মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০১৩

Book worm inside the book

বই এর ভেতর পোকা 

শয্যা- সঙ্গী





সাংবাদিক হাসান মাসুদ এর স্ট্যাটাস দেখলাম ।উনি বলছেন    _____
"নবম ও দশম শ্রেণীর বাংলা বইয়ে এবার ১৩ জন ভারতীয় আধুনিক কবির কবিতা ছাপা হয়েছে।
ভারতের পাঠ্য বইয়ে কি আমাদের কবিদের কবিতা স্থান পায়
?"

নিশ্চিত হবার জন্য cross check করলাম। ঘটনা সত্য ।১০০% হালাল । News এ মোটেও Confusion নাই । কিন্তু বন্ধুরা এটাও তো মানেন Culture , literature, music এই গুলির কোন সীমান্ত নাই। সাহিত্য কে কোনদিনও কেউ "কাটা তারেত বেড়া" দিয়ে Immigration বন্ধ করে রাখতে পারে নি।অনেকেই চেষ্টা করেছে অতীতে , নিশ্চিত ভবিশ্বতেও সেই একই বার্থ প্রচেষ্টা চলবে। হয়তো সাময়িক সময়ের জন্য সফলও হবে। তবে তাঁর পরিণতি ভয়াবহ হবে ;মানুষ প্রতিক্রিয়া দেখাবে যেমন অতীতে দেখিয়েছে।
উধাহরন পর্যাপ্ত রয়েছে । নজরুলের  অনেক সাহিত্য কর্ম British রা নিষিদ্ধ করেছিল , তাঁকে জেলে পুরেছিল।পাকিস্তানিরা পুরব-পাকিস্তানের মিউজিক থেকে রবীন্দ্রসংগীত কে বিতারন করবার চেষ্টা করেছিল। হাল আমলে so called নারীবাদী লেখিকা তসলিমা নাস্রিন এর অনেক লেখা Bangladesh , India তে Ban করা হয়েছে।
Pablo Neruda বেশ লম্বা সময় নির্বাসিত জীবনযাপন করেছেন।

এত কিছু কড়েও কিন্তু Cultural Migration একটুও বন্ধ করা যাই নাই।
আবার আসি Bangladesh এ Class 9 class 10 এর Syllabus প্রসঙ্গে ।সেখানে Indian ১৩ জন কবির ১৩ টি কবিতা জুড়ে দেয়া হয়েছে। এই কাহিনীর মধ্যে নীতি গত ভাবে বা খোলা চোখে খারপ কিছু দেখি না। যেমন অনেক ভিনদেশী লেখকের গল্প ,কবিতা ইতিমধ্যেই আমাদের সিলেবাস এ আছে। Higher education এ তো অবশ্যয় , এমন কি H.S.C লেবেলেও আমরা এইসব বিদেশী লেখকের লেখা পড়েছি।

