BNP এর তিনটি অফিস আগুনে পুড়িয়েছে।
খন্দকার আব্দুর জাব্বার সোনা ভায়ের অফিস /
কামরুজ্জামান আজাদের অফিস এবং চির হিজরা শামসুজ্জামান দুদু ভায়ের অফিস। 
তবে জেলা প্রেসক্লাব সংলগ্ন কদম তলার সাবেক ছাত্রদল নেতাদের সবচে গুরুত্তপুর্ন ঘাটি তে কোন আঘাত আনার দুসসাহস দেখাতে পারেনি। আমাদের ছেলেদের পুর্ন প্রস্তুটি ছিল কমান্ডো হামলা দিয়ে প্রতি উত্তর দেবার।
তবে ত্রিধারা তে বিভক্ত মুল দল আমাদের সহায়তা পায়নি; আমরা তাদের স্পস্ট জানিয়ে দিয়েছি একতাবদ্ধ না হলে আমরা সহযোগিতা কর‍তে যাব না।
At least আওয়ামীলীগের কাছে ধোলাই খেয়ে যদি আমাদের দল একতাবদ্ধ হয়... এরাই আসা।

Test cricket



সেই ভাল ক্রিকেট টেস্ট বাদ দিয়ে দাদারা আমাদের নার্ভ টেস্ট করুক।

"Marry me Afridi" ফেস্টুন দেখেন যারা আমাদের তরুনী দের মুন্ডুপাত করতে করতে নাকে আংগুলী চালাতো তাদের যারা আজকে বিড়ালের মিউ মিউ ডাক দিতেও কুন্ঠা বা উতকন্ঠা বোধ করছেন চলুন তাদের রাজ হাসের সিদ্ধ ডিম উপহার দেই।। 

বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৪

আওয়ামীলীগ গল্প ২

আওয়ামীলীগ মুখে যা ই বলুক না ক্যান ; জামাতের হারিয়ে যাওয়া তাঁরা বসে বসে দেখবে না । কারণ জামাত আওয়ামীলীগের বন্ধু ; শত্রু নয়। BNP আওয়ামীলীগের শত্রু। দেসদ্রহি জামাতের হারিয়ে যাওয়া BNP এর জন্য লাভজনক ।.
আওয়ামীলীগ নিজেদের গোপন ও হীন বিসাক্ত স্বার্থেই জামাত ই ইসলাম কে টিকিয়ে রাখবে । যার নমুনা গোলাম এর রজ্জু রহিতকরনের মাধ্যমে আমরা দেখতে পাই।.

দেখা হবে বিজয়ে

২৫ মার্চ কালো রাতের কথা মনে আছে ? হানাদারদের বীভৎস আক্রমণ। আওয়ামী লীগ এই ২৫ October সে হানাদারের ভুমিকাতেই নামতে যাচ্ছে কি না তা তারাই জানে ।তবে তার প্রতিক্রিয়া বর্তমান ; যেমন বিরধী নেত্রীর গাড়ী বহরে আক্রমণ , সাবেক মন্ত্রী নাসিমের বক্তব্য, মঊদুদ আহাম্মেদ কে নিয়ে পুতুল খেলা ,DMP এর মাদ্ধমে ১৪৪ ধারার মতো করে সভা- সমাবেশ বন্ধ করা , পথে পথে পুলিশের গাড়ীর বাড়তি টহল । সাই সাই করে কালো পোশাকের গারিগুলির রাস্তা পারাপার । নিস্তব্ধ রাতের বুক চিরে সশব্দ হুইসেল ; এসবই তো দেশী হানাদারদের প্রস্তুতি মাত্র ।

আপর দিকে সাধারণ মানুসের নিসচুপ আতংক । অচল জীবনের ভয় , অসহায় হয়ে মার খাবার অপেক্ষা ।

একমাত্র আসার আলো BNP এর আন্দালন এবং শেষ থেকে আবারও ঘুরে দড়িয়ে সামনের দিকে আগিয়ে যাবার প্রবল আকাঙ্ক্ষা । যেমন দেখাগিয়েছিল ৭১ এ বাংলাদেশর সাধারণ মানুষকে জাগতে ।
যেমনি ভাবে ৯০ এ মহা বিপ্লবে মার খাওয়া BNP আর মার খাওয়া গণতন্ত্র পুনরায় দখল নিয়েছিল পিচ ঢালা "ঢাকার রাজপথের ; সেই "২৫ " আবারও জেগে উঠছে " ঢাকার রাজপথে" ।।

অজুত মিছিল , লক্ষ তরুণের স্লগান প্রকম্পিত "ঢাকা" শহরের হারিয়ে যাওয়া কণ্ঠ স্বর । এ শহরের শেষ বিকেলের লাল সূর্য অথবা কাকডাকা ভোরের কৃষ্ণচুড়া ..সব টুকু লাল হলে হোক ফিনকি দিয়ে ছিটকে পরা তরতাজা রক্তের তাজা খরস্রোত । পরোয়া করি না ভাত্রি ঘাতি বলদর্পীর অ সহিষ্ণু বুলেট অথবা রাইফেলের কালো কালো নল ।

দেখা হবে "রাজপথে" মশাল হাতে মুখো-মুখী ।
দেখা হবে "রাজপথে" রাইফেল কাঁধে অসহিষ্ণু অত্যাচারী বল্লম ধারির মুখো-মুখী । ।
দেখা হবে বিজয়ে ।। ।।