কিন্তু কথা উঠছে যখন Indian লেখক এর লেখা পাঠ্য বই এ আসছে।
আমরা প্রাই সকলেই একটা ধাক্কা খাচ্ছি যখন এই Indian poet দের কথা শুনছি। আমি বুঝতে চাই ক্যান আমরা ধাক্কা টা খাচ্ছি আর ক্যানই বা Indian poet দের লেখা আমাদের পাঠ্য সূচি তে স্থান পেল। যখন পাঠ্য বইয়ের লেখা বাছাই করা হয় অত্তান্ত সতর্কতার সাথে, বইয়ের আকার , লেখার বিষয় , লেখার ইতিহাস,স্থান কাল পাত্র , এবং নীতি নৈতিকতা , গ্রহণ যোগ্যতা সকল বিষয় পর্যাপ্ত সতর্কতার সাথেই করা হয় বলেই আমরা মানি।
অতি সম্প্রতি পাঠ্য বইয়ে অসংখ্য পরিবর্তন করা হয়েছে বিশেষত নিকট অতীত ইতিহাস নিয়ে ।যা করাটা ছিল রাজনৈতিক ভাবে মাত্রাতিরিক্ত ঝুঁকি পূর্ণ। যার অর্থ দাড়াই শিক্ষা বিষয়ে সকল দিকে সর্ব সতর্কতা ও বিশুদ্ধতা অতি অতি অপরিহার্য।
সেখানে Indian লেখনি কোন বিবেচনাতে স্থান করে নিল ।হ্যাঁ এটা ঠিক নিকট প্রতিবেশী হিসাবে India সম্পর্কে আমাদের Future generation এর বিস্তারিত জানাতা খুব গুরুত্ব পূর্ণ। এই ক্ষেত্রে আমাদের Focus থাকার কথা Indian strategy , politics, foreign policy social atmosphere এই সকল বিষয়ে। Indian সাহিত্য গান বা এই সকল বিষয় আমাদের চর্চা করাটা অতান্ত অনুচিত এবং বিলাসিতা । বিলাসিতার কিন্তু কোন কারণ থাকে না। মানুষ বিলাসিতা করে শুধু মাত্র বিলাসী কারনেই। যার অঢেল আছে বিলাসিতা শুধুই তাদের জন্য। আমাদের দেশের গরিবি মানের শিক্ষা বাবস্থা তে আর যাই হোক বিলাসিতার স্থান থাকা টা সাংঘাতিক অন্যায় । এই বিলাসিতা যখন শিক্ষা বাবস্থা ও ইন্ডিয়ান কবিতা নিয়ে ঘটে তখন এর পরিণাম ভয়াবভ ।Indian attitude এর উপযুক্ত জবাব অমরা কোনদিন দিতে পারিনি কিন্তু ভবিসস্তে দিতে পারত নতুন generation যারা আগামী ৭ বা ৮,৯ বছর পর কর্ম ক্ষেত্রে প্রবেশ করবে। অথছ আমরা তাদের Literature কে সেচ্ছা তে ডেকে অনলাম। এই Literature এর প্রবেশ ; শুধুই Literature নয় , এই Literature এক মাদক। শুধু Indian Literature ই না বাংলা সহ সকল ভাসার Literature ই এক ধরনের প্রবল Drug. নির্ভর করে মানুষের উপর এই Drug তাঁকে মহাপ্রয়াণ এর পথে নিয়ে যাবে নাকি সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব "আস্রাফুর মাখলুকাত" হবার পথে একটু সাহায্য করবে।
Indian TVC আর সিরিয়াল দেখেও আমরা সতর্ক হলাম না উপরন্তু Indian কবিদের কবিতা সহ ঘড়ে আনলাম।
 
বন্ধুরা ভুলেগেলে চলবে না পাঠ্য পুস্তকএ এই সংযোজিত Indian কবিতা কোন মানুষ কে মানুষ বানাবে না যেহেতু ঐ কবিদের চলাচল Bangladesh এর প্রতি চরম বৈরী ভাবাপন্ন এক সমাজের কবি। কে না জানে কবিরাই তাদের নিজ নিজ জাতির বিবেক। তাদের সেই সমাজে Bangladesh এর প্রতি মনোভাব কেমন সেটা নিশ্চয় মাননীয় সরকার বাহাদুর এর স্মরণ ছিল না। স্মরণে থাকলে এই পেটমোটা "ফ্রাঙ্কস্তাইন" কে Bangladesh এ ওপেন মার্কেটের পণ্যের এর মতো আমদানি করতে অন্তত মানুষের বিবেক এ বাঁধ সাধার কথা ।

শনিবার, ২৫ মে, ২০১৩

বিদ্রহি

Collection

বিদ্রহি

Kazi Nazrul Islam


বল বীর
বল উন্নত মম শির!
শির নেহারী' আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রীর!
বল বীর
বল মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি'
চন্দ্র সূর্য্য গ্রহ তারা ছাড়ি'
ভূলোক দ্যূলোক গোলোক ভেদিয়া
খোদার আসন ‘আরশ’ ছেদিয়া,
উঠিয়াছি চির-বিস্ময় আমি বিশ্ববিধাতৃর!
মম ললাটে রুদ্র ভগবান জ্বলে রাজ-রাজটীকা দীপ্ত জয়শ্রীর!
বল বীর
আমি চির-উন্নত শির!
আমি চিরদুর্দম, দূর্বিনীত, নৃশংস,
মহাপ্রলয়ের আমি নটরাজ, আমি সাইক্লোন, আমি ধ্বংস!
আমি মহাভয়, আমি অভিশাপ পৃথ্বীর,
আমি দূর্বার,
আমি ভেঙে করি সব চুরমার!
আমি অনিয়ম উচ্ছৃঙ্খল,
আমি দ’লে যাই যত বন্ধন, যত নিয়ম কানুন শৃঙ্খল!
আমি মানি না কো কোন আইন,
আমি ভরা-তরী করি ভরা-ডুবি, আমি টর্পেডো, আমি ভীম ভাসমান মাইন!
আমি ধূর্জটী, আমি এলোকেশে ঝড় অকাল-বৈশাখীর
আমি বিদ্রোহী, আমি বিদ্রোহী-সুত বিশ্ব-বিধাতৃর!
বল বীর
চির-উন্নত মম শির!
আমি ঝঞ্ঝা, আমি ঘূর্ণি,
আমি পথ-সম্মুখে যাহা পাই যাই চূর্ণি’।
আমি নৃত্য-পাগল ছন্দ,
আমি আপনার তালে নেচে যাই, আমি মুক্ত জীবনানন্দ।
আমি হাম্বীর, আমি ছায়ানট, আমি হিন্দোল,
আমি চল-চঞ্চল, ঠমকি’ ছমকি’
পথে যেতে যেতে চকিতে চমকি’
ফিং দিয়া দেই তিন দোল্‌;
আমি চপোলা-চপোল হিন্দোল।
আমি তাই করি ভাই যখন চাহে এ মন যা’,
করি শত্রুর সাথে গলাগলি, ধরি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা,
আমি উন্মাদ, আমি ঝঞ্ঝা!
আমি মহামারী, আমি ভীতি এ ধরীত্রির;
আমি শাসন-ত্রাসন, সংহার আমি উষ্ণ চির অধীর।
বল বীর-
আমি চির-উন্নত শির!
আমি চির-দূরন্ত দুর্মদ
আমি দূর্দম মম প্রাণের পেয়ালা হর্দম্‌ হ্যায় হর্দম্‌ ভরপুর্‌ মদ।
আমি হোম-শিখা, আমি সাগ্নিক জমদগ্নি,
আমি যজ্ঞ, আমি পুরোহিত, আমি অগ্নি।
আমি সৃষ্টি, আমি ধ্বংস, আমি লোকালয়, আমি শ্মশান,
আমি অবসান, নিশাবসান।
আমি ঈন্দ্রাণী-সুত হাতে চাঁদ ভালে সূর্য
মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ তূর্য;
আমি কৃষ্ণ-কন্ঠ, মন্থন-বিষ পিয়া ব্যথা বারিধির।
আমি ব্যোমকেশ, ধরি বন্ধন-হারা ধারা গঙ্গোত্রীর।
বল বীর-
চির-উন্নত মম শির!
আমি সন্ন্যাসী, সুর সৈনিক,
আমি যুবরাজ, মম রাজবেশ ম্লান গৈরিক।
আমি বেদুইন, আমি চেঙ্গিস,
আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কূর্ণিশ।
আমি বজ্র, আমি ঈষাণ-বিষানে ওঙ্কার,
আমি ইস্রাফিলের শৃঙ্গার মহা-হুঙ্কার,
আমি পিনাক-পাণির ডমরু ত্রিশুল, ধর্মরাজের দন্ড,
আমি চক্র-মহাশঙ্খ, আমি প্রণব-নাদ প্রচন্ড!
আমি ক্ষ্যাপা দুর্বাসা, বিশ্বামিত্র-শিষ্য,
আমি দাবানল-দাহ, দহন করিব বিশ্ব।
আমি প্রাণ-খোলা হাসি উল্লাস, -আমি সৃষ্টি-বৈরী মহাত্রাস
আমি মহাপ্রলয়ের দ্বাদশ রবির রাহু-গ্রাস!
আমি কভু প্রশান্ত, -কভু অশান্ত দারুণ স্বেচ্ছাচারী,
আমি অরুণ খুনের তরুণ, আমি বিধির দর্পহারী!
আমি প্রভঞ্জনের উচ্ছাস, আমি বারিধির মহাকল্লোল,
আমি উজ্জ্বল, আমি প্রোজ্জ্বল,
আমি উচ্ছল জল-ছল-ছল, চল ঊর্মির হিন্দোল-দোল!-
আমি বন্ধনহারা কুমারীর বেনী, তন্বী নয়নে বহ্নি,
আমি ষোড়শীর হৃদি-সরসিজ প্রেম উদ্দাম, আমি ধন্যি!
আমি উন্মন, মন-উদাসীর,
আমি বিধবার বুকে ক্রন্দন-শ্বাস, হা-হুতাশ আমি হুতাশীর।
আমি বঞ্চিত ব্যথা পথবাসী চির গৃহহারা যত পথিকের,
আমি অবমানিতের মরম-বেদনা, বিষ-জ্বালা, প্রিয় লাঞ্ছিত বুকে গতি ফের
আমি অভিমানী চির ক্ষূব্ধ হিয়ার কাতরতা, ব্যাথা সূনিবিড়,