ঢাকা অবরোধ

BNP কর্মীরা কোন অবস্থাতেই ঘাবড়ে যাবেন না । রাজপথে BDR নেমেছে ।তাঁদের দেখে ভয় পাবার মত কিছু নাই । কর্মীরা সাহস ধরে রাখলে BDR উল্টা ঘাবরে যাবে । BDR , POLICE ,সরকার কিন্তু আসলেই অনেক ভঁয়ে আছে । তবে আগ বাড়িয়ে তাঁদের ক্ষতি করবেন না।
সম্ভব হলে গুলতি রাখুন আর তারসাথে মরীচের গুরা । আক্রমণের শিকার হলেও আপনি গ্রেফতার এরাতে গুলতি দিয়ে মরীচের গুরা ছুরুন অথবা সম্ভব হলে চুকতা পাতা সাথে রাখুন । দা বা কুড়াল নিলে প্রশাসন সন্দেহ করে তাই "সিলাই রেঞ্জ" ১" বা ২" মোটা ২-৩ ফুট লম্বা তার রাখুন বা বড় সাইজের স্ক্রু ড্রাইভার । ছোট ছোট চায়ের টং দোকানে থাকাকালীন সময়ে আক্রমণের শিকার হলে চায়ের দোকানে সর্বদা গরম পানি থাকে ; এই গরম পানি দিয়েও আক্রমণ প্রতিহত করা যাই। আমি নিজে একবার চায়ের দোকানের গরম পানি সন্ত্রাসীদের গায়ে ছুরে ফেলে পাড় খাওয়ার হাত থেকে বেচেছিলাম । আক্রান্ত হলে ভয় না পেয়ে প্রতি আক্রমণ করুন তারা ঘাবড়ে যাবে ; এ ক্ষেত্রে হাতে কিছু না থাকলে আক্রমণ কারি তলপেট , নাক বা অণ্ডকোষে সজরে একটা আঘাত ই যথেষ্ট । বেশি বিরত্ত না দেখিয়ে প্রতি আঘাত করেই সরে পড়ুন। গ্রেফতার এড়িয়ে পালিয়ে থাকলে চলবে না । গ্রেফতার এরাতে হবে এবং প্রতিয়াঘাত করে সরে পরতে হবে । সাধারণ মানুষের গাড়ি ভাঙলে দলের সুনাম ভীষণ ভাবে ক্ষতি হয়। প্র্যজনে শুধু আক্রমণ কারিদের সাজসরঞ্জাম কে অচল করে দিন। গেঙ্গি না পরে শার্ট পড়ুন । পেছন থেকে পুলিস ধরলে শার্টের বোতাম খুলে দেন দৌর । মনে রাখবেন অপনি দুর্বল নন। বরং আক্রমণ কারি রাই অনেক অনেক ভয় এবং আতংকে আছে ।

হরতাল effective হবে



আবার হরতাল effective হবে না।আমাদের image লীগের মত হবে জনগনেরে কাছে। শক্তি ক্ষয় হবে অযথা অযথার্থ। মুল কথা result আসবেনা। কস্ট করে 3 তিন দিন all around attack করুন। অবরোধ করেন ঢাকা, সচিবালয়ের সামনে স্থায়ী কমিটি নিয়ে স্থায়িভাবে বসে পরেন, লক্ষ লক্ষ fax email প্রসাসনের কাছে ও প্ত্রিকা টিভি অফিসে পাঠিয়ে অফিস অচল করুন, farm gate এ নিজেদের গারি গুলি এনে নিজেরা নিজ হাতে জ্বালিয়ে দেন। সারাদেশ কে ঢাকা ও চত্তগ্রাম থেকে বিচ্ছিন্ন করুন,, বেসি না একটানা ৭ দিনও যদি তা ধরে রাখার সাহস ও শক্তি এবং দেশের প্রতি ভক্তি দেখাতে পারবেন তো হাসিনার সরকার মাফ ও দোয়া দুইই চাইবে ও পালাবে।

প্রশাসন যে অত্যাচার করবে টা কিন্তু নিশ্চিত । অত্যাচার মেনে নিয়েই আন্দালন করতে হয়। আমাদের মানসিক শক্তি যথেষ্ট থাকলেই কেবল প্রতিরোধ সম্ভব ।
বিজয়ী হওয়া সম্ভব।
৯০ এর আগে BNP প্রমাণ করেছে আন্দালনে তারা অপ্রতিরদ্ধ। তখনকার Team work , সততা , সৎ ও সাংগঠনিক শক্তি আমাদের যদি এখনও অর্ধেকও অবশিষ্ট থাকে তবে এমন অবরোধ দিয়ে সরকার কে বিদায় দেওয়া অসম্ভব নয় ।

পার্টী অফিসে অবরুদ্ধ থাকতে বাধ্য হয়ে মানুষের করুণা পাওয়া যায় ঠিকিই কিন্তু আস্থা অর্জন করা যায় না । আমরা চায় না আওয়ামীলীগ বিরধীতার কারনে BNP এর অগ্রযাত্রা বরং নিজ গুনে BNP এর অগ্রযাত্রা অনেক অনেক বেশি টেকসয় হবে।।

Challenge গ্রহণ করার স-ক্ষমতা যুৎসয় না হলে শুশুই Anti আওয়ামীলীগ Imagination ই আমাদের ক্ষমতার উৎস হবে ।তাতে করে কি জাতীয়তাবাদী রা দীর্ঘ মেয়াদে বিজয়ী হবে ?

মানুষ কিন্তু শক্তের ভক্ত । আর তারা জানে Fortune favors the brave.

এখন দেখাতে বিসয় দলের Top to bottom আসালেই কত টা desperately dedicated and devoted to BNP and Bangladesh as well as genuine fair election n democracy.

একটি হারানো সংবাদ

একটি হারানো সংবাদ

গণতন্ত্র নামের ২২ বছর বয়সী একটি কিশোর হারানো গিয়েছে ।

গণতন্ত্র তুমি যেখানেই থাক না ক্যান তারাতা্রি বাড়ি ফিরে এস। সকলেই তোমার অপেক্ষাতে আছে ।
কেও যদি গণতন্ত্রের কোন খোঁজ পান অনুগ্রহ করে তাঁকে তাঁর গ্রামের বাড়ি পাঠিয়ে দিন ।

তাঁর জন্ম ১৯৯০ সালে।
তাঁর পরনে ছিল সবুজ জামা লাল পেন্ট , কোন আন্ডার অয়্যার পরা ছিল না ।
তাঁর চোখ টিয়ার সেলের অক্রমনে ঈষৎ লাল ।
সাউন্ড গ্রেনেডের বিস্ফরণে তাঁর কর্ণ কোন কর্ম করে না ।
তাঁর কোন অনারারী ডিগ্রী নায় ।

গণতন্ত্র তুমি বাড়ী ফিরে এসো । তোমার মা তোমার শোকে আজ মৃত্যু পথ যাত্রী ।।

ইসলামের কথা

ইসলামের কথা যখন খালেদা জিয়া বলেন ; মনে হয় সংখ্যা গুরু মানুষের প্রতিনিধিত্বের কথা , বিশ্বাসী মানুষের ইসলামের কথা।
ইসলামের কথা যখন জাকিরনায়েক বলেন ; মনে হয় বিজ্ঞান যুক্ত ইসলামের কথা