চিত চুম্বন-চোর-কম্পন আমি থর থর থর প্রথম পরশ কুমারীর!
আমি গোপন-প্রিয়ার চকিত চাহনি, ছল ক’রে দেখা অনুখন,
আমি চপল মেয়ের ভালোবাসা, তাঁর কাঁকণ-চুড়ির কন্‌-কন্‌।
আমি চির শিশু, চির কিশোর,
আমি যৌবন-ভীতু পল্লীবালার আঁচর কাঁচুলি নিচোর!
আমি উত্তর-বায়ু মলয়-অনিল উদাস পূরবী হাওয়া,
আমি পথিক-কবির গভীর রাগিণী, বেণু-বীণে গান গাওয়া।
আমি আকুল নিদাঘ-তিয়াসা, আমি রৌদ্র-রুদ্র রবি
আমি মরু-নির্ঝর ঝর-ঝর, আমি শ্যামলিমা ছায়াছবি!
আমি তুরীয়ানন্দে ছুটে চলি, এ কি উন্মাদ আমি উন্মাদ!
আমি সহসা আমারে চিনেছি, আমার খুলিয়া গিয়াছে সব বাঁধ!
আমি উত্থান, আমি পতন, আমি অচেতন চিতে চেতন,
আমি বিশ্বতোরণে বৈজয়ন্তী, মানব-বিজয়-কেতন।
ছুটি ঝড়ের মতন করতালী দিয়া
স্বর্গ মর্ত্য-করতলে,
তাজী বোর্‌রাক্‌ আর উচ্চৈঃশ্রবা বাহন আমার
হিম্মত-হ্রেষা হেঁকে চলে!
আমি বসুধা-বক্ষে আগ্নেয়াদ্রী, বাড়ব বহ্নি, কালানল,
আমি পাতালে মাতাল, অগ্নি-পাথার-কলরোল-কল-কোলাহল!
আমি তড়িতে চড়িয়া, উড়ে চলি জোড় তুড়ি দিয়া দিয়া লম্ফ,
আমি ত্রাস সঞ্চারি’ ভুবনে সহসা, সঞ্চারি ভূমিকম্প।
ধরি বাসুকির ফণা জাপটি’-
ধরি স্বর্গীয় দূত জিব্রাইলের আগুনের পাখা সাপটি’।
আমি দেবশিশু, আমি চঞ্চল,
আমি ধৃষ্ট, আমি দাঁত দিয়া ছিঁড়ি বিশ্ব-মায়ের অঞ্চল!
আমি অর্ফিয়াসের বাঁশরী,
মহা-সিন্ধু উতলা ঘুম্‌ঘুম্‌
ঘুম্‌ চুমু দিয়ে করি নিখিল বিশ্বে নিঝ্‌ঝুম
মম বাঁশরীর তানে পাশরি’।
আমি শ্যামের হাতের বাঁশরী।
আমি রুষে উঠে যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া,
ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোযখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া!
আমি বিদ্রোহ-বাহী নিখিল অখিল ব্যাপিয়া!
আমি শ্রাবণ-প্লাবন-বন্যা,
কভু ধরনীরে করি বরণীয়া, কভু বিপুল ধ্বংস ধন্যা-
আমি ছিনিয়া আনিব বিষ্ণু-বক্ষ হইতে যুগল কন্যা!
আমি অন্যায়, আমি উল্কা, আমি শনি,
আমি ধূমকেতু জ্বালা, বিষধর কাল-ফণী!
আমি ছিন্নমস্তা চন্ডী, আমি রণদা সর্বনাশী,
আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি!
আমি মৃন্ময়, আমি চিন্ময়,
আমি অজর অমর অক্ষয়, আমি অব্যয়!
আমি মানব দানব দেবতার ভয়,
বিশ্বের আমি চির-দুর্জয়,
জগদীশ্বর-ঈশ্বর আমি পুরুষোত্তম সত্য,
আমি তাথিয়া তাথিয়া মাথিয়া ফিরি স্বর্গ-পাতাল মর্ত্য!
আমি উন্মাদ, আমি উন্মাদ!!
আমি চিনেছি আমারে, আজিকে আমার খুলিয়া গিয়াছে সব বাঁধ!! আমি পরশুরামের কঠোর কুঠার,
নিঃক্ষত্রিয় করিব বিশ্ব, আনিব শান্তি শান্ত উদার!
আমি হল বলরাম স্কন্ধে,
আমি উপাড়ি' ফেলিব অধীন বিশ্ব অবহেলে নব সৃষ্টির মহানন্দে।
মহা- বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত
আমি সেই দিন হব শান্ত,
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল, আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না,
অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না -
বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত
আমি আমি সেই দিন হব শান্ত!
আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন,
আমি স্রষ্টা-সূদন, শোক-তাপ-হানা খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব-ভিন্ন!
আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দেবো পদ-চিহ্ন!
আমি খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন!
আমি চির-বিদ্রোহী বীর -
আমি বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা ; চির-উন্নত শির!

বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৩

স্লোগান

বাংলাদেশ এ প্রচলিত কিছু   Slogan 
শয্যা- সঙ্গী







  •              জ্বালো জ্বালো , আগুন জ্বালো
  •  
  •     _ _ _এর গদি তে আগুন জ্বালো এক সাথে ।
  •  
  •             দিয়েছি তো রক্ত ; আরও দেবো রক্ত ।
  •  
  •             রক্তের বন্যাই ; ভেসে যাবে অনন্যাই ।
  •  
  •   _ _ _ এর কাল হাত; ভেঙে দাউ ;গুঁড়িয়ে দাউ ।
  •  
  •             লড়াই লড়াই , লড়াই চাই ;লড়াই করেই বাচতে চাই ।
  •  
  •             জয় বাঙলা ।
  •  
  •             এলাকা বাসীর পক্ষ থেকে লাল গলাপ শুভেচ্ছা ।
  •  
  •    _ _ _ তোমার ভয় নাই ; রাজপথ ছারি নাই ।
  •  
  •    _ _ _ভাই জেলে কেন ;_ _ _ জবাব চাই ।
  •  
  •    _ _ _ভাইয়ের আগমন ; শুভেচ্ছা স্বাগতম ।
  •  
  •            আমাদের ধমনী তে ; শহীদের রক্ত ।
  •  
  •            ঐ তালেবান রাজাকার ;এই মুহূর্তে বাঙলা ছাড়
  •  
  •            চুল ফোলা খালেদা ; আড় করিস না ঝামেলা ।
  •  
  •            শেখ হাসিনা বুবু জান;এ দেশ ছেরে ভারত যান  ।
  •  
  •   _ _ _ এগিয়ে চল ; আমরা আছি তোমার সাথে   ।
  •            
               ৮৬ র বেইমান ; বংলা ছেরে ভারত-জান
  •            ৮৬ র বেইমান ; শেখ হাসিনা বুবু জান ।