ইসলামের কথা যখন হেফাযতীরা বলেন ; মনে হয় শিক্ষা বঞ্চিত কিন্তু শান্তিকামী ইসলামের কথা।
ইসলামের কথা যখন শেখ হাসীনা বলেন ; মনে হয় ভূতের মুখে রাম নাম ।

ইসলামের কথা যখন এরশাদ বলেন ; মনে হয় ভন্ড পীর সাহেবের কথা ।
ইসলামের কথা যখন জামাতশিবির বলে ; মনে হয় লালসালু উপন্যাসের মাজারের কথা ।

ইসলামের কথা যখন মাওলানা ভাসানী বলেন ; মনে হয় ইসলামী শাসনের পথই আধুনিক ,যুক্তিযুক্ত এবং সময়োপযগী এবং একই সাথে গণতান্ত্রিক , এবং শ্রেণী বৈষম্য মুক্ত।

Breaking basket

Breaking basket

অতি গোপন সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো যাচ্ছে যে দেশ ও জাতির অতি দুরযগ কালেও BNP সরকার কে সহযোগিতা করছে না । আওয়ামীলীগের দাবী মোতাবেক জামাত-ই-ইস্লাম কে নিয়ে অবৈধ নির্বাচনে আসছে না । অতএব দেশ ও জাতির কথা চিন্তা করে মহামান্য India র স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্তের প্রতি নিষ্ঠা প্রদর্শন করে বাংলাদেশ জামাত-ই-ইসলাম এবং জাতীয় পার্টীর অনুরধে ৭১ এর চেতনা বিরধি ১৬ই ডিসেম্বরের জাতীয় প্যারেড বাতিল ঘোষণা করা হল ।
অতএব স্যংক্রিয় ভাবে বাতিল হল বিজয় দিবস ।
প্রিয় চেতনা বাদী ধজভংগ বন্ধুরা আপনারাই আমাদের সকল ক্ষমতার উৎস । আপনারা জানেন ঐ বিম্পির প্রতিষ্ঠাতা জনাব জিয়া মুছলমান পাকিস্তানি জাতির সাথে বেঈমানি করে যুদ্ধ করেছিল । আপনারা জানেন কোন শান্তি মারানি লোক যুদ্ধ করে না ; অতএব আমার প্রশ্ন জিয়া ক্যামন মুক্তিযোদ্ধা ছিল ? সে কেন আব্বার রক্ষীবাহিনীতে গেল না । সে আসলে ভাল না। অন্যদিকে দেখুন আমাদের দাদা ইন্ডয়া যুদ্ধ করে নি ; দাদাদের দেশে যারা যুদ্ধের নামে স্বদেশী হয়েছিল আমার দাদার দাদা করম চাঁদ গান্ধী তাঁদের নিবৃত করতে চেয়েছিল । ভগত সিং আমার দাদার প্রতিবেশী ছিল তবুও তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে ছিল ।ঝুলিয়েছিল কারন তাঁর যুদ্ধ বিরধি মন।
তাও কোন বিষয় না দাদা ; ভারত যেহেতু যুদ্ধ করে নি অতএব আমাদের জিয়া , ওসমানী , কাদের ওরা যুদ্ধ করে ঠিক কাজ করেনি । যুদ্ধ করে যারা তারা হল সব জঙ্গি, যুদ্ধবাজ ।

অতএব সংবিধানের খারাপ মৌলিক অধিকার গুলো যেমন স্থগিত করেছিলাম ঠিক তেমনি ভাবেই সোনার বাংলার স্বার্থে বিজয় দিবসও স্থগিত করে দিলাম ।
আমি স্থগিত করেছি ; সুতরাং ঐ বিম্পি আমাদের হিন্দুস্থানের কেশাগ্র স্পর্শ করতে পারবে না ।

জয় মা কালি

বল হরি , হরি বোল্‌

আন্দালনের ধরন ধীরে ধীরে পাল্টে যাচ্ছে



আন্দালনের ধরন ধীরে ধীরে পাল্টে যাচ্ছে ।।
সাধারণ মানুসদের নিরাপত্তার দায়িত্ব BNP র হাতে চলে আসছে ধীরে ধীরে ।।
আমাদের শত্রু পক্ষ কে এখন তৃণমূল কর্মীরাও Identify করতে পারছে ।
শত্রুদের জন্য সময় কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠেছে।।
BNP দলীয় কর্মীরা দলিয় কর্মী থেকে মানুষের ভরসা হয়ে উঠছে ।
সাধারণ মানুষেরা এই কর্মীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে উঠছে ।।

সরকারী নেতা কর্মীরা এবং তাঁদের Energy drink রা টতস্থ হয়ে উঠছে ।।

একন শুধুই অপেক্ষা ।।



রংপুরবাসী বন্ধুরা




রংপুরবাসী বন্ধুরা আমাদের ইমেল , ফোন , ফেক্স এর মাদ্ধমে অবিরত আবহিত করছেন যে তাঁদের ছাওয়াল হোসেন এরশাদের সদ্যই আক্কেল দাঁত গজিয়েছে । যেহেতু এই বালকের সুন্নতে খাতনা হয় নি এবং খৎনার আনন্দ উদজাপন করা যায়নি তাই তারা এরশাদের আক্কেল মারী গজানো উপলক্ষে ভুরিভোজের আয়োজন করেছে ।।

আমাদের পুলিশ BGB

আমাদের পুলিশ BGB দের অবস্থা মন দিয়ে লক্ষ্য করুন । তারা যেন এই আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের মধ্যেও হতাশ। তারা যখন check post এ তল্লাশির নামে হয়রানী করে তখন কোথায় যেন এক অপরাধবোধ কাজ করছে তাঁদের ভিতরে। হয়ত চাকরি হারাবার ভঁয়ে বা কঠিন Chain of command এর ছত্র ছায়াতে তাঁদের প্রাথিব দেহ আটকা পরে আছে কিন্তু তাঁদের মন বলছে অন্য কথা । নিজের বিবেকের কাছে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হতে হতে ক্লান্ত হয়ে পরছে তারা ।

তারা জানে এই মানুষ যাদের তারা নির্যাতন করতে বাধ্য হচ্ছে তারাই তাঁদের আসল শক্তি , আসল শেকড় । এই মানুষের মাঝেই এইদিন ফিরে যাবে তাঁর । যখন তাঁদের শরীরে আর বল থাকবে না তখন তথাকথিত সরকার বা সিস্টেমের চোখে তারই বোঝা হয়ে যাবে ।।

আজ যে পুলিশ গুলী করে মানুষ কে রক্তারত করছে , যে BGB জনপদের পর জনপদকে আতঙ্কিত করে মানুষের অভিশাপ কুরাচ্ছে ; সেই মানুষের কাছেই তাঁকে আবার সাহায্যের জন্য আসতে হবে যখন বিপ্লবের প্রবল স্রোতে আবর্জনার মত করেই ভেসে যেতে হবে এই সর্বনাশী সিস্টেম কে ।

মানুস মানুষ এবং একমাত্র এই জনমানুষই সবার নিরাপদ আশ্রয় ।। বিধাতার কাছে যাবার আগে তো মানুষই শেষ ভরসা !!!

মনে পরে ? ইরাক যুদ্ধের পরে আমেরিকান সৈনিকরা এক ধরনের চরম মানসিক ভারসম্ম হীনতায় ভুগছিল । অনেক খাটা খাটনির পরেও মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞরা এর কোন সমাধান দিতে পারে নায় ; তবে ঐ আসুখের একটা জুতসয় নাম দিয়েছিল "GOLF WAR Syndrome" ছিল সেই মানবিক যন্ত্রণা যুক্ত রোগের নাম ।

Basically উপরের আদেশে এবং যুদ্ধের আবেগে তারা সাধারণ ইরাকি মানুষের উপর যে প্রচণ্ড অনৈতিক ও সীমাহীন অত্যাচার করেছে এবং একটি সুখী সুন্দর দেশ কে যে নোংরা মিথ্যা ওজুহাতে মরুভূমির ধুলাতে মিশিয়ে দিয়েছে ; সেই ভয়ংকর অপরাধবোধ থেকেই এই চির জীবনের অশান্তি বয়ে বেরানোর রোগ তাঁদের পেয়ে বসেছে ।

আমেরিকার কোন প্রেসিডেন্ট বা জেনারেল বা CIA এজেন্ট কিন্তু এই অসুখে আক্রান্ত হয় নায় । এই অসুখ তাঁদের মধ্যেকার শুধু মাত্র তাঁদেরই আক্রমণ করেছে যাদের অন্তরের ভেতরে মানবিক আবেগ ছিল এবং মনুস্ততের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর শিক্ষা ছিল ।

আমরা জানি আমাদের বাংলাদেশের মানুষের আবেগের কথা , ভালবাসার কথা , বন্ধনের কথা ।
আমাদের এই অপাত পিসাচ পুলিশ ও BGB এর বন্ধু বা ভায়েরাও এই ভালবাসার বন্ধনের বাইরের কেও না ।। তাদেরও আচলে হাত মোছার মা আছে , বাবা আছে , লুকিয়ে থাকা প্রেমিকা আছে , দেরি করে ঘড়ে ফিরলে রাগ করার মত অভিমানী বৌ আছে ।

নিশ্চয় তারাও মানুষ হবে একদিন , একদিন না একদিন তারা ফিরে আসবেই তাঁদের হারিয়ে যাওয়া বিবেক নিয়ে , তাঁদের কঠিন চোখের কোনে দ্যু ফোঁটা অশ্রু আসবে মানুষের হারানো ভালবাসা ফিরে পাবার আশাতে । ।

বন্ধু বাংলাদেশী মানুষেরা আর আমাদের জেড ফোরস্‌ এর ট্রুপার্সরা আসুন আমরা আমরা তাঁদের জন্য প্রাথনা করি , আবারও আমাদের মাঝে গ্রহণ করি , তাঁদের সান্তনা দেই , তাঁদের মনে করিয়ে দেয় তারা আমাদেরই ভাই , তাদের ভেতরের লুকানো বিবেকের ভালবাসা কে আমরাও ভালবাসব যদি তারাও আমাদের সাথে এসে দেশকে ভালবেসে গেয়ে ওঠে আমাদের সাথেই আরও একজন খাঁটি " যুগান্তরের যাত্রী" র মত করে বেসুরো গলাতে " We shall over come some day ; oh o deep in my heart I do believe ,we shall over come some day "

তখন আমাদের এই বিপ্লব আলোর মিছিলে ভরে উঠবে তখন ।।
বাংলাদের জিন্দাবাদ

কোলকাতা পঙ্গু হাসপাতালে




কোলকাতা পঙ্গু হাসপাতালে জরুরী ভিত্তিতে একটি নতুন ৩০০ বেডের অত্যাধুনিক ইউনিট খোলা হয়েছে শুধু মাত্র বাংলাদেশী দের জন্য ।

সূত্র জানায় গণপিটুনিতে লুলা হয়ে যাওয়া বিশেষ গোত্রের বাংলাদেশী লোকদের জরুরী সেবা ও কাউন্সিলিং দেওয়াই ঐ হাসপাতালের উদ্দেশ্য । ।

মহিউদ্দিন খান আলমগির , মতিয়া চৌধুরী , টুকু , হাসানুল হক ইনু , কামরুল ইসলাম , মোজাম্মেল বাবু , শাহারিয়ার কবির , ইমরান ,সাহারা খাতুন ,শামিম ওসমান প্রমুখ শ্রীঘই বিশেষ পরিস্থিতিতে এই হাসপাতালের সেবা পাবার আশা বেক্ত করেছেন ।।
স্টাফ রিপরটার
সোনাগাছি
কলকাতা

এটা আমার বাপের দেশ




এটা আমার বাপের দেশ , পুরা বাংলাই তো আমার গোপালগঞ্জের প্রদেশ ।

ডিজিটাল বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন করে জাতীয়তা করা হবে "গোপালী" not বাঙ্গালী / Never বাংলাদেশী ।।

আব্বাই আমাকে একদিন ডেকে কানে কানে বলল আব্বার স্বপ্নদোষের কথা ;কাজেই এই বিম্পি কে মাটিতে মিশিয়ে দিতেই হবে । আমাদের পশ্চিম বাংলা আমাদের ভাই ; আমরা দ্যু ভাই বোন একবাপের হোটেলে খাব ; তো তোর বাপের কি ???