দৈনিক আমারদেশ


অন্ধকারের প্রলয়
শয্যা- সঙ্গী
News media গুলির উপর কার কালো হাত ?

 
 
 
http://www.amardeshonline.com/pages/home/2013/05/23

বন্ধু রা এইটা বিষয় না আমরা কেউ "আমার দেশ" পছন্দ করি বা না করি। সরকারী লাল ফাইল আড় অপ-রাজনিতির মারপ্যাঁচে "দৈনিক আমার দেশ" প্রকাশ হচ্ছে না এটাই বড় লজ্জার কথা।
On-Line version এ "দৈনিক আমার দেশ" এখনও পরা যাই এটাও বড় খবর।

"দৈনিক আমার দেশ" আমরা পড়ি বা না পড়ি ; "দৈনিক আমার দেশ" এর On-Line version এ CLICK আমরা করতে পারি; News media"দৈনিক আমার দেশ" paper back version এর উপর যে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে তাঁর প্রতিবাদে গণতান্ত্রিক মানুষের দাঁত ভাঙ্গা জবাব হিসাবে।
এখনই সময় !! প্রতিবাদী হতে click করা যাই ___________________________________

http://www.amardeshonline.com/pages/home/2013/05/23

রবিবার, ১৯ মে, ২০১৩

অবার আসবে বালাকোট

হাসান হাফিজের কবিতা

অবার আসবে বালাকোট

ব্রেলভীরা জাগবেই

আবার ছুটবে ঘোড়া

পথে প্রান্তর

আবার উড়বে ধূলো

চমকাবে শমশির

মায়েরা প্রার্থনায়

তুলবে দু‘হাত

বধুরা সেজদায়

আনত হবে

আবার বাধবে লড়াই,

মুজাহিদ লড়বেই



আবার প্রভাত হবে

খুন ঝরবে

ফুল ফুটবে

নিশান উড়বে

জেহাদ জেহাদ রবে

মুখরিত হবে দশ দিক

পথে পথে দুশমন

বেরিকেড দেবে

গুপ্তঘাতকের দল ওঁৎ পেতে

ছুড়বে গোপন বান



গ্রেনেড ছুড়বে

বাড়ী পুড়বে

পাড়া ঘুরবে

আমরা শুধু বেকুবের মত

ঢেলে যাবো খুন, না,না,

তা হবে না-



এবার আমরাই হবো

দুরন্ত ঈগল

দুরন্ত অশ্ব হবো

চৌকস যোদ্ধা হবো

আমাদের রণ কৌশল

ও অবিশ্বাস্য

ক্ষিপ্রতায়

স্তম্ভিতে হবে

আজদাহা দুশমন

অস্ত্রের আঘাতে দেব

অস্ত্রের প্রত্যঘাত

বুদ্ধির বদলে দেবো

মেধার চমক

ঠোটের জবাব দেবো

ঠোট দিয়ে,আর

কলমের জবাব

দেবো সিদ্ধ কলমে ।


আবার আসবে বালাকোট

আসবে জিহাদ

আবার গ্রেনেড ফুটবে

বুলেট ছুটবে

আবার উড়বে ধুলো

বাধবে লড়াই


অবার

খুন ঝরবে

ফুল ফুটবে

অবার প্রভাত হবে

নিশান উড়বে

জেহাদ জেহাদ রবে

মুখরিত হবে দশদিক।

হিজুবিগি

হারাম জাদা-জাদির শয্যা সঙ্গী


৫৬,০০০ বর্গ কিঃমিঃ এর বাংলাদেশ এ মৌলিক অধিকার এর অভাব টাই সবচেয়ে প্রকট এবং দৃষ্টিকটু ।এখানে সংবাদপত্র বা টি ভি অথবা অপরাপর নিউজ এজেন্সি এর অভাব নাই। খাবার , পানিয় , বস্ত্র সব কিছুই আছে।মাত্রাতিরিক্ত না হলেও ন্যূনতম প্রয়জন মেটানোর ক্ষেত্রে খুব বেশি সমস্যা হবার কথা নয়।


যাই হউক রাজনীতি বিষয়ে ফিরে যাই।

News agency গুলি বিশ্ব রাজনীতির গতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রন করে so অনেক রাজ-রিশিরা সংবাদ নিয়ত্রন করাটাকেই উত্তম মনে করেন। এখানে এসেই গুরু ;শুরু জন্ম দেন নতুন এক গারবেয game এর।
Adolf Hitler এর কথা মনে আছে ? আধুনিক রাজনীতি যে তারই উৎরসরই তা কিন্তু "নিপাতনে সিদ্ধ" । ১০০০ বার একটা মিথ্যা কে ঠিক বলে প্রচার করলে ; মিথ্যা টাই সত্য বলে সত্ত্ব লাভ করে। এ ক্ষেত্রে poet Shakespeare এর একটা বাণী শরণ করা যাই " The truth is beauty ; the beauty is truth" 
আমাদের politicians রা আরও এক কাঠি বেশি Intellectual , তারা বুজলেন politics এর ভাসাঁতে । "Truth আর beauty" হয়ে গেল "policy এবং news.Quatation টা হয়ে গেল " The policy is news; the news is policy" 
দ্যু দিন আগে INTERNET এর upload speed কমে গেলো ।মানুষ গালাগাল করলো । মানুষ করল তো সরকার বাহাদুর এর কি এমন এসে যাই। বাহাদুর সরকার তখন অন্য এক বিখ্যাত কবির [কবির নাম মনে নাই]কবি্তা quote করল 
" কুকুরের কাজ '
কুকুর করেছে;
কামড় দিয়েছে পায়।
তাই বলে কি 
কুকুরের কাজ ;
মানুষের শোভা পাই?"
সরকার বাহাদুর আবার Mind না করে আমাকে ভুল বুঝে। এখানে প্রতীকী অর্থে 
কুকুর =পাবলিক
if মানুষ = Government.
গুণীজনেরা বাহবা দিল। তাঁরা মতামত দিলেন। ভোজ সভাতে ভোজন ক্রলেন।অল্প বিস্তর পান করলেন এবং Comments book এ note দিলেন
"U tube এ যেহেতু Real time ভিডিও দেখা যাই না সেহেতু "Up side down" হওয়াই শ্রেয়।" 
তা অনেক ভেবে অনেকেই বলল 'ভিডিও দেখা ছাড়া আর কি কাজ পোলা-মাইয়া রা এমন করে যে তাদের 
'Up side down" হলে সমস্যা !! সত্যিই তো !! কি বিচিত্র !! 
এই কথা শুনে বীর বাঙ্গালী ছেলে রা চুপ হয়ে গেল ।তাঁরা হতবম্ভ হয়ে গেল।কিন্তু মাইয়া রা সরাসরি প্রতিবাদ করে নিজেদের দুশ্চরিত্র প্রমান করতে দ্বিধা করল না। দুষ্ট মেয়েরা বলে ফেল্ল "Up side down" হলে আমাদের চলবে না। আমাদের বাপ দাদা , মা, দাদী পিসিদের আর সরকার বাহাদুর , বাহাদুরানি দের যদিও অতিতে up side down
নিয়ে সমস্যা হয়নি।
অশ্লীল নঙরা কথা শুনে গুণী জন্এরা আহত বোধ করলেন। তাঁরা সমস্বরে পলা-পান দের "হারাম-জাদা , হারাম জাদি" আখ্যা দিলেন। 
মুরুব্বি দের সাথে বেশি বাড়াবাড়ি করা উচিৎ না ; কারন তাদের অভিজ্ঞতা তাদেরকে জ্ঞানী করেছে। 
অবশেষে ভূমণ্ডলে শান্তি আসলো কারণ পলা-পান রা তাদের বাব-দাদা বয়সী জ্ঞানী দের গালাগাল মেনে নিল । তাদের মায়েদের কথা ভুলে গেল।বাবাদের কথা কে সত্য বলেই মেনে নিল।