জয় মা কালী
কালী মা'র জয়
বল হরী , হরী বোল্‌

ভেঙ্গে ভেঙ্গে ঢাকা



ভেঙ্গে ভেঙ্গে ঢাকা আসুন ।। বিশেষত ঢাকা ঢোকার পথে । পুলিসের সাথে শহরে ঢোকার পথে Bargaining সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলুন । তারা চাইবেই আপনাকে এবং আপনার সাথের সহ-যোদ্ধাদের কে বিরক্ত করতে যাতে আপনি বাধ্য হন পুলিশ ও প্রশাসনের সাথে বিবাদে জড়াতে । এ ক্ষেত্রে দল নেতা হিসাবে যছেস্ট বুদ্ধুমত্তার পরিচয় দিন । যাত্রা পথে হওন মুসাফির , রাজপথে হওন কমান্ডার ।।
মাঙ্কি ক্যাপ এই শীতে খুব খুব গুরুত্ত পূর্ণ ।। ঠাণ্ডা থেকে বাঁচার জন্য যেমন ঠিক তেমনি Security kit হিসাবেও ।। পুলিশ আপনাকে দেখতে পারবে শুধুই আবয়বে ; চেহারাতে নয় । ভারী হেলমেটে পুলিশ বেশীক্ষণ এনার্জি ধরে রাখতে পারবে না । এমনকি ঘার ফেরানোও তাদের জন্য সহজ হবে না বেশীক্ষণ । আর তারা আপনাদের মত মাঙ্কি ক্যাপ পরবে না ইট আর পাটকেলের ভয়ে । আপনাদের গুলী খাবার স্মভবনা থাকলেও ইট পাটকেল খাবার সম্ভাবনা কম ।
রাতে পথ চলতে হবে অতএব টর্চ লাইট আপনার সাথে থাকতেই পারে । বর সাইজের টর্চ লাইট হলে আপনি এই টর্চকে হালকা উত্তম-মদ্ধম দেবার কাজেও ব্যাবহার করার সুযোগ পেতে পারেন ।

Hand Gloves ব্যাবহারে অভস্ত হতে পারলে আপনার অহেতুক আহত হবার চান্স কমে যাবে ।

আর অযাচিত আক্রমণে যাবেন না । সামান্য দু চার টা ঢিল ছুরার চেয়ে আক্রমণকারি দলের নেতা দের আগে প্রতিহত করুন ।। একের বোঝাই যেহেতু দশের লাঠি ; অতএব দশ জন এক হোন ।।

আর যদি তত্ত্বাবধায়ক সত্যিই আপনার প্রানের কথা হয় , অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ থেকে যদি মানুষকে মুক্তি দেবার নুন্ততম ইচ্ছা আপনার থাকে তবে ; কোন বিরাগ থেকে বলছি না , সম্পূর্ণ যুক্তি যুক্ত কারণেই বলছি দয়া করে "যুদ্ধঅপরাধ" বিষয়ে কোন কথা বলবেন না , কোন শ্লোগান দেবেন না ।। আপনার একটি নির্বোধ শ্লোগান বা ফেস্টুন কিন্তু পরের দিনের পত্রিকাতে আমাদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনার জন্য পর্যাপ্ত । এ ক্ষেত্রে দয়া করে মিডিয়া চরিত্র নিয়ে কাটা ছেরা করবেন না । অনেক মানুস আছেন যারা মিডিয়ার এই ভয়ঙ্কর নোংরা চরিত্র স্রেফ স্নপ্নেও চিন্তা করতে পারেন না । আর সুস্থ মিডিয়া তৈরি না হবার দায় তো আমাদেরও মুক্তি দেবে না ।।

জানি অর্থনৈতিক অবস্থা কারো ভাল নয় ।আর দরিদ্র মধ্য বিত্ত মানুষই bnp এর ভরসা । তবুও ৭/৮ দিন চলার মত পয়সা সাথে রাখতে পারলে ভাল হবে । কারন পলায়নপর হাফ পেন্ট পুলিশ টাকা পেলেও যেমন নিজের বাপকেও বেচে দিতে পারে তেমনি এই প্রচণ্ড শীতের রাতেও ট্রাউজার খুলে উপুর হয়ে হাটু গেঁড়ে শুয়ে পরতে পারে ।
তবে পুলিশ রাব এদের ক্ষেত্রে একটা কথা মনে রাখবেন ; এরা সারেন্ডার করার পথ খুজছে । কেঁউ যদি জনতার সামনে সারেন্ডার করতে চায় তবে সেই পুলিশ রেবদের সেই সুযোগ দিন । তাদের সাথেও মানবিক ব্যাবহার করুন । মানুষ আবারো বুঝবে BNP যেমন যুদ্ধ করতে জানে তেমনি ক্ষমাও করতে যানে ঠিক যেমন একজন বীরের চরিত্র । আমাদের ধর্মেও বলা আছে ক্ষমার কথা ।

আবারও বলি কৌশলই আসল গেম । মাথা খারাপ করবেন না । কোন অবস্থাতেই রেগে যাবেন না । এই আন্দালনে আপনার রাগ ক্ষোভ ভালবাসা সবই উন্মচিত হতে হবে শুধুমাত্র পরিস্থিতি যতটা দাবি করবে তার উপর ।।

গুলী বেশী দিন পরে থাকলে যেমন ডেম্প পরে যায় তেমনি অতিরিক্ত ব্যাবহার আপনাকে সহজ টার্গেটে পরিণত করবে । প্রতীটি মেধাবী , দক্ষ , এবং আন্তরিক ও সাহসী যোদ্ধাই আমাদের সহায় । কুচক্রী বা কুলাঙ্গার কেও থাকলে তাকে প্রথমেই পরিত্যাগ করুন । যুদ্ধ ক্ষেত্রে Step from back করতে পারে এমন লোক খুব খারাপ ।
আমরা Counter attack এ যাব প্র্যয়জনে ; সাথে সাথে আরো ভাল করে লক্ষ রাখব যেন আমরা Counter attack এর মুখে না পরি ।
সামনেই ফুটবল বিশ্বকাপ ।খেলা তো দেখবেনই !!! তাই না !!!
তাহলে জার্মানির মত শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জান বাজী রাখুন ; ইতালির মত পাথুরে Defense ধরে রেখে Counter attack এ যান । ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মত ক্লাসিক খেলুন । কোরিয়া জাপানের মত পরিশ্রমী ফুটবল খেলুন ।।
আর ? আর কি ? ম্যাডাম আজকে বলেছেন তিনি না থাকতে পারলেও আন্দালন চলবে , চালাতে হবে আমাদেরই । So জাতীয়তাবাদী যোদ্ধারা টেকনিক হিসাবে গার্ডয়লা কে ফলো করাই ভাল হবে ; স্ট্রাইকার কে যদি Red card দেখানো হয় তবে আমরা সবাই স্ট্রাইকার ।।