Bird feed

Bird fidder


আমাদের অনেকের বাসার জানালা বা sunset এ পাখী রা উরে এসে বসে। আমরা তাদের কোন কিছু দিলে তারা সেটা খাই। আমরা এই কাজ টা আরও সুন্দর করে করতে পারি।বাসাতে যদি BABY থাকে তারা এটা দেখতে পছন্দ করবে। সেই সাথে পাখিদের প্রতি প্রদাধ ভালবাসা তৈরি হবে। এটা সেই ভালবাসা যার জন্য সে প্রতিদান চাইবে না। জীবনের অনেক গুরুত্ত পূর্ণ একটা Lesson হতে পারে এটা।

বড় কথা বড় ভাব

বড় বড় কথা







দ্যু'দিন আগেই তো টিভি তে দেখলাম P.M বাহাদুর বক্তৃতা দিচ্ছেন।অনেক ভালো ভালো কথা তিনি বলেন প্রায়। উদার গণতন্ত্রের কথা, উন্নত অর্থনীতির কথা ,মানবাধিকারের কথা বলেন। স্বাধীনতার মর্ম কথার মর্মভেদী বর্ণনা তাঁর মুখেই সচারচার public শোনে ।

কখনও p.m জনসভা তে দারিয়ে দেশ-দ্রহী দের সায়স্তা করার কথা বলেন; শুনতে কিন্তু বেশ ভাল লাগে। মাঝবয়সী মনেও রণ ডঙ্কা বাজিয়ে দেন তিনি। আমরা আশাবাদী হই।আমাদের দেশ অবশই Singapore/Malaysia হয়ে যাবে। 

আমরা শুনি উনি অনেক কিছু ন জানেন , বুঝেন। "পরিবেশ" উনার আগ্রহের বিষয় , উনার প্রতিপক্ষের চেয়ে উনি যোজন যোজন অগ্রগামী আধুনিক চিন্তা ঝারাতে। "মানবাধিকার" কে সবচেয়ে প্রাধান্ন দেন তিনি। Computer / technology/ecology উনি আগ্রহ নিয়ে চিন্তা করেন। 

আমি এবং আমরা এই বিষয় গুলি তে বিশ্বাস করি মাননীয়া P.M কে। দুষ্ট লকেরা উনাকে আগে Trust করত না। এটা সেইসব দুষ্ট লোকদের সমস্যা। 

তবে এত দিনে দুষ্টু মানুষের নিশ্চয় ঘুম ভেঙেছে। দেশবাসী বা বিশ্ববাসী সবারই ভুল ভেঙে ছে। সবাই এখন ১ বাক্কে নয় বরং বিনাবাক্কে বলেন মাননীয়া P.M আধুনিক সব কিছু কে উন্নত বলতে দ্বিধা বোধ করেন না। তিনি নির্ভীক এবং স্পষ্ট পথে চলতে পছন্দ করেন । 

সেই কারনেই বর্তমান সরকার কোন দ্বিধা দন্দ না করে Direct ; internet up-load speed কমিয়ে দিয়েছেন। তিনি অপচয় পছন্দ করেন না তো তাই বোধকরি 75% [-] speed এই আমরা Direct DIGITAL Geography পেয়ে যাব !!!!!!!