সবাই যদি স্ট্রাইকার হয়ে ওঠে তো ঠ্যাকাই আমাদের সাধ্য কার ??তঁ

ছাত্রদল হায়রে ছাত্রদল

BNP এর কাছে জোর দাবী ; ঢাকা শহর কে ভোটের হিসাব থেকে বাদ দেন । BNP এম্নিও জিতবে । ঢাকা কে দরকার হবে না । আর ঢাকার পতন ঘটাতে চাইলে ঢাকার বাইরের ঐ সব নেতা দের ডাকুন যারা বিভিন্ন সময় ঢাকা তে ছিল এবং আছে । তবে ঢাকা City র স্বার্থ সংশ্লিষ্ট না । দেখবেন কাজ হবেই হবে । দল ২০০০ এর পরে সোহেল-পিন্টু] দের পরে পরে যাদের ছাত্রদলের দায়িত্ব দিয়েছিল এটা নিশ্চয় জেনেই দিয়েছিল যে সংগঠন এর Future অন্ধকার হোক কারন সত্য এটাই ৯০ প্রবর্তিতে ছাত্রদল যেভাবে প্রভাববিস্তার করছিল তা অনেক বড় বড় বহু বড় নেতাদের জন্য সুবিধাজনক ছিল না ।তাই আমাদের আদরের দল খুব বুঝেসুনেই অযোগ্য অপদার্থ দের দায়িত্ব দিয়ে সব নষ্ট করেছে ।। আগে কিন্তু শিবির কে ছাত্র দল কোন প্রশ্রয় দিত না । অথছ দেখেন এই ছাত্র দল ই বাধ্য হয়েই প্রবর্তিতে শিবিরের সাথে ইজ্জৎ ভাগাভাগি করেছে ।
ইজ্জৎ যে ভাগাভাগির বস্তু না সেটা ছাত্রদল ঠিকি বুঝত , বুঝতো না শুধু মূল দল ।
" পালিয়ে এসেছি আমি লজ্জা ঘৃণাতে ; দু হাতে নয়ন ঢাকিয়া
হায় এ দৃশ্য দেখিবার আগে ক্যান মৃত্যু হয়লো না "____ নজরুলের এই কবিতা টা আজ বড্ড মনে পরে ।।

Bastard "N" tv

Bastard "N" tv
Bastard " Bangla vision"

এই বে জন্মা গুলীই যখন এমন আচারন করে তখন অন্যদের দোষ ক্যামনে দেব ।
অন্যরা যত খারাপই হোক না ক্যান At least loyal to master টাইপ ।
But আমরা যে দুটি কে দুধ কলা দিয়ে লালন করলাম তারা তো একজোরা কালসাপ ।
না কি মিথ্যা বললাম শেহা র মত ?

হায়রে ঢাকা

এত দিনেও ঢাকা শহর তার আদরের জাতীয়তাবাদীদের আন্দালনে গর্বিত হতে পারেনি । আর পারবে বলে মনে করার যথেষ্ট কারন নায় যদি না কোন নাটকীয় কিছু না ঘটে ।
এই এক ঢাকা শহরের জন্য আমরা সমগ্র বাংলাদেশ জুড়ে চলা জাতীয়তাবাদীদের বিপ্লবকে মিয়য়ে যেতে দিতে পারিনা ।
এমনিতেই আমরা আনেকবার সুইসাইড আটেম নিয়েও বেঁচে গেছি মেডাম জিয়ার take care এর কারনে । এই মুহূর্তের আন্দালনে ঢাকা শহর রশদ যোগাতে না পারলে নার্ভ অবশ হয়ে মরা ব্যতীত বিকল্প নায় । সো যেটুকু সময় আছে টার্গেট ঠিক করুন , পয়েন্ট ঠিক করুন । শয়ে শয়ে পিকেটিং করার যোগ্যতা যেহেতু নায় অতএব তাই করেন যা একা একা বা দু,জন চার পাচ জন মিলে করা যায় ।। রাহাজনি করার ক্ষমতা আপনাদের নায় বলে যে ছিচকে চুরিও করতে পারবেন না ; তা বিশ্বাস করি না ।
মনদিন সরকারী অফিসে , পার হন পুলিশ বক্স আর পুল ।
মনে রাখবেন এই পারাপারই আমাদের পুলসিরাত পার হওয়া । অন্যথায় বাঘের মত করে বাচার আশা বাদ দিন । মরুন অথবা শিয়ালের মত বা নেড়ি কুত্তার মতই বাচুন ।
আরও একটা কথা পরিষ্কার জানে রাখুন ' এই সরকারের গুহ্য দ্বার যতই চাটাচাটি করুক না ক্যান ঢাকা শহরের নেতারা ; ওরা সময় মত আপনাদের স্ফুট মুখেই মল ত্যাগ করে দেবে ।।

দুঃখিত আমাকে গালাগাল করলে করেন ; That is not the issue.
Dhaka city কে জাগাতে না পারলে তৃণমূল জাতীয়তাবাদী যোদ্ধাদের অভিসাম্পাতেই ঢাকার বীচি কাটা নির্বীর্য নেতাদের শরীর রক্ত শূন্য হয়ে যাবে ;
আওয়ামীলীগের আগুনের চেয়ে মম্ফসালের কর্মীদের দীর্ঘশ্বাসের যন্ত্রনা অনেক বেশি বেশি শক্তিশালী ।।

বিখ্যাত কেলেঙ্গারির অডিও বা ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ




দেসের কিছু বিখ্যাত কেলেঙ্গারির অডিও বা ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ হয়েছে

১ প্রভা রাজীব
২ জয়নুল আবেদিনের পরকীয়া
৩ মিম ও তার বয় ফ্রেন্ড
৪ ইনু ও বুবু


দেবতা ও ভগবান

হিন্দুরা যে গ্রন্থটি সবচেয়ে বেশি পড়ে তা হলো গীতা। তবে তাদের সবচেয়ে পবিত্র ধর্ম গ্রন্থ হচ্ছে বেদ। কোন বিষয় নিয়ে যাদি কোন মতভেদ তৈরি হয় তবে হিন্দুরা বেদ কে প্রাধান্য দেয়।

হিন্দুদের মধ্যে ঈশ্বর কত জন তা নিয়ে মত ভেদ আছে। কেউ বলে ৩, কেউ বলে ৩০ আবার কেউ বলে ৩৩ কোটি। আসুন দেখি হিন্দু ধর্মগুলো ঈশ্বরের সংখ্যা নিয়ে কি বলে

<b>ভগবত গীতাঃ</b>

<i>"সে তত্ত্বদর্শী মহাত্মা বা পরমাত্মাই সব কিছু" - এরূপ লোকে জানতে পারে না। কারন ভোগের কামনা দ্বারা তাদের মন অভিভূত হয়েছে। সেজন্য তারা স্বীয় প্রকৃতি অর্থাৎ জন্ম জন্মান্তরের অর্জিত সংস্কারের স্বভাবের দ্বারা প্রেরিত হয়ে "আমি পরমাত্মা" থেকে ভিন্ন অন্য দেবতাগনের এবং তাদের প্রচলিত নিয়ামের আশ্রয় নেয়। [Bhagavad Gita 7:20]
"</i>
Those whose intelligence has been stolen by material desires surrender unto demigods and follow the particular rules and regulations of worship according to their own natures." [Bhagavad Gita 7:20]

<b>ঊপনিষাদঃ</b>

<i>1. "Ekam evadvitiyam"
"He is One only without a second."
"ঈশ্বর এক এবং অদ্বিতীয়।"
[Chandogya Upanishad 6:2:1]</i>

২. "Na tasya pratima asti"
"There is no likeness of Him."
" <i>তার (গড) কোন প্রতিমা বা ছবি নেই</i>"
[Svetasvatara Upanishad 4:19]

<b>বেদঃ
</b>
1. "na tasya pratima asti"
"There is no image of Him."
" তার (গড) কোন ছবি না প্রতিমা নেই"
[Yajurveda 32:3]

২. "Andhatama pravishanti ye asambhuti mupaste"
"They enter darkness, those who worship the natural
elements" (Air, Water, Fire, etc.). "They sink deeper
in darkness, those who worship sambhuti."
>>"যারা প্রাকৃতিক বস্তুর (Asambhûti's বাতাস, পানি, আগুন ইত্যাদি) পূজা করে তারা অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছে"
[Yajurveda 40:9]

The Brahma Sutra of Hinduism is:
"Ekam Brahm, dvitiya naste neh na naste kinchan"
"There is only one God, not the second; not at all, not at all, not in the least bit."
>> ঈশ্বর এক এবং একজন, দ্বিতীয় কেউ নেই, আদৌ নেই, নূন্যতমও কেউ নেই"

<b>পরিষ্কার বুঝাই যাচ্ছে হিন্দু ধর্মগ্রন্থ মতে ঈশ্বর এক। তাহলে এখন প্রশ্ন হচ্ছে বেশির ভাগ হিন্দু কেন প্রতিমা পূজা করে?? যা কিনা তাদের গ্রন্থ অনুসারে মহাপাপ।

আরও একটু clear হতে চায়লে ঃ
http://islamicv.tk/index.php?sid=a4fdd229d19de4cc365fb6b96fed28a3

নতুন জেনারেসনের vote




২০০৮ এর নির্রবাচনে নতুন জেনারেসনের যে ছেলে মেয়ে গুলি আওয়ামীলীগ কে আলো ভেবে ভোট দিয়েছিল ; তাদের ও তাদের অনাগত পরিবারের ভোট ইহ জীবনে আর আওয়ামীলীগ বা আওয়ামীপন্থীরা কেও পাবে বলে আমার মনে হয় না।
আর এইটাই আওয়ামীলীগের সবচে গভীরতম ক্ষত।
এরাই BNP এর জন্য সবচে গুরুত্তবাহি
"ঈশকাপণের টেক্কা "
দেখার বিসয় এই সোনার ডিম পারা হাসগুলী সঠিক জত্নে লালন করছে না কি একবারে পাবার লোভে কল্লা কাটছে।।

সংসদ তো বাতিল

আগের সংসদ তো বাতিল করা হয় নি !! অর্থাৎ BNP এর ৩০ জন সাংসদ এখনো বহাল । তো তারা যদি অধিবেশনে যোগ দেবার জন্য সংসদে হাজির হয় বা সংসদ সদস্য হিসাবে প্রধান বিচারপতির কাছে Schedule চান ; তো নির্ঘাত ভ্যারা ছ্যারা বাধবে ; ফলাফল আইনের কাছে নালিশ জানাবেন হয়ত ডঃতুহিন মালিক ।। জমবে কিন্তূ ব্রো...

Hamty Damty





Hamty Damty sat on a wall ;
Hamty Damty had a great fall

তেনারা যেহেতু বুঝতে চাচ্ছেন না, তাই শিশুতোস ছড়া টা মনে পড়ল।

তেলতেলে বাশ বেয়ে দেওয়ালে উঠে আস্তানা গেরে বসলে ধপাস করেই পড়তে হয়।
রাজার সৈন্য সামন্ত দের কিচ্ছু করার থাকে না। থাকবে কি করে? রুগী মড়িবার পর ডাক্ত্রারের একমাত্র কাজ Death Certificate ইশু করা আর মুল কাজটা ডোমই করে।

ভৃত সন্তান প্রসব




বুবুর সরকার বাহাদুরের ক্রিতদাসী ভৃত সন্তান প্রসব করেছে । এনিয়ে রাজ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে । কারন দাস পুত্র সম্পত্তির ভাগ দাবী করছে ।বিশ্বস্ত সুত্র এ খবর নিশ্চিত করেছে ।
নিউজঃ X ফাস্ট লেডে রওশন এরশাদ তার অনুগত পুত্র কইন্যা দের জন্য মন্ত্রিত্ত দাবী করেছে ।

প্রতিবন্ধী




দেশটা কে যদি প্রতিবন্ধী বানাতে না চাও তো ঝাঁপিয়ে পর নতুন উদ্যমে। চলো সবাই একসাথে বসি , কথা বলি , সিধান্ত নেই । আবার কখনো দেখা হবেনা ধরে নিয়েই কথা বলি ; আর যদি কথা না হয় তো আমরা নিজ জায়গাতে দড়িয়ে কোন লক্ষ্য নিয়ে আগাবো সেটাই সুনির্দিষ্ট করি । টীম সিকিমের বেয়নেটের খোঁচা খাবো না কি খুচিয়ে খুচিয়ে শত্রুকে পারাস্ত করব সেই সিধান্ত নিই আজ এবং এখনই । এক্ষণই নয় তো কক্ষনো হবে না । যা পরিস্থিতি দাবী করলে কাল থেকে করতে হত তা যেন আমরা দূরদৃষ্টি দিয়ে আজই দেখে নেই ।আগামী কালের কাজটা এক্ষণই শুরু করি ; যে কাজটা আসলে আমাদের গতকাল করার কথা ছিল । আজ তবু সময় আছে ; কাল হয়ত স্যং আজরাইলও জান কবজ করার সময় পাবে না ।

রোগ নির্ণয়



আমাদের পেজ আর গ্রুপ গুলী সবসময়ই দলের জন্য প্রেরনা হিসাবে কাজ করেছে । চরম খারাপ সময়েও চূড়ান্ত সাহস দেখিয়েছে ।
এখন ইদানীং দেখছি প্রায় সবাই বিশেষত রথী মহা রথীরা খালি আন্তর্জাতিক বুলী কপচাচ্ছেন । আন্তর্জাতিক আলাপ করেন ঠিক আছে , ভাল কথা খুব ভাল ক্কথা ; কিন্তু মাঠের আন্দালন কে Pause দিয়ে না ।
ইদানীং আমাদের দলের ছেলে মেয়েরা নেট এ ঢুকেই প্রথমেই আমেরিকা , ভারত আমাদের কি নসিহত দিচ্ছে সেটা নিয়ে বেতিবেস্ত হয়ে যাচ্ছে ।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গুরুত্ত মেনে নিয়েই বলছি লোকাল পলিটিক্স কে বেশি গুরুত্ত দিন ; লোকাল রাজনীতির শক্তিই মুলত আন্তর্জাতিক রাজনোইতিক সমর্থন আদায়ের সবচে কার্যকর অস্ত্র। ।
উপড়ে ফিট ফাট ভীতরে সদর ঘাট ; লাভ নায় ভাই লাভ নায় । লাভের গুঁড় পিপীলিকা হজম করে ফেলবে ।
ঘড়ের ভিতর টা আগে পরিস্কার হোক , বুকের ভেতরের যন্ত্রটা আরো একটু দক্ষ হয়ে উঠে আরো পরিশ্রমী হাতে রক্ত পাম্প করুক ; দেখবেন মগজে তৈরি হওয়া ব্লকেজ গুলী আস্তে আস্তে কেটে যাচ্ছে । হাত পা গুলীকে একটু চলাফেরা করান ; সেখানে রক্ত চলাচল আরেকটু সাবলীল হোক ; দেখবেন অমাবরসার রাতে বাতের ব্যেথা থেকে পরিত্রাণ পাচ্ছেন ।
লিভার বলেন বা কলিজা বলেন হজম শক্তি ফিরে আসুক দেখবেন রাজনৈতিক আন্দালনের কাঠিন্য থেকে মুক্তি আসবে । ভাল ভাবেই মল ত্যাগ হবে ।
ডাক্তার সাহেব তো আপনার রোগ নির্ণয়ের জন্য স্টুল পরীক্ষা করেন । তাই না ।
তো ঐ আপাত আরামদায়ক মল লেব্রটারিতে নিয়ে পরীক্ষা করুন নিরীক্ষা করুন ; দেখবেন রোগ নির্ণয় হয়ে যাবে ।
একবার যদি রোগ নির্ণয় হয়ে যায় তো আমাদের ঠেকায় কোন হাওয়্যার পুত ।

হালুয়া রুটি দল

হালুয়া রুটি দল হালুয়া রুটি দল
 জাতিয়তাবাদী হালুয়া রুটি দল গঠনের দাবি জানাচ্ছি। সেই সাথে আমাকে বিপ্লবী হালুয়া রুটি দলের সভাপতি পদ বিক্রয় কারজক্রমের ডিলার হিসাবে নিয়গের দাবিতে আনসনে যাচ্ছি।

সম্রাট হুমায়নের দুর্ধর্ষ মোঘল বাহিনী



সম্রাট হুমায়নের দুর্ধর্ষ মোঘল বাহিনীকে বার বার অতিস্ট করে তুলেছিল শের শাহ্‌ বাহিনী ; যেখনে বড় বড় শক্তি গুলী রীতিমত কাপড় ভিজিয়ে ফেলত মুঘল সাম্রাজ্যের ব্যইরাম বেগ [ব্যইরাম খান হিসাবে পরিচিত] এর বাহিনির বিরুদ্ধে যুদ্ধের কথা জানলে ।
এই মুঘল দের সেই সময়ের সবচে শক্তিবান গোলন্দাজ বাহিনী ছিল বড় বড় কামানে ভরপুর ।

অথছ শের শাহ্‌ এই কামান বাহী গোলন্দাজ বাহিনীকেই বলেছিলেন সম্রাট হুমায়নের তথা মুঘলদের সবচেয়ে দুর্বল দিক হিসাবে । এবং তার এই হিসাব ছিল সাংঘাতিক সফল । কারন শের শাহ্‌ র মতে কামান দিয়ে সহজে আক্রমণ করা যায় কিন্তু ধীর গতির জন্য প্রতি আক্রমণে ব্যের্থ হতে হয় ; বিশেষত দুর্বল ও গেরিলা বাহিনীর বিরুদ্ধে ।

শের শাহ্‌ র মতে মুঘল বাহিনীর সবচেয়ে শক্তিশালী দিক ছিল সম্রাট হুমায়নের খেয়ালি আচারন কারন এই খেয়ালী আচারনের জন্য শের শাহ্‌ র পক্ষে কোন ভাবেই সম্ভব হতো না হুমায়নের যুদ্ধ পূর্ব এবং যুদ্ধকালীন কৌশল সম্পর্কে বিন্দু মাত্র ধারনা করা ।
ইন্ডিয়ান আগ্রাসন ও টীম সিকিম এর ক্ষেত্রে কি একই কথা প্রযজ্য নয় ?

এর সমাধান একটাই

বীর যোদ্ধারা বরং চলেন নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে আওয়ামিলিগ কে কিভাবে ক্ষমতাতে আনা যায় সেই হিসাব করি । ওদের বিজয়ের ফরমুলা দিতে পারলে নিশ্চয় দল নিরপেক্ষ সরকার তারা নিরবাচনের প্রয়জনে বেবস্থা করবে ।
তো কি হতে পারে সেই ফ্রমুলা ?
সিম্পেথী ভোট ; one any only way left for B.A.L is sympathy vote .
এখন কি ঘটলে মানুস তাদের প্রতি করুনার বসবরতি হয়ে আওয়ামিলিগকে ভোট দেবে ???

এর সমাধান একটাই ।
বলুন তো সেটা কি হতে পারে ???